সাম্প্রদায়িক সহিংসতা প্রতিরোধে দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা জরুরি

দেশে সাম্প্রদায়িক সহিংসতা প্রতিরোধে দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা জরুরি বলে মন্তব্য করেছেন বিশিষ্টজনেরা। তারা বলেন, সময় এসেছে সাম্প্রদায়িক সহিংসতার কারণ খতিয়ে দেখার। এই সহিংসতাকারীদের চিহ্নিত করে তা প্রতিরোধে দীর্ঘমেয়াদী পরিকল্পনা গ্রহণ করতে হবে। গতকাল বিকেলে রাজধানীর কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে আয়োজিত প্রতিবাদ সমাবেশে এই আহ্বান জানান তারা।

সম্প্রতি সার্বজনীন শারদীয় দুর্গোৎসবে কুমিল্লা, চৌমুহনী, রংপুরের পীরগঞ্জ, চট্টগ্রাম, চাঁদপুরের হাজিগঞ্জসহ ২২টি জেলা ও দেশের বিভিন্ন স্থানে সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের মন্দিরে হামলা, প্রতিমা ভাঙচুর, সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের বাড়িঘর লুটপাট ও তাদের ওপর নির্যাতনের ঘটনায় এই প্রতিবাদ সমাবেশ আয়োজন করা হয়। ‘সাম্প্রদায়িক সহিংসতার বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়াও’- এই স্লোগানকে সামনে রেখে ৬৮টি নারী, মানবাধিকার ও উন্নয়ন সংগঠনের প্ল্যাটফর্ম ‘সামাজিক প্রতিরোধ কমিটি’-এর আয়োজন করে।

বাংলাদেশ মহিলা পরিষদের কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি ডা. ফওজিয়া মোসলেমের সভাপতিত্বে এবং বাংলাদেশ নারী প্রগতি সংঘের উপ-পরিচালক শাহনাজ সুমীর পরিচালনায় সমাবেশে অন্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন- মানুষের জন্য ফাউন্ডেশনের নির্বাহী পরিচালক শাহীন আনাম, বাংলাদেশ নারী প্রগতি সংঘের নির্বাহী পরিচালক রোকেয়া কবীর এবং গণস্বাক্ষরতা অভিযানের নির্বাহী পরিচালক রাশেদা কে চৌধুরী। সমাবেশে ঘোষণা পাঠ করেন আইন ও সালিশ কেন্দ্রের পরিচালক নিনা গোস্বামী।

সমাবেশে সাম্প্রদায়িক সহিংসতা প্রতিরোধ করে মুক্তিযুদ্ধের চেতনার বাংলাদেশ গড়তে আইসিটির ৫৭ ধারা বাতিলসহ বিভিন্ন দাবি জানানো হয়। বিশিষ্টজনরা বলেন, শিক্ষাব্যবস্থার পরিবর্তন আনতে হবে, সব ধর্মের মানুষকে সমান মর্যাদা দিতে হবে, জনপ্রতিনিধি ও জনগণসহ সবাইকে অসাম্প্রদায়িক হতে হবে। ডিজিটাল আইনের অপপ্রয়োগ বাদ দিয়ে সংখ্যালঘু নির্যাতনকারীদের দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালে বিচার দাবি করা হয়।

তারা বলেন, যারা মুক্তিযুদ্ধের চেতনাবিরোধী, সাম্প্রদায়িক সহিংসতা করছে তাদের এদেশ ছেড়ে চলে যাওয়া উচিত। যারা ওয়াজের মাধ্যমে ধর্মীয় বিদ্বেষ ছড়াচ্ছে, তাদের বিরুদ্ধে সরকারকে কঠোর ব্যবস্থা নিতে হবে। সংবিধানের ৪টি স্তম্ভের উল্লেখ করে তারা বলেন, বাঙালি সংস্কৃতির চর্চা আমাদের সামগ্রিক জীবনে কমে আসছে। আজ সকল কিছুতেই ধর্ম নিয়ে আসা হচ্ছে। প্রাতিষ্ঠানিকভাবে ধর্মচর্চার সুযোগ সীমিত হয়ে আসছে। রাজনীতিতে ধর্ম নিয়ে আসা হচ্ছে। যত সমালোচনাই করি না কেন, রাজনীতিকে সাম্প্রদায়িকতা মুক্ত করতে না পারলে প্রশাসন, সংস্কৃতি ও অর্থনীতিসহ সমাজকাঠামো কখনোই অসাম্প্রদায়িক হতে পারবে না।

সামাজিক প্রতিরোধ কমিটি সাম্প্রদায়িক সহিংসতার ঘটনাসমূহের তীব্র নিন্দা প্রকাশ করে। প্রতিবাদ সমাবেশে তারা বলেন, আমাদের মুক্তিযুদ্ধ সংঘটিত হয়েছিল হিন্দু, মুসলিম, বৌদ্ধ, খ্রিস্টান, আদিবাসীসহ সকল নারী-পুরুষের অংশগ্রহণে একটি গণতান্ত্রিক, সমতাভিত্তিক, অসাম্প্রদায়িক দেশ গড়ার লক্ষ্যে। আমাদের সংবিধানে দেশের সকল মানুষের সমঅধিকারের কথা উল্লেখ আছে, কিন্তু দুঃখের সঙ্গে আমরা লক্ষ্য করছি যে, গত কয়েক দশক ধরেই এই ধরনের সাম্প্রদায়িক হামলার ঘটনা আমাদের সমাজে ঘটেই চলেছে, যা আমাদের অনেক বড় বড় অর্জনকে ম্লান করে দিচ্ছে এবং সকল বৈচিত্রকে ধারণ করে পরমত সহিষ্ণুতা ও সকল ধর্ম, বর্ণ, গোত্রের মানুষের মিলেমিশে বসবাসের নীতির ক্ষেত্রে ব্যত্যয় ঘটাচ্ছে মুক্তিযুদ্ধের অসাম্প্রদায়িক চেতনাকে ম্লান করছে দেশের সংবিধানকে অবমাননা করা হচ্ছে।

ইতোপূর্বে সংঘটিত সাম্প্রদায়িক হামলার সঙ্গে জড়িত অপরাধীদের শাস্তি না হওয়ায় ক্রমাগত এই ধরনের ঘটনা ঘটে চলেছে জানিয়ে সংগঠনের নেতারা বলেন, এই সকল সাম্প্রদায়িক সহিংসতার সঙ্গে জড়িত সব অপরাধীদের চিহ্নিত করে উপযুক্ত শাস্তির আওতায় আনতে হবে এবং পাশাপাশি এদের ইন্ধনদাতাদেরও খুঁজে বের করে নিরপেক্ষ তদন্ত সাপেক্ষে তাদের স্বরূপ সকলের সামনে উন্মোচন করে শাস্তির আওতায় আনতে হবে। বার বার এই ধরনের সাম্প্রদায়িক সহিংসতার পুনরাবৃত্তিরোধে সমাজের মননশীলতা গঠনের ওপর রাষ্ট্র, রাজনৈতিক দল, নাগরিক সমাজ ও পরিবারকে গুরুত্ব দিতে হবে।

সভাপতির বক্তব্যে ফওজিয়া মোসলেম বলেন, এই ধরনের ঘটনা পুনরাবৃত্তি হতে দেয়া যাবে না। প্রকৃত দোষীদের আইনের আওতায় আনার দাবি জানান তিনি।

সমাবেশে সংহতি জানান, ঘাতক দালাল নির্মূল কমিটির উপদেষ্টা বিচারপতি শামসুদ্দীন আহমেদ মানিক, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদের ডিন সাদেকা হালিম, বাংলাদেশ জাতীয় মহিলা আইনজীবী সমিতির সভাপতি অ্যাড. সালমা আলী, সম্মিলিত সাংস্কৃতিক জোটের সভাপতি গোলাম কুদ্দুছ, রাজনীতিবিদ পঙ্কজ ভট্টাচার্য, প্রজন্ম একাত্তরের আসিফ মুনীর, হিন্দু-বৌদ্ধ-খিস্ট্রান ঐক্য পরিষদের উপদেষ্টা কাজল দেবনাথ, স্টেপস টুয়ার্ডস ডেভেলপমেন্টের নির্বাহী পরিচালক রঞ্জন কর্মকার এবং আদিবাসী নারী নেটওয়ার্কের সমন্বয়কারী ফালগুনী ত্রিপুরা। এছাড়া সামাজিক প্রতিরোধ কমিটির সহযোগী সংগঠনের দেড় শতাধিক নেতাকর্মী উপস্থিত ছিলেন। সমাবেশের শুরুতে প্রতিবাদী গান পরিবেশন করে উদীচী শিল্পীগোষ্ঠী। সমাবেশ শেষে শহীদ মিনার থেকে স্বোপার্জিত স্বাধীনতা চত্বর পর্যন্ত বিক্ষোভ মিছিল অনুষ্ঠিত হয়।

মঙ্গলবার, ০২ নভেম্বর ২০২১ , ১৭ কার্তিক ১৪২৮ ২৫ রবিউল আউয়াল ১৪৪৩

সাম্প্রদায়িক সহিংসতা প্রতিরোধে দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা জরুরি

নিজস্ব বার্তা পরিবেশক

image

সাম্প্রদায়িক সহিংসতার প্রতিবাদে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে বিশিষ্টজনদের সমাবেশ -সংবাদ

দেশে সাম্প্রদায়িক সহিংসতা প্রতিরোধে দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা জরুরি বলে মন্তব্য করেছেন বিশিষ্টজনেরা। তারা বলেন, সময় এসেছে সাম্প্রদায়িক সহিংসতার কারণ খতিয়ে দেখার। এই সহিংসতাকারীদের চিহ্নিত করে তা প্রতিরোধে দীর্ঘমেয়াদী পরিকল্পনা গ্রহণ করতে হবে। গতকাল বিকেলে রাজধানীর কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে আয়োজিত প্রতিবাদ সমাবেশে এই আহ্বান জানান তারা।

সম্প্রতি সার্বজনীন শারদীয় দুর্গোৎসবে কুমিল্লা, চৌমুহনী, রংপুরের পীরগঞ্জ, চট্টগ্রাম, চাঁদপুরের হাজিগঞ্জসহ ২২টি জেলা ও দেশের বিভিন্ন স্থানে সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের মন্দিরে হামলা, প্রতিমা ভাঙচুর, সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের বাড়িঘর লুটপাট ও তাদের ওপর নির্যাতনের ঘটনায় এই প্রতিবাদ সমাবেশ আয়োজন করা হয়। ‘সাম্প্রদায়িক সহিংসতার বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়াও’- এই স্লোগানকে সামনে রেখে ৬৮টি নারী, মানবাধিকার ও উন্নয়ন সংগঠনের প্ল্যাটফর্ম ‘সামাজিক প্রতিরোধ কমিটি’-এর আয়োজন করে।

বাংলাদেশ মহিলা পরিষদের কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি ডা. ফওজিয়া মোসলেমের সভাপতিত্বে এবং বাংলাদেশ নারী প্রগতি সংঘের উপ-পরিচালক শাহনাজ সুমীর পরিচালনায় সমাবেশে অন্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন- মানুষের জন্য ফাউন্ডেশনের নির্বাহী পরিচালক শাহীন আনাম, বাংলাদেশ নারী প্রগতি সংঘের নির্বাহী পরিচালক রোকেয়া কবীর এবং গণস্বাক্ষরতা অভিযানের নির্বাহী পরিচালক রাশেদা কে চৌধুরী। সমাবেশে ঘোষণা পাঠ করেন আইন ও সালিশ কেন্দ্রের পরিচালক নিনা গোস্বামী।

সমাবেশে সাম্প্রদায়িক সহিংসতা প্রতিরোধ করে মুক্তিযুদ্ধের চেতনার বাংলাদেশ গড়তে আইসিটির ৫৭ ধারা বাতিলসহ বিভিন্ন দাবি জানানো হয়। বিশিষ্টজনরা বলেন, শিক্ষাব্যবস্থার পরিবর্তন আনতে হবে, সব ধর্মের মানুষকে সমান মর্যাদা দিতে হবে, জনপ্রতিনিধি ও জনগণসহ সবাইকে অসাম্প্রদায়িক হতে হবে। ডিজিটাল আইনের অপপ্রয়োগ বাদ দিয়ে সংখ্যালঘু নির্যাতনকারীদের দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালে বিচার দাবি করা হয়।

তারা বলেন, যারা মুক্তিযুদ্ধের চেতনাবিরোধী, সাম্প্রদায়িক সহিংসতা করছে তাদের এদেশ ছেড়ে চলে যাওয়া উচিত। যারা ওয়াজের মাধ্যমে ধর্মীয় বিদ্বেষ ছড়াচ্ছে, তাদের বিরুদ্ধে সরকারকে কঠোর ব্যবস্থা নিতে হবে। সংবিধানের ৪টি স্তম্ভের উল্লেখ করে তারা বলেন, বাঙালি সংস্কৃতির চর্চা আমাদের সামগ্রিক জীবনে কমে আসছে। আজ সকল কিছুতেই ধর্ম নিয়ে আসা হচ্ছে। প্রাতিষ্ঠানিকভাবে ধর্মচর্চার সুযোগ সীমিত হয়ে আসছে। রাজনীতিতে ধর্ম নিয়ে আসা হচ্ছে। যত সমালোচনাই করি না কেন, রাজনীতিকে সাম্প্রদায়িকতা মুক্ত করতে না পারলে প্রশাসন, সংস্কৃতি ও অর্থনীতিসহ সমাজকাঠামো কখনোই অসাম্প্রদায়িক হতে পারবে না।

সামাজিক প্রতিরোধ কমিটি সাম্প্রদায়িক সহিংসতার ঘটনাসমূহের তীব্র নিন্দা প্রকাশ করে। প্রতিবাদ সমাবেশে তারা বলেন, আমাদের মুক্তিযুদ্ধ সংঘটিত হয়েছিল হিন্দু, মুসলিম, বৌদ্ধ, খ্রিস্টান, আদিবাসীসহ সকল নারী-পুরুষের অংশগ্রহণে একটি গণতান্ত্রিক, সমতাভিত্তিক, অসাম্প্রদায়িক দেশ গড়ার লক্ষ্যে। আমাদের সংবিধানে দেশের সকল মানুষের সমঅধিকারের কথা উল্লেখ আছে, কিন্তু দুঃখের সঙ্গে আমরা লক্ষ্য করছি যে, গত কয়েক দশক ধরেই এই ধরনের সাম্প্রদায়িক হামলার ঘটনা আমাদের সমাজে ঘটেই চলেছে, যা আমাদের অনেক বড় বড় অর্জনকে ম্লান করে দিচ্ছে এবং সকল বৈচিত্রকে ধারণ করে পরমত সহিষ্ণুতা ও সকল ধর্ম, বর্ণ, গোত্রের মানুষের মিলেমিশে বসবাসের নীতির ক্ষেত্রে ব্যত্যয় ঘটাচ্ছে মুক্তিযুদ্ধের অসাম্প্রদায়িক চেতনাকে ম্লান করছে দেশের সংবিধানকে অবমাননা করা হচ্ছে।

ইতোপূর্বে সংঘটিত সাম্প্রদায়িক হামলার সঙ্গে জড়িত অপরাধীদের শাস্তি না হওয়ায় ক্রমাগত এই ধরনের ঘটনা ঘটে চলেছে জানিয়ে সংগঠনের নেতারা বলেন, এই সকল সাম্প্রদায়িক সহিংসতার সঙ্গে জড়িত সব অপরাধীদের চিহ্নিত করে উপযুক্ত শাস্তির আওতায় আনতে হবে এবং পাশাপাশি এদের ইন্ধনদাতাদেরও খুঁজে বের করে নিরপেক্ষ তদন্ত সাপেক্ষে তাদের স্বরূপ সকলের সামনে উন্মোচন করে শাস্তির আওতায় আনতে হবে। বার বার এই ধরনের সাম্প্রদায়িক সহিংসতার পুনরাবৃত্তিরোধে সমাজের মননশীলতা গঠনের ওপর রাষ্ট্র, রাজনৈতিক দল, নাগরিক সমাজ ও পরিবারকে গুরুত্ব দিতে হবে।

সভাপতির বক্তব্যে ফওজিয়া মোসলেম বলেন, এই ধরনের ঘটনা পুনরাবৃত্তি হতে দেয়া যাবে না। প্রকৃত দোষীদের আইনের আওতায় আনার দাবি জানান তিনি।

সমাবেশে সংহতি জানান, ঘাতক দালাল নির্মূল কমিটির উপদেষ্টা বিচারপতি শামসুদ্দীন আহমেদ মানিক, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদের ডিন সাদেকা হালিম, বাংলাদেশ জাতীয় মহিলা আইনজীবী সমিতির সভাপতি অ্যাড. সালমা আলী, সম্মিলিত সাংস্কৃতিক জোটের সভাপতি গোলাম কুদ্দুছ, রাজনীতিবিদ পঙ্কজ ভট্টাচার্য, প্রজন্ম একাত্তরের আসিফ মুনীর, হিন্দু-বৌদ্ধ-খিস্ট্রান ঐক্য পরিষদের উপদেষ্টা কাজল দেবনাথ, স্টেপস টুয়ার্ডস ডেভেলপমেন্টের নির্বাহী পরিচালক রঞ্জন কর্মকার এবং আদিবাসী নারী নেটওয়ার্কের সমন্বয়কারী ফালগুনী ত্রিপুরা। এছাড়া সামাজিক প্রতিরোধ কমিটির সহযোগী সংগঠনের দেড় শতাধিক নেতাকর্মী উপস্থিত ছিলেন। সমাবেশের শুরুতে প্রতিবাদী গান পরিবেশন করে উদীচী শিল্পীগোষ্ঠী। সমাবেশ শেষে শহীদ মিনার থেকে স্বোপার্জিত স্বাধীনতা চত্বর পর্যন্ত বিক্ষোভ মিছিল অনুষ্ঠিত হয়।