সদরপুরে স্লিপ প্রকল্পের অর্থ লুটের অভিযোগ

ফরিদপুরের সদরপুর উপজেলার সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের মান উন্নয়নে ১৮-১৯ এবং ২০-২১ অর্থবছরে বরাদ্দকৃত রুটিন মেইনটেন্স, স্লিপ, বায়োমেট্টিক ও সংস্কারের অর্থ হরিলুটের অভিযোগ রয়েছে।

জানা যায়, উপজেলায় ১৩০টি স্কুলের মধ্যে ২০টিতে বায়োমেট্টিক পদ্ধতি ক্রয় করলেও তা কখনোই চালু করেনি। অপরদিকে প্রায় ৫২টি স্কুলে-মেরমত-সংস্কারের,স্লিপ, রুটিন মেইনটেন্স ইত্যাদি নামে যেসব বরাদ্দকৃত অর্থ কোন কাজ না করে, কমিটির সদস্য, শিক্ষক, উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা ও এলজিইডির নিয়োগকৃতদের যোগসাযোশে সমস্ত অর্থ হাতিয়ে নিয়েছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। এতে সদরপুর উপজেলার ১৩০টি বিদ্যালয়ের মধ্যে স্কুল ১-২টি স্কুলে মেরামত-সংস্কার, রুটিন মেইনটেন্স, স্লিপের কাজ হয়েছে, আর বাকি শতাধিক স্কুলের বরাদ্দের কোন কাজ হয়নি বলে জানা যায়। এর মধ্যে চরাঞ্চালের স্কুলগুলোর অবস্থা একবারেই শোচনীয়।

এদিকে ১৮-১৯ অর্থবছরের ১২০নং হকিয়তপুর প্রাখমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষিকা রোজিনা আক্তার স্কুলের টিন,কাঠ, আসবাবপত্র বিক্রি করা ছাড়াও সংস্কারের টাকা হজম করে ফেলল কিছুই হলো না। ৫৫ ফুট লম্বা স্কুলকে ১২ ফুটে নিয়ে এলেও কর্তৃপক্ষ নীরব। মাসের পর মাস স্কুলে অনুপস্থিত থাকে বলে জানা গেছে। একাধিক স্কুলের প্রধান শিক্ষক জানান, কাজ করলেও ওপরে কিছু না দিলে সঠিক বিল ও পাওয়া যায় না। তাই ওপরে-নিচে দিয়ে কোন রকম করে বরাদ্দ তুলে নেই।

উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা আ. মালেক মিয়া বলেন, আমি স্কুলগুলো পরিদর্শন করছি সবগুলো স্কুলেই ঠিকমতো কাজ হয়েছে। আমি বিভিন্ন কাজে ব্যস্ত থাকায় অনেক স্কুলে যেতে পারিনি। যদিও এই সমস্ত কাজ নিয়ম অনুযায়ী ৩০ শে জুন অর্থবছরের মধ্যেই শেষ হয়ে যাওয়ার কথা। একাধিক স্কুলের সভাপতি, সদস্য নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, শিক্ষা অফিসার আর্থিক সুবিধা নিয়ে, শিক্ষকদের পক্ষে কাজ করে যাচ্ছে।

শুক্রবার, ১৯ নভেম্বর ২০২১ , ৪ অগ্রহায়ণ ১৪২৮ ১৩ রবিউস সানি ১৪৪৩

সদরপুরে স্লিপ প্রকল্পের অর্থ লুটের অভিযোগ

ফরিদপুরের সদরপুর উপজেলার সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের মান উন্নয়নে ১৮-১৯ এবং ২০-২১ অর্থবছরে বরাদ্দকৃত রুটিন মেইনটেন্স, স্লিপ, বায়োমেট্টিক ও সংস্কারের অর্থ হরিলুটের অভিযোগ রয়েছে।

জানা যায়, উপজেলায় ১৩০টি স্কুলের মধ্যে ২০টিতে বায়োমেট্টিক পদ্ধতি ক্রয় করলেও তা কখনোই চালু করেনি। অপরদিকে প্রায় ৫২টি স্কুলে-মেরমত-সংস্কারের,স্লিপ, রুটিন মেইনটেন্স ইত্যাদি নামে যেসব বরাদ্দকৃত অর্থ কোন কাজ না করে, কমিটির সদস্য, শিক্ষক, উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা ও এলজিইডির নিয়োগকৃতদের যোগসাযোশে সমস্ত অর্থ হাতিয়ে নিয়েছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। এতে সদরপুর উপজেলার ১৩০টি বিদ্যালয়ের মধ্যে স্কুল ১-২টি স্কুলে মেরামত-সংস্কার, রুটিন মেইনটেন্স, স্লিপের কাজ হয়েছে, আর বাকি শতাধিক স্কুলের বরাদ্দের কোন কাজ হয়নি বলে জানা যায়। এর মধ্যে চরাঞ্চালের স্কুলগুলোর অবস্থা একবারেই শোচনীয়।

এদিকে ১৮-১৯ অর্থবছরের ১২০নং হকিয়তপুর প্রাখমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষিকা রোজিনা আক্তার স্কুলের টিন,কাঠ, আসবাবপত্র বিক্রি করা ছাড়াও সংস্কারের টাকা হজম করে ফেলল কিছুই হলো না। ৫৫ ফুট লম্বা স্কুলকে ১২ ফুটে নিয়ে এলেও কর্তৃপক্ষ নীরব। মাসের পর মাস স্কুলে অনুপস্থিত থাকে বলে জানা গেছে। একাধিক স্কুলের প্রধান শিক্ষক জানান, কাজ করলেও ওপরে কিছু না দিলে সঠিক বিল ও পাওয়া যায় না। তাই ওপরে-নিচে দিয়ে কোন রকম করে বরাদ্দ তুলে নেই।

উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা আ. মালেক মিয়া বলেন, আমি স্কুলগুলো পরিদর্শন করছি সবগুলো স্কুলেই ঠিকমতো কাজ হয়েছে। আমি বিভিন্ন কাজে ব্যস্ত থাকায় অনেক স্কুলে যেতে পারিনি। যদিও এই সমস্ত কাজ নিয়ম অনুযায়ী ৩০ শে জুন অর্থবছরের মধ্যেই শেষ হয়ে যাওয়ার কথা। একাধিক স্কুলের সভাপতি, সদস্য নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, শিক্ষা অফিসার আর্থিক সুবিধা নিয়ে, শিক্ষকদের পক্ষে কাজ করে যাচ্ছে।