যৌতুক না পেয়ে গৃহবধূকে হত্যা আটক ২

সৈয়দপুরে যৌতুকের জন্য মুক্তা বেগম (২৫) নামে এক গৃহবধূকে পিটিয়ে হত্যা করা হয়েছে বলে খবর পাওয়া গেছে। গত বুধবার উপজেলার বাঙ্গালীপুর ইউনিয়নের বাড়াইশাল পাড়ার আদর্শ গুচ্ছগ্রামে এ ঘটনা ঘটে। পুলিশ নিহত গৃহবধূর মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য নীলফামারী মর্গে প্রেরণ করেছে। এ ঘটনায় জিজ্ঞাসাবাদের জন্য নিহতের স্বামী তহিদুল ইসলাম (২৮) ও শাশুড়ি তহুরা বেগমকে (৪৯) আটক করেছে। নিহত গৃহবধূর বাড়ি কামারপুকুর ইউনিয়নের কিসামত উত্তরপাড়ার মোস্তফার মেয়ে।

মুক্তা বেগমের মা মোরশেদা জানান, ৯ বছর আগে বাঙ্গালীপুর ইউনিয়নের বাড়াইশাল পাড়ার আদর্শ গুচ্ছ গ্রামের আফজাল হোসেনের ছেলে তহিদুলের সঙ্গে মেয়ের বিয়ে দেন তারা। সে সময় সমস্ত দেনাপাওনা মিটিয়ে দিলেও বিয়ের কিছুদিন যেতে না যেতেই জামাই ও তার বাবা মা যৌতুক দাবি করে আসছিল। তাদের ঘরে ৫ বছর বয়সী একটি সন্তান রয়েছে। মেয়ের শ্বশুরবাড়ির লোকজনের দাবি করা অতিরিক্ত যৌতুক না দেয়ার কারণে মুক্তাকে বেদম মারপিট করায় গুরুতর আহত হয়। পরিবারের লোকজন মুক্তার গলায় ওড়না পেচিয়ে ঘরের চালের তীরে ঝুলিয়ে চিৎকার করলে আশপাশের লোকজন মুক্তাকে হাসপাতালে নেয়া হলে চিকিৎসকরা তাকে মৃত ঘোষণা করে।

থানার অফিসার ইনচার্জ মো. আবুল হাসনাত খান বলেন, প্রাথমিক তদন্তে নিহতের শরীরের আঘাতের চিহ্ন দেখা গেছে।

শুক্রবার, ১৯ নভেম্বর ২০২১ , ৪ অগ্রহায়ণ ১৪২৮ ১৩ রবিউস সানি ১৪৪৩

যৌতুক না পেয়ে গৃহবধূকে হত্যা আটক ২

সৈয়দপুরে যৌতুকের জন্য মুক্তা বেগম (২৫) নামে এক গৃহবধূকে পিটিয়ে হত্যা করা হয়েছে বলে খবর পাওয়া গেছে। গত বুধবার উপজেলার বাঙ্গালীপুর ইউনিয়নের বাড়াইশাল পাড়ার আদর্শ গুচ্ছগ্রামে এ ঘটনা ঘটে। পুলিশ নিহত গৃহবধূর মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য নীলফামারী মর্গে প্রেরণ করেছে। এ ঘটনায় জিজ্ঞাসাবাদের জন্য নিহতের স্বামী তহিদুল ইসলাম (২৮) ও শাশুড়ি তহুরা বেগমকে (৪৯) আটক করেছে। নিহত গৃহবধূর বাড়ি কামারপুকুর ইউনিয়নের কিসামত উত্তরপাড়ার মোস্তফার মেয়ে।

মুক্তা বেগমের মা মোরশেদা জানান, ৯ বছর আগে বাঙ্গালীপুর ইউনিয়নের বাড়াইশাল পাড়ার আদর্শ গুচ্ছ গ্রামের আফজাল হোসেনের ছেলে তহিদুলের সঙ্গে মেয়ের বিয়ে দেন তারা। সে সময় সমস্ত দেনাপাওনা মিটিয়ে দিলেও বিয়ের কিছুদিন যেতে না যেতেই জামাই ও তার বাবা মা যৌতুক দাবি করে আসছিল। তাদের ঘরে ৫ বছর বয়সী একটি সন্তান রয়েছে। মেয়ের শ্বশুরবাড়ির লোকজনের দাবি করা অতিরিক্ত যৌতুক না দেয়ার কারণে মুক্তাকে বেদম মারপিট করায় গুরুতর আহত হয়। পরিবারের লোকজন মুক্তার গলায় ওড়না পেচিয়ে ঘরের চালের তীরে ঝুলিয়ে চিৎকার করলে আশপাশের লোকজন মুক্তাকে হাসপাতালে নেয়া হলে চিকিৎসকরা তাকে মৃত ঘোষণা করে।

থানার অফিসার ইনচার্জ মো. আবুল হাসনাত খান বলেন, প্রাথমিক তদন্তে নিহতের শরীরের আঘাতের চিহ্ন দেখা গেছে।