ধান পাকলেই লাঠিয়াল আতঙ্কে চরের কৃষক

পটুয়াখালীর দশমিনার চরাঞ্চলে আমনের ভাল ফলন হয়েছে। সময় হয়েছে ধান গোলায় তোলার। আর এরই মধ্যে শুরু হয়েছে লাঠিয়াল বাহিনীর আনাগোনা। মেটেনি পটুয়াখালী ও ভোলা জেলার সীমানা বিরোধ। ভূমিহীন কৃষকরা সময়মত রোপনকরা ধান ঘরে তোলার আগেই লাঠিয়ালদের ভয়ে ভীত হয়ে পড়েছে।

আন্তঃজেলা সীমানা রিরোধ দীর্ঘ ৭৭ বছর পেরিয়ে গেলেও অদ্যবধি তা নিস্পন্ন করা সম্ভব হয়নি। আন্তঃজেলা ও উপজেলা পর্যায়ের সীমানা পুনর্নির্ধারণ না করায় বছরের পর বছর এই বিরোধ লেগে থাকে। মৌসুমি লাঠিয়ালদের সহায়তায় একটি স্বার্থন্বেষীমহল দরিদ্র প্রান্তিক চাষিদের চাষকৃত ধান লুট করে নেয়। কৃষকরা তাদের চাষকৃত ধান ঘরে তুলতে পারা নিয়ে উদ্বেগ আর উৎকণ্ঠায় থাকে। ভূমিদস্যুদের আনাগোনা দেখা উপজেলার ৩টি চরের প্রায় ১২ হাজার কৃষক ভয়ে এলাকায় থাকতে সাহস পাচ্ছে না। আমলাতান্ত্রিক জটিলতার পাশাপাশি ভূমিদস্যুদের উস্কানির কারণে প্রায় ৭৭ বছরের পুরানো এই বিরোধ মীমাংসা করা সম্ভব হয়নি।

পটুয়াখালী জেলার দশমিনা উপজেলার দক্ষিণ পূর্বে নদী মাঝে ৭নং চরবোরহান ইউনিয়ন অবস্থিত। উপজেলার একমাত্র তেঁতুলিয়া নদীর ঠিক মাঝখানে অবস্থিত এই চরের সঙ্গে পার্শ্ববর্তী ভোলা জেলার চরফ্যাশন উপজেলার মুজিবনগর ইউনিয়নের চর মোতাহার মৌজার সীমানা বিরোধ যুগ যুগ ধরে লেগে আছে। এছাড়া দশমিনা উপজেলা সদর ইউনিয়নের চরহাদী মৌজার সঙ্গে লালমোহন উপজেলার চর কচুখালীর সঙ্গে অনুরূপ সীমানা বিরোধ রয়েছে। অপরদিকে একই চরের পূর্ব প্রান্তে চর কচুয়াখালী আর পশ্চিম প্রান্ত চরহাদী নামে পরিচিত হয়ে আসছে। উল্লেখিত চরের বাসিন্দারা উপস্থিত সাংবাদিকদেরকে জানান, সি.এস ম্যাপকে গুরুত্ব না দিয়ে ভোলা জেলার ভূমিদস্যুরা আস.এস ম্যাপ এবং বুড়াগৌরাঙ্গ দোনের অস্তিত্ব অনুসারে চরগুলোকে তাদের অংশ বলে দাবি করছে। অথচ নির্ধারিত রেকর্ড-রেজিস্ট্রারে দোন বলতে কিছুই নেই। দশমিনা উপজেলার ৭নং চরবোরহান ইউপি চেয়ারম্যান মো. নজির সরদার সাংবাদিকদেরকে বলেন, ১৯৪০-৪২ সালে তৈরি করা আর.এস ম্যাপের লাইন অনুসারে আন্তঃজেলা সীমানা নির্ধারণ করার প্রয়োজন ছিল কিন্তু তা করা হয় নাই। আর এই সুযোগটি ভোলা জেলার ভূমিখেকো দস্যুরা কাজে লাগিয়েছে। ভোলা জেলার চরফ্যাশন উপজেলার দস্যুরা টাকার বিনিময়ে ভূমি মন্ত্রণালয়ের দুর্নীতিবাজ কর্মকর্তাদের ভুল বুঝিয়ে একটি প্রজ্ঞাপন জারি করে। এই প্রজ্ঞাপনের কারণে দশমিনা উপজেলার চরবোরহান ও চরশাহজালালের একটি বিশাল অংশ প্রায় ৩০-৩৫ বছর ধরে তারা দাবি করে আসছে। অথচ প্রায় শত বছরের আগের তৈরি করা সি.এস ম্যাপকে কোন গুরুত্ব না দিয়ে প্রজ্ঞাপন জারি করায় সমস্যা আরও প্রকট হয়েছে। দশমিনা উপজেলা চরবোরহান ও চরশাহজালালের শত শত পরিবার বিভিন্ন সময়ে চরের জমি বন্দোবস্ত নিয়ে বসবাস করে আসছে। চরে কৃষকদের ধান পাকলে প্রতি বছর ভোলার ভূমিদস্যুরা মৌসুমি লাঠিয়াল বাহিনী নিয়ে ধান লুট করে নিয়ে যায়। এছাড়া লাঠিয়াল বাহিনী ও ভূমিদস্যুরা মিলে মাঝে মধ্যে কৃষকদের বাসা-বাড়িতে হামলা, ভাংচুরসহ অগ্নিকা-ের মতো ঘটনা ঘটিয়ে থাকে। চরে বসবাসরত কৃষকদের উৎখাতের জন্য বর্ষা মৌসুমে হালে গরু-মহিষ চুরি করে নিয়ে যায়।

দশমিনা উপজেলার চরশাহজালারের বাসিন্দা আবুল রাঢ়ী জানান,সি.এস ম্যাপ অনুসারে পূর্ব দক্ষিণ চর মোতাহারের মধ্যে সাড়ে ৫ চেইনের অধিক জমি রয়েছে। চরফ্যাশনের ভূমিদস্যুরা সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়সহ ভূমি অফিসকে ম্যানেজ করে হাল রেকর্ডে (আর.এস) পশ্চিমে প্রায় ১০ চেইন চরবোরহান ও চরশাহজালালের মধ্যে তাদের অংশ বলে দাবি করে আসছে। ভোলা জেলার চরফ্যাশন উপজেলার মুজিবনগর ইউপি চেয়ারম্যান আবদুল মিয়া সাংবাদিকদেরকে জানান, পটুয়াখালীর গলাচিপা ও চরফ্যাশনের মধ্যে বুড়াগৌরাঙ্গ দোনকে আন্তঃজেলা সীমানা রেখা হিসাবে প্রশাসনিকভাবে নির্ধারণ করা আছে। অথচ বুড়াগৌরাঙ্গ ডোনের অস্তিত্ব না থাকার পরও চরফ্যাশন ও দশমিনার মধ্যে আর.এস ম্যাপের লাইন মেনে সীমানা নির্ধারণ করা হয় যা বিরোধকে আরও উস্কে দিয়েছে। ১৯৯০ সালে ভূমি মন্ত্রণালয়ের একটি প্রজ্ঞাপনে বুড়াগৌরাঙ্গ দোনের পূর্বপাড় গলাচিপা অংশে চরনিউলিন, চরমোনহার ও চরমোতাহারকে চরফ্যাশন উপজেলার অর্ন্তভুক্ত করে আন্তঃজেলা সীমানা নির্ধারণ করে এবং দশমিনা অংশে আর.এস লাইন অনুসরণ করতে বলা হয়। এই প্রজ্ঞাপন দশমিনা ও গলাচিপার কৃষকরা মানতে রাজি নয়। এছাড়া দশমিনা সদর ইউনিয়নের চরহাদির সঙ্গে ভোলার লালমোহন উপজেলার চর কচুয়াখালীর সীমানা বিরোধ দীর্যদিনের রয়েছে। এই সীমানা বিরোধ নিয়ে ২০০০ সালে লালমোহনের ভূমিদস্যুরা দশমিনার চরহাদির অংশে আমন ধান লুট করে নেয়ার সময় ভূমিহীন কৃষক নজির দেওয়ান বাধা দিলে তাকে খুন করা হয়।

এই ঘটনায় তৎকালিন সময়ে দুই জেলা প্রশাসক পর্যায়ে ফ্লাগ মিটিং হয়। ফ্লাগ মিটিং পরবর্তী সীমান্তে বিরোধীয় ৫০ একর জমির মধ্যে ভোলার চরকচুয়াখালীর ৩০ একর ও দশমিনার চরহাদির অংশে ২০ একর জমি ডি.আর.এস জরিপ না হওয়া পর্যন্ত স্ব-স্ব কৃষকরা ভোগ দখল করবে। তৎকালীন সমঝোতায় দীর্ঘ ১৬ বছর শান্তিপূর্ণ থাকলেও চলতি আমন মৌসুমে ভোলার ভূমিদস্যুদের মৌসুমি লাঠিয়াল বাহিনীর আনাগোনা শুরু হয়ে গেছে। চরহাদির ভূমিহীন কৃষক মো. সোহেল, আলাউদ্দিন ও মো. বাশার হাওলাদার বলেন, ডি.আর.এস জরিপের জন্য তারা ভূমি মন্ত্রণালয়ে আবেদন করলেও কোন উদ্যোগ নেয়া হয়নি।

রবিবার, ২১ নভেম্বর ২০২১ , ৬ অগ্রহায়ণ ১৪২৮ ১৫ রবিউস সানি ১৪৪৩

ধান পাকলেই লাঠিয়াল আতঙ্কে চরের কৃষক

image

দশমিনা (পটুয়াখালী) : চরাঞ্চলে পাকতে শুরু করেছে আমন ধান -সংবাদ

পটুয়াখালীর দশমিনার চরাঞ্চলে আমনের ভাল ফলন হয়েছে। সময় হয়েছে ধান গোলায় তোলার। আর এরই মধ্যে শুরু হয়েছে লাঠিয়াল বাহিনীর আনাগোনা। মেটেনি পটুয়াখালী ও ভোলা জেলার সীমানা বিরোধ। ভূমিহীন কৃষকরা সময়মত রোপনকরা ধান ঘরে তোলার আগেই লাঠিয়ালদের ভয়ে ভীত হয়ে পড়েছে।

আন্তঃজেলা সীমানা রিরোধ দীর্ঘ ৭৭ বছর পেরিয়ে গেলেও অদ্যবধি তা নিস্পন্ন করা সম্ভব হয়নি। আন্তঃজেলা ও উপজেলা পর্যায়ের সীমানা পুনর্নির্ধারণ না করায় বছরের পর বছর এই বিরোধ লেগে থাকে। মৌসুমি লাঠিয়ালদের সহায়তায় একটি স্বার্থন্বেষীমহল দরিদ্র প্রান্তিক চাষিদের চাষকৃত ধান লুট করে নেয়। কৃষকরা তাদের চাষকৃত ধান ঘরে তুলতে পারা নিয়ে উদ্বেগ আর উৎকণ্ঠায় থাকে। ভূমিদস্যুদের আনাগোনা দেখা উপজেলার ৩টি চরের প্রায় ১২ হাজার কৃষক ভয়ে এলাকায় থাকতে সাহস পাচ্ছে না। আমলাতান্ত্রিক জটিলতার পাশাপাশি ভূমিদস্যুদের উস্কানির কারণে প্রায় ৭৭ বছরের পুরানো এই বিরোধ মীমাংসা করা সম্ভব হয়নি।

পটুয়াখালী জেলার দশমিনা উপজেলার দক্ষিণ পূর্বে নদী মাঝে ৭নং চরবোরহান ইউনিয়ন অবস্থিত। উপজেলার একমাত্র তেঁতুলিয়া নদীর ঠিক মাঝখানে অবস্থিত এই চরের সঙ্গে পার্শ্ববর্তী ভোলা জেলার চরফ্যাশন উপজেলার মুজিবনগর ইউনিয়নের চর মোতাহার মৌজার সীমানা বিরোধ যুগ যুগ ধরে লেগে আছে। এছাড়া দশমিনা উপজেলা সদর ইউনিয়নের চরহাদী মৌজার সঙ্গে লালমোহন উপজেলার চর কচুখালীর সঙ্গে অনুরূপ সীমানা বিরোধ রয়েছে। অপরদিকে একই চরের পূর্ব প্রান্তে চর কচুয়াখালী আর পশ্চিম প্রান্ত চরহাদী নামে পরিচিত হয়ে আসছে। উল্লেখিত চরের বাসিন্দারা উপস্থিত সাংবাদিকদেরকে জানান, সি.এস ম্যাপকে গুরুত্ব না দিয়ে ভোলা জেলার ভূমিদস্যুরা আস.এস ম্যাপ এবং বুড়াগৌরাঙ্গ দোনের অস্তিত্ব অনুসারে চরগুলোকে তাদের অংশ বলে দাবি করছে। অথচ নির্ধারিত রেকর্ড-রেজিস্ট্রারে দোন বলতে কিছুই নেই। দশমিনা উপজেলার ৭নং চরবোরহান ইউপি চেয়ারম্যান মো. নজির সরদার সাংবাদিকদেরকে বলেন, ১৯৪০-৪২ সালে তৈরি করা আর.এস ম্যাপের লাইন অনুসারে আন্তঃজেলা সীমানা নির্ধারণ করার প্রয়োজন ছিল কিন্তু তা করা হয় নাই। আর এই সুযোগটি ভোলা জেলার ভূমিখেকো দস্যুরা কাজে লাগিয়েছে। ভোলা জেলার চরফ্যাশন উপজেলার দস্যুরা টাকার বিনিময়ে ভূমি মন্ত্রণালয়ের দুর্নীতিবাজ কর্মকর্তাদের ভুল বুঝিয়ে একটি প্রজ্ঞাপন জারি করে। এই প্রজ্ঞাপনের কারণে দশমিনা উপজেলার চরবোরহান ও চরশাহজালালের একটি বিশাল অংশ প্রায় ৩০-৩৫ বছর ধরে তারা দাবি করে আসছে। অথচ প্রায় শত বছরের আগের তৈরি করা সি.এস ম্যাপকে কোন গুরুত্ব না দিয়ে প্রজ্ঞাপন জারি করায় সমস্যা আরও প্রকট হয়েছে। দশমিনা উপজেলা চরবোরহান ও চরশাহজালালের শত শত পরিবার বিভিন্ন সময়ে চরের জমি বন্দোবস্ত নিয়ে বসবাস করে আসছে। চরে কৃষকদের ধান পাকলে প্রতি বছর ভোলার ভূমিদস্যুরা মৌসুমি লাঠিয়াল বাহিনী নিয়ে ধান লুট করে নিয়ে যায়। এছাড়া লাঠিয়াল বাহিনী ও ভূমিদস্যুরা মিলে মাঝে মধ্যে কৃষকদের বাসা-বাড়িতে হামলা, ভাংচুরসহ অগ্নিকা-ের মতো ঘটনা ঘটিয়ে থাকে। চরে বসবাসরত কৃষকদের উৎখাতের জন্য বর্ষা মৌসুমে হালে গরু-মহিষ চুরি করে নিয়ে যায়।

দশমিনা উপজেলার চরশাহজালারের বাসিন্দা আবুল রাঢ়ী জানান,সি.এস ম্যাপ অনুসারে পূর্ব দক্ষিণ চর মোতাহারের মধ্যে সাড়ে ৫ চেইনের অধিক জমি রয়েছে। চরফ্যাশনের ভূমিদস্যুরা সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়সহ ভূমি অফিসকে ম্যানেজ করে হাল রেকর্ডে (আর.এস) পশ্চিমে প্রায় ১০ চেইন চরবোরহান ও চরশাহজালালের মধ্যে তাদের অংশ বলে দাবি করে আসছে। ভোলা জেলার চরফ্যাশন উপজেলার মুজিবনগর ইউপি চেয়ারম্যান আবদুল মিয়া সাংবাদিকদেরকে জানান, পটুয়াখালীর গলাচিপা ও চরফ্যাশনের মধ্যে বুড়াগৌরাঙ্গ দোনকে আন্তঃজেলা সীমানা রেখা হিসাবে প্রশাসনিকভাবে নির্ধারণ করা আছে। অথচ বুড়াগৌরাঙ্গ ডোনের অস্তিত্ব না থাকার পরও চরফ্যাশন ও দশমিনার মধ্যে আর.এস ম্যাপের লাইন মেনে সীমানা নির্ধারণ করা হয় যা বিরোধকে আরও উস্কে দিয়েছে। ১৯৯০ সালে ভূমি মন্ত্রণালয়ের একটি প্রজ্ঞাপনে বুড়াগৌরাঙ্গ দোনের পূর্বপাড় গলাচিপা অংশে চরনিউলিন, চরমোনহার ও চরমোতাহারকে চরফ্যাশন উপজেলার অর্ন্তভুক্ত করে আন্তঃজেলা সীমানা নির্ধারণ করে এবং দশমিনা অংশে আর.এস লাইন অনুসরণ করতে বলা হয়। এই প্রজ্ঞাপন দশমিনা ও গলাচিপার কৃষকরা মানতে রাজি নয়। এছাড়া দশমিনা সদর ইউনিয়নের চরহাদির সঙ্গে ভোলার লালমোহন উপজেলার চর কচুয়াখালীর সীমানা বিরোধ দীর্যদিনের রয়েছে। এই সীমানা বিরোধ নিয়ে ২০০০ সালে লালমোহনের ভূমিদস্যুরা দশমিনার চরহাদির অংশে আমন ধান লুট করে নেয়ার সময় ভূমিহীন কৃষক নজির দেওয়ান বাধা দিলে তাকে খুন করা হয়।

এই ঘটনায় তৎকালিন সময়ে দুই জেলা প্রশাসক পর্যায়ে ফ্লাগ মিটিং হয়। ফ্লাগ মিটিং পরবর্তী সীমান্তে বিরোধীয় ৫০ একর জমির মধ্যে ভোলার চরকচুয়াখালীর ৩০ একর ও দশমিনার চরহাদির অংশে ২০ একর জমি ডি.আর.এস জরিপ না হওয়া পর্যন্ত স্ব-স্ব কৃষকরা ভোগ দখল করবে। তৎকালীন সমঝোতায় দীর্ঘ ১৬ বছর শান্তিপূর্ণ থাকলেও চলতি আমন মৌসুমে ভোলার ভূমিদস্যুদের মৌসুমি লাঠিয়াল বাহিনীর আনাগোনা শুরু হয়ে গেছে। চরহাদির ভূমিহীন কৃষক মো. সোহেল, আলাউদ্দিন ও মো. বাশার হাওলাদার বলেন, ডি.আর.এস জরিপের জন্য তারা ভূমি মন্ত্রণালয়ে আবেদন করলেও কোন উদ্যোগ নেয়া হয়নি।