খালেদা জিয়াকে বিদেশে পাঠানোর দাবিতে

বিএনপির গণঅনশন শেষে সারাদেশে বিক্ষোভ কর্মসূচি ঘোষণা

অসুস্থ বিএনপির চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার মুক্তি ও চিকিৎসার জন্য বিদেশ পাঠানোর দাবিতে গণঅনশনের পর এবার আগামীকাল রাজধানীসহ সারাদেশে বিক্ষোভ সমাবেশের ডাক দিল বিএনপি। গতকাল নয়াপল্টনে বিএনপির গণঅনশনে এই কর্মসূচির ঘোষণা দেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। খালেদা জিয়ার মুক্তি ও বিদেশে তার সুচিকিৎসার ব্যবস্থা না করলে রাজপথেই এর সমাধান হবে বলে সরকারকে হুঁশিয়ার করে দিয়েছেন বিএনপির নেতারা। গতকাল সকাল ৯টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত গণঅনশনে অংশ নিয়ে দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরসহ বিভিন্ন পর্যায়ের নেতারা হুঁশিয়ারি জানান।

অনুষ্ঠানে সভাপতির বক্তব্যে মির্জা ফখরুল ইসলাম সরকারের উদ্দেশে বলেন, অবিলম্বে খালেদা জিয়াকে চিকিৎসার জন্য বিদেশে পাঠানোর ব্যবস্থা করুন, তা না হলে আমাদের গণআন্দোলন শুরু হলো। এই আন্দোলনের মধ্য দিয়ে আপনাদের পতন হবে।

বিএনপির মহাসচিব নতুন কর্মসূচির ঘোষণা দিয়ে বলেন, ‘সাত ঘণ্টা আমরা না খেয়ে খালেদা জিয়ার রোগমুক্তির জন্য দোয়া করেছি এবং তার বিদেশে উন্নত চিকিৎসার জন্য অনশন করেছি। একই দাবিতে আগামীকাল ঢাকায় জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে সমাবেশ হবে। একই দিন দেশের সব জেলা, উপজেলা ও মহানগরে সমাবেশ হবে। এরপরও দাবি আদায় না হলে কর্মসূচি দেয়া হবে।’

ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, ‘এটা আমাদের জীবনমরণ সমস্যা। খালেদা জিয়ার সঙ্গে এ দেশের মাটি ও মানুষের সম্পর্ক। তিনি দেশের একটি অবিচ্ছেদ্য অংশ, তার জন্য যেকোন ত্যাগ স্বীকারে আমরা প্রস্তুত আছি।’

অনশনে অংশ নিয়ে বিএনপির জ্যেষ্ঠ নেতা খন্দকার মোশাররফ হোসেন বলেন, ‘দেশনেত্রী মুক্তিযুদ্ধের সময় শেষে সন্তানসহ কারাগারে ছিলেন, এরপর দেশে গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার করেছেন, সংসদীয় গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করেছেন, দেশের উন্নয়নে বিশাল অবদান রেখেছেন। আজ আমাদের দুর্ভাগ্য তার চিকিৎসার জন্য আমাদের অনশন করতে হচ্ছে।’

গয়েশ্বর চন্দ্র রায় সরকারের উদ্যেশে বলেন, বিদেশে চিকিৎসার জন্য বেগম খালেদা জিয়াকে পাঠাতে আইন কোন বাধা নয়, বাধা শুধু শেখ হাসিনা। অসুস্থ বেগম জিয়াকে মুক্তি দিয়ে চিকিৎসার জন্য বিদেশ পাঠানোর ব্যবস্থা না করলে সামনের দিকে বিএনপির আন্দোলন তীব্র থেকে তীব্র হবে। তার কিছু হলে বিএনপি কর্মীদের পাশাপাশি জনগণ রাস্তায় নামবে, আর তখন কোন পুলিশ আওয়ামী লীগ সরকারকে টিকাতে পারবে না। ভাইস চেয়ারম্যান আবদুল্লাহ আল নোমান বলেন, আওয়ামী লীগ সরকার নির্যাতন করে খালেদা জিয়া ও বিএনপিকে চিরতরে শেষ করে দিতে চায়। তাই বিএনপির দেশপ্রেমিক কর্মীরা অসুস্থ বেগম জিয়ার মুক্তি ও বিদেশে সু-চিকিৎসার জন্য আন্দোলনে মাঠে থাকবেন এবং সক্রিয় হবেন।

বিএনপি স্থায়ী কমিটির সদস্য ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু বলেন, দুর্নীতিবাজ আমলারা ক’দিন আওয়ামী লীগকে অবৈধভাবে টিকিয়ে রাখবে? আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় না থাকলে দুর্নীতিবাজ আমলা ও চামচারা দেশ ছেড়ে পালাবে। সরকারের প্রতিহিংসায় শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের সহধর্মিণী ও দেশনেত্রী সাবেক সফল প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার জীবনে কোন অঘটন ঘটলে আওয়ামী লীগ বাংলার জনগণের হাত থেকে রেহাই পাবে না।

বিএনপির গণঅনশনে দুপুর ২.১৭ মিনিটে এসে সংহতি ও একাতœতা প্রকাশ করে জেএসডির সভাপতি আ.স.ম আবদুর রব বলেন, দেশ ও দেশের মানুষের মুক্তির জন্য আমি মরতে প্রস্তুত আছি। আপনাদের গণতন্ত্রের আন্দোলনে আমাকে মরার জন্য যদি ডাকেন তাহলে আমি আসবো। কারণ রক্ত না দিলে দেশের ও মানুষের ও বেগম জিয়ার মুক্তি হবে না। রাজনৈতিক প্রতিহিংসার কারণে বেগম জিয়ার মুক্তি ও চিকিৎসা করাতে জামিন পেলেন না।

মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের সভাপতিত্বে এবং প্রচার সম্পাদক শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানীর সঞ্চালনায় খালেদা জিয়ার মুক্তি ও বিদেশে উন্নত চিকিৎসার দাবিতে অনশন কর্মসূচিতে দলের স্থায়ী কমিটির সদস্য খন্দকার মোশাররফ হোসেন, ড. আবদুল মঈন খান, নজরুল ইসলাম খান, গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু, বেগম সেলিমা রহমান, আবদুল আউয়াল মিন্টু, ভাইস চেয়ারম্যান আবদুল্লাহ আল নোমান, আহমেদ আযম খান, শামসুজ্জামান দুদু, জ্যেষ্ঠ যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী, সাবেক ডাকসু ভিপি ছাত্রনেতা আমান উল্লাহ আমান, ডাকসুর সাবেক এজিএস ছাত্রনেতা নাজিম উদ্দিন আলম, আবদুস সালাম প্রমুখ।

এছাড়াও বিএনপি নেতৃত্বাধীন ২০ দলীয় জোটের শরিক দল জেএসডি সভাপতি আ স ম আবদুর রব, নাগরিক ঐক্যের আহ্বায়ক মাহমুদুর রহমান মান্না, জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল মাওলানা আবদুল হালিম, জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান মোস্তফা জামাল হায়দার, বাংলাদেশ কল্যাণ পার্টির চেয়ারম্যান সৈয়দ মুহাম্মদ ইবরাহিম, এলডিপির মহাসচিব রেদোয়ান আহমেদ, জাগপার খন্দকার লুৎফর রহমান, এনপিপির ফরিদুজ্জামান ফরহাদ, জাতীয় দলের সৈয়দ এহসানুল হুদা, লেবার পার্টির মোস্তাফিজুর রহমান ইরান, বাংলাদেশ মুসলিম লীগের শেখ জুলফিকার চৌধুরী বুলবুল প্রমুখ বক্তৃতা করেন।

মির্জা ফখরুল ইসলামের বক্তব্যের শেষে বিকেল ৪টার পর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য অধ্যাপক আনোয়ার উল্লাহ চৌধুরী পানি পান করিয়ে মির্জা ফখরুলের অনশন ভাঙান।

অনশনে দিনভর বিএনপির নেতৃত্বাধীন ২০ দলীয় জোটের শরিক দলের শীর্ষ নেতা, জাতীয় ঐক্য ফ্রন্টসহ বিএনপির বিভিন্ন পর্যায়ের প্রায় ১০০ নেতা বক্তব্য দেন।

আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর তৎপরতা :

বিএনপির গণঅনশনকে ঘিরে সকাল থেকে বিকেল পর্যন্ত নয়াপল্টনের গণঅনশনের স্থল আশপাশের এলাকায় সাজোয়া যান ব্যাপক সংখ্যক পুলিশ ও সাদা পোশাকধারী গোয়েন্দা সংস্থার লোকজনদের তৎপরতা ছিল চোখে পড়ার মতো।

image

গতকাল নয়াপল্টনে দলীয় কার্যালয়ের সামনে মহাসচিবকে পানি পান করিয়ে বিএনপির গণঅনশন ভাঙানো হয় -সংবাদ

আরও খবর
ড্যাপের নতুন পরিকল্পনায় ঢাকায় যুক্ত হচ্ছে আরও তিন জেলা
আজ সশস্ত্র বাহিনী দিবস
বিএনপি বিদেশ থেকে ডাক্তার আনতে পারবে আইনমন্ত্রী
অনলাইন অ্যাপে জুয়া, টাকা যাচ্ছে বিদেশে
বিতর্কিতরা যেন পদে না আসে প্রত্যাশা কর্মী ও শিক্ষার্থীদের
ভারতে কৃষি আইন বাতিলের কৃতিত্ব নিয়ে দলগুলো প্রতিযোগিতায়
পর্যটন মৌসুমে কক্সবাজারে ভোগান্তি রাস্তায় খোঁড়াখুঁড়ি, শহরজুড়ে ধুলা
বাবার সঙ্গেই থাকতে চায় তিন বোন
কিশোরগঞ্জের কিশোরী হত্যারহস্য উন্মোচন
ঢাকা মেডিকেলে চালু হলো শিশু বহির্বিভাগ

রবিবার, ২১ নভেম্বর ২০২১ , ৬ অগ্রহায়ণ ১৪২৮ ১৫ রবিউস সানি ১৪৪৩

খালেদা জিয়াকে বিদেশে পাঠানোর দাবিতে

বিএনপির গণঅনশন শেষে সারাদেশে বিক্ষোভ কর্মসূচি ঘোষণা

image

গতকাল নয়াপল্টনে দলীয় কার্যালয়ের সামনে মহাসচিবকে পানি পান করিয়ে বিএনপির গণঅনশন ভাঙানো হয় -সংবাদ

অসুস্থ বিএনপির চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার মুক্তি ও চিকিৎসার জন্য বিদেশ পাঠানোর দাবিতে গণঅনশনের পর এবার আগামীকাল রাজধানীসহ সারাদেশে বিক্ষোভ সমাবেশের ডাক দিল বিএনপি। গতকাল নয়াপল্টনে বিএনপির গণঅনশনে এই কর্মসূচির ঘোষণা দেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। খালেদা জিয়ার মুক্তি ও বিদেশে তার সুচিকিৎসার ব্যবস্থা না করলে রাজপথেই এর সমাধান হবে বলে সরকারকে হুঁশিয়ার করে দিয়েছেন বিএনপির নেতারা। গতকাল সকাল ৯টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত গণঅনশনে অংশ নিয়ে দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরসহ বিভিন্ন পর্যায়ের নেতারা হুঁশিয়ারি জানান।

অনুষ্ঠানে সভাপতির বক্তব্যে মির্জা ফখরুল ইসলাম সরকারের উদ্দেশে বলেন, অবিলম্বে খালেদা জিয়াকে চিকিৎসার জন্য বিদেশে পাঠানোর ব্যবস্থা করুন, তা না হলে আমাদের গণআন্দোলন শুরু হলো। এই আন্দোলনের মধ্য দিয়ে আপনাদের পতন হবে।

বিএনপির মহাসচিব নতুন কর্মসূচির ঘোষণা দিয়ে বলেন, ‘সাত ঘণ্টা আমরা না খেয়ে খালেদা জিয়ার রোগমুক্তির জন্য দোয়া করেছি এবং তার বিদেশে উন্নত চিকিৎসার জন্য অনশন করেছি। একই দাবিতে আগামীকাল ঢাকায় জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে সমাবেশ হবে। একই দিন দেশের সব জেলা, উপজেলা ও মহানগরে সমাবেশ হবে। এরপরও দাবি আদায় না হলে কর্মসূচি দেয়া হবে।’

ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, ‘এটা আমাদের জীবনমরণ সমস্যা। খালেদা জিয়ার সঙ্গে এ দেশের মাটি ও মানুষের সম্পর্ক। তিনি দেশের একটি অবিচ্ছেদ্য অংশ, তার জন্য যেকোন ত্যাগ স্বীকারে আমরা প্রস্তুত আছি।’

অনশনে অংশ নিয়ে বিএনপির জ্যেষ্ঠ নেতা খন্দকার মোশাররফ হোসেন বলেন, ‘দেশনেত্রী মুক্তিযুদ্ধের সময় শেষে সন্তানসহ কারাগারে ছিলেন, এরপর দেশে গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার করেছেন, সংসদীয় গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করেছেন, দেশের উন্নয়নে বিশাল অবদান রেখেছেন। আজ আমাদের দুর্ভাগ্য তার চিকিৎসার জন্য আমাদের অনশন করতে হচ্ছে।’

গয়েশ্বর চন্দ্র রায় সরকারের উদ্যেশে বলেন, বিদেশে চিকিৎসার জন্য বেগম খালেদা জিয়াকে পাঠাতে আইন কোন বাধা নয়, বাধা শুধু শেখ হাসিনা। অসুস্থ বেগম জিয়াকে মুক্তি দিয়ে চিকিৎসার জন্য বিদেশ পাঠানোর ব্যবস্থা না করলে সামনের দিকে বিএনপির আন্দোলন তীব্র থেকে তীব্র হবে। তার কিছু হলে বিএনপি কর্মীদের পাশাপাশি জনগণ রাস্তায় নামবে, আর তখন কোন পুলিশ আওয়ামী লীগ সরকারকে টিকাতে পারবে না। ভাইস চেয়ারম্যান আবদুল্লাহ আল নোমান বলেন, আওয়ামী লীগ সরকার নির্যাতন করে খালেদা জিয়া ও বিএনপিকে চিরতরে শেষ করে দিতে চায়। তাই বিএনপির দেশপ্রেমিক কর্মীরা অসুস্থ বেগম জিয়ার মুক্তি ও বিদেশে সু-চিকিৎসার জন্য আন্দোলনে মাঠে থাকবেন এবং সক্রিয় হবেন।

বিএনপি স্থায়ী কমিটির সদস্য ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু বলেন, দুর্নীতিবাজ আমলারা ক’দিন আওয়ামী লীগকে অবৈধভাবে টিকিয়ে রাখবে? আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় না থাকলে দুর্নীতিবাজ আমলা ও চামচারা দেশ ছেড়ে পালাবে। সরকারের প্রতিহিংসায় শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের সহধর্মিণী ও দেশনেত্রী সাবেক সফল প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার জীবনে কোন অঘটন ঘটলে আওয়ামী লীগ বাংলার জনগণের হাত থেকে রেহাই পাবে না।

বিএনপির গণঅনশনে দুপুর ২.১৭ মিনিটে এসে সংহতি ও একাতœতা প্রকাশ করে জেএসডির সভাপতি আ.স.ম আবদুর রব বলেন, দেশ ও দেশের মানুষের মুক্তির জন্য আমি মরতে প্রস্তুত আছি। আপনাদের গণতন্ত্রের আন্দোলনে আমাকে মরার জন্য যদি ডাকেন তাহলে আমি আসবো। কারণ রক্ত না দিলে দেশের ও মানুষের ও বেগম জিয়ার মুক্তি হবে না। রাজনৈতিক প্রতিহিংসার কারণে বেগম জিয়ার মুক্তি ও চিকিৎসা করাতে জামিন পেলেন না।

মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের সভাপতিত্বে এবং প্রচার সম্পাদক শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানীর সঞ্চালনায় খালেদা জিয়ার মুক্তি ও বিদেশে উন্নত চিকিৎসার দাবিতে অনশন কর্মসূচিতে দলের স্থায়ী কমিটির সদস্য খন্দকার মোশাররফ হোসেন, ড. আবদুল মঈন খান, নজরুল ইসলাম খান, গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু, বেগম সেলিমা রহমান, আবদুল আউয়াল মিন্টু, ভাইস চেয়ারম্যান আবদুল্লাহ আল নোমান, আহমেদ আযম খান, শামসুজ্জামান দুদু, জ্যেষ্ঠ যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী, সাবেক ডাকসু ভিপি ছাত্রনেতা আমান উল্লাহ আমান, ডাকসুর সাবেক এজিএস ছাত্রনেতা নাজিম উদ্দিন আলম, আবদুস সালাম প্রমুখ।

এছাড়াও বিএনপি নেতৃত্বাধীন ২০ দলীয় জোটের শরিক দল জেএসডি সভাপতি আ স ম আবদুর রব, নাগরিক ঐক্যের আহ্বায়ক মাহমুদুর রহমান মান্না, জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল মাওলানা আবদুল হালিম, জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান মোস্তফা জামাল হায়দার, বাংলাদেশ কল্যাণ পার্টির চেয়ারম্যান সৈয়দ মুহাম্মদ ইবরাহিম, এলডিপির মহাসচিব রেদোয়ান আহমেদ, জাগপার খন্দকার লুৎফর রহমান, এনপিপির ফরিদুজ্জামান ফরহাদ, জাতীয় দলের সৈয়দ এহসানুল হুদা, লেবার পার্টির মোস্তাফিজুর রহমান ইরান, বাংলাদেশ মুসলিম লীগের শেখ জুলফিকার চৌধুরী বুলবুল প্রমুখ বক্তৃতা করেন।

মির্জা ফখরুল ইসলামের বক্তব্যের শেষে বিকেল ৪টার পর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য অধ্যাপক আনোয়ার উল্লাহ চৌধুরী পানি পান করিয়ে মির্জা ফখরুলের অনশন ভাঙান।

অনশনে দিনভর বিএনপির নেতৃত্বাধীন ২০ দলীয় জোটের শরিক দলের শীর্ষ নেতা, জাতীয় ঐক্য ফ্রন্টসহ বিএনপির বিভিন্ন পর্যায়ের প্রায় ১০০ নেতা বক্তব্য দেন।

আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর তৎপরতা :

বিএনপির গণঅনশনকে ঘিরে সকাল থেকে বিকেল পর্যন্ত নয়াপল্টনের গণঅনশনের স্থল আশপাশের এলাকায় সাজোয়া যান ব্যাপক সংখ্যক পুলিশ ও সাদা পোশাকধারী গোয়েন্দা সংস্থার লোকজনদের তৎপরতা ছিল চোখে পড়ার মতো।