ইংলিশ ক্রিকেটারদের সুরা সংস্কৃতিতে সমস্যায় দলের অশেতাঙ্গরা

ক্রিকেটে ইংরেজদের মদ খাওয়ার সংস্কৃতিতে বদল আনার পরামর্শ দিলেন ওয়েস্ট ইন্ডিজের সাবেক ফাস্ট বোলার টিনো বেস্ট। তার মতে, এই সংস্কৃতির সঙ্গে মানিয়ে নিতে সমস্যায় পড়েন কৃষ্ণাঙ্গ ও এশীয় ক্রিকেটাররা। তাদের কখনও জোর করা উচিত নয় বলে মনে করেন তিনি।

বিবিসিকে দেয়া একটি সাক্ষাৎকারে বেস্ট বলেন, ‘ক্রিকেটীয় সংস্কৃতিতে এখন মদ খাওয়া খুব গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। সেটাই সমস্যা। একটি দলের সদস্য থাকার জন্য ক্রিকেটারদের বার বা নাইট ক্লাবে যেতে জোর করা উচিত নয়। এতে কৃষ্ণাঙ্গ ও এশীয় ক্রিকেটারদের সমস্যা হয়। তাদের বোঝানো হয়, মদ না খেলে তোমরা দলের সদস্য নও।’

সম্প্রতি ইংল্যান্ডের কাউন্টি ইয়র্কশায়ারে বর্ণবৈষম্য নিয়ে বিতর্কের ঝড় উঠেছে। ইয়র্কশায়ারে খেলার সময় আদিল রশিদ, রফিক বা আজমল শাহজাদরা যেভাবে বর্ণবৈষম্যের শিকার হয়েছেন তাতে তাদের পাশে দাঁড়িয়েছেন বেস্ট। তিনি বলেন, ‘আমি সব সময় ওদের পাশে রয়েছি। যে সময় ওরা এই অবস্থার মধ্যে দিয়ে গিয়েছে তখন ওরা কাউকে পাশে পায়নি। কারণ ওদের কেরিয়ার নিয়েও চিন্তা করতে হয়েছিল। তাই এই বিষয়ে ক্রিকেট প্রশাসনকে এগিয়ে আসতে হবে।’

বেস্টের মতে, ক্রিকেটারদের মধ্যে শিক্ষা ও সব দেশের সংস্কৃতির প্রতি জ্ঞান বৃদ্ধি করতে হবে। তবেই তারা বুঝবেন সব দেশের সংস্কৃতি এক নয়। তাই অন্যদের উপর কোনও কিছু চাপিয়ে দেয়া উচিত নয়। আরও খোলা মনে ক্রিকেটাররা খেলতে পারলে তাতে আখেরে খেলার লাভ হবে বলে মনে করেন তিনি।

রবিবার, ২১ নভেম্বর ২০২১ , ৬ অগ্রহায়ণ ১৪২৮ ১৫ রবিউস সানি ১৪৪৩

ইংলিশ ক্রিকেটারদের সুরা সংস্কৃতিতে সমস্যায় দলের অশেতাঙ্গরা

image

ক্রিকেটে ইংরেজদের মদ খাওয়ার সংস্কৃতিতে বদল আনার পরামর্শ দিলেন ওয়েস্ট ইন্ডিজের সাবেক ফাস্ট বোলার টিনো বেস্ট। তার মতে, এই সংস্কৃতির সঙ্গে মানিয়ে নিতে সমস্যায় পড়েন কৃষ্ণাঙ্গ ও এশীয় ক্রিকেটাররা। তাদের কখনও জোর করা উচিত নয় বলে মনে করেন তিনি।

বিবিসিকে দেয়া একটি সাক্ষাৎকারে বেস্ট বলেন, ‘ক্রিকেটীয় সংস্কৃতিতে এখন মদ খাওয়া খুব গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। সেটাই সমস্যা। একটি দলের সদস্য থাকার জন্য ক্রিকেটারদের বার বা নাইট ক্লাবে যেতে জোর করা উচিত নয়। এতে কৃষ্ণাঙ্গ ও এশীয় ক্রিকেটারদের সমস্যা হয়। তাদের বোঝানো হয়, মদ না খেলে তোমরা দলের সদস্য নও।’

সম্প্রতি ইংল্যান্ডের কাউন্টি ইয়র্কশায়ারে বর্ণবৈষম্য নিয়ে বিতর্কের ঝড় উঠেছে। ইয়র্কশায়ারে খেলার সময় আদিল রশিদ, রফিক বা আজমল শাহজাদরা যেভাবে বর্ণবৈষম্যের শিকার হয়েছেন তাতে তাদের পাশে দাঁড়িয়েছেন বেস্ট। তিনি বলেন, ‘আমি সব সময় ওদের পাশে রয়েছি। যে সময় ওরা এই অবস্থার মধ্যে দিয়ে গিয়েছে তখন ওরা কাউকে পাশে পায়নি। কারণ ওদের কেরিয়ার নিয়েও চিন্তা করতে হয়েছিল। তাই এই বিষয়ে ক্রিকেট প্রশাসনকে এগিয়ে আসতে হবে।’

বেস্টের মতে, ক্রিকেটারদের মধ্যে শিক্ষা ও সব দেশের সংস্কৃতির প্রতি জ্ঞান বৃদ্ধি করতে হবে। তবেই তারা বুঝবেন সব দেশের সংস্কৃতি এক নয়। তাই অন্যদের উপর কোনও কিছু চাপিয়ে দেয়া উচিত নয়। আরও খোলা মনে ক্রিকেটাররা খেলতে পারলে তাতে আখেরে খেলার লাভ হবে বলে মনে করেন তিনি।