মৃত্যুহীন একদিনের পরই ৭ জনের মৃত্যু

করোনা মহামারীর প্রায় ২০ মাস পর মৃত্যুহীন একটি দিন পার করার পরদিনই আরও ৭ জনের মৃত্যুর খবর দিল স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। এ নিয়ে মোট মৃত্যুর সংখ্যা দাঁড়ালো ২৭ হাজার ৯৫৩ জনে।

গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে শনাক্ত হয়েছে ১৯৯ জন। এ পর্যন্ত মোট শনাক্ত রোগীর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১৫ লাখ ৭৪ হাজার ৮৮ জনে। গতকাল স্বাস্থ্য অধিদপ্তর থেকে পাঠানো করোনাবিষয়ক নিয়মিত সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে। শনিবার (২০ নভেম্বর) টানা ৫৯৬ দিন পর মৃত্যুছাড়া দিনের দেখা পেয়েছিল বাংলাদেশ এবং একই সময়ে করোনা শনাক্ত হয়েছিল ১৭৮ জনের।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, গত ২৪ ঘণ্টায় করোনা থেকে সুস্থ হয়েছেন ১৯২ জন। এ পর্যন্ত মোট সুস্থ হয়েছেন ১৫ লাখ ৩৮ হাজার ১৯৮ জন। এই হিসাব অনুযায়ী, দেশে এখন সক্রিয় রোগীর সংখ্যা ৭ হাজার ৯৩৭ জন। অর্থাৎ, জানা হিসেবে এই সংখ্যক মানুষ এখন করোনাভাইরাস সংক্রমিত অবস্থায় রয়েছেন।

গত ২৪ ঘণ্টায় ১৭ হাজার ৭৪ জনের নমুনা সংগ্রহ করা হয়। পরীক্ষা করা হয় ১৭ হাজার ১৩৫টি নমুনা। পরীক্ষার বিপরীতে শনাক্তের হার ১ দশমিক ১৬ শতাংশ। এ পর্যন্ত মোট ১ কোটি ৭ লাখ ২৩ হাজার ৭৯৭টি নমুনা পরীক্ষায় শনাক্তের হার ১৪ দশমিক ৬৮ শতাংশ। প্রতি ১০০ জনে সুস্থতার হার ৯৭ দশমিক ৭২ শতাংশ এবং মৃত্যুহার ১ দশমিক ৭৮ শতাংশ।

গত ২৪ ঘণ্টায় আক্রান্তদের মধ্যে ১৫৪ জনই ঢাকা বিভাগের। যা দিনের মোট শনাক্তের তিন চতুর্থাংশ। দেশের ৩৯টি জেলায় গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন কোন রোগী শনাক্ত হয়নি।

গত ২৪ ঘণ্টায় মারা যাওয়াদের মধ্যে ৬ জন পুরুষ ও ১ জন নারী। তাদের ৪ জনের বয়স ছিল ৬০ বছরের বেশি, ২ জনের বয়স ছিল ৪১ থেকে ৬০ বছরের মধ্যে। আর ১ জনের বয়স ৩১ থেকে ৪০ বছরের মধ্যে ছিল। তাদের ৬ জন সরকারি হাসপাতালে এবং একজন বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছেন বলে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর জানিয়েছে।

এ সময়ে ঢাকায় ৫, চট্টগ্রামে ১ ও খুলনায় ১ জন মারা গেছেন। বাকি বিভাগগুলোতে কারও মৃত্যু হয়নি।

গত বছরের ৮ মার্চ দেশে প্রথম ৩ জনের দেহে করোনাভাইরাস শনাক্ত হয়। এর ১০ দিন পর ওই বছরের ১৮ মার্চ দেশে এ করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে প্রথম একজনের মৃত্যু হয়।

সোমবার, ২২ নভেম্বর ২০২১ , ৭ অগ্রহায়ণ ১৪২৮ ১৬ রবিউস সানি ১৪৪৩

করোনা

মৃত্যুহীন একদিনের পরই ৭ জনের মৃত্যু

করোনা মহামারীর প্রায় ২০ মাস পর মৃত্যুহীন একটি দিন পার করার পরদিনই আরও ৭ জনের মৃত্যুর খবর দিল স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। এ নিয়ে মোট মৃত্যুর সংখ্যা দাঁড়ালো ২৭ হাজার ৯৫৩ জনে।

গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে শনাক্ত হয়েছে ১৯৯ জন। এ পর্যন্ত মোট শনাক্ত রোগীর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১৫ লাখ ৭৪ হাজার ৮৮ জনে। গতকাল স্বাস্থ্য অধিদপ্তর থেকে পাঠানো করোনাবিষয়ক নিয়মিত সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে। শনিবার (২০ নভেম্বর) টানা ৫৯৬ দিন পর মৃত্যুছাড়া দিনের দেখা পেয়েছিল বাংলাদেশ এবং একই সময়ে করোনা শনাক্ত হয়েছিল ১৭৮ জনের।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, গত ২৪ ঘণ্টায় করোনা থেকে সুস্থ হয়েছেন ১৯২ জন। এ পর্যন্ত মোট সুস্থ হয়েছেন ১৫ লাখ ৩৮ হাজার ১৯৮ জন। এই হিসাব অনুযায়ী, দেশে এখন সক্রিয় রোগীর সংখ্যা ৭ হাজার ৯৩৭ জন। অর্থাৎ, জানা হিসেবে এই সংখ্যক মানুষ এখন করোনাভাইরাস সংক্রমিত অবস্থায় রয়েছেন।

গত ২৪ ঘণ্টায় ১৭ হাজার ৭৪ জনের নমুনা সংগ্রহ করা হয়। পরীক্ষা করা হয় ১৭ হাজার ১৩৫টি নমুনা। পরীক্ষার বিপরীতে শনাক্তের হার ১ দশমিক ১৬ শতাংশ। এ পর্যন্ত মোট ১ কোটি ৭ লাখ ২৩ হাজার ৭৯৭টি নমুনা পরীক্ষায় শনাক্তের হার ১৪ দশমিক ৬৮ শতাংশ। প্রতি ১০০ জনে সুস্থতার হার ৯৭ দশমিক ৭২ শতাংশ এবং মৃত্যুহার ১ দশমিক ৭৮ শতাংশ।

গত ২৪ ঘণ্টায় আক্রান্তদের মধ্যে ১৫৪ জনই ঢাকা বিভাগের। যা দিনের মোট শনাক্তের তিন চতুর্থাংশ। দেশের ৩৯টি জেলায় গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন কোন রোগী শনাক্ত হয়নি।

গত ২৪ ঘণ্টায় মারা যাওয়াদের মধ্যে ৬ জন পুরুষ ও ১ জন নারী। তাদের ৪ জনের বয়স ছিল ৬০ বছরের বেশি, ২ জনের বয়স ছিল ৪১ থেকে ৬০ বছরের মধ্যে। আর ১ জনের বয়স ৩১ থেকে ৪০ বছরের মধ্যে ছিল। তাদের ৬ জন সরকারি হাসপাতালে এবং একজন বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছেন বলে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর জানিয়েছে।

এ সময়ে ঢাকায় ৫, চট্টগ্রামে ১ ও খুলনায় ১ জন মারা গেছেন। বাকি বিভাগগুলোতে কারও মৃত্যু হয়নি।

গত বছরের ৮ মার্চ দেশে প্রথম ৩ জনের দেহে করোনাভাইরাস শনাক্ত হয়। এর ১০ দিন পর ওই বছরের ১৮ মার্চ দেশে এ করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে প্রথম একজনের মৃত্যু হয়।