মেক্সিকোয় ৩৭ বাংলাদেশিসহ ৬০০ অভিবাসনপ্রত্যাশী উদ্ধার

মেক্সিকোর পূর্বাঞ্চল থেকে ৬০০ অভিবাসনপ্রত্যাশীদের উদ্ধার করা হয়েছে। এদের মধ্যে ৩৭ বাংলাদেশিও রয়েছেন। বিষয়টি নিশ্চিত করেছে দেশটির ন্যাশনাল মাইগ্রেশন ইনস্টিটিউট (আইএনএম)।

দেশটির ন্যাশনালের মাইগ্রেশন ইনস্টিটিউটের বরাতে, গতকাল জার্মান সংবাদমাধ্যম ডয়চে ভেলের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, উদ্ধার হওয়া অভিবাসনপ্রত্যাশীদের মধ্যে মেক্সিকোর প্রতিবেশি দেশ গুয়াতেমালা থেকে অবৈধভাবে এসেছেন ৪০১ জন। এছাড়া ৫৩ জন হন্ডুরাস, ৪০ জন ডোমেনিকান প্রজাতন্ত্র, নিকারাগুয়ার ২৭, এল সালভাদরের ১৮ জন এবং চারজন ভেনেজুয়েলা থেকে এসেছেন বলে জানিয়েছে মাইগ্রেশন ইনস্টিটিউট। এছাড়া ঘানা এবং ক্যামেরুনের অভিবাসী রয়েছে। কিছু অভিবাসনপ্রত্যাশী ভারতীয় উপমহাদেশ থেকেও আসেন। সব মিলিয়ে ১৪৫ নারী এবং ৪৫৫ জন পুরুষ রয়েছেন।

দেশটির সরকারি সূত্র জানিয়েছে, ২০২০ সালের অক্টোবর থেকে ২০২১ সালের সেপ্টেম্বরের মধ্যে মেক্সিকো থেকে ১৭ লাখ অভিবাসী অবৈধভাবে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশ করেছে। মেক্সিকোর দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলীয় রাজ্য ভেরাক্রুজ থেকে ৬০০ অভিবাসনপ্রত্যাশীদের উদ্ধার করা হয়েছে। এদের মধ্যে ৩৭ জন বাংলাদেশি রয়েছে বলে জানা গেছে।

এএফপির প্রতিবেদন অনুযায়ী, মেক্সিকো কর্তৃপক্ষ গত শুক্রবার বলেছে, মেক্সিকোর প্রতিবেশী দেশ গুয়াতেমালার সীমান্তের কাছে আটক করা হয় তাদের।

দেশটির ন্যাশনাল মাইগ্রেশন ইনস্টিটিউট এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, দেশটির দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলীয় রাজ্য ভেরাক্রুজে ১৪৫ জন নারী এবং ৪৫৫ জন পুরুষকে পাওয়া গেছে।

বাংলাদেশের ৩৭ জন বাদে গুয়াতেমালার ৪০১ জন, বাকিরা হন্ডুরাস এবং নিকারাগুয়ার অভিবাসী। এছাড়া ঘানার ৬ জন এবং ভারত ও ক্যামেরুনের একজন করে আছে।

হিউম্যান রাইটস কমিশনের স্থানীয় প্রধান টোনাটিউহ হার্নান্দেজ বলেছেন, ‘শিশু, অপ্রাপ্তবয়স্ক, গর্ভবতী নারী, অসুস্থ ব্যক্তিরাও ছিলেন অভিবাসনপ্রত্যাশী দলটির মধ্যে।’ তিনি বলেন, ‘আমি এর আগে এতো বেশি অভিবাসীকে এ ধরনের পরিস্থিতিতে একসঙ্গে ভ্রমণ করতে দেখিনি।’

সোমবার, ২২ নভেম্বর ২০২১ , ৭ অগ্রহায়ণ ১৪২৮ ১৬ রবিউস সানি ১৪৪৩

মেক্সিকোয় ৩৭ বাংলাদেশিসহ ৬০০ অভিবাসনপ্রত্যাশী উদ্ধার

মেক্সিকোর পূর্বাঞ্চল থেকে ৬০০ অভিবাসনপ্রত্যাশীদের উদ্ধার করা হয়েছে। এদের মধ্যে ৩৭ বাংলাদেশিও রয়েছেন। বিষয়টি নিশ্চিত করেছে দেশটির ন্যাশনাল মাইগ্রেশন ইনস্টিটিউট (আইএনএম)।

দেশটির ন্যাশনালের মাইগ্রেশন ইনস্টিটিউটের বরাতে, গতকাল জার্মান সংবাদমাধ্যম ডয়চে ভেলের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, উদ্ধার হওয়া অভিবাসনপ্রত্যাশীদের মধ্যে মেক্সিকোর প্রতিবেশি দেশ গুয়াতেমালা থেকে অবৈধভাবে এসেছেন ৪০১ জন। এছাড়া ৫৩ জন হন্ডুরাস, ৪০ জন ডোমেনিকান প্রজাতন্ত্র, নিকারাগুয়ার ২৭, এল সালভাদরের ১৮ জন এবং চারজন ভেনেজুয়েলা থেকে এসেছেন বলে জানিয়েছে মাইগ্রেশন ইনস্টিটিউট। এছাড়া ঘানা এবং ক্যামেরুনের অভিবাসী রয়েছে। কিছু অভিবাসনপ্রত্যাশী ভারতীয় উপমহাদেশ থেকেও আসেন। সব মিলিয়ে ১৪৫ নারী এবং ৪৫৫ জন পুরুষ রয়েছেন।

দেশটির সরকারি সূত্র জানিয়েছে, ২০২০ সালের অক্টোবর থেকে ২০২১ সালের সেপ্টেম্বরের মধ্যে মেক্সিকো থেকে ১৭ লাখ অভিবাসী অবৈধভাবে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশ করেছে। মেক্সিকোর দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলীয় রাজ্য ভেরাক্রুজ থেকে ৬০০ অভিবাসনপ্রত্যাশীদের উদ্ধার করা হয়েছে। এদের মধ্যে ৩৭ জন বাংলাদেশি রয়েছে বলে জানা গেছে।

এএফপির প্রতিবেদন অনুযায়ী, মেক্সিকো কর্তৃপক্ষ গত শুক্রবার বলেছে, মেক্সিকোর প্রতিবেশী দেশ গুয়াতেমালার সীমান্তের কাছে আটক করা হয় তাদের।

দেশটির ন্যাশনাল মাইগ্রেশন ইনস্টিটিউট এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, দেশটির দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলীয় রাজ্য ভেরাক্রুজে ১৪৫ জন নারী এবং ৪৫৫ জন পুরুষকে পাওয়া গেছে।

বাংলাদেশের ৩৭ জন বাদে গুয়াতেমালার ৪০১ জন, বাকিরা হন্ডুরাস এবং নিকারাগুয়ার অভিবাসী। এছাড়া ঘানার ৬ জন এবং ভারত ও ক্যামেরুনের একজন করে আছে।

হিউম্যান রাইটস কমিশনের স্থানীয় প্রধান টোনাটিউহ হার্নান্দেজ বলেছেন, ‘শিশু, অপ্রাপ্তবয়স্ক, গর্ভবতী নারী, অসুস্থ ব্যক্তিরাও ছিলেন অভিবাসনপ্রত্যাশী দলটির মধ্যে।’ তিনি বলেন, ‘আমি এর আগে এতো বেশি অভিবাসীকে এ ধরনের পরিস্থিতিতে একসঙ্গে ভ্রমণ করতে দেখিনি।’