জানুয়ারিতে ইন্টার-অপারেবল ডিজিটাল ট্রানজেকশন প্লাটফর্ম চালু হবে : পলক

তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক বলেছেন, আর্থিক লেনদেনে খরচ ও হয়রানি রোধে জানুয়ারিতে ইন্টার-অপারেবল ডিজিটাল ট্রানজেকশন প্লাটফর্ম চালু করা হবে। দেশের জনগণকে ডিজিটাল সেবাদানের মাধ্যমে অনলাইনে নিয়ে আসাই এর লক্ষ্য। এছাড়াও, ‘ওয়েবসাইট ডেভেলপমেন্ট ও বিপণনের লক্ষ্যে দেশের ২ হাজার ছোট ছোট নারী উদ্যোক্তাদের অফেরতযোগ্য ৫০ হাজার টাকা করে প্রদান করা হবে।’

গতকাল রাজধানীর বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে বাংলাদেশ উইমেন চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রিজের (বিডব্লিউসিসিআই) উদ্যোগে ‘ক্যাপাসিটি বিল্ডিং ট্রেনিং ফর আনন্দমেলা প্লাটফর্ম ইউজার্স ইন বাংলাদেশ’ কিক অব ওয়ার্কশপের দ্বিতীয় অধিবেশনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

পলক বলেন, ‘অনলাইন ব্যাংকিং, ইলেক্ট্রনিক মানি ট্রান্সফার, এটিএম কার্ড ব্যবহার দেশে ই-কমার্সেরও ব্যাপক প্রসার ঘটাচ্ছে। ২০২০ সালের মার্চ পর্যন্ত ই-কমার্সের আকার ছিল ৮ হাজার ৫০০ কোটি টাকা, যা করোনা মহামারীতে দ্বিগুণ হয়েছে। ২০২৩ সাল নাগাদ দেশীয় ই-কমার্সের বাজার ২৫ হাজার কোটিতে পৌঁছাতে পারে।’

পলক আরও বলেন, ‘স্টার্টআপ সংস্কৃতির বিকাশে সরকারের নানা উদ্যোগের ফলে বর্তমানে দেশে স্টার্টআপ ইকোসিস্টেম গড়ে উঠেছে। আইসিটি বিভাগের উদ্যোগে ‘আইডিয়া’ প্রকল্পের মাধ্যমে স্টার্টআপগুলোকে অনুদান দেয়া হচ্ছে।’

সোমবার, ২২ নভেম্বর ২০২১ , ৭ অগ্রহায়ণ ১৪২৮ ১৬ রবিউস সানি ১৪৪৩

জানুয়ারিতে ইন্টার-অপারেবল ডিজিটাল ট্রানজেকশন প্লাটফর্ম চালু হবে : পলক

তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক বলেছেন, আর্থিক লেনদেনে খরচ ও হয়রানি রোধে জানুয়ারিতে ইন্টার-অপারেবল ডিজিটাল ট্রানজেকশন প্লাটফর্ম চালু করা হবে। দেশের জনগণকে ডিজিটাল সেবাদানের মাধ্যমে অনলাইনে নিয়ে আসাই এর লক্ষ্য। এছাড়াও, ‘ওয়েবসাইট ডেভেলপমেন্ট ও বিপণনের লক্ষ্যে দেশের ২ হাজার ছোট ছোট নারী উদ্যোক্তাদের অফেরতযোগ্য ৫০ হাজার টাকা করে প্রদান করা হবে।’

গতকাল রাজধানীর বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে বাংলাদেশ উইমেন চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রিজের (বিডব্লিউসিসিআই) উদ্যোগে ‘ক্যাপাসিটি বিল্ডিং ট্রেনিং ফর আনন্দমেলা প্লাটফর্ম ইউজার্স ইন বাংলাদেশ’ কিক অব ওয়ার্কশপের দ্বিতীয় অধিবেশনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

পলক বলেন, ‘অনলাইন ব্যাংকিং, ইলেক্ট্রনিক মানি ট্রান্সফার, এটিএম কার্ড ব্যবহার দেশে ই-কমার্সেরও ব্যাপক প্রসার ঘটাচ্ছে। ২০২০ সালের মার্চ পর্যন্ত ই-কমার্সের আকার ছিল ৮ হাজার ৫০০ কোটি টাকা, যা করোনা মহামারীতে দ্বিগুণ হয়েছে। ২০২৩ সাল নাগাদ দেশীয় ই-কমার্সের বাজার ২৫ হাজার কোটিতে পৌঁছাতে পারে।’

পলক আরও বলেন, ‘স্টার্টআপ সংস্কৃতির বিকাশে সরকারের নানা উদ্যোগের ফলে বর্তমানে দেশে স্টার্টআপ ইকোসিস্টেম গড়ে উঠেছে। আইসিটি বিভাগের উদ্যোগে ‘আইডিয়া’ প্রকল্পের মাধ্যমে স্টার্টআপগুলোকে অনুদান দেয়া হচ্ছে।’