নারায়ণপুর ইউপিতে রাজাকারপুত্র আ’লীগের প্রার্থী হতে মরিয়া

আসন্ন ইউপি নির্বাচনে চাঁপাইনবাবগঞ্জের প্রত্যন্ত চর নারায়ণপুর ইউনিয়নে চেয়ারম্যান পদে রাজাকারপুত্র আ’লীগের প্রার্থী হবার জন্য উঠে পড়ে লেগেছে। আর এতে ত্যাগী আ.লীগ নেতা-কর্মীদের মধ্যে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। তবে, দলের দায়িত্বশীল নেতারা বলছেন, সর্ববৃহৎ রাজনৈতিক দল আওয়ামী লীগে রাজাকার বা বিতর্কিত ব্যক্তিরা বঙ্গবন্ধুর আ.লীগ থেকে এবার মনোনয়ন পাবেন না। পদ্মা নদীর ভাঙনে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত সদর উপজেলার নারায়ণপুর ইউনিয়ন। স্বাধীনতা পরবর্তী সময়ে বেশিরভাগ সময় এই ইউনিয়নে রাজাকার আশির্বাদপুষ্ট বিএনপি-জামায়াত সমর্থিতরা চেয়ারম্যান হয়েছেন। কিন্তু এবার এই ইউনিয়নের নির্বাচনের সময় ঘনিয়ে আসায় আবারও চিহ্নিত রাজাকার মৃত হুমায়ন কবির (হুমায়ন দারোগা)’র ছেলে বিএনপি’র আদর্শের অনুসারী অসুস্থ মো. আলমগীর কবির আ’লীগের মনোনয়ন পাবার জন্য মরিয়ে হয়ে উঠেছেন।

নারায়ণপুরের বীর মুক্তিযোদ্ধা আবদুস সামাদ কালু ও আবুল কালাম জানান, আলমগীর কবিরের পিতা চিহ্নিত রাজাকার হুমায়ন দারোগা মুক্তিযুদ্ধের সময়ে এলাকার অনেকের বাড়ি-ঘর পোড়ানো, লুটপাট ও অত্যাচার চালিয়েছিল। তার পুত্র বিএনপি’র আদর্শের। বর্তমানে আলমগীর কবির এখন অন্যের সহায়তা ছাড়া চলাফেরা করতে পারেন না। আর আলমগীর কবির ২০১১ সালে চেয়ারম্যান থাকাকালীন এলাকায় ২টি হত্যাকা-, বোমাবাজির ঘাঁটিসহ সন্ত্রাসের জনপদে পরিণত করেছিলেন। তার সময়ে অবহেলিত এ ইউনিয়নে রাস্তা-ঘাট, স্কুল কলেজের উন্নয়ন হয়নি। এবার সে আ.লীগের প্রার্থী হলে তা আত্মঘাতি হবে বলে মনে করেন অনেক নেতা-কর্মীরা।

এদিকে সদর উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট নজরুল ইসলাম জানান, রাজাকার, স্বাধীনতাবিরোধী পরিবার বা বিতর্কিত ব্যক্তিরা আ.লীগ থেকে এবার মনোনয়ন পাবেন না। দল এসব বিষয়গুলো চুলচেরা বিশ্লেষণ করে মনোনয়ন দিচ্ছেন। আর এই ইউনিয়নে এবার নির্বাচন করবেন বলে এলাকায় গণসংযোগ করছেন মো. শরিয়তুল্লাহ লাহু, শহিদুল ইসলাম শহীদ ও কামাল উদ্দিন হোদা।

সোমবার, ২২ নভেম্বর ২০২১ , ৭ অগ্রহায়ণ ১৪২৮ ১৬ রবিউস সানি ১৪৪৩

নারায়ণপুর ইউপিতে রাজাকারপুত্র আ’লীগের প্রার্থী হতে মরিয়া

আসন্ন ইউপি নির্বাচনে চাঁপাইনবাবগঞ্জের প্রত্যন্ত চর নারায়ণপুর ইউনিয়নে চেয়ারম্যান পদে রাজাকারপুত্র আ’লীগের প্রার্থী হবার জন্য উঠে পড়ে লেগেছে। আর এতে ত্যাগী আ.লীগ নেতা-কর্মীদের মধ্যে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। তবে, দলের দায়িত্বশীল নেতারা বলছেন, সর্ববৃহৎ রাজনৈতিক দল আওয়ামী লীগে রাজাকার বা বিতর্কিত ব্যক্তিরা বঙ্গবন্ধুর আ.লীগ থেকে এবার মনোনয়ন পাবেন না। পদ্মা নদীর ভাঙনে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত সদর উপজেলার নারায়ণপুর ইউনিয়ন। স্বাধীনতা পরবর্তী সময়ে বেশিরভাগ সময় এই ইউনিয়নে রাজাকার আশির্বাদপুষ্ট বিএনপি-জামায়াত সমর্থিতরা চেয়ারম্যান হয়েছেন। কিন্তু এবার এই ইউনিয়নের নির্বাচনের সময় ঘনিয়ে আসায় আবারও চিহ্নিত রাজাকার মৃত হুমায়ন কবির (হুমায়ন দারোগা)’র ছেলে বিএনপি’র আদর্শের অনুসারী অসুস্থ মো. আলমগীর কবির আ’লীগের মনোনয়ন পাবার জন্য মরিয়ে হয়ে উঠেছেন।

নারায়ণপুরের বীর মুক্তিযোদ্ধা আবদুস সামাদ কালু ও আবুল কালাম জানান, আলমগীর কবিরের পিতা চিহ্নিত রাজাকার হুমায়ন দারোগা মুক্তিযুদ্ধের সময়ে এলাকার অনেকের বাড়ি-ঘর পোড়ানো, লুটপাট ও অত্যাচার চালিয়েছিল। তার পুত্র বিএনপি’র আদর্শের। বর্তমানে আলমগীর কবির এখন অন্যের সহায়তা ছাড়া চলাফেরা করতে পারেন না। আর আলমগীর কবির ২০১১ সালে চেয়ারম্যান থাকাকালীন এলাকায় ২টি হত্যাকা-, বোমাবাজির ঘাঁটিসহ সন্ত্রাসের জনপদে পরিণত করেছিলেন। তার সময়ে অবহেলিত এ ইউনিয়নে রাস্তা-ঘাট, স্কুল কলেজের উন্নয়ন হয়নি। এবার সে আ.লীগের প্রার্থী হলে তা আত্মঘাতি হবে বলে মনে করেন অনেক নেতা-কর্মীরা।

এদিকে সদর উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট নজরুল ইসলাম জানান, রাজাকার, স্বাধীনতাবিরোধী পরিবার বা বিতর্কিত ব্যক্তিরা আ.লীগ থেকে এবার মনোনয়ন পাবেন না। দল এসব বিষয়গুলো চুলচেরা বিশ্লেষণ করে মনোনয়ন দিচ্ছেন। আর এই ইউনিয়নে এবার নির্বাচন করবেন বলে এলাকায় গণসংযোগ করছেন মো. শরিয়তুল্লাহ লাহু, শহিদুল ইসলাম শহীদ ও কামাল উদ্দিন হোদা।