লোকসান করলে উৎসাহ বোনাস ও প্রণোদনা পাবে কি না, তা নিয়ে বৈঠক

রাষ্ট্র মালিকানাধীন বাণিজ্যিক ব্যাংক ও সরকার মালিকানাধীন ব্যাংক-আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলো লোকসান করলেও উৎসাহ বোনাস ও প্রণোদনা পাবে, না কি পাবে না, এই বিষয়ে গতকাল বৈঠক করেছে কমিটি। বাংলাদেশ ব্যাংক শুধু রাষ্ট্র মালিকানাধীন বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোর জন্য ২০১৩ সালের জানুয়ারিতে ‘উৎসাহ বোনাস প্রদান সম্পর্কিত নীতিমালা’ তৈরি করে। বর্তমানে এই নীতিমালার যৌক্তিকতা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। কেউ লোকসান করেও উৎসাহ বোনাস পাচ্ছে, কেউ পাচ্ছে না। তবে কমিটির সিদ্ধান্ত এখনও জানা যায়নি।

২০১৩ সালের জানুয়ারিতে শুধু রাষ্ট্র মালিকানাধীন বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোর জন্য ‘উৎসাহ বোনাস প্রদান সম্পর্কিত নীতিমালা’ তৈরি করে বাংলাদেশ ব্যাংক। এ বিষয়ে অভিন্ন কোন নীতিমালা এখন পর্যন্ত নেই। বাংলাদেশ ব্যাংক ২০১৪ সালের ডিসেম্বরে আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগের কাছে নীতিমালাটি পাঠালেও বিভাগটি তা ফেলে রেখেছে। সেই নীতিমালা পরিবর্তন, পরিবর্ধন ও সংশোধন করার জন্য কমিটি গঠন করা হয়েছে।

অর্থ মন্ত্রণালয়ের আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগ ১৪ সদস্যের একটি কমিটি গঠন করেছে। গত ১৫ নভেম্বর আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগের অতিরিক্ত সচিব এ বি এম রুহুল আজাদকে আহ্বায়ক করে গঠিত কমিটি গতকাল বৈঠক করেছে। তবে এই প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত কমিটির সিদ্ধান্ত জানা যায়নি।

সভাপতির পাশাপাশি বৈঠকে উপস্থিত থাকবেন কমিটির সদস্য আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগের যুগ্ম সচিব মৃত্যুঞ্জয় সাহা ও উপসচিব মোহাম্মদ এনামুল হক, অর্থ বিভাগের উপসচিব নারগিস মুরশিদা, বাংলাদেশ ব্যাংকের অফসাইট সুপারভিশন বিভাগের মহাব্যবস্থাপক (জিএম) আনোয়ারুল ইসলাম, কৃষি ব্যাংকের ডিএমডি চানু গোপাল ঘোষ, রূপালী ব্যাংকের ডিএমডি শওকত আলী খান, বেসিক ব্যাংকের ডিএমডি নিরঞ্জন চন্দ্র দেবনাথ, সোনালী ব্যাংকের জিএম সুভাষ চন্দ্র দাস, জনতা ব্যাংকের সিএফও এ কে এম শরীয়ত উল্যাহ, অগ্রণী ব্যাংকের জিএম মনোয়ার হোসেন, বিডিবিএলের জিএম শফিকুল ইসলাম, কর্মসংস্থান ব্যাংকের জিএম গৌতম সাহা এবং বিএইচবিএফসির জিএম জসীম উদ্দীন।

চলতি বছরের ২০ জুন বাংলাদেশ ব্যাংক এ বিষয়ে একটি চিঠি পাঠিয়েছে আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগে। বাংলাদেশ ব্যাংক বলছে, রাষ্ট্র মালিকানাধীন বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোর আর্থিক সচ্ছলতা এবং তারল্য অবস্থা সন্তোষজনক পর্যায়ে বিবেচিত হলে নিটমুনাফার ভিত্তিতে উৎসাহ বোনাস দেয়ার সুপারিশ করা হয়েছে।

মঙ্গলবার, ২৩ নভেম্বর ২০২১ , ৮ অগ্রহায়ণ ১৪২৮ ১৭ রবিউস সানি ১৪৪৩

লোকসান করলে উৎসাহ বোনাস ও প্রণোদনা পাবে কি না, তা নিয়ে বৈঠক

রাষ্ট্র মালিকানাধীন বাণিজ্যিক ব্যাংক ও সরকার মালিকানাধীন ব্যাংক-আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলো লোকসান করলেও উৎসাহ বোনাস ও প্রণোদনা পাবে, না কি পাবে না, এই বিষয়ে গতকাল বৈঠক করেছে কমিটি। বাংলাদেশ ব্যাংক শুধু রাষ্ট্র মালিকানাধীন বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোর জন্য ২০১৩ সালের জানুয়ারিতে ‘উৎসাহ বোনাস প্রদান সম্পর্কিত নীতিমালা’ তৈরি করে। বর্তমানে এই নীতিমালার যৌক্তিকতা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। কেউ লোকসান করেও উৎসাহ বোনাস পাচ্ছে, কেউ পাচ্ছে না। তবে কমিটির সিদ্ধান্ত এখনও জানা যায়নি।

২০১৩ সালের জানুয়ারিতে শুধু রাষ্ট্র মালিকানাধীন বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোর জন্য ‘উৎসাহ বোনাস প্রদান সম্পর্কিত নীতিমালা’ তৈরি করে বাংলাদেশ ব্যাংক। এ বিষয়ে অভিন্ন কোন নীতিমালা এখন পর্যন্ত নেই। বাংলাদেশ ব্যাংক ২০১৪ সালের ডিসেম্বরে আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগের কাছে নীতিমালাটি পাঠালেও বিভাগটি তা ফেলে রেখেছে। সেই নীতিমালা পরিবর্তন, পরিবর্ধন ও সংশোধন করার জন্য কমিটি গঠন করা হয়েছে।

অর্থ মন্ত্রণালয়ের আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগ ১৪ সদস্যের একটি কমিটি গঠন করেছে। গত ১৫ নভেম্বর আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগের অতিরিক্ত সচিব এ বি এম রুহুল আজাদকে আহ্বায়ক করে গঠিত কমিটি গতকাল বৈঠক করেছে। তবে এই প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত কমিটির সিদ্ধান্ত জানা যায়নি।

সভাপতির পাশাপাশি বৈঠকে উপস্থিত থাকবেন কমিটির সদস্য আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগের যুগ্ম সচিব মৃত্যুঞ্জয় সাহা ও উপসচিব মোহাম্মদ এনামুল হক, অর্থ বিভাগের উপসচিব নারগিস মুরশিদা, বাংলাদেশ ব্যাংকের অফসাইট সুপারভিশন বিভাগের মহাব্যবস্থাপক (জিএম) আনোয়ারুল ইসলাম, কৃষি ব্যাংকের ডিএমডি চানু গোপাল ঘোষ, রূপালী ব্যাংকের ডিএমডি শওকত আলী খান, বেসিক ব্যাংকের ডিএমডি নিরঞ্জন চন্দ্র দেবনাথ, সোনালী ব্যাংকের জিএম সুভাষ চন্দ্র দাস, জনতা ব্যাংকের সিএফও এ কে এম শরীয়ত উল্যাহ, অগ্রণী ব্যাংকের জিএম মনোয়ার হোসেন, বিডিবিএলের জিএম শফিকুল ইসলাম, কর্মসংস্থান ব্যাংকের জিএম গৌতম সাহা এবং বিএইচবিএফসির জিএম জসীম উদ্দীন।

চলতি বছরের ২০ জুন বাংলাদেশ ব্যাংক এ বিষয়ে একটি চিঠি পাঠিয়েছে আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগে। বাংলাদেশ ব্যাংক বলছে, রাষ্ট্র মালিকানাধীন বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোর আর্থিক সচ্ছলতা এবং তারল্য অবস্থা সন্তোষজনক পর্যায়ে বিবেচিত হলে নিটমুনাফার ভিত্তিতে উৎসাহ বোনাস দেয়ার সুপারিশ করা হয়েছে।