মোহামেডানকে হারিয়ে আবাহনীর প্রতিশোধ

জিতলে শিরোপা লড়াইয়ে বেশ ভালোভাবেই টিকে থাকতো মোহামেডান। অপরদিকে মর্যাদার লড়াইয়ে প্রতিশোধ নিতে পারলে শিরোপার দৌঁড়ে ঢাকা মেরিনার্সের সঙ্গে এগিয়ে থাকবে আবাহনীও। এমন গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে জয় হল আকাশী হলুদ শিবিরের। মঙ্গলবার মওলানা ভাসানী হকি স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত ম্যাচে সাদা কালোদের ৪-২ গোলে হারায় আবাহনী। প্রিমিয়ার হকি লীগের প্রথম পর্বে তারা ৪-০ গোলে হেরেছিল মোহামেডানের কাছে। সেই প্রতিশোধ সুপার লীগে এসে নিল আকাশী হলুদ শিবির।

ম্যাচের শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক ছিল দুই দলই। তবে বল পজেশনে এগিয়ে থাকা মোহামেডান পিছিয়ে পড়ে শুরুতেই। ম্যাচের মাত্র পাঁচ মিনিটে পেনাল্টি কর্ণার (পিসি) থেকে গোল করে দলকে এগিয়ে দেন আবাহনীর খোরশেদুর রহমান (১-০)। মিনিট চারেক পর পাওয়া তৃতীয় পিসিতে সেই গোল শোধ দিয়ে সমতা আনেন মোহামেডানের আর্জেন্টাইন ফরোয়ার্ড গঞ্জালো পেইলাত (১-১)। ২৮ মিনিটে ফিল্ড গোলে আকাশী হলুদদের এগিয়ে দেন আরশাদ হোসেন (২-১)। মিনিট ছয়েক পর পিসি থেকে আবাহনীকে আরও এগিয়ে দেন খোরশেদুর রহমান (৩-১)। ম্যাচে ফিরতে মরিয়া রাসেল মাহমুদ জিমিরা প্রানান্তকর চেষ্টা করেন। কিন্তু কোন ভাবেই সফল হচ্ছিলেন না। বার বার পিসি থেকে গোলের সুযোগ নষ্ট করেন পেইলাত। এমনকি পেনাল্টি স্ট্রোকেও গোল করতে ব্যর্থ হন তিনি। ৪০ মিনিটে পেইলাতের করা পেনাল্টি স্ট্রোক বারের উপর দিয়ে চলে যায় মাঠের বাইরে। মিনিট চারেক পর সফল হন পেইলাত।

পিসি থেকে সাদা কালোদের ফের গোল এনে দেন তিনি (২-৩)। ম্যাচের শেষ দিকে যেন খেই হারিয়ে ফেলে মোহামেডান। তাদের মিস পাস এবং সুযোগ নষ্টের খেসারত দিতে হয়। ম্যাচের অন্তিম সময়ে অলআউট খেলতে গিয়ে পোস্ট ফাঁকা হয়ে যায় জিমিদের। সেই সুযোগে বল পেয়ে একাই ছুটে যান বিজর্ন কেল্লেরমান। বাঁ দিক থেকে কোনাকুনি শটে বল জালে জড়ান তিনি (৪-২)। শেষে এই ব্যবধানে জয় নিয়েই মাঠ ছাড়ে আবাহনী। ১৪ ম্যাচে আবাহনীর ৩৬ পয়েন্ট। এক ম্যাচ কম খেলা মোহামেডান দাঁড়িয়ে ৩৩ পয়েন্টে।

বুধবার, ২৪ নভেম্বর ২০২১ , ৯ অগ্রহায়ণ ১৪২৮ ১৮ রবিউস সানি ১৪৪৩

মোহামেডানকে হারিয়ে আবাহনীর প্রতিশোধ

image

আবাহনী খেলোয়াড়দের গোল উদযাপন

জিতলে শিরোপা লড়াইয়ে বেশ ভালোভাবেই টিকে থাকতো মোহামেডান। অপরদিকে মর্যাদার লড়াইয়ে প্রতিশোধ নিতে পারলে শিরোপার দৌঁড়ে ঢাকা মেরিনার্সের সঙ্গে এগিয়ে থাকবে আবাহনীও। এমন গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে জয় হল আকাশী হলুদ শিবিরের। মঙ্গলবার মওলানা ভাসানী হকি স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত ম্যাচে সাদা কালোদের ৪-২ গোলে হারায় আবাহনী। প্রিমিয়ার হকি লীগের প্রথম পর্বে তারা ৪-০ গোলে হেরেছিল মোহামেডানের কাছে। সেই প্রতিশোধ সুপার লীগে এসে নিল আকাশী হলুদ শিবির।

ম্যাচের শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক ছিল দুই দলই। তবে বল পজেশনে এগিয়ে থাকা মোহামেডান পিছিয়ে পড়ে শুরুতেই। ম্যাচের মাত্র পাঁচ মিনিটে পেনাল্টি কর্ণার (পিসি) থেকে গোল করে দলকে এগিয়ে দেন আবাহনীর খোরশেদুর রহমান (১-০)। মিনিট চারেক পর পাওয়া তৃতীয় পিসিতে সেই গোল শোধ দিয়ে সমতা আনেন মোহামেডানের আর্জেন্টাইন ফরোয়ার্ড গঞ্জালো পেইলাত (১-১)। ২৮ মিনিটে ফিল্ড গোলে আকাশী হলুদদের এগিয়ে দেন আরশাদ হোসেন (২-১)। মিনিট ছয়েক পর পিসি থেকে আবাহনীকে আরও এগিয়ে দেন খোরশেদুর রহমান (৩-১)। ম্যাচে ফিরতে মরিয়া রাসেল মাহমুদ জিমিরা প্রানান্তকর চেষ্টা করেন। কিন্তু কোন ভাবেই সফল হচ্ছিলেন না। বার বার পিসি থেকে গোলের সুযোগ নষ্ট করেন পেইলাত। এমনকি পেনাল্টি স্ট্রোকেও গোল করতে ব্যর্থ হন তিনি। ৪০ মিনিটে পেইলাতের করা পেনাল্টি স্ট্রোক বারের উপর দিয়ে চলে যায় মাঠের বাইরে। মিনিট চারেক পর সফল হন পেইলাত।

পিসি থেকে সাদা কালোদের ফের গোল এনে দেন তিনি (২-৩)। ম্যাচের শেষ দিকে যেন খেই হারিয়ে ফেলে মোহামেডান। তাদের মিস পাস এবং সুযোগ নষ্টের খেসারত দিতে হয়। ম্যাচের অন্তিম সময়ে অলআউট খেলতে গিয়ে পোস্ট ফাঁকা হয়ে যায় জিমিদের। সেই সুযোগে বল পেয়ে একাই ছুটে যান বিজর্ন কেল্লেরমান। বাঁ দিক থেকে কোনাকুনি শটে বল জালে জড়ান তিনি (৪-২)। শেষে এই ব্যবধানে জয় নিয়েই মাঠ ছাড়ে আবাহনী। ১৪ ম্যাচে আবাহনীর ৩৬ পয়েন্ট। এক ম্যাচ কম খেলা মোহামেডান দাঁড়িয়ে ৩৩ পয়েন্টে।