ফুটওভার ব্রিজ দখলমুক্ত করুন

রাজধানী ঢাকা অন্যতম ব্যস্ত নগরী। সড়কপথ ২-৪ লেন হলেও এই ব্যস্ততা কমবে কিনা সন্দেহ আছে। কিছুকিছু জায়গা এতোই কোলাহলপূর্ণ যে স্বাভাবিকভাবে কেউ হাঁটতেও পারে না। এসব সমস্যা সমাধান লক্ষেই সিটি করপোরেশনের উদ্যোগে নির্মাণ করা হয়েছে ফুটওভার ব্রিজ। সাধারণত দেখা যায় রাস্তার বৃহৎ একটা অংশ হকাররা দখল করে নেয়। বারবার এটা নিয়ে বিভিন্ন পদক্ষেপ নিয়েও কোন সফলতা আসেনি। বলা চলে এটা এখন চোর পুলিশ খেলা। কেননা হুট করে পুলিশ হুইচেল দিলে হকাররা তাদের মালামাল গুছিয়ে নেয়। আবার পুলিশ চলে গেলে শুরু হয়ে যায় তাদের কর্মযজ্ঞ। ক্ষমতাসীন যখন যারা থাকে আর প্রশাসনের সহায়তায়ই মূলত এসব ব্যবসা চলে।

তবে ইদানীং সময়ে যেটা দেখা যাচ্ছে রাস্তা দখলের পরে এখন ফুটওভার ব্রিজও দখলে নিচ্ছে হকাররা। দিনদিন এর দখলদারিত্ব বেড়েই চলছে। যার ফলে সাধারণ মানুষ দ্রুত যে ব্রিজ অতিক্রম করবে সেই সুযোগটাও হচ্ছে না। আবার দেখা যায় রাতে ফুটওভার ব্রিজ দিয়ে হাঁটাচলা মারাত্মক ভয়ানক হয়ে দাঁড়িয়েছে। এটা এখন নিত্য নৈমিত্তিক ঘটনা হয়ে দাঁড়িয়েছে। এছাড়া নারী পথচারীদের জন্য তো নিরাপত্তাহীনতা থেকেই যাচ্ছে। এ বিষয়ে এখনই সিটি করপোরেশন এবং প্রশাসনের যথাযথ পদক্ষেপ নিতে হবে। কড়া নজরদারি রাখতে হবে এসব ফুটওভার ব্রিজের দিকে। এগুলো দখলমুক্ত রাখতে কার্যকর পদক্ষেপ নেয়ার অনুরোধ করছি।

সায়েদ আফ্রিদী

বুধবার, ২৪ নভেম্বর ২০২১ , ৯ অগ্রহায়ণ ১৪২৮ ১৮ রবিউস সানি ১৪৪৩

ফুটওভার ব্রিজ দখলমুক্ত করুন

রাজধানী ঢাকা অন্যতম ব্যস্ত নগরী। সড়কপথ ২-৪ লেন হলেও এই ব্যস্ততা কমবে কিনা সন্দেহ আছে। কিছুকিছু জায়গা এতোই কোলাহলপূর্ণ যে স্বাভাবিকভাবে কেউ হাঁটতেও পারে না। এসব সমস্যা সমাধান লক্ষেই সিটি করপোরেশনের উদ্যোগে নির্মাণ করা হয়েছে ফুটওভার ব্রিজ। সাধারণত দেখা যায় রাস্তার বৃহৎ একটা অংশ হকাররা দখল করে নেয়। বারবার এটা নিয়ে বিভিন্ন পদক্ষেপ নিয়েও কোন সফলতা আসেনি। বলা চলে এটা এখন চোর পুলিশ খেলা। কেননা হুট করে পুলিশ হুইচেল দিলে হকাররা তাদের মালামাল গুছিয়ে নেয়। আবার পুলিশ চলে গেলে শুরু হয়ে যায় তাদের কর্মযজ্ঞ। ক্ষমতাসীন যখন যারা থাকে আর প্রশাসনের সহায়তায়ই মূলত এসব ব্যবসা চলে।

তবে ইদানীং সময়ে যেটা দেখা যাচ্ছে রাস্তা দখলের পরে এখন ফুটওভার ব্রিজও দখলে নিচ্ছে হকাররা। দিনদিন এর দখলদারিত্ব বেড়েই চলছে। যার ফলে সাধারণ মানুষ দ্রুত যে ব্রিজ অতিক্রম করবে সেই সুযোগটাও হচ্ছে না। আবার দেখা যায় রাতে ফুটওভার ব্রিজ দিয়ে হাঁটাচলা মারাত্মক ভয়ানক হয়ে দাঁড়িয়েছে। এটা এখন নিত্য নৈমিত্তিক ঘটনা হয়ে দাঁড়িয়েছে। এছাড়া নারী পথচারীদের জন্য তো নিরাপত্তাহীনতা থেকেই যাচ্ছে। এ বিষয়ে এখনই সিটি করপোরেশন এবং প্রশাসনের যথাযথ পদক্ষেপ নিতে হবে। কড়া নজরদারি রাখতে হবে এসব ফুটওভার ব্রিজের দিকে। এগুলো দখলমুক্ত রাখতে কার্যকর পদক্ষেপ নেয়ার অনুরোধ করছি।

সায়েদ আফ্রিদী