মেয়র আব্বাসের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়ার অনুরোধ মুক্তিযুদ্ধ মন্ত্রীর

বঙ্গবন্ধুর ম্যুরাল বসানোর ‘বিরোধিতা করায়’ রাজশাহীর কাঁটাখালী পৌরসভার মেয়র ও পৌর আওয়ামী লীগের আহ্বায়ক আব্বাস আলীর বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য স্থানীয় সরকার বিভাগকে অনুরোধ জানিয়েছেন মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী আ ক ম মোজাম্মেল হক।

তিনি বলেন, ‘সরকারি কর্মচারীদের মতো নির্বাচিত জনপ্রতিনিধিও আইন দ্বারা নিয়ন্ত্রিত। একজন মেয়রও এই আইন দ্বারা নিয়ন্ত্রিত। জনপ্রতিনিধিরা যখন দায়িত্ব নেন তারা শপথ গ্রহণ করেই নেন। সংবিধান সংরক্ষণ করার দায়িত্ব তাদের আছে। রাষ্ট্রীয় নীতি, সরকারি আদেশ-নিষেধ মেনে চলার বাধ্যবাধকতা আছে।’ তাই কাঁটাখালী পৌরসভার মেয়র প্রচলিত আইনে শাস্তিযোগ্য অপরাধ করেছেন বলে মন্তব্য করে মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী। গতকাল মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে এক সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের প্রশ্নে জবাবে তিনি এই মন্তব্য করেন।

সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হওয়া এক অডিও টেপের সূত্র ধরে আব্বাস আলীকে অপসারণের দাবিতে আন্দোলনে নেমেছে স্থানীয় আওয়ামী লীগের একটি অংশ।

তাদের অভিযোগ, আব্বাস আলীকে রাজশাহী সিটি গেইটে বঙ্গবন্ধুর ম্যুরাল বসানোর ‘বিরোধিতা করে’ কথা বলতে শোনা গেছে ওই অডিও টেপে। তবে বিষয়টি অস্বীকার করে আব্বাস আলী দাবি করেছেন, ওই অডিও ‘এডিট করা’।

মহাসমাবেশের মাধ্যমে ‘পথে পথে বিজয়’ উদযাপন

স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী উদযাপনের অংশ হিসেবে ২১টি স্থানে মহাসমাবেশের মাধ্যমে ‘পথে পথে বিজয়’ উদযাপন করা হবে। যার মধ্যে ৭টি আঞ্চলিক ও ১৪টি উপ-আঞ্চলিক মহাসমাবেশ অনুষ্ঠিত হবে। এসব অঞ্চল ১৬ ডিসেম্বর ১৯৭১ এর আগেই পাকিস্তানি হানাদারমুক্ত হয়। আগামী ২৬ নভেম্বর দিনাজপুরে উপ-আঞ্চলিক সমাবেশের মধ্য দিয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে এ আয়োজন শুরু হবে বলে জানিয়েছেন মুক্তিযুদ্ধ মন্ত্রী ও স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী যথাযোগ্য মর্যাদার সঙ্গে উদযাপনের জন্য গঠিত মন্ত্রিসভা কমিটির সভাপতি আ ক ম মোজাম্মেল হক।

৭টি আঞ্চলিক ও ১৪টি উপ-আঞ্চলিক মহাসমাবেশ করার মূল উদ্দেশ্য হচ্ছে-বিজয়ের গল্পগুলো পুনরায় বলা, স্থানীয় বীর মুক্তিযোদ্ধাদের সম্পর্কে পুনরায় জানা এবং সম্মান প্রদর্শন করা, যুদ্ধের অসাধারণ গল্পগুলো উপভোগ করা, তরুণদের যুদ্ধের ইতিহাসের সাথে পরিচয় করিয়ে দেয়া, সবাইকে এই বিজয় দিবসের বিশালতা উপলব্ধি করা, মহান স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী দেশব্যাপী উদযাপন করা। আঞ্চলিক মহাসমাবেশের স্থান ও সময় পঞ্চগড়ে ২ ডিসেম্বর, যশোরে ৬ ডিসেম্বর, গোপালগঞ্জে ৭ ডিসেম্বর, কুমিল্লায় ৮ ডিসেম্বর, জামালপুরে ১১ ডিসেম্বর, কক্সবাজারে ১২ ডিসেম্বর এবং সিলেটে-১৫ ডিসেম্বর।

সংবাদ সম্মেলনে মুক্তিযুদ্ধ মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি শাজাহান খান , বাণিজ্য সচিব ও সুবর্ণজয়ন্তী উদযাপন কমিটির সদস্য-সচিব তপন কান্তি ঘোষ, মুক্তিযুদ্ধ মন্ত্রণালয়ের সচিব খাজা মিয়াসহ মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের উর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

বৃহস্পতিবার, ২৫ নভেম্বর ২০২১ , ১০ অগ্রহায়ণ ১৪২৮ ১৯ রবিউস সানি ১৪৪৩

মেয়র আব্বাসের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়ার অনুরোধ মুক্তিযুদ্ধ মন্ত্রীর

বঙ্গবন্ধুর ম্যুরাল বসানোর ‘বিরোধিতা করায়’ রাজশাহীর কাঁটাখালী পৌরসভার মেয়র ও পৌর আওয়ামী লীগের আহ্বায়ক আব্বাস আলীর বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য স্থানীয় সরকার বিভাগকে অনুরোধ জানিয়েছেন মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী আ ক ম মোজাম্মেল হক।

তিনি বলেন, ‘সরকারি কর্মচারীদের মতো নির্বাচিত জনপ্রতিনিধিও আইন দ্বারা নিয়ন্ত্রিত। একজন মেয়রও এই আইন দ্বারা নিয়ন্ত্রিত। জনপ্রতিনিধিরা যখন দায়িত্ব নেন তারা শপথ গ্রহণ করেই নেন। সংবিধান সংরক্ষণ করার দায়িত্ব তাদের আছে। রাষ্ট্রীয় নীতি, সরকারি আদেশ-নিষেধ মেনে চলার বাধ্যবাধকতা আছে।’ তাই কাঁটাখালী পৌরসভার মেয়র প্রচলিত আইনে শাস্তিযোগ্য অপরাধ করেছেন বলে মন্তব্য করে মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী। গতকাল মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে এক সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের প্রশ্নে জবাবে তিনি এই মন্তব্য করেন।

সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হওয়া এক অডিও টেপের সূত্র ধরে আব্বাস আলীকে অপসারণের দাবিতে আন্দোলনে নেমেছে স্থানীয় আওয়ামী লীগের একটি অংশ।

তাদের অভিযোগ, আব্বাস আলীকে রাজশাহী সিটি গেইটে বঙ্গবন্ধুর ম্যুরাল বসানোর ‘বিরোধিতা করে’ কথা বলতে শোনা গেছে ওই অডিও টেপে। তবে বিষয়টি অস্বীকার করে আব্বাস আলী দাবি করেছেন, ওই অডিও ‘এডিট করা’।

মহাসমাবেশের মাধ্যমে ‘পথে পথে বিজয়’ উদযাপন

স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী উদযাপনের অংশ হিসেবে ২১টি স্থানে মহাসমাবেশের মাধ্যমে ‘পথে পথে বিজয়’ উদযাপন করা হবে। যার মধ্যে ৭টি আঞ্চলিক ও ১৪টি উপ-আঞ্চলিক মহাসমাবেশ অনুষ্ঠিত হবে। এসব অঞ্চল ১৬ ডিসেম্বর ১৯৭১ এর আগেই পাকিস্তানি হানাদারমুক্ত হয়। আগামী ২৬ নভেম্বর দিনাজপুরে উপ-আঞ্চলিক সমাবেশের মধ্য দিয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে এ আয়োজন শুরু হবে বলে জানিয়েছেন মুক্তিযুদ্ধ মন্ত্রী ও স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী যথাযোগ্য মর্যাদার সঙ্গে উদযাপনের জন্য গঠিত মন্ত্রিসভা কমিটির সভাপতি আ ক ম মোজাম্মেল হক।

৭টি আঞ্চলিক ও ১৪টি উপ-আঞ্চলিক মহাসমাবেশ করার মূল উদ্দেশ্য হচ্ছে-বিজয়ের গল্পগুলো পুনরায় বলা, স্থানীয় বীর মুক্তিযোদ্ধাদের সম্পর্কে পুনরায় জানা এবং সম্মান প্রদর্শন করা, যুদ্ধের অসাধারণ গল্পগুলো উপভোগ করা, তরুণদের যুদ্ধের ইতিহাসের সাথে পরিচয় করিয়ে দেয়া, সবাইকে এই বিজয় দিবসের বিশালতা উপলব্ধি করা, মহান স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী দেশব্যাপী উদযাপন করা। আঞ্চলিক মহাসমাবেশের স্থান ও সময় পঞ্চগড়ে ২ ডিসেম্বর, যশোরে ৬ ডিসেম্বর, গোপালগঞ্জে ৭ ডিসেম্বর, কুমিল্লায় ৮ ডিসেম্বর, জামালপুরে ১১ ডিসেম্বর, কক্সবাজারে ১২ ডিসেম্বর এবং সিলেটে-১৫ ডিসেম্বর।

সংবাদ সম্মেলনে মুক্তিযুদ্ধ মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি শাজাহান খান , বাণিজ্য সচিব ও সুবর্ণজয়ন্তী উদযাপন কমিটির সদস্য-সচিব তপন কান্তি ঘোষ, মুক্তিযুদ্ধ মন্ত্রণালয়ের সচিব খাজা মিয়াসহ মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের উর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।