নতুন বছরের প্রথমদিন চীনকে সতর্কবার্তা তাইওয়ানের

ইংরেজি নবর্বষের ভাষণে চীনের সামরিক দুঃসাহসিকতা নিয়ে সতর্ক করেছেন তাইওয়ানের প্রেসিডন্ট সাই ইং ওয়েন। তিনি বলেন, সামরিক সংঘাত কোনও সমাধান হতে পারে না।

ভাষণে প্রেসিডেন্ট সাই ইং ওয়েন বলেন, বেইজিং কর্তৃপক্ষকে বলতে চাই যে পরিস্থিতি সম্পর্কে ভুল ধারণা পোষণ না করা এবং সামরিক দুঃসাহসকিতা না দেখানো। সামরিক সংঘাতকে কোনও সমাধান নয় উল্লেখ করে সাই বলেন, সংঘর্ষের মাধ্যমে উভয় পাশেরই অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতার ওপর প্রভাব ফেলবে। সুতরাং আঞ্চলিক শান্তি ও স্থিতিশীলতা বজায় রাখার দায়িত্ব আমাদের দুই দেশের কাঁধেই পড়ে। সম্প্রতি তাইওয়ানের আকাশ প্রতিরক্ষা জোনে রেকর্ডসংখ্যক যুদ্ধবিমান অনুপ্রবেশ করে। এতে ওই অঞ্চলে উত্তেজনা বিরাজ করছে।

তাইওয়ানের প্রেসিডেন্ট আরও বলেন, বেইজিং ও তাইপের মানুষের জীবনমান উন্নয়নে কাজ করে যেতে হবে। বিশেষ করে এখানকার জগণের হৃদয়কে শান্ত করতে হবে। তবে তাইওয়ান কখনো চীনের চাপে নতি স্বীকার করবে না বলেও পুনর্ব্যক্ত করেন এই দ্বীপ অঞ্চলটির প্রেসিডেন্ট।

এদিকে চীনের প্রশাসনিক অঞ্চল হংকং এর প্রসঙ্গও তুলে ধরেন তিনি। হংকং-এর আইনসভা নির্বাচন এবং গণতন্ত্রপন্থি জ্যেষ্ঠ নেতাদের গ্রেপ্তারের বিষয়টি পর্যবেক্ষণ করছে তাইওয়ান। বাকস্বাধীনতা এবং মানবাধিকার পরিস্থিতি নিয়ে সেখানকার জনগণ উদ্বিগ বলেও উল্লেখ করেন তিনি।

রবিবার, ০২ জানুয়ারী ২০২২ , ১৮ পৌষ ১৪২৮ ২৮ জমাদিউল আউয়াল

নতুন বছরের প্রথমদিন চীনকে সতর্কবার্তা তাইওয়ানের

image

তাইওয়ানের প্রেসিডন্ট সাই ইং ওয়েন

ইংরেজি নবর্বষের ভাষণে চীনের সামরিক দুঃসাহসিকতা নিয়ে সতর্ক করেছেন তাইওয়ানের প্রেসিডন্ট সাই ইং ওয়েন। তিনি বলেন, সামরিক সংঘাত কোনও সমাধান হতে পারে না।

ভাষণে প্রেসিডেন্ট সাই ইং ওয়েন বলেন, বেইজিং কর্তৃপক্ষকে বলতে চাই যে পরিস্থিতি সম্পর্কে ভুল ধারণা পোষণ না করা এবং সামরিক দুঃসাহসকিতা না দেখানো। সামরিক সংঘাতকে কোনও সমাধান নয় উল্লেখ করে সাই বলেন, সংঘর্ষের মাধ্যমে উভয় পাশেরই অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতার ওপর প্রভাব ফেলবে। সুতরাং আঞ্চলিক শান্তি ও স্থিতিশীলতা বজায় রাখার দায়িত্ব আমাদের দুই দেশের কাঁধেই পড়ে। সম্প্রতি তাইওয়ানের আকাশ প্রতিরক্ষা জোনে রেকর্ডসংখ্যক যুদ্ধবিমান অনুপ্রবেশ করে। এতে ওই অঞ্চলে উত্তেজনা বিরাজ করছে।

তাইওয়ানের প্রেসিডেন্ট আরও বলেন, বেইজিং ও তাইপের মানুষের জীবনমান উন্নয়নে কাজ করে যেতে হবে। বিশেষ করে এখানকার জগণের হৃদয়কে শান্ত করতে হবে। তবে তাইওয়ান কখনো চীনের চাপে নতি স্বীকার করবে না বলেও পুনর্ব্যক্ত করেন এই দ্বীপ অঞ্চলটির প্রেসিডেন্ট।

এদিকে চীনের প্রশাসনিক অঞ্চল হংকং এর প্রসঙ্গও তুলে ধরেন তিনি। হংকং-এর আইনসভা নির্বাচন এবং গণতন্ত্রপন্থি জ্যেষ্ঠ নেতাদের গ্রেপ্তারের বিষয়টি পর্যবেক্ষণ করছে তাইওয়ান। বাকস্বাধীনতা এবং মানবাধিকার পরিস্থিতি নিয়ে সেখানকার জনগণ উদ্বিগ বলেও উল্লেখ করেন তিনি।