ইসি গঠন নয়, প্রধান সংকট নির্বাচনকালীন সরকার

বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের মন্তব্য হচ্ছে নির্বাচনকালীন সরকার গঠন নিয়ে চলামন যে সংলাপ সেটা ‘ অর্থহীন’। তিনি বলেন, দেশের প্রধান সংকটই নির্বাচনকালীন সরকার। ইসি গঠন কোনো ইস্যু না।

ফখরুল ইসলাম আলমগীর শনিবার (১ জানুয়ারি) সকালে ছাত্রদলের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে জিয়াউর রহমানের সমাধিতে ফুলেল শ্রদ্ধা শেষেÑএ কথা বলেন।

বর্তমান রাজনৈতিক যে সংকট, সেটা কোনো নির্বাচন কমিশন গঠনের সংকট নয় বা আইন তৈরি করারও সংকট নয় জানিয়ে তিনি বলেন, প্রধান যে সংকট, তা হচ্ছে-নির্বাচনকালীন সময়ে কোন রকম সরকার থাকবে সেটা। যদি আওয়ামী লীগ সরকার থাকে, তাহলে সে নির্বাচনের কোনো মূল্য ও অর্থই হতে পারে না।

বিএনপির চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়ার সাজার বিষয়টি রাজনৈতিক। এখানে আইনের কিছু নেই। তাই তার কিছু হলে সরকারকেই দায় নিতে হবে বলে মন্তব্যও করেন মির্জা ফখরুল।

জনগণ মুক্ত হবে, গণতন্ত্র মুক্ত হবে জানিয়ে তিনি বলেন, আমরা প্রত্যাশা করছি নতুন বর্ষে দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়াও মুক্তি পাবেন। দেশে অবশ্যই একটা জনগণের সরকার প্রতিষ্ঠা করতে সক্ষম হব।

মির্জা ফখরুল জানান, দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার বন্দী ও সাজার বিষয়টি সম্পূর্ণ রাজনৈতিক দৃষ্টিভঙ্গি থেকে দেওয়া হয়েছে। রাজনৈতিক প্রতিহিংসার কারণে এই মামলা এবং সাজা দেওয়া হয়েছে। শেখ হাসিনা তাঁর ব্যক্তিগত প্রতিহিংসা চরিতার্থ করার কারণেই এ ধরনের অবস্থা তৈরি করে রেখেছেন।

মানিকগঞ্জে বিএনপির এক সমাবেশে ফখরুল ইসলাম আলমগীর জানিয়েছিলেন, ২০১৪ সালে একটা নির্বাচন হয়েছে, যেখানে কোনো ভোটই হয়নি। বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় ১৫৪ জন সাংসদ জয়ী হয়েছেন। ২০১৮ সালের নির্বাচনে আগের রাতেই ভোট ডাকাতি করে নিয়ে গেছে। তখনো একটি আলোচনা (সংলাপ) করেছিল। এখন আবার সেই আলোচনা শুরু করেছে।

রবিবার, ০২ জানুয়ারী ২০২২ , ১৮ পৌষ ১৪২৮ ২৮ জমাদিউল আউয়াল

ছাত্রদলের প্রতিষ্ঠাবর্ষে মির্জা ফখরুল

ইসি গঠন নয়, প্রধান সংকট নির্বাচনকালীন সরকার

নিজস্ব বার্তা পরিবেশক

বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের মন্তব্য হচ্ছে নির্বাচনকালীন সরকার গঠন নিয়ে চলামন যে সংলাপ সেটা ‘ অর্থহীন’। তিনি বলেন, দেশের প্রধান সংকটই নির্বাচনকালীন সরকার। ইসি গঠন কোনো ইস্যু না।

ফখরুল ইসলাম আলমগীর শনিবার (১ জানুয়ারি) সকালে ছাত্রদলের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে জিয়াউর রহমানের সমাধিতে ফুলেল শ্রদ্ধা শেষেÑএ কথা বলেন।

বর্তমান রাজনৈতিক যে সংকট, সেটা কোনো নির্বাচন কমিশন গঠনের সংকট নয় বা আইন তৈরি করারও সংকট নয় জানিয়ে তিনি বলেন, প্রধান যে সংকট, তা হচ্ছে-নির্বাচনকালীন সময়ে কোন রকম সরকার থাকবে সেটা। যদি আওয়ামী লীগ সরকার থাকে, তাহলে সে নির্বাচনের কোনো মূল্য ও অর্থই হতে পারে না।

বিএনপির চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়ার সাজার বিষয়টি রাজনৈতিক। এখানে আইনের কিছু নেই। তাই তার কিছু হলে সরকারকেই দায় নিতে হবে বলে মন্তব্যও করেন মির্জা ফখরুল।

জনগণ মুক্ত হবে, গণতন্ত্র মুক্ত হবে জানিয়ে তিনি বলেন, আমরা প্রত্যাশা করছি নতুন বর্ষে দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়াও মুক্তি পাবেন। দেশে অবশ্যই একটা জনগণের সরকার প্রতিষ্ঠা করতে সক্ষম হব।

মির্জা ফখরুল জানান, দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার বন্দী ও সাজার বিষয়টি সম্পূর্ণ রাজনৈতিক দৃষ্টিভঙ্গি থেকে দেওয়া হয়েছে। রাজনৈতিক প্রতিহিংসার কারণে এই মামলা এবং সাজা দেওয়া হয়েছে। শেখ হাসিনা তাঁর ব্যক্তিগত প্রতিহিংসা চরিতার্থ করার কারণেই এ ধরনের অবস্থা তৈরি করে রেখেছেন।

মানিকগঞ্জে বিএনপির এক সমাবেশে ফখরুল ইসলাম আলমগীর জানিয়েছিলেন, ২০১৪ সালে একটা নির্বাচন হয়েছে, যেখানে কোনো ভোটই হয়নি। বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় ১৫৪ জন সাংসদ জয়ী হয়েছেন। ২০১৮ সালের নির্বাচনে আগের রাতেই ভোট ডাকাতি করে নিয়ে গেছে। তখনো একটি আলোচনা (সংলাপ) করেছিল। এখন আবার সেই আলোচনা শুরু করেছে।