তিনদিনের পর্যটনমেলা মেলা শুরু ফেব্রুয়ারিতে

দেশের বৃহত্তম পর্যটনমেলা ‘১০ম বাংলাদেশ ট্রাভেল অ্যান্ড ট্যুরিজম ফেয়ার (বিটিটিএফ) ২০২২’ আগামী ৩ ফেব্রুয়ারি শুরু হবে। চলবে ৫ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত।

গতকাল জাতীয় প্রেসক্লাবের জহুর হোসেন চৌধুরী হলে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে টোয়াব এ কথা জানায়। রাজধানীর বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে (বিআইসিসি) এ মেলা অনুষ্ঠিত হবে বলে ট্যুর অপারেটরস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (টোয়াব) জানিয়েছে।

সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, তিনদিনের বাৎসরিক এই মেলার উদ্দেশ্য পর্যটন সম্পর্কে সচেতনতা সৃষ্টি এবং এর টেকসই উন্নয়ন। ২০০৭ সাল থেকে টোয়াব এই মেলা আয়োজন করে আসছে। মেলায় সার্বিক সহযোগিতা করবে বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়, বাংলাদেশ পর্যটন করপোরেশন, বাংলাদেশ ট্যুরিজম বোর্ড, এফবিসিসিআই এবং ট্যুরিস্ট পুলিশ।

মেলার সার্বিক প্রস্তুতি সম্পর্কে টোয়াবের পরিচালক (বাণিজ্য মেলা) মো. আনোয়ার হোসেন বলেন, ‘এবারের মেলা আগের বছরের তুলনায় অনেক আকর্ষণীয় ও জাঁকজমকপূর্ণ করার উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। এ বছর মূল মেলার সঙ্গে সাইড লাইন ইভেন্ট হিসেবে থাকবে বিটুবি সেশন, সেমিনার, রাউন্ড টেবিল ডিসকাসন, কান্ট্রি প্রেজেন্টেশন, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান, র‌্যাফেল ড্র ইত্যাদি। মেলায় ৩টি হলে ১২টি প্যাভিলিয়ন, ১৬টি সেমি-প্যাভিলিয়নসহ মোট ১০০টি স্টল থাকবে। এবারের মেলায় প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার গণমাধ্যমকর্মীদের জন্য আলাদা লাউঞ্জের ব্যবস্থা থাকবে।’

টোয়াবের সভাপতি ও বাংলাদেশ ট্যুরিজম বোর্ডের গভর্নিং বডির সদস্য মো. রাফেউজ্জামান বলেন, ‘গত দুই বছর করোনা মহামারীর কারণে আমরা বিটিটিএফ আয়োজন করতে পারিনি। আমরা আশা করছি, দীর্ঘ বিরতির পর অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া পর্যটন মেলায় ব্যবসায়ী, দেশি-বিদেশি পর্যটক এবং পর্যটনশিল্প সংশ্লিষ্ট সবার মাঝে ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনা সৃষ্টি করবে। এই মেলার মাধ্যমে দেশের পর্যটনশিল্প আবার ঘুরে দাঁড়াবে এবং অর্থনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।’

তিনদিনের এই মেলায় জাতীয় এবং আন্তর্জাতিক পর্যটন সংস্থা, দেশি-বিদেশি ট্যুর অপারেটরস, ট্রাভেল এজেন্টস, ট্যুরিজম অথরিটি, এয়ারলাইন্স, হোটেল, রিসোর্টস, অ্যামিউজমেন্ট পার্ক, ট্রান্সপোর্ট কোম্পানিসহ আরও অনেকে অংশগ্রহণ করবে। করোনার কারণে এ বছর বিদেশিদের অংশগ্রহণ সীমিত পর্যায়ে থাকবে। তবে নেপাল অ্যাসোসিয়েশন অব ট্যুর অ্যান্ড ট্রাভেল এজেন্ট (এনএটিটিএ), ইস্টার্ন হিমালয়া ট্রাভেল অ্যান্ড ট্যুর অপারেটরস অ্যাসোসিয়েশন (ইটোয়া), অ্যাসোসিয়েশন অব বুদ্ধিস্ট ট্যুর অপারেটরস (এবিটিও) এবং ভারত, নেপাল, মালদ্বীপ, শ্রীলঙ্কা, সংযুক্ত আরব আমিরাত ও তুরস্কের ট্যুর অপারেটর ও ট্রাভেল এজেন্টসগুলো তাদের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করেছে।

মঙ্গলবার, ০৪ জানুয়ারী ২০২২ , ২০ পৌষ ১৪২৮ ৩০ জমাদিউল আউয়াল

তিনদিনের পর্যটনমেলা মেলা শুরু ফেব্রুয়ারিতে

অর্থনৈতিক বার্তা পরিবেশক

দেশের বৃহত্তম পর্যটনমেলা ‘১০ম বাংলাদেশ ট্রাভেল অ্যান্ড ট্যুরিজম ফেয়ার (বিটিটিএফ) ২০২২’ আগামী ৩ ফেব্রুয়ারি শুরু হবে। চলবে ৫ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত।

গতকাল জাতীয় প্রেসক্লাবের জহুর হোসেন চৌধুরী হলে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে টোয়াব এ কথা জানায়। রাজধানীর বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে (বিআইসিসি) এ মেলা অনুষ্ঠিত হবে বলে ট্যুর অপারেটরস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (টোয়াব) জানিয়েছে।

সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, তিনদিনের বাৎসরিক এই মেলার উদ্দেশ্য পর্যটন সম্পর্কে সচেতনতা সৃষ্টি এবং এর টেকসই উন্নয়ন। ২০০৭ সাল থেকে টোয়াব এই মেলা আয়োজন করে আসছে। মেলায় সার্বিক সহযোগিতা করবে বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়, বাংলাদেশ পর্যটন করপোরেশন, বাংলাদেশ ট্যুরিজম বোর্ড, এফবিসিসিআই এবং ট্যুরিস্ট পুলিশ।

মেলার সার্বিক প্রস্তুতি সম্পর্কে টোয়াবের পরিচালক (বাণিজ্য মেলা) মো. আনোয়ার হোসেন বলেন, ‘এবারের মেলা আগের বছরের তুলনায় অনেক আকর্ষণীয় ও জাঁকজমকপূর্ণ করার উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। এ বছর মূল মেলার সঙ্গে সাইড লাইন ইভেন্ট হিসেবে থাকবে বিটুবি সেশন, সেমিনার, রাউন্ড টেবিল ডিসকাসন, কান্ট্রি প্রেজেন্টেশন, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান, র‌্যাফেল ড্র ইত্যাদি। মেলায় ৩টি হলে ১২টি প্যাভিলিয়ন, ১৬টি সেমি-প্যাভিলিয়নসহ মোট ১০০টি স্টল থাকবে। এবারের মেলায় প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার গণমাধ্যমকর্মীদের জন্য আলাদা লাউঞ্জের ব্যবস্থা থাকবে।’

টোয়াবের সভাপতি ও বাংলাদেশ ট্যুরিজম বোর্ডের গভর্নিং বডির সদস্য মো. রাফেউজ্জামান বলেন, ‘গত দুই বছর করোনা মহামারীর কারণে আমরা বিটিটিএফ আয়োজন করতে পারিনি। আমরা আশা করছি, দীর্ঘ বিরতির পর অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া পর্যটন মেলায় ব্যবসায়ী, দেশি-বিদেশি পর্যটক এবং পর্যটনশিল্প সংশ্লিষ্ট সবার মাঝে ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনা সৃষ্টি করবে। এই মেলার মাধ্যমে দেশের পর্যটনশিল্প আবার ঘুরে দাঁড়াবে এবং অর্থনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।’

তিনদিনের এই মেলায় জাতীয় এবং আন্তর্জাতিক পর্যটন সংস্থা, দেশি-বিদেশি ট্যুর অপারেটরস, ট্রাভেল এজেন্টস, ট্যুরিজম অথরিটি, এয়ারলাইন্স, হোটেল, রিসোর্টস, অ্যামিউজমেন্ট পার্ক, ট্রান্সপোর্ট কোম্পানিসহ আরও অনেকে অংশগ্রহণ করবে। করোনার কারণে এ বছর বিদেশিদের অংশগ্রহণ সীমিত পর্যায়ে থাকবে। তবে নেপাল অ্যাসোসিয়েশন অব ট্যুর অ্যান্ড ট্রাভেল এজেন্ট (এনএটিটিএ), ইস্টার্ন হিমালয়া ট্রাভেল অ্যান্ড ট্যুর অপারেটরস অ্যাসোসিয়েশন (ইটোয়া), অ্যাসোসিয়েশন অব বুদ্ধিস্ট ট্যুর অপারেটরস (এবিটিও) এবং ভারত, নেপাল, মালদ্বীপ, শ্রীলঙ্কা, সংযুক্ত আরব আমিরাত ও তুরস্কের ট্যুর অপারেটর ও ট্রাভেল এজেন্টসগুলো তাদের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করেছে।