সূচক বাড়লেও লেনদেন কমেছে

বছরের তৃতীয় কার্যদিবসও গতকাল উত্থান হয়েছে শেয়ারবাজারে। এদিন শেয়ারবাজারের প্রধান প্রধান সূচক বেড়েছে। সূচক বাড়লেও বেশিরভাগ প্রতিষ্ঠানের শেয়ার ও ইউনিট দর এবং টাকার পরিমাণে লেনদেন কমেছে।

গতকাল প্রধান শেয়ারবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) প্রধান সূচক ডিএসইএক্স ১০.৬৯ পয়েন্ট বা ০.১৫ শতাংশ বেড়ে ছয় হাজার ৮৯২.৯৯ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে। ডিএসইর অন্য সূচকগুলোর মধ্যে শরিয়াহ সূচক ৪.৭৩ পয়েন্ট বা ০.৩২ শতাংশ বেড়ে দাঁড়িয়েছে এক হাজার ৪৫৬.১২ পয়েন্টে। আর ডিএসই-৩০ সূচক ৪.৯২ পয়েন্ট বা ০.১৯ শতাংশ কমে দাঁড়িয়েছে দুই হাজার ৫৭১.১৮ পয়েন্টে।

ডিএসইতে গতকাল এক হাজার ১৮২ কোটি ১৮ লাখ টাকার শেয়ার লেনদেন হয়েছে। যা আগের কার্যদিবস থেকে ১৩১ কোটি ৯৬ লাখ টাকা কম। আগের কার্যদিবস লেনদেন হয়েছিল এক হাজার ৩১৪ কোটি ১৪ লাখ টাকার। ডিএসইতে গতকাল ৩৭৮টি প্রতিষ্ঠানের শেয়ার ও ইউনিট লেনদেন হয়েছে। এসব প্রতিষ্ঠানের মধ্যে ১৬৭টির বা ৪৪.১৮ শতাংশ শেয়ার ও ইউনিটের দর বেড়েছে। দর কমেছে ১৮০টির বা ৪৭.৬২ শতাংশের এবং ৩১টি বা ৮.২০ শতাংশ প্রতিষ্ঠানের শেয়ার ও ইউনিট দর অপরিবর্তিত রয়েছে।

অন্য শেয়ারবাজার চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জের (সিএসই) সার্বিক সূচক সিএএসপিআই এদিন ২৫.৯০ পয়েন্ট বা ০.১২ শতাংশ বেড়ে দাঁড়িয়েছে ২০ হাজার ১৮৩.০২ পয়েন্টে। এদিন সিএসইতে হাত বদল হওয়া ২৯২টি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে শেয়ার দর বেড়েছে ১৪৫টির, কমেছে ১১৭টির এবং অপরিবর্তিত রয়েছে ৩০টির দর। গতকাল সিএসইতে ৩৫ কোটি ৭১ লাখ টাকার শেয়ার ও ইউনিট লেনদেন হয়েছে।

গতকাল ডিএসইতে ব্লক মার্কেটে ৩৫টি কোম্পানি লেনদেনে অংশ নিয়েছে। এসব কোম্পানির ৭০ কোটি টাকার লেনদেন হয়েছে। এর মধ্যে দুই কোম্পানিরই হয়েছে ৫৪ কোটি টাকার লেনদেন। কোম্পানিগুলোর ৫৯ লাখ ৯৯ হাজার ৫২টি শেয়ার ৮১ বার হাত বদলের মাধ্যমে ৬৯ কোটি ৭৭ লাখ ৩২ হাজার টাকার লেনদেন হয়েছে।

কোম্পানিগুলোর মধ্যে সবচেয়ে বেশি অর্থাৎ ৩৩ কোটি ৯২ লাখ ৩১ হাজার টাকার লেনদেন হয়েছে ফরচুন সুজের। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ১৯ কোটি ৯৭ লাখ ৭২ হাজার টাকার সোনালী পেপারের এবং তৃতীয় সর্বোচ্চ ২ কোটি ২৮ লাখ ৮০ হাজার টাকার লেনদেন হয়েছে এশিয়া ইন্স্যুরেন্সের।

গতকাল ডিএসইতে লেনদেন হওয়া কোম্পানিগুলোর মধ্যে ১৮০টির বা ৪৭.৬২ শতাংশের শেয়ার ও ইউনিট দর কমেছে। কোম্পানিগুলোর মধ্যে আইসিবি এএমসিএল তৃতীয় এনআরবি মিউচ্যুয়াল ফান্ডের ইউনিটের প্রতি বিনিয়োগকারীদের অনাগ্রহ ছিল সবচেয়ে বেশি।

বুধবার, ০৫ জানুয়ারী ২০২২ , ২১ পৌষ ১৪২৮ ১ জমাদিউস সানি ১৪৪৩

সূচক বাড়লেও লেনদেন কমেছে

অর্থনৈতিক বার্তা পরিবেশক

বছরের তৃতীয় কার্যদিবসও গতকাল উত্থান হয়েছে শেয়ারবাজারে। এদিন শেয়ারবাজারের প্রধান প্রধান সূচক বেড়েছে। সূচক বাড়লেও বেশিরভাগ প্রতিষ্ঠানের শেয়ার ও ইউনিট দর এবং টাকার পরিমাণে লেনদেন কমেছে।

গতকাল প্রধান শেয়ারবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) প্রধান সূচক ডিএসইএক্স ১০.৬৯ পয়েন্ট বা ০.১৫ শতাংশ বেড়ে ছয় হাজার ৮৯২.৯৯ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে। ডিএসইর অন্য সূচকগুলোর মধ্যে শরিয়াহ সূচক ৪.৭৩ পয়েন্ট বা ০.৩২ শতাংশ বেড়ে দাঁড়িয়েছে এক হাজার ৪৫৬.১২ পয়েন্টে। আর ডিএসই-৩০ সূচক ৪.৯২ পয়েন্ট বা ০.১৯ শতাংশ কমে দাঁড়িয়েছে দুই হাজার ৫৭১.১৮ পয়েন্টে।

ডিএসইতে গতকাল এক হাজার ১৮২ কোটি ১৮ লাখ টাকার শেয়ার লেনদেন হয়েছে। যা আগের কার্যদিবস থেকে ১৩১ কোটি ৯৬ লাখ টাকা কম। আগের কার্যদিবস লেনদেন হয়েছিল এক হাজার ৩১৪ কোটি ১৪ লাখ টাকার। ডিএসইতে গতকাল ৩৭৮টি প্রতিষ্ঠানের শেয়ার ও ইউনিট লেনদেন হয়েছে। এসব প্রতিষ্ঠানের মধ্যে ১৬৭টির বা ৪৪.১৮ শতাংশ শেয়ার ও ইউনিটের দর বেড়েছে। দর কমেছে ১৮০টির বা ৪৭.৬২ শতাংশের এবং ৩১টি বা ৮.২০ শতাংশ প্রতিষ্ঠানের শেয়ার ও ইউনিট দর অপরিবর্তিত রয়েছে।

অন্য শেয়ারবাজার চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জের (সিএসই) সার্বিক সূচক সিএএসপিআই এদিন ২৫.৯০ পয়েন্ট বা ০.১২ শতাংশ বেড়ে দাঁড়িয়েছে ২০ হাজার ১৮৩.০২ পয়েন্টে। এদিন সিএসইতে হাত বদল হওয়া ২৯২টি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে শেয়ার দর বেড়েছে ১৪৫টির, কমেছে ১১৭টির এবং অপরিবর্তিত রয়েছে ৩০টির দর। গতকাল সিএসইতে ৩৫ কোটি ৭১ লাখ টাকার শেয়ার ও ইউনিট লেনদেন হয়েছে।

গতকাল ডিএসইতে ব্লক মার্কেটে ৩৫টি কোম্পানি লেনদেনে অংশ নিয়েছে। এসব কোম্পানির ৭০ কোটি টাকার লেনদেন হয়েছে। এর মধ্যে দুই কোম্পানিরই হয়েছে ৫৪ কোটি টাকার লেনদেন। কোম্পানিগুলোর ৫৯ লাখ ৯৯ হাজার ৫২টি শেয়ার ৮১ বার হাত বদলের মাধ্যমে ৬৯ কোটি ৭৭ লাখ ৩২ হাজার টাকার লেনদেন হয়েছে।

কোম্পানিগুলোর মধ্যে সবচেয়ে বেশি অর্থাৎ ৩৩ কোটি ৯২ লাখ ৩১ হাজার টাকার লেনদেন হয়েছে ফরচুন সুজের। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ১৯ কোটি ৯৭ লাখ ৭২ হাজার টাকার সোনালী পেপারের এবং তৃতীয় সর্বোচ্চ ২ কোটি ২৮ লাখ ৮০ হাজার টাকার লেনদেন হয়েছে এশিয়া ইন্স্যুরেন্সের।

গতকাল ডিএসইতে লেনদেন হওয়া কোম্পানিগুলোর মধ্যে ১৮০টির বা ৪৭.৬২ শতাংশের শেয়ার ও ইউনিট দর কমেছে। কোম্পানিগুলোর মধ্যে আইসিবি এএমসিএল তৃতীয় এনআরবি মিউচ্যুয়াল ফান্ডের ইউনিটের প্রতি বিনিয়োগকারীদের অনাগ্রহ ছিল সবচেয়ে বেশি।