প্রশংসিত বাতিঘরের নতুন নাটক ‘মাংকি ট্রায়াল’

নাট্যদল ‘বাতিঘর’ মঞ্চে এনছে দলের নতুন প্রযোজনা। নাটকের নাম ‘মাংকি ট্রায়াল’। এটি এই দলের ১৫তম প্রযোজনা। জেরম লরেন্স ও রবার্ট এডউইন লি-এর মূল গল্প অবলম্বনে নাটকটির মঞ্চরুপ ও নির্দেশনা দিয়েছেন মুক্তনীল। ‘মাংকি ট্রায়াল’-এর উদ্বোধনী প্রদর্শনী হয়েছে গেল বছরের শেষেরদিন ৩১ ডিসেম্বর। প্রথম প্রদর্শনী থেকেই নাটকটি প্রশংসা কুড়াচ্ছে। নাটকটি নিয়ে বেশ আলোচনা চলছে নাট্যাঙ্গনের মানুষদের মাঝে। ফলে নাটকটির দ্বিতীয় প্রদর্শনী দেখতে আসে অনেক দর্শক। ওইদিন নাট্যশালার মূল মিলনায়তন ছিল পরিপূর্ণ। দ্বিতয়ি প্রদর্শনীটি হয় নতুন বছরের ৭ জানুয়ারি । এই নাটকের গল্পটি ১৯২৫ সালে আমেরিকার বহুল আলোচিত মামলা ‘স্কোপস? মাংকি ট্রায়াল’-এর সত্য ঘটনার অবলম্বনে নির্মিত। নাটকটির আলোক পরিকল্পনায় তানজিল আহমেদ, মঞ্চ পরিকল্পনায় রহমান মুফিজ, মঞ্চ ব্যবস্থাপনায় ফয়সাল মাহমুদ, সংগীতে সাদ্দাম রহমান ও মুহাইমিন অঞ্জন, কোরিওগ্রাফিতে শিশির সরকার ও মৃধা অয়োমী, পোশাক পরিকল্পনায় শাহানা জয় ও রুম্মান শারু, পোস্টার- আল মামুন খোকন, প্রযোজনা অধিকর্তা- শাহানা জয় এবং সৃজনশীল নির্দেশনায় খালিদ হাসান রুমি।

১৯২৫ সালে আমেরিকার হিলসবোরো শহরের পাবলিক স্কুল শিক্ষক বার্ট্রাম কেইটসের ওপর বাটলার আইন লঙ্ঘন করার দায়ে মামলা হয়। বাটলার আইন এমন এক রাষ্ট্রীয় আইন যা পাবলিক স্কুলের শিক্ষকদের স্কুলের ক্লাসে সৃষ্টিবাদের পরিবর্তে বিবর্তনবাদ শেখানো নিষিদ্ধ করে। লেখক, সাংবাদিক ও সমালোচক ই. কে. হর্নবেকের রিপোর্টিং এর মাধ্যমে এই মামলাটি মিডিয়াতে তীব্রভাবে আলোচিত হয় ও পুরো দেশের মনোযোগ আকর্ষণ করে।

রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী হিসেবে ম্যাথিউ হ্যারিসন ব্রাডি এবং আসামীপক্ষের আইনজীবী হিসেবে হেনরি ড্রামন্ড আসেন মামলাটি লড়তে। বিবিধ ঘটনার উত্থান-পতনের মধ্য দিয়ে মামলাটি এক যুগান্তকারী সিদ্ধান্তে পৌঁছায়, যা আদতে আমেরিকার ইতিহাসে এক নতুন অধ্যায়ের সূচনা করে।

রবিবার, ০৯ জানুয়ারী ২০২২ , ২৫ পৌষ ১৪২৮ ৫ জমাদিউস সানি ১৪৪৩

প্রশংসিত বাতিঘরের নতুন নাটক ‘মাংকি ট্রায়াল’

image

নাট্যদল ‘বাতিঘর’ মঞ্চে এনছে দলের নতুন প্রযোজনা। নাটকের নাম ‘মাংকি ট্রায়াল’। এটি এই দলের ১৫তম প্রযোজনা। জেরম লরেন্স ও রবার্ট এডউইন লি-এর মূল গল্প অবলম্বনে নাটকটির মঞ্চরুপ ও নির্দেশনা দিয়েছেন মুক্তনীল। ‘মাংকি ট্রায়াল’-এর উদ্বোধনী প্রদর্শনী হয়েছে গেল বছরের শেষেরদিন ৩১ ডিসেম্বর। প্রথম প্রদর্শনী থেকেই নাটকটি প্রশংসা কুড়াচ্ছে। নাটকটি নিয়ে বেশ আলোচনা চলছে নাট্যাঙ্গনের মানুষদের মাঝে। ফলে নাটকটির দ্বিতীয় প্রদর্শনী দেখতে আসে অনেক দর্শক। ওইদিন নাট্যশালার মূল মিলনায়তন ছিল পরিপূর্ণ। দ্বিতয়ি প্রদর্শনীটি হয় নতুন বছরের ৭ জানুয়ারি । এই নাটকের গল্পটি ১৯২৫ সালে আমেরিকার বহুল আলোচিত মামলা ‘স্কোপস? মাংকি ট্রায়াল’-এর সত্য ঘটনার অবলম্বনে নির্মিত। নাটকটির আলোক পরিকল্পনায় তানজিল আহমেদ, মঞ্চ পরিকল্পনায় রহমান মুফিজ, মঞ্চ ব্যবস্থাপনায় ফয়সাল মাহমুদ, সংগীতে সাদ্দাম রহমান ও মুহাইমিন অঞ্জন, কোরিওগ্রাফিতে শিশির সরকার ও মৃধা অয়োমী, পোশাক পরিকল্পনায় শাহানা জয় ও রুম্মান শারু, পোস্টার- আল মামুন খোকন, প্রযোজনা অধিকর্তা- শাহানা জয় এবং সৃজনশীল নির্দেশনায় খালিদ হাসান রুমি।

১৯২৫ সালে আমেরিকার হিলসবোরো শহরের পাবলিক স্কুল শিক্ষক বার্ট্রাম কেইটসের ওপর বাটলার আইন লঙ্ঘন করার দায়ে মামলা হয়। বাটলার আইন এমন এক রাষ্ট্রীয় আইন যা পাবলিক স্কুলের শিক্ষকদের স্কুলের ক্লাসে সৃষ্টিবাদের পরিবর্তে বিবর্তনবাদ শেখানো নিষিদ্ধ করে। লেখক, সাংবাদিক ও সমালোচক ই. কে. হর্নবেকের রিপোর্টিং এর মাধ্যমে এই মামলাটি মিডিয়াতে তীব্রভাবে আলোচিত হয় ও পুরো দেশের মনোযোগ আকর্ষণ করে।

রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী হিসেবে ম্যাথিউ হ্যারিসন ব্রাডি এবং আসামীপক্ষের আইনজীবী হিসেবে হেনরি ড্রামন্ড আসেন মামলাটি লড়তে। বিবিধ ঘটনার উত্থান-পতনের মধ্য দিয়ে মামলাটি এক যুগান্তকারী সিদ্ধান্তে পৌঁছায়, যা আদতে আমেরিকার ইতিহাসে এক নতুন অধ্যায়ের সূচনা করে।