সংলাপ অর্থহীন মির্জা ফখরুল

‘কিসের সংলাপ? আমরা পরিষ্কার করে বলেছি, এই সংলাপে কোন লাভ হবে না। অর্থহীন সংলাপ। যদি নির্বাচনকালে নিরপেক্ষ সরকার না থাকে, তাহলে নির্বাচন কমিশনের কিছুই করার নেই’ নির্বাচন কমিশন গঠন নিয়ে রাষ্ট্রপতির সংলাপ প্রসঙ্গে বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর এসব কথা বলেন।

বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার নিঃশর্ত মুক্তি ও বিদেশে উন্নত চিকিৎসার দাবিতে রাজধানীর জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে গতকাল এক সমাবেশে দলটির সহযোগী সংগঠন নারী ও শিশু অধিকার ফোরামের সমাবেশে এসব কথা বলেন মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

এই সংলাপ ইতিমধ্যেই অধিকাংশ রাজনৈতিক দল বর্জন করেছে উল্লেখ করে মির্জা ফখরুল বলেন, ‘আমাদের পরিস্কার কথা, সবার আগে খালেদা জিয়াকে মুক্তি দিন। তারপর পদত্যাগ করে নিরপেক্ষ সরকারের হাতে ক্ষমতা দিয়ে জনগণের হাতে ক্ষমতা ফিরিয়ে দিন। এটা একমাত্র পথ, এর বাইরে আর কোন পথ নেই।’

তিনি আরও বলেন, খালেদা জিয়ার মুক্তি এখন জনগণের দাবি, এটা গণদাবি। এই দাবি অবশ্যই সরকারকে মেনে নিতে হবে। যদি সরকার এই গণদাবি মেনে না নেয়, তাহলে গণদাবি অস্বীকার করার জন্য অতীতের সরকারগুলোর যে অবস্থা হয়েছে, এই সরকারেরও সেই পরিণাম ভোগ করতে হবে।

বিএনপি মহাসচিব বলেন, ‘খালেদা জিয়ার মুক্তির দাবিতে গত দেড় থেকে দুই মাস আমরা নিয়মতান্ত্রিকভাবে আন্দোলন করছি। সারা দেশে অসংখ্য সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে। প্রতিটি সমাবেশ থেকে লাখো মানুষের কণ্ঠে একটি আওয়াজ এসেছে খালেদা জিয়ার মুক্তি চাই।’

বেগম খালেদা জিয়ার মুক্তি চেয়ে বিএনপি মহাসচিব বলেন, সরকার কিছুতেই খালেদা জিয়াকে মুক্তি দিতে চায় না। কেন চায় না? কারণ তারা জানে, খালেদা জিয়া যদি মুক্ত হন, তাহলে জনগণের উত্তাল তরঙ্গ সৃষ্টি হবে। এই তরঙ্গে সরকার টিকে থাকতে পারবে না। এ কারণেই তারা খালেদা জিয়াকে মুক্তি দিতে চায় না।

সমাবেশে উপস্থিত ছিলেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, সেলিমা রহমান, চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা আমানউল্লাহ আমান, আবদুস সালাম, নাগরিক ঐক্যের সভাপতি মাহমুদুর রহমান মান্না, কল্যাণ পার্টির চেয়ারম্যান সৈয়দ মুহাম্মদ ইব্রাহিম, লেবার পার্টির চেয়ারম্যান মোস্তাফিজুর রহমান প্রমুখ।

রবিবার, ০৯ জানুয়ারী ২০২২ , ২৫ পৌষ ১৪২৮ ৫ জমাদিউস সানি ১৪৪৩

সংলাপ অর্থহীন মির্জা ফখরুল

‘কিসের সংলাপ? আমরা পরিষ্কার করে বলেছি, এই সংলাপে কোন লাভ হবে না। অর্থহীন সংলাপ। যদি নির্বাচনকালে নিরপেক্ষ সরকার না থাকে, তাহলে নির্বাচন কমিশনের কিছুই করার নেই’ নির্বাচন কমিশন গঠন নিয়ে রাষ্ট্রপতির সংলাপ প্রসঙ্গে বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর এসব কথা বলেন।

বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার নিঃশর্ত মুক্তি ও বিদেশে উন্নত চিকিৎসার দাবিতে রাজধানীর জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে গতকাল এক সমাবেশে দলটির সহযোগী সংগঠন নারী ও শিশু অধিকার ফোরামের সমাবেশে এসব কথা বলেন মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

এই সংলাপ ইতিমধ্যেই অধিকাংশ রাজনৈতিক দল বর্জন করেছে উল্লেখ করে মির্জা ফখরুল বলেন, ‘আমাদের পরিস্কার কথা, সবার আগে খালেদা জিয়াকে মুক্তি দিন। তারপর পদত্যাগ করে নিরপেক্ষ সরকারের হাতে ক্ষমতা দিয়ে জনগণের হাতে ক্ষমতা ফিরিয়ে দিন। এটা একমাত্র পথ, এর বাইরে আর কোন পথ নেই।’

তিনি আরও বলেন, খালেদা জিয়ার মুক্তি এখন জনগণের দাবি, এটা গণদাবি। এই দাবি অবশ্যই সরকারকে মেনে নিতে হবে। যদি সরকার এই গণদাবি মেনে না নেয়, তাহলে গণদাবি অস্বীকার করার জন্য অতীতের সরকারগুলোর যে অবস্থা হয়েছে, এই সরকারেরও সেই পরিণাম ভোগ করতে হবে।

বিএনপি মহাসচিব বলেন, ‘খালেদা জিয়ার মুক্তির দাবিতে গত দেড় থেকে দুই মাস আমরা নিয়মতান্ত্রিকভাবে আন্দোলন করছি। সারা দেশে অসংখ্য সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে। প্রতিটি সমাবেশ থেকে লাখো মানুষের কণ্ঠে একটি আওয়াজ এসেছে খালেদা জিয়ার মুক্তি চাই।’

বেগম খালেদা জিয়ার মুক্তি চেয়ে বিএনপি মহাসচিব বলেন, সরকার কিছুতেই খালেদা জিয়াকে মুক্তি দিতে চায় না। কেন চায় না? কারণ তারা জানে, খালেদা জিয়া যদি মুক্ত হন, তাহলে জনগণের উত্তাল তরঙ্গ সৃষ্টি হবে। এই তরঙ্গে সরকার টিকে থাকতে পারবে না। এ কারণেই তারা খালেদা জিয়াকে মুক্তি দিতে চায় না।

সমাবেশে উপস্থিত ছিলেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, সেলিমা রহমান, চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা আমানউল্লাহ আমান, আবদুস সালাম, নাগরিক ঐক্যের সভাপতি মাহমুদুর রহমান মান্না, কল্যাণ পার্টির চেয়ারম্যান সৈয়দ মুহাম্মদ ইব্রাহিম, লেবার পার্টির চেয়ারম্যান মোস্তাফিজুর রহমান প্রমুখ।