দেলদুয়ারে বিদ্যালয়ে অনিয়ম : প্রধান শিক্ষক বরখাস্ত

টাঙ্গাইলের দেলদুয়ারে বিভিন্ন অনিয়মের অভিযোগে শাহানশাহী উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক জেবুন্নাহার বেগমকে সাময়িকভাবে বরখাস্ত করা হয়েছে। তার বিরুদ্ধে বিদ্যালয়ে অনুপস্থিতি, আর্থিক অনিয়ম, দয়িত্বহীনতা ও স্বেচ্ছাসারিতার অভিযোগ এনে বিদ্যালয় পরিচালনা পর্ষদ তাকে সাময়িকভাবে বরখাস্ত করেন। বিদ্যালয় পরিচালনা পর্ষদের সভাপতি মীর মুনির হোসেন বলেন, প্রধান শিক্ষক জেবুন্নাহার ২০০৯ সালে বিদ্যালয়ে যোগদান করেছেন। ওই সময় থেকে ২০২১ সাল পর্যন্ত বিদ্যালয়ে আয়-ব্যয়ের হিসাব দিতে তিনি অনিচ্ছুক। তাছাড়া বিদ্যালয়ের যাবতীয় কর্মকা- বিদ্যালয় পর্ষদকে না জানিয়ে নিজের ইচ্ছামতো করে থাকেন। কর্তৃপক্ষকে না জানিয়ে বা ছুটি না নিয়ে দীর্ঘ সময় ধরে তিনি বিদ্যালয়ে অনুপস্থিত থেকেছেন। আয়-ব্যয়ের হিসাব চেয়ে একাধিকবার নোটিস প্রদান করা হলেও প্রধান শিক্ষক কোন কর্ণপাত করছেন না। বিদ্যালয়ের ফাইল/রেজিস্টার ও আলমিরার চাবি নিজের কব্জায় রেখে তিনি দীর্ঘদিন ধরে অনুপস্থিত রয়েছে। ফলে বিদ্যালয়ের বিভিন্ন কাজক্রমে এবং শিক্ষা কার্যক্রমে অচলাবস্থার সৃষ্টি হয়েছে। অভিযোগ সম্পর্কে প্রধান শিক্ষক জেবুন্নাহার বেগম বলেন সম্পূর্ণ বিধি বহির্ভূতভাবে আমাকে বরখাস্ত করা হয়েছে। আমার বিরুদ্ধে যেসব অভিযোগ আনা হয়েছে তা সঠিক নহে। আমি নিয়মিতভাবেই বিদ্যালয়ে উপস্থিত হয়ে যাবতীয় কর্মকা- চালিয়ে যাচ্ছি।

উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মো. মুজিবুল আহসান বলেন, বরখাস্ত করার বিষয়টি বিদ্যালয় পরিচালনা পর্ষদের। তবে ওই প্রধান শিক্ষকের বিভিন্ন অনিয়মের মৌখিক অভিযোগ একাধিকবার পেয়েছি। ইতোমধ্যেই বিদ্যালয় পরিচালনা পর্ষদের সভাপতি মীর মুনির হোসেন স্বাক্ষরিত সাময়িক বরখাস্তের অনুলিপি উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসসহ বিভিন্ন দপ্তরে প্রেরিত হয়েছে।

সোমবার, ১০ জানুয়ারী ২০২২ , ২৬ পৌষ ১৪২৮ ৬ জমাদিউস সানি ১৪৪৩

দেলদুয়ারে বিদ্যালয়ে অনিয়ম : প্রধান শিক্ষক বরখাস্ত

টাঙ্গাইলের দেলদুয়ারে বিভিন্ন অনিয়মের অভিযোগে শাহানশাহী উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক জেবুন্নাহার বেগমকে সাময়িকভাবে বরখাস্ত করা হয়েছে। তার বিরুদ্ধে বিদ্যালয়ে অনুপস্থিতি, আর্থিক অনিয়ম, দয়িত্বহীনতা ও স্বেচ্ছাসারিতার অভিযোগ এনে বিদ্যালয় পরিচালনা পর্ষদ তাকে সাময়িকভাবে বরখাস্ত করেন। বিদ্যালয় পরিচালনা পর্ষদের সভাপতি মীর মুনির হোসেন বলেন, প্রধান শিক্ষক জেবুন্নাহার ২০০৯ সালে বিদ্যালয়ে যোগদান করেছেন। ওই সময় থেকে ২০২১ সাল পর্যন্ত বিদ্যালয়ে আয়-ব্যয়ের হিসাব দিতে তিনি অনিচ্ছুক। তাছাড়া বিদ্যালয়ের যাবতীয় কর্মকা- বিদ্যালয় পর্ষদকে না জানিয়ে নিজের ইচ্ছামতো করে থাকেন। কর্তৃপক্ষকে না জানিয়ে বা ছুটি না নিয়ে দীর্ঘ সময় ধরে তিনি বিদ্যালয়ে অনুপস্থিত থেকেছেন। আয়-ব্যয়ের হিসাব চেয়ে একাধিকবার নোটিস প্রদান করা হলেও প্রধান শিক্ষক কোন কর্ণপাত করছেন না। বিদ্যালয়ের ফাইল/রেজিস্টার ও আলমিরার চাবি নিজের কব্জায় রেখে তিনি দীর্ঘদিন ধরে অনুপস্থিত রয়েছে। ফলে বিদ্যালয়ের বিভিন্ন কাজক্রমে এবং শিক্ষা কার্যক্রমে অচলাবস্থার সৃষ্টি হয়েছে। অভিযোগ সম্পর্কে প্রধান শিক্ষক জেবুন্নাহার বেগম বলেন সম্পূর্ণ বিধি বহির্ভূতভাবে আমাকে বরখাস্ত করা হয়েছে। আমার বিরুদ্ধে যেসব অভিযোগ আনা হয়েছে তা সঠিক নহে। আমি নিয়মিতভাবেই বিদ্যালয়ে উপস্থিত হয়ে যাবতীয় কর্মকা- চালিয়ে যাচ্ছি।

উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মো. মুজিবুল আহসান বলেন, বরখাস্ত করার বিষয়টি বিদ্যালয় পরিচালনা পর্ষদের। তবে ওই প্রধান শিক্ষকের বিভিন্ন অনিয়মের মৌখিক অভিযোগ একাধিকবার পেয়েছি। ইতোমধ্যেই বিদ্যালয় পরিচালনা পর্ষদের সভাপতি মীর মুনির হোসেন স্বাক্ষরিত সাময়িক বরখাস্তের অনুলিপি উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসসহ বিভিন্ন দপ্তরে প্রেরিত হয়েছে।