সেশনজট থেকে মুক্তি চাই

মরণঘাতী করোনাভাইরাসের কারণে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান দেড় বছর বন্ধ থাকার ফলে শিক্ষা ব্যবস্থায় জটের সৃষ্টি হয়েছে। আর এই জট কাটাতে শিক্ষা মন্ত্রণালয় প্রথম শ্রেণী থেকে একাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থীদের অটোপ্রমোশন এবং দ্বাদশ শ্রেণীর শিক্ষার্থীদের অটোপাশ দিয়েছে। কিন্তু দুঃখের বিষয় যে শিক্ষা মন্ত্রণালয় স্নাতক পর্যায়ের শিক্ষার্থীদের ব্যাপারে কার্যকরী উদ্যোগ নিতে পারিনি। যার ফলে বিপুলসংখ্যক শিক্ষার্থী হতাশার মধ্য পড়েছে। শিক্ষার্থীদের ক্ষতি পুষিয়ে দেওয়ার লক্ষ্যে কয়েকটি পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় অনলাইন পরীক্ষা নিলেও উল্লেখযোগ্য সংখ্যক বিশ্ববিদ্যালয়ে সেটা সম্ভব হয়নি। পরবর্তীতে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান খোলার পর সেশনজট কাটাতে কয়েকটি পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন ছয় মাসের সেমিস্টার চার মাসে শেষ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। কিন্তু অধিকাংশ পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন এখনো কোন কার্যকরী পদক্ষেপ গ্রহণ করেনি।

অন্যদিকে প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যায়নরত শিক্ষার্থীদের শিক্ষা কার্যক্রম পুরোপুরি চালু থাকায় তাদের কোন প্রকার জটের সম্মুখীন হতে হয়নি। যার ফলে দেখা যাচ্ছে একই সেশন এ অধ্যয়নরত প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা যেখানে স্নাতক শেষ করছে সেখানে পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা সেশন জটে আটকে আছে। যেটি খুবই দুঃখজনক। একজন সাধারণ শিক্ষার্থী হিসাবে বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের কাছে জোর দাবি জানাই দ্রুততম সময়ে একটি কার্যকরী উদ্যোগ গ্রহণ করুন; যাতে পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা হতাশা কাটিয়ে সুন্দর ক্যারিয়ার গঠনের পথে দ্রুত এগিয়ে যেতে পারে।

মাহমুদুল হাসান

মঙ্গলবার, ১১ জানুয়ারী ২০২২ , ২৭ পৌষ ১৪২৮ ৭ জমাদিউস সানি ১৪৪৩

সেশনজট থেকে মুক্তি চাই

মরণঘাতী করোনাভাইরাসের কারণে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান দেড় বছর বন্ধ থাকার ফলে শিক্ষা ব্যবস্থায় জটের সৃষ্টি হয়েছে। আর এই জট কাটাতে শিক্ষা মন্ত্রণালয় প্রথম শ্রেণী থেকে একাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থীদের অটোপ্রমোশন এবং দ্বাদশ শ্রেণীর শিক্ষার্থীদের অটোপাশ দিয়েছে। কিন্তু দুঃখের বিষয় যে শিক্ষা মন্ত্রণালয় স্নাতক পর্যায়ের শিক্ষার্থীদের ব্যাপারে কার্যকরী উদ্যোগ নিতে পারিনি। যার ফলে বিপুলসংখ্যক শিক্ষার্থী হতাশার মধ্য পড়েছে। শিক্ষার্থীদের ক্ষতি পুষিয়ে দেওয়ার লক্ষ্যে কয়েকটি পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় অনলাইন পরীক্ষা নিলেও উল্লেখযোগ্য সংখ্যক বিশ্ববিদ্যালয়ে সেটা সম্ভব হয়নি। পরবর্তীতে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান খোলার পর সেশনজট কাটাতে কয়েকটি পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন ছয় মাসের সেমিস্টার চার মাসে শেষ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। কিন্তু অধিকাংশ পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন এখনো কোন কার্যকরী পদক্ষেপ গ্রহণ করেনি।

অন্যদিকে প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যায়নরত শিক্ষার্থীদের শিক্ষা কার্যক্রম পুরোপুরি চালু থাকায় তাদের কোন প্রকার জটের সম্মুখীন হতে হয়নি। যার ফলে দেখা যাচ্ছে একই সেশন এ অধ্যয়নরত প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা যেখানে স্নাতক শেষ করছে সেখানে পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা সেশন জটে আটকে আছে। যেটি খুবই দুঃখজনক। একজন সাধারণ শিক্ষার্থী হিসাবে বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের কাছে জোর দাবি জানাই দ্রুততম সময়ে একটি কার্যকরী উদ্যোগ গ্রহণ করুন; যাতে পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা হতাশা কাটিয়ে সুন্দর ক্যারিয়ার গঠনের পথে দ্রুত এগিয়ে যেতে পারে।

মাহমুদুল হাসান