অর্ধেক যাত্রী নিয়ে চলবে ট্রেন

স্বাস্থ্যবিধি মেনে আগামী শনিবার থেকে অর্ধেক যাত্রী নিয়ে চলাচল করবে রেলওয়ে সার্ভিস। তবে এক্ষেত্রে কোন ভাড়া বাড়ানো হবে না। ট্রেন সংখ্যাও কমানো হবে না। তবে দাঁড়িয়ে যাত্রী পরিবহন ও প্ল্যাটফর্মে প্রকেশের টিকিট বন্ধ থাকবে বলে জানিয়েছেন রেল কর্তৃপক্ষ।

গতকাল রেলওয়ে পক্ষ থেকে এক বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়, যাত্রীদের সামাজিক ও শারীরিক দূরত্ব বজায় রেখে অর্ধেক যাত্রী নিয়ে চলাচল করবে আন্তঃনগর ট্রেন সার্ভিস। ৫০ শতাংশ টিকেটের মধ্যে ২৫ শতাংশ কাউন্টারে ও ২৫ শতাংশ অনলাইনে/অ্যাপে বিক্রয় করা হবে। যাত্রীদের মাস্ক পরা নিশ্চিত করার নির্দেশনা দেয়া হয়েছে।

এ বিষয়ে রেলওয়ের অতিরিক্ত মহাপরিচালক (অপারেশ) সরদাত শাহদাত আলী সংবাদকে বলেন, ‘সব জায়গায় স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার ওপর গুরুত্ব দেয়া হবে। ট্রেন ও স্টেশনে সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখার জন্য কড়াকড়ি আরোপ করা হবে। মাস্ক ছাড়া কাউকে স্টেশনে ঢুকতে দেয়া হবে না। ট্রেনে খাবার পরিবেশন, রাতের ঘুমানোর বিছানা দেয়ার ক্ষেত্রেও স্বাস্থ্যবিধি অনুসরণ করা হবে।’

২০২০ সালে করোনা সংক্রমণ শুরু হলে যাত্রীবাহী ট্রেন চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। এরপর ওই বছরের জুলাই থেকে অর্ধেক আসন ফাঁকা রেখে ট্রেন চালানো হয়। তখন অল্প কিছু আন্তনগর ট্রেন চালু রাখা হয়েছিল। এ জন্য ট্রেনগুলোতে যাত্রীদের চাপ বেড়ে গিয়েছিল। তাই এ দফায় ট্রেন না কমিয়েই অর্ধেক আসনে যাত্রী পরিবহন করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে রেলওয়ে কর্তৃপক্ষ। বর্তমানে রেলওয়ের যাত্রীবাহী ট্রেন আছে ৩৫৫টি। এর মধ্যে আন্তনগর ট্রেনের সংখ্যা ১০৮টি। বাকিগুলো মেইল, কমিউটার ও লোকাল ট্রেন। তবে রেলের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, ইঞ্জিন-কোচ সংকটের কারণে কিছু মেইল, লোকাল ও কমিউটার ট্রেন বন্ধ রয়েছে।

দেশে করোনা সংক্রমণ বেড়ে যাওয়ায় সব ধরনের সামাজিক, রাজনৈতিক ও ধর্মীয় অনুষ্ঠান এবং সমাবেশে নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে সরকার। গতকাল মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের এক আদেশে মোট ১১টি নির্দেশনা দেয়া হয়েছে। সেখানে বলা হয়েছিল, বাস, ট্রেন ও লঞ্চে অর্ধেক যাত্রী পরিবহন করা হবে। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নিয়ে বিস্তারিত জানাবে। তার পরদিন রেল কর্তৃপক্ষের কাছ থেকে এ ঘোষণা এলো।

বুধবার, ১২ জানুয়ারী ২০২২ , ২৮ পৌষ ১৪২৮ ৮ জমাদিউস সানি ১৪৪৩

অর্ধেক যাত্রী নিয়ে চলবে ট্রেন

স্বাস্থ্যবিধি মেনে আগামী শনিবার থেকে অর্ধেক যাত্রী নিয়ে চলাচল করবে রেলওয়ে সার্ভিস। তবে এক্ষেত্রে কোন ভাড়া বাড়ানো হবে না। ট্রেন সংখ্যাও কমানো হবে না। তবে দাঁড়িয়ে যাত্রী পরিবহন ও প্ল্যাটফর্মে প্রকেশের টিকিট বন্ধ থাকবে বলে জানিয়েছেন রেল কর্তৃপক্ষ।

গতকাল রেলওয়ে পক্ষ থেকে এক বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়, যাত্রীদের সামাজিক ও শারীরিক দূরত্ব বজায় রেখে অর্ধেক যাত্রী নিয়ে চলাচল করবে আন্তঃনগর ট্রেন সার্ভিস। ৫০ শতাংশ টিকেটের মধ্যে ২৫ শতাংশ কাউন্টারে ও ২৫ শতাংশ অনলাইনে/অ্যাপে বিক্রয় করা হবে। যাত্রীদের মাস্ক পরা নিশ্চিত করার নির্দেশনা দেয়া হয়েছে।

এ বিষয়ে রেলওয়ের অতিরিক্ত মহাপরিচালক (অপারেশ) সরদাত শাহদাত আলী সংবাদকে বলেন, ‘সব জায়গায় স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার ওপর গুরুত্ব দেয়া হবে। ট্রেন ও স্টেশনে সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখার জন্য কড়াকড়ি আরোপ করা হবে। মাস্ক ছাড়া কাউকে স্টেশনে ঢুকতে দেয়া হবে না। ট্রেনে খাবার পরিবেশন, রাতের ঘুমানোর বিছানা দেয়ার ক্ষেত্রেও স্বাস্থ্যবিধি অনুসরণ করা হবে।’

২০২০ সালে করোনা সংক্রমণ শুরু হলে যাত্রীবাহী ট্রেন চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। এরপর ওই বছরের জুলাই থেকে অর্ধেক আসন ফাঁকা রেখে ট্রেন চালানো হয়। তখন অল্প কিছু আন্তনগর ট্রেন চালু রাখা হয়েছিল। এ জন্য ট্রেনগুলোতে যাত্রীদের চাপ বেড়ে গিয়েছিল। তাই এ দফায় ট্রেন না কমিয়েই অর্ধেক আসনে যাত্রী পরিবহন করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে রেলওয়ে কর্তৃপক্ষ। বর্তমানে রেলওয়ের যাত্রীবাহী ট্রেন আছে ৩৫৫টি। এর মধ্যে আন্তনগর ট্রেনের সংখ্যা ১০৮টি। বাকিগুলো মেইল, কমিউটার ও লোকাল ট্রেন। তবে রেলের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, ইঞ্জিন-কোচ সংকটের কারণে কিছু মেইল, লোকাল ও কমিউটার ট্রেন বন্ধ রয়েছে।

দেশে করোনা সংক্রমণ বেড়ে যাওয়ায় সব ধরনের সামাজিক, রাজনৈতিক ও ধর্মীয় অনুষ্ঠান এবং সমাবেশে নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে সরকার। গতকাল মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের এক আদেশে মোট ১১টি নির্দেশনা দেয়া হয়েছে। সেখানে বলা হয়েছিল, বাস, ট্রেন ও লঞ্চে অর্ধেক যাত্রী পরিবহন করা হবে। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নিয়ে বিস্তারিত জানাবে। তার পরদিন রেল কর্তৃপক্ষের কাছ থেকে এ ঘোষণা এলো।