যাত্রী ছাউনি : অযত্ন অবহেলায় বেহাল অবস্থা

রাজধানীর বিভিন্ন স্থানে যাত্রী উঠা-নামার জন্য তিন বছর আগে ৪০টি বাস স্টপেজ ও আধুনিক যাত্রী ছাউনি তৈরি করে দক্ষিণ সিটি করপোরেশন (ডিএসসিসি)। কিন্তু অযতœ ও অবহেলায় বেশির ভাগ যাত্রী ছাউনি ভেঙে গেছে। বাস কাউন্টারগুলো দখল করেছে হকার ও মাদকসেবীরা। কোন কোন স্থানে যাত্রী ছাউনি ব্যবহৃত হচ্ছে ভাঙারির দোকান হিসেবে।

তাই নতুন চালু হওয়া ‘ঢাকা নগর পরিবহনের’ টিকেট বিক্রয় করা হচ্ছে সড়কের পাশে ছাতার নিচে। এছাড়া যাত্রী ছাউনিগুলোর সামনের সড়কে অবৈধ গাড়ি পার্কিং করে দখল করে রাখা হয়। এজন্য স্টপেজের নির্ধারিত স্থানে বাস থামানো যায় না বলে অভিযোগ করেন চালকরা। নির্ধারিত বাস স্টপেজে যাত্রী উঠা-নামার জন্য যাত্রী ছাউনিগুলো সংস্কার করে কাউন্টারে টিকেট বিক্রয়ের দাবি জানান যাত্রীরা।

সরেজমিন গতকাল রাজধানীর সায়েদাবাদ জনপথ মোড়ে ছাত্রী ছাউনির সামনে গিয়ে দেখা গেছে ছাউনি দখল করে ভাঙারির দোকান করা হয়েছে। কোন বাস এখানে থামে না। যাত্রী ছাউনির একটু সামনে একটি ছাতার নিচে ঢাকা নগর পরিবহনের টিকিট বিক্রি করা হচ্ছে। কোন যাত্রী দেখা গেলো না।

গতকাল বেলা ১১টা থেকে দুপুর ১২টা পর্যন্ত অপেক্ষা করে দেয়া গেছে শুধু ঢাকা নগর পরিবহন ছাড়া কোন বাস এখানে থাকে না। এক ঘণ্টায় এই জনপদ মোড় দিয়ে প্রায় ৫০টি সিটি সার্ভিসের বিভিন্ন বাস অতিক্রম করেছে।

বেশির ভাগ বাস জনপথ মোড়ে ফ্লাইওভারের মুখে যাত্রীদের জন্য অপেক্ষা করতে দেখা গেছে। এতে পুরো জনপদ এলাকায় যানজটের সৃষ্টি হয়। এছাড়া বিভিন্ন আন্তঃজেলা বাসগুলো সড়কের পাশে পাকির্ং যাত্রী উঠা-নামানোর কারণে প্রতিদিন এই এলাকায় তীব্র যানজটের সৃষ্টি হয়। যাত্রী ছাউনি সামনের সড়ক দখল করে এসব আন্তঃজেলার বাস গুলো। তাই সায়েদাবাদ জনপদ মোড়ের ১-২ মিনিটের পথ অতিক্রম করতে ১৫-২০ মিনিট লাগে বলে জানান বাস চালকরা।

সায়েদাবাদ এলাকায় নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক ঢাকা নগর পরিবহনে এক চালক সংবাদকে বলেন, ‘বুধবার সকাল সাড়ে ৯ টায় কাঁচপুর থেকে যাত্রা শুরু করি। যাত্রাবাড়ী পর্যন্ত আসতে সময় লাগে ৩০-৪৫ মিনিট। কিন্তু যাত্রাবাড়ী থেকে সায়েদবাদ বাস টার্মিনাল অতিক্রম করতেই সময় বেশি লাগে। এই অর্ধকিলোর কম রাস্তা অতিক্রম করতে ২০-৩০ মিনিট লাগে। কারণ সড়কের পাশে আন্তঃজেলার বাসগুলো অবৈধ পার্কিং করে দখল করে রাখে। এছাড়া বেশির ভাগ বাস স্টপেজের সামনের সড়ক খানা-খন্দর ও ভাঙাচোড়া। তাই যাত্রীরা স্টপেজে না এসে অন্য বাসে চলে।’

সায়েদবাদ এলাকায় মিলন নামের এক যাত্রী বলেন, ‘সিটি করপোরেশনের একটি সবুজ রঙের বাস চলতে দেখি। কিন্তু এখনো উঠে না। কারণ বাসটি সব সময় গেইট বন্ধ থাকে। যাত্রী উঠায় কাউন্টার থেকে। কিন্তু অন্য বাস তো রাস্তার পাশ থেকে উঠা। তাই সবাই অন্য বাসে চড়ে। এই বাসে এখনো উঠা শুরু হয়নি। কারণ সায়েদাবাদ যাত্রী ছাউনির খুব খারাপ অবস্থা। ময়লা-আবর্জনা দিয়ে নষ্ট করে রাখা হয়েছে। তাই যাত্রীরা সাধারণত ওদিকে যায় না। সামনে যে বাস পায় সেটাতে উঠে যাই।’ যদি সিটি করপোরেশন যাত্রী ছাউনীটি পরিষ্কার করে তাহলে অনেক এখন থেকে বাসে উঠবে বলে জানান তিনি।

ডিএসসিসি’র সূত্র জানায়, রাজধানীর বিভিন্ন সড়কে ৪০টি যাত্রীছাউনি ও বাস স্টপেজ তৈরি করা হয়েছে। এর মধ্যে কারওয়ান বাজার পান্থকুঞ্জ পার্কের পাশে-১টি, মতিঝিলের শাপরা চত্ত্বরের পশ্চিম ও বাংলাদেশ ব্যাংকের উত্তর পাশে-২টি, বাংলা মটরে রূপায়ন ভবনের সামনে-১টি, শাহবাগে ঢাকা ক্লাবের পাশে-১টি, পুরানা পল্টনে আজাদ প্রোডাক্টসের পাশে-১টি, মালিবাগ বাজার ও রেলক্রসিংয়ে-২টি, খিলগাঁও পুলিশ ফাঁড়ির সামনে ও উল্টা পাশে-২টি, টিটি পাড়া অতীস দীপঙ্কর সড়কে-১টি, আজিমপুর এতিমখানা, স্টাফ কোর্য়াটার ও চৌরাস্তা-৩টি, জিপিও পশ্চিম পাশে মুক্তাঙ্গন পার্কে-১টি, গুলিস্তান টিএন্ডটি অফিস-আহাদ পুলিশ বক্স-আন্ডার পাস-৩টি, ভিক্টোরিয়া পার্কের মোড় ও পশ্চিম পাশে-২টি, সায়েদাবাদ জনপদ মোড়-১টি, যাত্রাবাড়ী থানার পাশে-১টি, টিকাটুলী মোড়ে-১টি, বাসাবো জনপথ মোড়ে-১টি, মৌচাক ফরচুন মার্কেটের পূর্ব পাশে-১টি, ইত্তেফাক মোড়ে-১টি, রাজধানী মার্কেটের বিপরীত পাশে বলধা গার্ডেনের সামনে-১টি, রাজউক ভবনের বিপরীত পাশে-১টি, বৌদ্ধ মন্দিরে-১টি, যাত্রাবাড়ী-ডেমরা সংযোগ সড়কে-১টি, শনিরআখড়া দক্ষিণ পাশে-১টি, রায়েরবাগ দক্ষিণ পাশে-১টি, চাঁনখারপুল বার্ণ ইউনিটের কাছে-১টি, আরামবাগ আল-হেলাল পুলিশ বক্সের কাছে-১টি, নটরডেম কলেজের সামনে-১টি, মৎস ভবনের সামনে-১টি, শাহজাহানপুর রেলওয়ে হাসপাতাল ও কলোনির সামনে-২টি, মতিঝিল বালক উচ্চ বিদ্যালয় সমানে-১টি ও মুগদা জনপথ সড়কে-১টি নির্মাণ করা হয়েছে। তবে এ সব যাত্রীছাউনী ও স্টপেজের বেশীর ভাগ স্থানে বাস থামানো হয় না বলে অভিযোগ করেন যাত্রীরা।

এ বিষয়ে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের (ডিএসসিসি)’র প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা সংবাদকে বলেন, ‘আগে ৪০ যাত্রী ছাউনী ও বাস স্টপেজ পুশিলের মতামতের ভিত্তিতে নির্মাণ করা হয়েছিলো। সেগুলো বেশীর ভাগের যথাযথ স্থানে নির্মাণ করা হয় নি। তাই এগুলোর মধ্যে যেগুলো ব্যবহারের উপযোগী সেগুলো সংস্কার করা হবে। আর যেগুলো ব্যবহারের উপযোগী নয় সেগুলো সরিয়ে নেয়া হবে।’

এছাড়া ঢাকা নগর পরিবহনের জন্য ছোট করে আলাদা ২৩টি বাস স্টপেজ নির্মাণ করা হচ্ছে। ইতিমধ্যে ২১টি নির্মাণ শেষ হয়েছে। ২টির নির্মাণ কাজ এখনো বাকি আছে। এভাবে ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণে ঢাকা নগর পরিবহনের জন্য আলাদা বাস স্টপেজ নির্মাণ করা হবে বলে জানান তিনি।

বুধবার, ১২ জানুয়ারী ২০২২ , ২৮ পৌষ ১৪২৮ ৮ জমাদিউস সানি ১৪৪৩

যাত্রী ছাউনি : অযত্ন অবহেলায় বেহাল অবস্থা

image

রাজধানীর বিভিন্ন স্থানে যাত্রী উঠা-নামার জন্য তিন বছর আগে ৪০টি বাস স্টপেজ ও আধুনিক যাত্রী ছাউনি তৈরি করে দক্ষিণ সিটি করপোরেশন (ডিএসসিসি)। কিন্তু অযতœ ও অবহেলায় বেশির ভাগ যাত্রী ছাউনি ভেঙে গেছে। বাস কাউন্টারগুলো দখল করেছে হকার ও মাদকসেবীরা। কোন কোন স্থানে যাত্রী ছাউনি ব্যবহৃত হচ্ছে ভাঙারির দোকান হিসেবে।

তাই নতুন চালু হওয়া ‘ঢাকা নগর পরিবহনের’ টিকেট বিক্রয় করা হচ্ছে সড়কের পাশে ছাতার নিচে। এছাড়া যাত্রী ছাউনিগুলোর সামনের সড়কে অবৈধ গাড়ি পার্কিং করে দখল করে রাখা হয়। এজন্য স্টপেজের নির্ধারিত স্থানে বাস থামানো যায় না বলে অভিযোগ করেন চালকরা। নির্ধারিত বাস স্টপেজে যাত্রী উঠা-নামার জন্য যাত্রী ছাউনিগুলো সংস্কার করে কাউন্টারে টিকেট বিক্রয়ের দাবি জানান যাত্রীরা।

সরেজমিন গতকাল রাজধানীর সায়েদাবাদ জনপথ মোড়ে ছাত্রী ছাউনির সামনে গিয়ে দেখা গেছে ছাউনি দখল করে ভাঙারির দোকান করা হয়েছে। কোন বাস এখানে থামে না। যাত্রী ছাউনির একটু সামনে একটি ছাতার নিচে ঢাকা নগর পরিবহনের টিকিট বিক্রি করা হচ্ছে। কোন যাত্রী দেখা গেলো না।

গতকাল বেলা ১১টা থেকে দুপুর ১২টা পর্যন্ত অপেক্ষা করে দেয়া গেছে শুধু ঢাকা নগর পরিবহন ছাড়া কোন বাস এখানে থাকে না। এক ঘণ্টায় এই জনপদ মোড় দিয়ে প্রায় ৫০টি সিটি সার্ভিসের বিভিন্ন বাস অতিক্রম করেছে।

বেশির ভাগ বাস জনপথ মোড়ে ফ্লাইওভারের মুখে যাত্রীদের জন্য অপেক্ষা করতে দেখা গেছে। এতে পুরো জনপদ এলাকায় যানজটের সৃষ্টি হয়। এছাড়া বিভিন্ন আন্তঃজেলা বাসগুলো সড়কের পাশে পাকির্ং যাত্রী উঠা-নামানোর কারণে প্রতিদিন এই এলাকায় তীব্র যানজটের সৃষ্টি হয়। যাত্রী ছাউনি সামনের সড়ক দখল করে এসব আন্তঃজেলার বাস গুলো। তাই সায়েদাবাদ জনপদ মোড়ের ১-২ মিনিটের পথ অতিক্রম করতে ১৫-২০ মিনিট লাগে বলে জানান বাস চালকরা।

সায়েদাবাদ এলাকায় নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক ঢাকা নগর পরিবহনে এক চালক সংবাদকে বলেন, ‘বুধবার সকাল সাড়ে ৯ টায় কাঁচপুর থেকে যাত্রা শুরু করি। যাত্রাবাড়ী পর্যন্ত আসতে সময় লাগে ৩০-৪৫ মিনিট। কিন্তু যাত্রাবাড়ী থেকে সায়েদবাদ বাস টার্মিনাল অতিক্রম করতেই সময় বেশি লাগে। এই অর্ধকিলোর কম রাস্তা অতিক্রম করতে ২০-৩০ মিনিট লাগে। কারণ সড়কের পাশে আন্তঃজেলার বাসগুলো অবৈধ পার্কিং করে দখল করে রাখে। এছাড়া বেশির ভাগ বাস স্টপেজের সামনের সড়ক খানা-খন্দর ও ভাঙাচোড়া। তাই যাত্রীরা স্টপেজে না এসে অন্য বাসে চলে।’

সায়েদবাদ এলাকায় মিলন নামের এক যাত্রী বলেন, ‘সিটি করপোরেশনের একটি সবুজ রঙের বাস চলতে দেখি। কিন্তু এখনো উঠে না। কারণ বাসটি সব সময় গেইট বন্ধ থাকে। যাত্রী উঠায় কাউন্টার থেকে। কিন্তু অন্য বাস তো রাস্তার পাশ থেকে উঠা। তাই সবাই অন্য বাসে চড়ে। এই বাসে এখনো উঠা শুরু হয়নি। কারণ সায়েদাবাদ যাত্রী ছাউনির খুব খারাপ অবস্থা। ময়লা-আবর্জনা দিয়ে নষ্ট করে রাখা হয়েছে। তাই যাত্রীরা সাধারণত ওদিকে যায় না। সামনে যে বাস পায় সেটাতে উঠে যাই।’ যদি সিটি করপোরেশন যাত্রী ছাউনীটি পরিষ্কার করে তাহলে অনেক এখন থেকে বাসে উঠবে বলে জানান তিনি।

ডিএসসিসি’র সূত্র জানায়, রাজধানীর বিভিন্ন সড়কে ৪০টি যাত্রীছাউনি ও বাস স্টপেজ তৈরি করা হয়েছে। এর মধ্যে কারওয়ান বাজার পান্থকুঞ্জ পার্কের পাশে-১টি, মতিঝিলের শাপরা চত্ত্বরের পশ্চিম ও বাংলাদেশ ব্যাংকের উত্তর পাশে-২টি, বাংলা মটরে রূপায়ন ভবনের সামনে-১টি, শাহবাগে ঢাকা ক্লাবের পাশে-১টি, পুরানা পল্টনে আজাদ প্রোডাক্টসের পাশে-১টি, মালিবাগ বাজার ও রেলক্রসিংয়ে-২টি, খিলগাঁও পুলিশ ফাঁড়ির সামনে ও উল্টা পাশে-২টি, টিটি পাড়া অতীস দীপঙ্কর সড়কে-১টি, আজিমপুর এতিমখানা, স্টাফ কোর্য়াটার ও চৌরাস্তা-৩টি, জিপিও পশ্চিম পাশে মুক্তাঙ্গন পার্কে-১টি, গুলিস্তান টিএন্ডটি অফিস-আহাদ পুলিশ বক্স-আন্ডার পাস-৩টি, ভিক্টোরিয়া পার্কের মোড় ও পশ্চিম পাশে-২টি, সায়েদাবাদ জনপদ মোড়-১টি, যাত্রাবাড়ী থানার পাশে-১টি, টিকাটুলী মোড়ে-১টি, বাসাবো জনপথ মোড়ে-১টি, মৌচাক ফরচুন মার্কেটের পূর্ব পাশে-১টি, ইত্তেফাক মোড়ে-১টি, রাজধানী মার্কেটের বিপরীত পাশে বলধা গার্ডেনের সামনে-১টি, রাজউক ভবনের বিপরীত পাশে-১টি, বৌদ্ধ মন্দিরে-১টি, যাত্রাবাড়ী-ডেমরা সংযোগ সড়কে-১টি, শনিরআখড়া দক্ষিণ পাশে-১টি, রায়েরবাগ দক্ষিণ পাশে-১টি, চাঁনখারপুল বার্ণ ইউনিটের কাছে-১টি, আরামবাগ আল-হেলাল পুলিশ বক্সের কাছে-১টি, নটরডেম কলেজের সামনে-১টি, মৎস ভবনের সামনে-১টি, শাহজাহানপুর রেলওয়ে হাসপাতাল ও কলোনির সামনে-২টি, মতিঝিল বালক উচ্চ বিদ্যালয় সমানে-১টি ও মুগদা জনপথ সড়কে-১টি নির্মাণ করা হয়েছে। তবে এ সব যাত্রীছাউনী ও স্টপেজের বেশীর ভাগ স্থানে বাস থামানো হয় না বলে অভিযোগ করেন যাত্রীরা।

এ বিষয়ে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের (ডিএসসিসি)’র প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা সংবাদকে বলেন, ‘আগে ৪০ যাত্রী ছাউনী ও বাস স্টপেজ পুশিলের মতামতের ভিত্তিতে নির্মাণ করা হয়েছিলো। সেগুলো বেশীর ভাগের যথাযথ স্থানে নির্মাণ করা হয় নি। তাই এগুলোর মধ্যে যেগুলো ব্যবহারের উপযোগী সেগুলো সংস্কার করা হবে। আর যেগুলো ব্যবহারের উপযোগী নয় সেগুলো সরিয়ে নেয়া হবে।’

এছাড়া ঢাকা নগর পরিবহনের জন্য ছোট করে আলাদা ২৩টি বাস স্টপেজ নির্মাণ করা হচ্ছে। ইতিমধ্যে ২১টি নির্মাণ শেষ হয়েছে। ২টির নির্মাণ কাজ এখনো বাকি আছে। এভাবে ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণে ঢাকা নগর পরিবহনের জন্য আলাদা বাস স্টপেজ নির্মাণ করা হবে বলে জানান তিনি।