কাশিমপুর কারাগারে সেলে বসেই বন্দীদের মোবাইল ব্যবহার

কাশিমপুর কারাগারে বন্দীরা হাজতে থেকেই অবৈধভাবে মোবাইল ফোন ব্যবহার করছে। ভয়ঙ্কর অপরাধীরাও কারারক্ষীদের অর্থ দিয়ে অনায়াসে ব্যবহার করছে মোবাইল ফোন। বন্দী অবস্থায় সেলে বসে মোবাইল ফোন ব্যবহারের ফলে শীর্ষ সন্ত্রাসী, জঙ্গি, এবং পেশাদার খুনিরা বাইরে থাকা সহযোগীদের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ করার সুযোগ পাচ্ছে। এর ফলে কারা অভ্যন্তরের নিরাপত্তা নিয়েও তৈরি হয়েছে নানা প্রশ্ন। দুর্নীতি দমন কমিশনের অভিযানেও মিলেছে কারাবন্দীদের মোবাইল ফোন ব্যবহারের সত্যতা। উদ্ধার করা হয়েছে মোবাইল ফোনও।

কারাবিধি অনুযায়ী সাধারণ বন্দীরা দিনে একবার কারারক্ষীদের সম্মুখে বিশেষ রুম থেকে স্বজনদের সঙ্গে দেখা করার সুযোগ রয়েছে। এ ছাড়া বন্দীরা কারা কর্মকর্তার ফোনে তার সামনে বসে মাসে এক বা দুইবার বাড়িতে থাকা স্বজনদের সঙ্গে কথা বলার সুযোগ রয়েছে কয়েক মিনিটের জন্য। কিন্তু কাশিমপুর কারাগারে কারারক্ষী ও কর্মকর্তাদের মোটা অঙ্কের টাকা দিয়ে জেলে বসেই মোবাইল ফোন ব্যবহার করার সুযোগ পাচ্ছেন নিয়মিত। যা রীতিমতো সম্পূর্ণ অবৈধ।

দুদকের প্রধান কার্যালয়ের জনসংযোগ কর্মকর্তা উপপরিচালক মুহাম্মদ আরিফ সাদেক জানান, কাশিমপুর কারাগারের নানা অনিয়ম নিয়ে দুদকের হটলাইন ১০৬ নম্বরে অভিযোগ আসে। এ অভিযোগ নোট করে তা কমিশনে জানান হটলাইনে অভিযোগ গ্রহণকারী কর্মকর্তারা। কমিশনের বৈঠকে উপপরিচালক সালাম আলী মোল্লাকে প্রধান করে একটি টিম গঠন করা হয়। সেখানে সিদ্ধান্ত হয় এনফোর্সমেন্ট টিম কাশিমপুর কারাগারে নানা অনিয়মের বিষয়ে অভিযান চালাবে।

গতকাল কাশিমপুর কারাগারে অভিযান চালায় দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) এনফোর্সমেন্ট টিমের একটি দল। অভিযানের নেতৃত্বে ছিলেন প্রধান কার্যালয়ের উপপরিচালক সালাম আলী মোল্লা। অভিযানে গিয়ে এনফোর্সমেন্ট টিম অভিযোগ সংশ্লিষ্ট বিষয়ে অনুসন্ধান করে। কারা কর্মকর্তা, রক্ষী ছাড়াও বন্দীদের সঙ্গেও কথা বলেন।

দুদক টিম জানিয়েছে, তাদের কাছে অভিযোগ ছিল কাশিমপুর কারাগারে কয়েদিদের প্রতিনিয়ত নিম্নমানের খাবার পরিবেশন করা হয়। সকাল, দুপুর ও রাতে যেসব খাবার দেয়া হয় তা খাওয়ার উপযোগী নয়। অনেক বন্দীরা এসব খাবার খেতেও পারেন না। যারা খাবার নেন তারা অনেকটা নিরুপায় হয়েই খাবার খান। এ ছাড়া কারাগারের ক্যান্টিনে খাবারের দাম নির্ধারিত দামের চেয়ে অনেক বেশি রাখায় হয়। প্রতিবাদ করার কোন সুযোগ নেই।

দুদক টিম জানিয়েছে, শুধু খাবারেই অনিয়ম নয়, টিমের কাছে অভিযোগ ছিল, কাশিমপুর কারাগার হাসপাতালে কোন চিকিৎসক বা নার্স নেই। সাধারণ কয়েদিরা অসুস্থ হলে কোন ধরনের চিকিৎসা পান না। আবার অনেক প্রভাবশালী বন্দী অর্থের বিনিময়ে অসুস্থ সেজে হাসপাতালে থাকেন। শুধু তাই নয়, কনডেম সেলসহ বিভিন্ন সেলে বড় বড় অপরাধীরা মোবাইল ফোন ব্যবহার করেন। অনেক রাজনৈতিক বন্দীরাও এ সুযোগ পেয়ে থাকেন। কাশিমপুর কারাগারে জঙ্গি হামলায় যুক্ত বিভিন্ন অপরাধী বন্দী আছেন। এ ছাড়া ফাঁসির দ-াদেশ পাওয়া অপরাধীরাও আছেন। তারাও অনেকে মোবাইল ফোন ব্যবহার করার সুযোগ পাচ্ছেন।

দুদক টিম আরও জানিয়েছে, তাদের কাছে অভিযোগ ছিল, করোনা সংক্রমণ থাকা সত্ত্বেও কারাগারে কোন সতর্কতা ব্যবস্থা পালন করা হচ্ছে না। সংক্রমণ ঝুঁকি থাকা সত্ত্বে¡ও কারাগারের বন্দীসালাগুলো অপরিচ্ছন্ন। যেখানে রান্না করা হয় সেখানকার পরিবেশ খুবই নোংরা।

সম্প্রতি নারায়ণগঞ্জের সেভেন মার্ডার মামলায় ফাসির দ- পাওয়া আসামি নারায়ণগঞ্জের ত্রাস হিসেবে পরিচিত সাবেক কাউন্সিলর নুর হোসেন কনডেম সেলে থেকে এক ব্যক্তি ফোন করার বিষয়টি গণমাধ্যমে প্রকাশিত হয়। পরে ওই সেলে অভিযান চালিয়ে নুর হোসেনের কাছ থেকে একটি মোবাইল ফোন উদ্ধার হয়। কনডেম সেল থেকে নুর হোসেন নারায়ণগঞ্জে তার সন্ত্রাসী বাহিনীর সঙ্গে যোগাযোগ, চাঁদাবাজি, টেন্ডারবাজিসহ নানা অপরাধের কার্যক্রম নিয়ন্ত্রণ করতেন বলেও অভিযোগ। এ ঘটনায় তদন্ত কমিটি প্রাথমিকভাবে জানতে পেরেছে, কারাগারের রক্ষী ও কর্মকর্তাদের যোগসাজশে নুর হোসেন মোবাইল ফোন ব্যবহার করার সুযোগ পেয়েছে।

দুদকের এনফোর্সমেন্ট টিম জানিয়েছে, অভিযানে গিয়ে তারা প্রমাণ পেয়েছে, ভয়ঙ্কর অপরাধীসহ বিভিন্ন অপরাধী কারারক্ষী ও কর্মকর্তাদের টাকা দিয়ে অনায়াসে মোবাইল ফোন ব্যবহার করছেন। এটি রীতিমতো উদ্বেগজনক। স্ক্যানিংয়ের মাধ্যমে একটি মোবাইল ফোন উদ্ধার করা হয়েছে।

দুদক টিম অভিযোগ যাচাই ও সত্য উদ্ঘাটনে জন্য সরেজমিন কাশিমপুর কারাগারের দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তাদের সঙ্গে নিয়ে কারাগারে রান্নাঘর, ক্যান্টিন ও হাসপাতাল পরিদর্শন করেন এবং অভিযোগ সংশ্লিষ্ট বিষয়সমূহ খতিয়ে দেখেন।

দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তারা টিমকে জানান, এই খাবার সরকারি খাদ্য গুদাম থেকে সরবরাহ করা হয়। তারা এখানে শুধু রান্না করেন। তবে খাবারেরর মান আগের তুলনায় সন্তোষজনক হলেও রান্নাঘরটি বেশ অপরিষ্কার। ক্যান্টিনের খাবার কার্ডের মাধ্যমে বিতরণ করা হয় তবে কার্ডের বিপরীতে টাকা জমার সময় অতিরিক্ত টাকা নেয়ার অভিযোগ পাওয়া যায়।

দুদক টিম কারা হাসপাতাল পরিদর্শনকালে দেখতে পায়, সেখানে তাদের নিজস্ব কোন ডাক্তার এবং নার্স নেই। একজন ডাক্তার প্রেষণে কর্মরত আছেন। হাসপাতাটি উচ্চ সংক্রমণ ঝুঁকিপূর্ণ এলাকা হওয়া সত্ত্বে¡ও স্বাস্থ্যবিধি সঠিকভাবে পালন করা হচ্ছে না। এক্ষেত্রে কারাগারে রান্নাঘর পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন রাখা, খাবারের মানোন্নয়ন, প্রায় দুহাজার কারাবন্দীর জন্য পর্যাপ্ত ডাক্তার নার্সসহ সব আধুনিক চিকিৎসা সুবিধাসহ আলাদা ৫০-১০০ শয্যার হাসপাতাল নির্মাণ এবং কারাগারে কয়েদিদের মোবাইল ফোন সরবরাহে বিষয়ে দায়ীদের বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা গ্রহণের সুপারিশসহ বিস্তারিত প্রতিবেদন দাখিল করবে এনফর্সমেন্ট।

বৃহস্পতিবার, ১৩ জানুয়ারী ২০২২ , ২৯ পৌষ ১৪২৮ ৯ জমাদিউস সানি ১৪৪৩

কাশিমপুর কারাগারে সেলে বসেই বন্দীদের মোবাইল ব্যবহার

কারা কর্মকর্তা ও রক্ষীদের ম্যানেজ করেই চলে

কাশিমপুর কারাগারে বন্দীরা হাজতে থেকেই অবৈধভাবে মোবাইল ফোন ব্যবহার করছে। ভয়ঙ্কর অপরাধীরাও কারারক্ষীদের অর্থ দিয়ে অনায়াসে ব্যবহার করছে মোবাইল ফোন। বন্দী অবস্থায় সেলে বসে মোবাইল ফোন ব্যবহারের ফলে শীর্ষ সন্ত্রাসী, জঙ্গি, এবং পেশাদার খুনিরা বাইরে থাকা সহযোগীদের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ করার সুযোগ পাচ্ছে। এর ফলে কারা অভ্যন্তরের নিরাপত্তা নিয়েও তৈরি হয়েছে নানা প্রশ্ন। দুর্নীতি দমন কমিশনের অভিযানেও মিলেছে কারাবন্দীদের মোবাইল ফোন ব্যবহারের সত্যতা। উদ্ধার করা হয়েছে মোবাইল ফোনও।

কারাবিধি অনুযায়ী সাধারণ বন্দীরা দিনে একবার কারারক্ষীদের সম্মুখে বিশেষ রুম থেকে স্বজনদের সঙ্গে দেখা করার সুযোগ রয়েছে। এ ছাড়া বন্দীরা কারা কর্মকর্তার ফোনে তার সামনে বসে মাসে এক বা দুইবার বাড়িতে থাকা স্বজনদের সঙ্গে কথা বলার সুযোগ রয়েছে কয়েক মিনিটের জন্য। কিন্তু কাশিমপুর কারাগারে কারারক্ষী ও কর্মকর্তাদের মোটা অঙ্কের টাকা দিয়ে জেলে বসেই মোবাইল ফোন ব্যবহার করার সুযোগ পাচ্ছেন নিয়মিত। যা রীতিমতো সম্পূর্ণ অবৈধ।

দুদকের প্রধান কার্যালয়ের জনসংযোগ কর্মকর্তা উপপরিচালক মুহাম্মদ আরিফ সাদেক জানান, কাশিমপুর কারাগারের নানা অনিয়ম নিয়ে দুদকের হটলাইন ১০৬ নম্বরে অভিযোগ আসে। এ অভিযোগ নোট করে তা কমিশনে জানান হটলাইনে অভিযোগ গ্রহণকারী কর্মকর্তারা। কমিশনের বৈঠকে উপপরিচালক সালাম আলী মোল্লাকে প্রধান করে একটি টিম গঠন করা হয়। সেখানে সিদ্ধান্ত হয় এনফোর্সমেন্ট টিম কাশিমপুর কারাগারে নানা অনিয়মের বিষয়ে অভিযান চালাবে।

গতকাল কাশিমপুর কারাগারে অভিযান চালায় দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) এনফোর্সমেন্ট টিমের একটি দল। অভিযানের নেতৃত্বে ছিলেন প্রধান কার্যালয়ের উপপরিচালক সালাম আলী মোল্লা। অভিযানে গিয়ে এনফোর্সমেন্ট টিম অভিযোগ সংশ্লিষ্ট বিষয়ে অনুসন্ধান করে। কারা কর্মকর্তা, রক্ষী ছাড়াও বন্দীদের সঙ্গেও কথা বলেন।

দুদক টিম জানিয়েছে, তাদের কাছে অভিযোগ ছিল কাশিমপুর কারাগারে কয়েদিদের প্রতিনিয়ত নিম্নমানের খাবার পরিবেশন করা হয়। সকাল, দুপুর ও রাতে যেসব খাবার দেয়া হয় তা খাওয়ার উপযোগী নয়। অনেক বন্দীরা এসব খাবার খেতেও পারেন না। যারা খাবার নেন তারা অনেকটা নিরুপায় হয়েই খাবার খান। এ ছাড়া কারাগারের ক্যান্টিনে খাবারের দাম নির্ধারিত দামের চেয়ে অনেক বেশি রাখায় হয়। প্রতিবাদ করার কোন সুযোগ নেই।

দুদক টিম জানিয়েছে, শুধু খাবারেই অনিয়ম নয়, টিমের কাছে অভিযোগ ছিল, কাশিমপুর কারাগার হাসপাতালে কোন চিকিৎসক বা নার্স নেই। সাধারণ কয়েদিরা অসুস্থ হলে কোন ধরনের চিকিৎসা পান না। আবার অনেক প্রভাবশালী বন্দী অর্থের বিনিময়ে অসুস্থ সেজে হাসপাতালে থাকেন। শুধু তাই নয়, কনডেম সেলসহ বিভিন্ন সেলে বড় বড় অপরাধীরা মোবাইল ফোন ব্যবহার করেন। অনেক রাজনৈতিক বন্দীরাও এ সুযোগ পেয়ে থাকেন। কাশিমপুর কারাগারে জঙ্গি হামলায় যুক্ত বিভিন্ন অপরাধী বন্দী আছেন। এ ছাড়া ফাঁসির দ-াদেশ পাওয়া অপরাধীরাও আছেন। তারাও অনেকে মোবাইল ফোন ব্যবহার করার সুযোগ পাচ্ছেন।

দুদক টিম আরও জানিয়েছে, তাদের কাছে অভিযোগ ছিল, করোনা সংক্রমণ থাকা সত্ত্বেও কারাগারে কোন সতর্কতা ব্যবস্থা পালন করা হচ্ছে না। সংক্রমণ ঝুঁকি থাকা সত্ত্বে¡ও কারাগারের বন্দীসালাগুলো অপরিচ্ছন্ন। যেখানে রান্না করা হয় সেখানকার পরিবেশ খুবই নোংরা।

সম্প্রতি নারায়ণগঞ্জের সেভেন মার্ডার মামলায় ফাসির দ- পাওয়া আসামি নারায়ণগঞ্জের ত্রাস হিসেবে পরিচিত সাবেক কাউন্সিলর নুর হোসেন কনডেম সেলে থেকে এক ব্যক্তি ফোন করার বিষয়টি গণমাধ্যমে প্রকাশিত হয়। পরে ওই সেলে অভিযান চালিয়ে নুর হোসেনের কাছ থেকে একটি মোবাইল ফোন উদ্ধার হয়। কনডেম সেল থেকে নুর হোসেন নারায়ণগঞ্জে তার সন্ত্রাসী বাহিনীর সঙ্গে যোগাযোগ, চাঁদাবাজি, টেন্ডারবাজিসহ নানা অপরাধের কার্যক্রম নিয়ন্ত্রণ করতেন বলেও অভিযোগ। এ ঘটনায় তদন্ত কমিটি প্রাথমিকভাবে জানতে পেরেছে, কারাগারের রক্ষী ও কর্মকর্তাদের যোগসাজশে নুর হোসেন মোবাইল ফোন ব্যবহার করার সুযোগ পেয়েছে।

দুদকের এনফোর্সমেন্ট টিম জানিয়েছে, অভিযানে গিয়ে তারা প্রমাণ পেয়েছে, ভয়ঙ্কর অপরাধীসহ বিভিন্ন অপরাধী কারারক্ষী ও কর্মকর্তাদের টাকা দিয়ে অনায়াসে মোবাইল ফোন ব্যবহার করছেন। এটি রীতিমতো উদ্বেগজনক। স্ক্যানিংয়ের মাধ্যমে একটি মোবাইল ফোন উদ্ধার করা হয়েছে।

দুদক টিম অভিযোগ যাচাই ও সত্য উদ্ঘাটনে জন্য সরেজমিন কাশিমপুর কারাগারের দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তাদের সঙ্গে নিয়ে কারাগারে রান্নাঘর, ক্যান্টিন ও হাসপাতাল পরিদর্শন করেন এবং অভিযোগ সংশ্লিষ্ট বিষয়সমূহ খতিয়ে দেখেন।

দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তারা টিমকে জানান, এই খাবার সরকারি খাদ্য গুদাম থেকে সরবরাহ করা হয়। তারা এখানে শুধু রান্না করেন। তবে খাবারেরর মান আগের তুলনায় সন্তোষজনক হলেও রান্নাঘরটি বেশ অপরিষ্কার। ক্যান্টিনের খাবার কার্ডের মাধ্যমে বিতরণ করা হয় তবে কার্ডের বিপরীতে টাকা জমার সময় অতিরিক্ত টাকা নেয়ার অভিযোগ পাওয়া যায়।

দুদক টিম কারা হাসপাতাল পরিদর্শনকালে দেখতে পায়, সেখানে তাদের নিজস্ব কোন ডাক্তার এবং নার্স নেই। একজন ডাক্তার প্রেষণে কর্মরত আছেন। হাসপাতাটি উচ্চ সংক্রমণ ঝুঁকিপূর্ণ এলাকা হওয়া সত্ত্বে¡ও স্বাস্থ্যবিধি সঠিকভাবে পালন করা হচ্ছে না। এক্ষেত্রে কারাগারে রান্নাঘর পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন রাখা, খাবারের মানোন্নয়ন, প্রায় দুহাজার কারাবন্দীর জন্য পর্যাপ্ত ডাক্তার নার্সসহ সব আধুনিক চিকিৎসা সুবিধাসহ আলাদা ৫০-১০০ শয্যার হাসপাতাল নির্মাণ এবং কারাগারে কয়েদিদের মোবাইল ফোন সরবরাহে বিষয়ে দায়ীদের বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা গ্রহণের সুপারিশসহ বিস্তারিত প্রতিবেদন দাখিল করবে এনফর্সমেন্ট।