ভোট না দেয়ায় ৪০ দিনের ১০ শ্রমিককে বাদ

রংপুরের বদরগঞ্জ উপজেলার কালুপাড়া ইউপি চেয়ারম্যান শহিদুল হক মানিককে ভোট না দেয়ার অপরাধে ৪০ দিনের কর্মসৃজন কর্মসূচির ১০ জন শ্রমিককে কাজের তালিকা থেকে বাদ দেয়া হয়েছে।

অভিযোগে জানা যায়, কালুপাড়া ইউনিয়নের জামুবাড়ি এলাকার কুমারপাড়া ও দোলাপাড়ার ওই ১০ শ্রমিক তিন বছর ধরে ৪০ দিনের কর্মসৃজন কর্মসূচিতে কাজ করে আসছেন। কিন্তু গত ২৬ ডিসেম্বর অনুষ্ঠিত ইউপি নির্বাচনে ওইসব শ্রমিকরা মানিক চেয়ারম্যানের বিপক্ষে নির্বাচন করেন। কিন্তু মানিক আবারো চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন। আর তিনি নির্বাচিত হয়েই ৪০ দিনের কর্মসৃজন কর্মসূচির তালিকা থেকে ওই ১০ জন শ্রমিককে বাদ দেন।

অভিযোগকারীদের মধ্যে জামুবাড়ি এলাকার দোলাপাড়ার আতিয়ার রহমান নামে এক শ্রমিক বলেন, মানিক চেয়ারম্যান শুধুমাত্র তালিকা থেকেই আমাদের নাম বাদ দেননি আগামি পাঁচ বছর তিনি ইউনিয়ন পরিষদ কার্যালয়ের বারান্দাই উঠতেও আমাদের নিষেধ করেছেন। এ বিষয়ে জানতে ভারপ্রাপ্ত উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও এসিল্যান্ড রেহেনুমা তারান্নুমের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি অভিযোগ প্রাপ্তির বিষয়টি স্বীকার করে বলেন, তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে।

এদিকে উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন অফিসার বাবুল চন্দ্র রায় বলেছেন- আগের বরাদ্দের চেয়ে বর্তমান বরাদ্দ অর্ধেকে নেমে এসেছে। একারণে তালিকাভুক্ত পুরনো শ্রমিকদের অর্ধেকই বাদ পড়ছেন। তাই নাম বাদ পড়াকে বড় করে দেখা ঠিক হবে না। কিন্তু অনৈতিকভাবে কারো নাম তালিকাভুক্ত করা ও বাদ দেয়ার বিষয়টি অবশ্যই তদন্ত করে দেখা হবে। অপরদিকে কালুপাড়া ইউপি চেয়ারম্যান শহিদুল হক মানিকের ব্যবহৃত সেলেফোনে(০১৭১৩-৭০৭৬৯৬) বার বার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোনকল রিসিভ করেননি। এ কারণে তার মন্তব্য পাওয়া যায়নি।

শুক্রবার, ১৪ জানুয়ারী ২০২২ , ৩০ পৌষ ১৪২৮ ১০ জমাদিউস সানি ১৪৪৩

ভোট না দেয়ায় ৪০ দিনের ১০ শ্রমিককে বাদ

প্রতিনিধি, বদরগঞ্জ (রংপুর)

রংপুরের বদরগঞ্জ উপজেলার কালুপাড়া ইউপি চেয়ারম্যান শহিদুল হক মানিককে ভোট না দেয়ার অপরাধে ৪০ দিনের কর্মসৃজন কর্মসূচির ১০ জন শ্রমিককে কাজের তালিকা থেকে বাদ দেয়া হয়েছে।

অভিযোগে জানা যায়, কালুপাড়া ইউনিয়নের জামুবাড়ি এলাকার কুমারপাড়া ও দোলাপাড়ার ওই ১০ শ্রমিক তিন বছর ধরে ৪০ দিনের কর্মসৃজন কর্মসূচিতে কাজ করে আসছেন। কিন্তু গত ২৬ ডিসেম্বর অনুষ্ঠিত ইউপি নির্বাচনে ওইসব শ্রমিকরা মানিক চেয়ারম্যানের বিপক্ষে নির্বাচন করেন। কিন্তু মানিক আবারো চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন। আর তিনি নির্বাচিত হয়েই ৪০ দিনের কর্মসৃজন কর্মসূচির তালিকা থেকে ওই ১০ জন শ্রমিককে বাদ দেন।

অভিযোগকারীদের মধ্যে জামুবাড়ি এলাকার দোলাপাড়ার আতিয়ার রহমান নামে এক শ্রমিক বলেন, মানিক চেয়ারম্যান শুধুমাত্র তালিকা থেকেই আমাদের নাম বাদ দেননি আগামি পাঁচ বছর তিনি ইউনিয়ন পরিষদ কার্যালয়ের বারান্দাই উঠতেও আমাদের নিষেধ করেছেন। এ বিষয়ে জানতে ভারপ্রাপ্ত উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও এসিল্যান্ড রেহেনুমা তারান্নুমের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি অভিযোগ প্রাপ্তির বিষয়টি স্বীকার করে বলেন, তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে।

এদিকে উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন অফিসার বাবুল চন্দ্র রায় বলেছেন- আগের বরাদ্দের চেয়ে বর্তমান বরাদ্দ অর্ধেকে নেমে এসেছে। একারণে তালিকাভুক্ত পুরনো শ্রমিকদের অর্ধেকই বাদ পড়ছেন। তাই নাম বাদ পড়াকে বড় করে দেখা ঠিক হবে না। কিন্তু অনৈতিকভাবে কারো নাম তালিকাভুক্ত করা ও বাদ দেয়ার বিষয়টি অবশ্যই তদন্ত করে দেখা হবে। অপরদিকে কালুপাড়া ইউপি চেয়ারম্যান শহিদুল হক মানিকের ব্যবহৃত সেলেফোনে(০১৭১৩-৭০৭৬৯৬) বার বার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোনকল রিসিভ করেননি। এ কারণে তার মন্তব্য পাওয়া যায়নি।