‘অভিযান-১০ লঞ্চে মুনাফার লোভে প্রাণহানি ঘটেছে’

অভিযান-১০ লঞ্চের মালিক ও কর্মকর্তা কর্মচারীর চরম অব্যবস্থাপনা ও অতিরিক্ত মুনাফার লোভে এত লোকের প্রাণহানির ঘটনা ঘটেছে বলে দাবি করেছে নদী পথে যাত্রী নিরাপত্তা নিয়ে কাজ করা নোঙর বাংলাদেশ নামে একটি সংগঠন। গত বুধবার দুপুরে ঝালকাঠি প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলনে এ দাবি করা হয়। যাত্রী নিরাপত্তা ও জাতীয় নৌ নিরাপত্তা দিবসসহ ১৬ দফা দাবি জানিয়ে তারা এ সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করে।

সংবাদ সম্মেলনে অভিযান-১০ লঞ্চে অগ্নিকান্ডের ঘটনা তদন্তে নোঙর বাংলাদেশের গঠিত তদন্ত কমিটির আহ্বায়ক সুমন সামস দাবি করেন, বরগুনাগামী অভিযান-১০ লঞ্চে আগুনের ঘটনায় নোঙরের তদন্ত দল গত দুইদিন ধরে পুড়ে যাওয়া লঞ্চ, অগ্নিদগ্ধ মানুষ, মৃতের পরিবারের সঙ্গে কথা বলেছেন। সংগঠনটি অগ্নিকান্ডের ঘটনায় লঞ্চের মালিক ও কর্মকর্তা কর্মচারীর চরম অব্যবস্থাপনা ও অতিরিক্ত মুনাফার লোভে এত লোকের প্রাণহানির ঘটনা ঘটেছে বলে দাবি করেন। এর দায়ভার নৌ কর্তৃপক্ষ কোনভাবে এড়াতে পারেন না। এ ঘটনায় জড়িত সকলকে বিচারের আওতায় আনারও দাবি করা হয় সংবাদ সম্মেলনে। চূড়ান্ত তদন্ত প্রতিবেদন প্রকাশ করতে আরও ৭ দিনের মতো সময় লাগবে বলে জানান তদন্ত কমিটির আহ্বায়ক। সংবাদ সম্মেলনে অগ্নিকান্ডের দিনটিকে ২৩ মে জাতীয় নৌ নিরাপত্তা দিবস ঘোষণার দাবিসহ ১৬ দফা দাবি উপস্থাপন করা হয়। এ সময় তদন্ত কমিটির সদস্য সচিব মিহির বিশ্বাস ও সদস্য সোহাগ মহাজনসহ নোঙর বাংলাদেশের সদস্য ও সাংবাদিকরা উপস্থিত ছিলেন।

শুক্রবার, ১৪ জানুয়ারী ২০২২ , ৩০ পৌষ ১৪২৮ ১০ জমাদিউস সানি ১৪৪৩

‘অভিযান-১০ লঞ্চে মুনাফার লোভে প্রাণহানি ঘটেছে’

জেলা বার্তা পরিবেশক, ঝালকাঠি

অভিযান-১০ লঞ্চের মালিক ও কর্মকর্তা কর্মচারীর চরম অব্যবস্থাপনা ও অতিরিক্ত মুনাফার লোভে এত লোকের প্রাণহানির ঘটনা ঘটেছে বলে দাবি করেছে নদী পথে যাত্রী নিরাপত্তা নিয়ে কাজ করা নোঙর বাংলাদেশ নামে একটি সংগঠন। গত বুধবার দুপুরে ঝালকাঠি প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলনে এ দাবি করা হয়। যাত্রী নিরাপত্তা ও জাতীয় নৌ নিরাপত্তা দিবসসহ ১৬ দফা দাবি জানিয়ে তারা এ সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করে।

সংবাদ সম্মেলনে অভিযান-১০ লঞ্চে অগ্নিকান্ডের ঘটনা তদন্তে নোঙর বাংলাদেশের গঠিত তদন্ত কমিটির আহ্বায়ক সুমন সামস দাবি করেন, বরগুনাগামী অভিযান-১০ লঞ্চে আগুনের ঘটনায় নোঙরের তদন্ত দল গত দুইদিন ধরে পুড়ে যাওয়া লঞ্চ, অগ্নিদগ্ধ মানুষ, মৃতের পরিবারের সঙ্গে কথা বলেছেন। সংগঠনটি অগ্নিকান্ডের ঘটনায় লঞ্চের মালিক ও কর্মকর্তা কর্মচারীর চরম অব্যবস্থাপনা ও অতিরিক্ত মুনাফার লোভে এত লোকের প্রাণহানির ঘটনা ঘটেছে বলে দাবি করেন। এর দায়ভার নৌ কর্তৃপক্ষ কোনভাবে এড়াতে পারেন না। এ ঘটনায় জড়িত সকলকে বিচারের আওতায় আনারও দাবি করা হয় সংবাদ সম্মেলনে। চূড়ান্ত তদন্ত প্রতিবেদন প্রকাশ করতে আরও ৭ দিনের মতো সময় লাগবে বলে জানান তদন্ত কমিটির আহ্বায়ক। সংবাদ সম্মেলনে অগ্নিকান্ডের দিনটিকে ২৩ মে জাতীয় নৌ নিরাপত্তা দিবস ঘোষণার দাবিসহ ১৬ দফা দাবি উপস্থাপন করা হয়। এ সময় তদন্ত কমিটির সদস্য সচিব মিহির বিশ্বাস ও সদস্য সোহাগ মহাজনসহ নোঙর বাংলাদেশের সদস্য ও সাংবাদিকরা উপস্থিত ছিলেন।