৪৬ বছরেও চেয়ারম্যান হতে পারেননি কোনো আ’লীগ নেতা

যশোরের কেশবপুর সদর ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে দীর্ঘ ৪৬ বছরেও জিততে পারেননি কোনো আওয়ামী লীগ নেতা। পঞ্চম ধাপে গত ৫ জানুয়ারি অনুষ্ঠিত নির্বাচনে ওই ইউপির ২নং ওয়ার্ডের (নতুনমূলগ্রাম) কেন্দ্রে গোলযোগের কারণে ভোটগ্রহণ স্থগিত হয়ে যায়। এ কেন্দ্রে কবে ভোট গ্রহণ হবে তার দিনক্ষণ এখনও ঠিক হয়নি। সর্বশেষ বেসরকারি ফলাফলে নৌকা প্রতিক ৪৫৮ ভোটে এগিয়ে থাকায় আওয়ামী লীগ প্রার্থীর বিজয়ের সম্ভাবনা দেখা দিয়েছে। কিন্তু ভোট স্থগিতের ১০ দিন অতিবাহিত হতে চললেও নৌকাকে বিজয়ী করতে উপজেলা আওয়ামী লীগের শীর্ষ নেতারা মাঠে না নামায় তৃণমূলের নেতাকর্মীদের মাঝে ক্ষোভ বিরাজ করছে।

এ ইউনিয়নে চেয়ারম্যান পদে প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন গৌতম রায় (নৌকা), বিদ্রোহী প্রার্থী জাহাঙ্গীর হোসেন (আনারস), বিএনপির স্বতন্ত্র প্রার্থী বর্তমান চেয়ারম্যান আলাউদ্দীনসহ ৪ জন। গত ৫ জানুয়ারী অনুষ্ঠিত নির্বাচনে এ ইউপি‘র ২নং ওয়ার্ডে কেন্দ্রে গোলযোগের কারণে ভোট গ্রহণ স্থগিত হয়ে যায়। কেশবপুর ইউপির ২নং ওয়ার্ডের মোট ভোটার সংখ্যা ২১১৯ জন। এ কেন্দ্রে কবে ভোট গ্রহণ হবে তার দিনক্ষন এখনও নির্ধারণ হয়নি। আওয়ামী লীগ প্রার্থী গৌতম রায় ৯টি ভোট কেন্দ্রে বিএনপি সমর্থিত প্রার্থী আলাউদ্দীনের চেয়ে ৪৫৮ ভোট বেশি পেয়ে এগিয়ে রয়েছেন। স্থগিত কেন্দ্রে অনুষ্ঠিত নির্বাচনে যদি গৌতম রায় ৮শ ভোট পেয়ে যান, তাহলে তিনিই হবেন ওই ইউনিয়নের সর্বপ্রথম আওয়ামী লীগের চেয়ারম্যান।

নতুন মূলগ্রামের প্রবীণ আওয়ামী লীগ নেতা সোলাইমান বলেন, তাদের ইউনিয়নে গত ৪৬ বছর ধরে মুসলিম লীগ, বিএনপি-জামায়াত সমর্থিত প্রার্থীরা চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়ে আসছেন। একবারই মাত্র আওয়ামী লীগের পক্ষে সাবেক এমএনএ সুবোধ মিত্র চেয়ারম্যান নির্বাচিত হলেও পাকিস্তানপন্থীরা তাকে টিকতে দেয়নি।

এ ব্যাপারে উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক গাজী গোলাম মোস্তফা বলেন, সদর ইউনিয়নে আওয়ামী লীগের প্রার্থীর বিজয় হওয়ার সম্ভাবনা বেশি। কিন্তু উপজেলা ও সদর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের নেতারা মাঠে নেই। তারা গঠনতন্ত্র না মেনে ইউনিয়ন কমিটি ভেঙে দিচ্ছে। বিশেষ করে সভাপতি এসএম রুহুল আমীন গঠনতন্ত্র মানেন না। তিনি কোন সভা না করে একক ক্ষমতায় আমাকে সাময়িক বরখাস্ত করেছেন; যা জেলা বা কেন্দ্রীয় কমিটির অনুমোদন নেই।

শনিবার, ১৫ জানুয়ারী ২০২২ , ০১ মাঘ ১৪২৮ ১১ জমাদিউস সানি ১৪৪৩

কেশবপুর সদর ইউপি

৪৬ বছরেও চেয়ারম্যান হতে পারেননি কোনো আ’লীগ নেতা

যশোরের কেশবপুর সদর ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে দীর্ঘ ৪৬ বছরেও জিততে পারেননি কোনো আওয়ামী লীগ নেতা। পঞ্চম ধাপে গত ৫ জানুয়ারি অনুষ্ঠিত নির্বাচনে ওই ইউপির ২নং ওয়ার্ডের (নতুনমূলগ্রাম) কেন্দ্রে গোলযোগের কারণে ভোটগ্রহণ স্থগিত হয়ে যায়। এ কেন্দ্রে কবে ভোট গ্রহণ হবে তার দিনক্ষণ এখনও ঠিক হয়নি। সর্বশেষ বেসরকারি ফলাফলে নৌকা প্রতিক ৪৫৮ ভোটে এগিয়ে থাকায় আওয়ামী লীগ প্রার্থীর বিজয়ের সম্ভাবনা দেখা দিয়েছে। কিন্তু ভোট স্থগিতের ১০ দিন অতিবাহিত হতে চললেও নৌকাকে বিজয়ী করতে উপজেলা আওয়ামী লীগের শীর্ষ নেতারা মাঠে না নামায় তৃণমূলের নেতাকর্মীদের মাঝে ক্ষোভ বিরাজ করছে।

এ ইউনিয়নে চেয়ারম্যান পদে প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন গৌতম রায় (নৌকা), বিদ্রোহী প্রার্থী জাহাঙ্গীর হোসেন (আনারস), বিএনপির স্বতন্ত্র প্রার্থী বর্তমান চেয়ারম্যান আলাউদ্দীনসহ ৪ জন। গত ৫ জানুয়ারী অনুষ্ঠিত নির্বাচনে এ ইউপি‘র ২নং ওয়ার্ডে কেন্দ্রে গোলযোগের কারণে ভোট গ্রহণ স্থগিত হয়ে যায়। কেশবপুর ইউপির ২নং ওয়ার্ডের মোট ভোটার সংখ্যা ২১১৯ জন। এ কেন্দ্রে কবে ভোট গ্রহণ হবে তার দিনক্ষন এখনও নির্ধারণ হয়নি। আওয়ামী লীগ প্রার্থী গৌতম রায় ৯টি ভোট কেন্দ্রে বিএনপি সমর্থিত প্রার্থী আলাউদ্দীনের চেয়ে ৪৫৮ ভোট বেশি পেয়ে এগিয়ে রয়েছেন। স্থগিত কেন্দ্রে অনুষ্ঠিত নির্বাচনে যদি গৌতম রায় ৮শ ভোট পেয়ে যান, তাহলে তিনিই হবেন ওই ইউনিয়নের সর্বপ্রথম আওয়ামী লীগের চেয়ারম্যান।

নতুন মূলগ্রামের প্রবীণ আওয়ামী লীগ নেতা সোলাইমান বলেন, তাদের ইউনিয়নে গত ৪৬ বছর ধরে মুসলিম লীগ, বিএনপি-জামায়াত সমর্থিত প্রার্থীরা চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়ে আসছেন। একবারই মাত্র আওয়ামী লীগের পক্ষে সাবেক এমএনএ সুবোধ মিত্র চেয়ারম্যান নির্বাচিত হলেও পাকিস্তানপন্থীরা তাকে টিকতে দেয়নি।

এ ব্যাপারে উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক গাজী গোলাম মোস্তফা বলেন, সদর ইউনিয়নে আওয়ামী লীগের প্রার্থীর বিজয় হওয়ার সম্ভাবনা বেশি। কিন্তু উপজেলা ও সদর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের নেতারা মাঠে নেই। তারা গঠনতন্ত্র না মেনে ইউনিয়ন কমিটি ভেঙে দিচ্ছে। বিশেষ করে সভাপতি এসএম রুহুল আমীন গঠনতন্ত্র মানেন না। তিনি কোন সভা না করে একক ক্ষমতায় আমাকে সাময়িক বরখাস্ত করেছেন; যা জেলা বা কেন্দ্রীয় কমিটির অনুমোদন নেই।