সভা-সমাবেশের তারিখ পুননির্ধারণে সিদ্ধান্ত বিএনপির

করোনাভাইরাসের নতুন ধরন ওমিক্রন বেড়ে যাওয়ায় আগামী ২২ জানুয়ারি পর্যন্ত দলের সভা-সমাবেশের তারিখ পুনর্নির্ধারণের সিদ্ধান্ত নিয়েছে বিএনপি। গতকাল সকালে রাজধানীর গুলশানে দলটির চেয়ারপারসনের কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে এই সিদ্ধান্তের কথা জানিয়ে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য নজরুল ইসলাম খান বলেন, আমরা বিএনপি ও অঙ্গ দলসমূহের সব কেন্দ্রীয়, মহানগর ও জেলার নেতাদের সভা-সমাবেশের পরবর্তী তারিখ জানিয়ে দেয়া হবে।

সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে নজরুল ইসলাম খান বলেন, করোনা বেড়ে যাওয়ায় মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের নতুন করে আরোপ করা বিধিনিষেধকে সরকারের রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত, অগণতান্ত্রিক ও দমনমূলক। যে বিধিনিষেধ আরোপ করা হয়েছে সেই বিধিনিষেধ অযৌক্তিক ও অকার্যকর। তারপরও জনস্বার্থ ও প্রাসঙ্গিক বিষয়টি বিবেচনা করে দলের চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার মুক্তি ও বিদেশে চিকিৎসার দাবিতে আমাদের এই সমাবেশগুলোর তারিখ পুনর্নির্ধারণ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছি।

তিনি বলেন, স্বাস্থ্যবিধি মেনে যেখানে ইউনিয়ন পরিষদ থেকে সিটি করপোরেশনের নির্বাচন হতে পারে, হাট-বাজার, যানবাহন, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলা রাখা যাবে, দোকানপাট, শপিংমল খোলা রাখা যাবে, সারা দেশে মেলার আয়োজন করা যাবে এবং মুজিববর্ষ পালনের কর্মসূচি দীর্ঘায়িত করা যাবে, সেখানে উন্মুক্ত স্থানে স্বাস্থ্যবিধি মেনে শান্তিপূর্ণ সামাজিক, ধর্মীয় ও রাজনৈতিক অনুষ্ঠান নিষিদ্ধ করার কোন যুক্তিসংগত কারণ থাকতে পারে না। এর মূল উদ্দেশ হলো বিএনপির আন্দোলনের যে কর্মসূচি চলছিল, সেটাকে বাধাগ্রস্ত করা। গণতান্ত্রিক অধিকার হরণের যেসব কাজ আছে, সেসবই করছে এই সরকার। অগণতান্ত্রিক সরকারের পক্ষে এটাই স্বাভাবিক।

সংবাদ সম্মেলনে আরও উপস্থিত ছিলেন, স্থায়ী কমিটির সদস্য আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী, সেলিমা রহমান ও ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু প্রমুখ।

শনিবার, ১৫ জানুয়ারী ২০২২ , ০১ মাঘ ১৪২৮ ১১ জমাদিউস সানি ১৪৪৩

সভা-সমাবেশের তারিখ পুননির্ধারণে সিদ্ধান্ত বিএনপির

করোনাভাইরাসের নতুন ধরন ওমিক্রন বেড়ে যাওয়ায় আগামী ২২ জানুয়ারি পর্যন্ত দলের সভা-সমাবেশের তারিখ পুনর্নির্ধারণের সিদ্ধান্ত নিয়েছে বিএনপি। গতকাল সকালে রাজধানীর গুলশানে দলটির চেয়ারপারসনের কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে এই সিদ্ধান্তের কথা জানিয়ে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য নজরুল ইসলাম খান বলেন, আমরা বিএনপি ও অঙ্গ দলসমূহের সব কেন্দ্রীয়, মহানগর ও জেলার নেতাদের সভা-সমাবেশের পরবর্তী তারিখ জানিয়ে দেয়া হবে।

সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে নজরুল ইসলাম খান বলেন, করোনা বেড়ে যাওয়ায় মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের নতুন করে আরোপ করা বিধিনিষেধকে সরকারের রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত, অগণতান্ত্রিক ও দমনমূলক। যে বিধিনিষেধ আরোপ করা হয়েছে সেই বিধিনিষেধ অযৌক্তিক ও অকার্যকর। তারপরও জনস্বার্থ ও প্রাসঙ্গিক বিষয়টি বিবেচনা করে দলের চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার মুক্তি ও বিদেশে চিকিৎসার দাবিতে আমাদের এই সমাবেশগুলোর তারিখ পুনর্নির্ধারণ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছি।

তিনি বলেন, স্বাস্থ্যবিধি মেনে যেখানে ইউনিয়ন পরিষদ থেকে সিটি করপোরেশনের নির্বাচন হতে পারে, হাট-বাজার, যানবাহন, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলা রাখা যাবে, দোকানপাট, শপিংমল খোলা রাখা যাবে, সারা দেশে মেলার আয়োজন করা যাবে এবং মুজিববর্ষ পালনের কর্মসূচি দীর্ঘায়িত করা যাবে, সেখানে উন্মুক্ত স্থানে স্বাস্থ্যবিধি মেনে শান্তিপূর্ণ সামাজিক, ধর্মীয় ও রাজনৈতিক অনুষ্ঠান নিষিদ্ধ করার কোন যুক্তিসংগত কারণ থাকতে পারে না। এর মূল উদ্দেশ হলো বিএনপির আন্দোলনের যে কর্মসূচি চলছিল, সেটাকে বাধাগ্রস্ত করা। গণতান্ত্রিক অধিকার হরণের যেসব কাজ আছে, সেসবই করছে এই সরকার। অগণতান্ত্রিক সরকারের পক্ষে এটাই স্বাভাবিক।

সংবাদ সম্মেলনে আরও উপস্থিত ছিলেন, স্থায়ী কমিটির সদস্য আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী, সেলিমা রহমান ও ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু প্রমুখ।