দেশ থেকে পালিয়ে ভারতে যাওয়া মানুষের সংখ্যা বাড়তে থাকে

একাত্তরের ২৬ মার্চের পর প্রতিটি দিন অতিক্রান্ত হয় আর বাড়তে থাকে পাকিস্তান বাহিনীর বিরুদ্ধে মুক্তিযোদ্ধাদের প্রতিরোধ-হামলা।

একাত্তরের এ দিনে চট্টগ্রামের চকবাজার এলাকায় মুক্তিবাহিনীর সঙ্গে পাকিস্তানি সেনাদের যুদ্ধ হয়। যুদ্ধে দুটি দলের নেতৃত্ব দেন ক্যাপ্টেন হারুন আহমদ চৌধুরী (পরে বীর উত্তম ও মেজর জেনারেল) এবং লেফটেন্যান্ট শমসের মবিন চৌধুরী (পরে বীর বিক্রম ও লেফটেন্যান্ট কর্নেল, পররাষ্ট্র সচিব)। পাকিস্তানিরা ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়। মুক্তিযোদ্ধারা যখন প্রায় জয়ের পথে, পাকিস্তানিরা তখন ট্যাংক ব্যবহার করে। আক্রমণের মুখে মুক্তিযোদ্ধারা পিছু হটেন। যুদ্ধে পাঁচজন মুক্তিযোদ্ধা শহীদ হন।

মুক্তিবাহিনী ও পাকিস্তানি সেনাদের মধ্যে প্রচ- যুদ্ধ হয় সিলেটের করিমগঞ্জ সীমান্তেও। একপর্যায়ে পাকিস্তানি সেনারা পিছু হটে। আরেকটি প্রতিরোধযুদ্ধ হয় রাজশাহী শহরে।

এদিন চট্টগ্রাম শহরের নিয়ন্ত্রণ পাকিস্তান সেনাবাহিনীর হাতে থাকলেও কক্সবাজারসহ জেলার বহু এলাকা বাঙালি সেনা ও মুক্তিযোদ্ধারা দখলে রাখতে সক্ষম হয়। রংপুর, সৈয়দপুর ও দিনাজপুর শহর বাদে বৃহত্তর উত্তরবঙ্গও মুক্তিযোদ্ধাদের নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠিত হয়। পূর্ব পাকিস্তানের

সামরিক আইন প্রশাসক লেফটেন্যান্ট জেনারেল টিক্কা খানের সঙ্গে ঢাকায় পাকিস্তানের সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রী হামিদুল হক চৌধুরী, জামায়াতে ইসলামীর প্রাদেশিক প্রধান গোলাম আযম, পীর মোহসেনউদ্দিন আহমদ (দুদু মিয়া) এবং আইনজীবী এটি সাদী সাক্ষাৎ করেন। তারা পাকিস্তানের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে ভারতের হস্তক্ষেপের নিন্দা জানান এবং সশস্ত্র অনুপ্রবেশকারীদের দমনে সামরিক বাহিনীকে সব ধরনের সহযোগিতার আশ্বাস দেন।

পরে এক বিবৃতিতে হামিদুল হক চৌধুরী বলেন, পূর্ব পাকিস্তানকে পাকিস্তান থেকে বিচ্ছিন্ন করতে চায় বলে ভারতীয় বেতার মানুষ হত্যা ও জনপদ ধ্বংসের ভিত্তিহীন প্রচারণা চালাচ্ছে। ভারত এ উদ্দেশ্যে বিচ্ছিন্নতাবাদীদের সমর্থনও দিচ্ছে।

জামায়াতে ইসলামীর আমির মাওলানা আবুল আলা মওদুদি লাহোরে এক বিবৃতিতে বলেন, পূর্ব পাকিস্তান বিচ্ছিন্ন হয়ে গেলে সেখানকার মানুষ তাদের স্বাধীনতা হারাবে। আন্দোলন ধ্বংস করার জন্য দেশের সশস্ত্রবাহিনীকে পূর্ণ সমর্থন দিতে সবার প্রতি তিনি আহ্বান জানান।

পূর্ব পাকিস্তানের পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে সোভিয়েত প্রেসিডেন্ট নিকোলাই পদগর্নির চিঠির জবাবে পাকিস্তানের প্রেসিডেন্ট জেনারেল ইয়াহিয়া খান বলেছেন, অভ্যন্তরীণ বিষয়ে পাকিস্তান কারও হস্তক্ষেপ সহ্য করবে না। আওয়ামী লীগ দেশকে ধ্বংস করার কোন ম্যান্ডেট পায়নি। তিনি পূর্ব পাকিস্তানের প্রতিনিধিত্বমূলক নেতাদের সঙ্গে আলাপ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।

পাকসেনারা এ দিন অতর্কিতে চাঁদপুরের পুরানবাজারে বিমান থেকে বোমাবর্ষণ করে। এটাই ছিল চাঁদপুরে পাকবাহিনীর প্রথম বিমান আক্রমণ। এ হামলায় কোন প্রাণহানী ঘটেনি।

পাকিস্তানী সৈন্যরা সিলেট শহরতলীর কলাপাড়ায় এক গণ-নিধনযজ্ঞ পরিচালনা করে। ২৫ জন নিরীহ বাঙালি মৃত্যুবরণ করেন। বেঙ্গল রেজিমেন্ট সদস্য ও ভাঙ্গার লোকজনসহ সুবেদার এ.কে.এম. ফরিদউদ্দিন আহমদ পাঁচদোনার শীলমন্দি নামক গ্রামে প্রতিরোধ গড়ে তোলেন।

অন্যদিকে পাকিস্তান সেনারা ডেমরায় একত্র হয়ে মুক্তিবাহিনীর উপর আক্রমণের জন্য প্রস্তুতি নেয়।

এ দিন পাকিস্তান সেনারা সৈয়দপুর সোনিবাস থেকে দিনাজপুরের দিকে অগ্রসর হলে মুক্তিযোদ্ধাদের হামলার মুখে পড়েন। দুই-তিন ঘণ্টা স্থায়ী এ যুদ্ধে পাকসেনারা ব্যাপক ক্ষয়-ক্ষতি স্বীকার করে সেনানিবাসে ফিরে যায়।

সন্ধ্যা ৬-৭টার দিকে মুক্তিযোদ্ধারা রাজশাহী শহর আক্রমণ করে। পাকিস্তান সেনারা প্রবল গোলাবর্ষণ ও স্বয়ংক্রিয় অস্ত্রের গুলিবর্ষণের মুখে অদম্য সাহসী মুক্তিযোদ্ধারা সম্মুখে অগ্রসর হয় এবং শত্রুর ব্যুহ ভেদ করে শহরে ঢুকে। প্রায় চার ঘণ্টা লড়াইয়ের পর রাজশাহী শত্রু মুক্ত হয় এবং মুক্তিযোদ্ধারা রাজশাহীর চতুর্দিকে প্রতিরক্ষা ব্যুহ গড়ে তোলে। এ যুদ্ধ মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসে ‘রাজশাহী যুদ্ধ’ নামে খ্যাত।

একাত্তরের এই দিনে পূর্বাঞ্চলে (বাংলাদেশ) অস্ত্রবিরতির জন্য পাকিস্তান সরকারকে চাপ দিতে যুক্তরাজ্যের পার্লামেন্টের নিম্নকক্ষ হাউস অব কমন্সে একটি প্রস্তাব উত্থাপন করা হয়। প্রস্তাবে দেশটির ১৮০ জনের বেশি সাংসদের স্বাক্ষর ছিল। এ প্রস্তাবের বিষয়ে দেশটির পররাষ্ট্রমন্ত্রী স্যার অ্যালেক ডগলাস হোম বলেন, ব্রিটিশ সরকার পাকিস্তানের অভ্যন্তরীণ ব্যাপারে হস্তক্ষেপ করবে না। তার এ বক্তব্য সাংসদেরা মেনে নেন। কিন্তু তারা উদ্বিগ্ন যে আর কালক্ষেপণ না করে সমস্যার শান্তিপূর্ণ সমাধানের জন্য ব্রিটিশ সরকারের পক্ষ থেকে পাকিস্তানের ওপর চাপ সৃষ্টি করা উচিত।

এদিকে যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তরের মুখপাত্র এদিন পূর্ব পাকিস্তানের (বাংলাদেশ) পরিস্থিতির নিয়ে এক বিবৃতিতে বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের অস্ত্র এ-জাতীয় পরিস্থিতিতে ব্যবহৃত হলে স্বভাবতই তারা উদ্বিগ্ন হবেন।

আরও খবর
যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আশাব্যঞ্জক আলোচনা হয়েছে : পররাষ্ট্রমন্ত্রী
পানি উন্নয়ন বোর্ডকে মিলিটারি কায়দায় কাজ করতে বললেন প্রধানমন্ত্রী
ফ্রিল্যান্সিংয়ে বদলে যাওয়া জীবন
মহাসড়কে পণ্যবাহী গাড়ি থামানো যাবে না
রংপুরের তারাগঞ্জে পুলিশ প্রটেকশনে বিধবার জমি দখলের চেষ্টা
নিরাপত্তাকর্মী-পরিচ্ছন্নতাকর্মীর ছদ্মবেশে ডাকাত চক্র
উত্তীর্ণ ৭৯ হাজার ৩৩৭ জন, এগিয়ে মেয়েরা
সবার সেরা খুলনার মীম
৬ বছরেও তামাককর কাঠামো বাস্তবায়ন হয়নি, সহজ লভ্যতায় হুমকিতে জনস্বাস্থ্য
সুনামগঞ্জে আরও ২ স্থানে বাঁধ ভেঙে ফসলহানি, ঝুঁকিপূর্ণ বেশ কয়েকটি
হাওরের বাঁধ কি ফসল রক্ষায় কাজে আসছে
অনলাইনে জন্মসনদ

বুধবার, ০৬ এপ্রিল ২০২২ , ২৩ চৈত্র ১৪২৮ ০৪ রমাদ্বান ১৪৪৩

৬ এপ্রিল ১৯৭১

দেশ থেকে পালিয়ে ভারতে যাওয়া মানুষের সংখ্যা বাড়তে থাকে

নিজস্ব বার্তা পরিবেশক

একাত্তরের ২৬ মার্চের পর প্রতিটি দিন অতিক্রান্ত হয় আর বাড়তে থাকে পাকিস্তান বাহিনীর বিরুদ্ধে মুক্তিযোদ্ধাদের প্রতিরোধ-হামলা।

একাত্তরের এ দিনে চট্টগ্রামের চকবাজার এলাকায় মুক্তিবাহিনীর সঙ্গে পাকিস্তানি সেনাদের যুদ্ধ হয়। যুদ্ধে দুটি দলের নেতৃত্ব দেন ক্যাপ্টেন হারুন আহমদ চৌধুরী (পরে বীর উত্তম ও মেজর জেনারেল) এবং লেফটেন্যান্ট শমসের মবিন চৌধুরী (পরে বীর বিক্রম ও লেফটেন্যান্ট কর্নেল, পররাষ্ট্র সচিব)। পাকিস্তানিরা ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়। মুক্তিযোদ্ধারা যখন প্রায় জয়ের পথে, পাকিস্তানিরা তখন ট্যাংক ব্যবহার করে। আক্রমণের মুখে মুক্তিযোদ্ধারা পিছু হটেন। যুদ্ধে পাঁচজন মুক্তিযোদ্ধা শহীদ হন।

মুক্তিবাহিনী ও পাকিস্তানি সেনাদের মধ্যে প্রচ- যুদ্ধ হয় সিলেটের করিমগঞ্জ সীমান্তেও। একপর্যায়ে পাকিস্তানি সেনারা পিছু হটে। আরেকটি প্রতিরোধযুদ্ধ হয় রাজশাহী শহরে।

এদিন চট্টগ্রাম শহরের নিয়ন্ত্রণ পাকিস্তান সেনাবাহিনীর হাতে থাকলেও কক্সবাজারসহ জেলার বহু এলাকা বাঙালি সেনা ও মুক্তিযোদ্ধারা দখলে রাখতে সক্ষম হয়। রংপুর, সৈয়দপুর ও দিনাজপুর শহর বাদে বৃহত্তর উত্তরবঙ্গও মুক্তিযোদ্ধাদের নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠিত হয়। পূর্ব পাকিস্তানের

সামরিক আইন প্রশাসক লেফটেন্যান্ট জেনারেল টিক্কা খানের সঙ্গে ঢাকায় পাকিস্তানের সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রী হামিদুল হক চৌধুরী, জামায়াতে ইসলামীর প্রাদেশিক প্রধান গোলাম আযম, পীর মোহসেনউদ্দিন আহমদ (দুদু মিয়া) এবং আইনজীবী এটি সাদী সাক্ষাৎ করেন। তারা পাকিস্তানের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে ভারতের হস্তক্ষেপের নিন্দা জানান এবং সশস্ত্র অনুপ্রবেশকারীদের দমনে সামরিক বাহিনীকে সব ধরনের সহযোগিতার আশ্বাস দেন।

পরে এক বিবৃতিতে হামিদুল হক চৌধুরী বলেন, পূর্ব পাকিস্তানকে পাকিস্তান থেকে বিচ্ছিন্ন করতে চায় বলে ভারতীয় বেতার মানুষ হত্যা ও জনপদ ধ্বংসের ভিত্তিহীন প্রচারণা চালাচ্ছে। ভারত এ উদ্দেশ্যে বিচ্ছিন্নতাবাদীদের সমর্থনও দিচ্ছে।

জামায়াতে ইসলামীর আমির মাওলানা আবুল আলা মওদুদি লাহোরে এক বিবৃতিতে বলেন, পূর্ব পাকিস্তান বিচ্ছিন্ন হয়ে গেলে সেখানকার মানুষ তাদের স্বাধীনতা হারাবে। আন্দোলন ধ্বংস করার জন্য দেশের সশস্ত্রবাহিনীকে পূর্ণ সমর্থন দিতে সবার প্রতি তিনি আহ্বান জানান।

পূর্ব পাকিস্তানের পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে সোভিয়েত প্রেসিডেন্ট নিকোলাই পদগর্নির চিঠির জবাবে পাকিস্তানের প্রেসিডেন্ট জেনারেল ইয়াহিয়া খান বলেছেন, অভ্যন্তরীণ বিষয়ে পাকিস্তান কারও হস্তক্ষেপ সহ্য করবে না। আওয়ামী লীগ দেশকে ধ্বংস করার কোন ম্যান্ডেট পায়নি। তিনি পূর্ব পাকিস্তানের প্রতিনিধিত্বমূলক নেতাদের সঙ্গে আলাপ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।

পাকসেনারা এ দিন অতর্কিতে চাঁদপুরের পুরানবাজারে বিমান থেকে বোমাবর্ষণ করে। এটাই ছিল চাঁদপুরে পাকবাহিনীর প্রথম বিমান আক্রমণ। এ হামলায় কোন প্রাণহানী ঘটেনি।

পাকিস্তানী সৈন্যরা সিলেট শহরতলীর কলাপাড়ায় এক গণ-নিধনযজ্ঞ পরিচালনা করে। ২৫ জন নিরীহ বাঙালি মৃত্যুবরণ করেন। বেঙ্গল রেজিমেন্ট সদস্য ও ভাঙ্গার লোকজনসহ সুবেদার এ.কে.এম. ফরিদউদ্দিন আহমদ পাঁচদোনার শীলমন্দি নামক গ্রামে প্রতিরোধ গড়ে তোলেন।

অন্যদিকে পাকিস্তান সেনারা ডেমরায় একত্র হয়ে মুক্তিবাহিনীর উপর আক্রমণের জন্য প্রস্তুতি নেয়।

এ দিন পাকিস্তান সেনারা সৈয়দপুর সোনিবাস থেকে দিনাজপুরের দিকে অগ্রসর হলে মুক্তিযোদ্ধাদের হামলার মুখে পড়েন। দুই-তিন ঘণ্টা স্থায়ী এ যুদ্ধে পাকসেনারা ব্যাপক ক্ষয়-ক্ষতি স্বীকার করে সেনানিবাসে ফিরে যায়।

সন্ধ্যা ৬-৭টার দিকে মুক্তিযোদ্ধারা রাজশাহী শহর আক্রমণ করে। পাকিস্তান সেনারা প্রবল গোলাবর্ষণ ও স্বয়ংক্রিয় অস্ত্রের গুলিবর্ষণের মুখে অদম্য সাহসী মুক্তিযোদ্ধারা সম্মুখে অগ্রসর হয় এবং শত্রুর ব্যুহ ভেদ করে শহরে ঢুকে। প্রায় চার ঘণ্টা লড়াইয়ের পর রাজশাহী শত্রু মুক্ত হয় এবং মুক্তিযোদ্ধারা রাজশাহীর চতুর্দিকে প্রতিরক্ষা ব্যুহ গড়ে তোলে। এ যুদ্ধ মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসে ‘রাজশাহী যুদ্ধ’ নামে খ্যাত।

একাত্তরের এই দিনে পূর্বাঞ্চলে (বাংলাদেশ) অস্ত্রবিরতির জন্য পাকিস্তান সরকারকে চাপ দিতে যুক্তরাজ্যের পার্লামেন্টের নিম্নকক্ষ হাউস অব কমন্সে একটি প্রস্তাব উত্থাপন করা হয়। প্রস্তাবে দেশটির ১৮০ জনের বেশি সাংসদের স্বাক্ষর ছিল। এ প্রস্তাবের বিষয়ে দেশটির পররাষ্ট্রমন্ত্রী স্যার অ্যালেক ডগলাস হোম বলেন, ব্রিটিশ সরকার পাকিস্তানের অভ্যন্তরীণ ব্যাপারে হস্তক্ষেপ করবে না। তার এ বক্তব্য সাংসদেরা মেনে নেন। কিন্তু তারা উদ্বিগ্ন যে আর কালক্ষেপণ না করে সমস্যার শান্তিপূর্ণ সমাধানের জন্য ব্রিটিশ সরকারের পক্ষ থেকে পাকিস্তানের ওপর চাপ সৃষ্টি করা উচিত।

এদিকে যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তরের মুখপাত্র এদিন পূর্ব পাকিস্তানের (বাংলাদেশ) পরিস্থিতির নিয়ে এক বিবৃতিতে বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের অস্ত্র এ-জাতীয় পরিস্থিতিতে ব্যবহৃত হলে স্বভাবতই তারা উদ্বিগ্ন হবেন।