ফ্রিল্যান্সিংয়ে বদলে যাওয়া জীবন

নূর তাজ কেয়া, সবার কাছে গৃহবধূ হিসেবে পরিচিত হলেও অনলাইন জগতে তার আরেক পরিচয় একজন সফল ফ্রিল্যান্সার। পড়াশোনা শেষ করেছেন রংপুরের কারমাইকেল কলেজ থেকে। চাকরির প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন। কিন্তু করোনাভাইরাসের হানায় সেই প্রস্তুতিতে ভাটা পড়ে। সেই সময় অনেক বন্ধু-বান্ধবের দেখাদেখি তিনিও অনলাইনে কিছু একটা করার আশায় প্রশিক্ষণ নেন। বাসায় বসে কাজ করা যায় বিধায় তার পরিবারও এ কাজে উৎসাহিত করে। তিনি এখন এলাকায় আলোচিত এবং স্বাবলম্বী।

কেয়া রংপুরের পীরগঞ্জ উপজেলার চৈত্রকোল ইউনিয়নের বাসিন্দা। গ্রামের স্বল্প আয়ের পরিবারে বেড়ে ওঠা তরুণদের ফ্রিল্যান্সিং পেশায় দক্ষ করে বেকার সমস্যা ঘোচানোর পথ দেখাতে তার আগ্রহের কমতি নেই। করোনাকালীন গুগল ও ইউটিউবসহ বিভিন্ন সাইট ঘেঁটে ফ্রিল্যান্সিংয়ের বিষয়ে ধারণা নেন তিনি। পরে সরকারের লার্নিং অ্যান্ড আর্নিং ডেভেলপমেন্ট প্রজেক্ট (এলইডিপি) থেকে প্রশিক্ষণ নেন।

তার কথা ‘ফ্রিল্যান্সিং করে স্বামী সন্তান নিয়ে ভালো আছি। আমি মাসে ৫০০ থেকে ৬০০ ডলার পর্যন্ত আয় করি। সরকারের এলইডিপি থেকে পাওয়া প্রশিক্ষণ আমাকে দক্ষ করে তুলেছে।’

যশোরের চুড়িপট্টির শেখ আবু ওবায়দা। ২০১৮ সালের মাঝামাঝি সময়ে তার ফ্রিল্যাসিংয়ে কাজ শুরু। সরকারের এলইডিপি থেকে প্রশিক্ষণ নিয়ে একজন সফল ফ্রিল্যান্সার হিসেবে প্রতিষ্ঠা পেয়েছেন। তিনি মূলত ‘গ্রাফিক্স ডিজাইন’ নিয়ে কাজ করেন। অনলাইনের পাশাপাশি অফলাইনেও কাজ করেন তিনি।

‘২০১৬ সালে যখন এসএসসি পরীক্ষা শেষ করি তখন থেকেই আমার চিন্তা ছিল যে আমি আইটির ওপর কিছু করবো। কিন্তু পড়াশুনার চাপ এবং পর্যাপ্ত সময়ের অভাবে তা সম্ভব হয়ে ওঠেনি। পরবর্তীতে ২০১৮ সালে এইচএসসি পরীক্ষা শেষ করে নিজে কিছু করার উদ্যোম থেকে ফ্রিল্যান্সিং পেশায় আসা’ বলেন আবু ওবায়দা।

‘ফ্রিল্যান্সার ডট কম-এর মাধ্যমে ১০ ডলার আয় দিয়ে আমার শুরু। এটা খুবই সামান্য হলেও আমার মনে প্রবল উৎসাহ সৃষ্টি করে। আমার মা একটি কথা বলতেন ‘কখনো একবারে গাছের মগডালে উঠতে যেও না আস্তে আস্তে উপরে ওঠো’। তার কথামতো আমি প্রথম ছোট ছোট কাজ দিয়ে শুরু করি।’

তিনি বলেন, ‘২০২০ সালের মাঝামাঝি যখন করোনার জন্য সবকিছু বন্ধ, তখন বাড়িতে বসে ফেইসবুকে একটা পোস্ট দেখতে পাই। সেখানে বার্তা ছিল সরকারের পক্ষ থেকে লার্নিং অ্যান্ড আর্নিং ডেভেলপমেন্ট (এলইডিপি) প্রজেক্টের মাধ্যমে ফ্রিল্যান্সিংসহ গ্রাফিক্সের ওপর ‘এক্সপার্টলেভেলের’ কাজ শিখানো হবে। সেই সঙ্গে ফ্রিলান্সারদের পরিচিতি লাভের জন্য আইডি কার্ডসহ সরকারি সার্টিফিকেটও দেয়া হবে। আর ক্লাস হবে জুম অ্যাপের মাধ্যমে।’

ওবায়দা জানান, ‘ফ্রিলান্সার ডট কম তথা অনলাইন মার্কেট থেকে আমি এখন আয় করছি। এছাড়া লোকাল মার্কেট থেকেও অন্যান্য গ্রাফিক্সের কাজ করে মোটামুটি ভালো অ্যামাউন্ট ইনকাম করেছি। এই লোকাল মার্কেটে এ কাজ করার সঙ্গে সঙ্গে ঢাকার কয়েকটি আইটি কোম্পানির অনেকগুলো প্রজেক্ট শেষ করেছি।’

তিনি ফ্রিল্যান্সিংয়ের পাশাপাশি স্থানীয়ভাবে গ্রাফিক্স ডিজাইন নিয়েও কাজ করছেন। যশোরের আইটি কোম্পানি, ফাস্ট টেক আইটির সঙ্গে এখন যুক্ত আছেন। তিনি বলেন, ‘শুধু আমি একা নই যশোরে দুইশ’র বেশি ছাত্র ফ্রিল্যান্সিং করে নিজেরা স্বাবলম্বী।’

তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (আইসিটি) বিভাগের পৃষ্ঠপোষকতায় লার্নিং অ্যান্ড আর্নিং ডেভেলপমেন্ট প্রজেক্ট (এলইডিপি) যুবক-যুবতীদের ফ্রিল্যান্সিংয়ের মাধ্যমে আত্ম-উপার্জনশীল হিসেবে গড়ে তোলার মাধ্যমে দেশের বেকারত্ব হ্রাসে ব্যাপক অবদান রাখছে বলে বলছেন কর্মকর্তারা।

তথ্যপ্রযুক্তি খাতে দক্ষ মানবসম্পদ গড়ে তুলতে ২০১৪ সালে যাত্রা শুরু করে সরকারের এই প্রকল্প।

প্রকল্প পরিচালক (পিডি) মো. হুমায়ুন কবীর বলেন, মূলত ৫৩ হাজার ফ্রিল্যান্সারকে প্রফেশনাল ফ্রিল্যান্সার হিসেবে গড়ার জন্যই প্রজেক্টটি নেয়া হয়। তাদের ৫১ হাজার জনকে ৫০ দিন ও ২ হাজার জনকে ১৫ দিনব্যাপী ট্রেনিং দেয়া হয়েছে।

এলইডিপি প্রজেক্টের প্রশিক্ষণ নেয়া ৪০ হাজার ফ্রিল্যান্সার ৪.৮ মিলিয়ন ডলার আয় করেছে বলে জানান তিনি।

তিনি বলেন, ‘প্রফেশনাল ফ্রিল্যান্সার হিসেবে যে ট্রেনিং দেয়া হয়েছে সেখানে তিনটি বিষয় আছে গ্রাফিক্স ডিজাইন, ডিজিটাল মার্কেটিং ও ওয়েব ডিজাইন।’ তিনি জানান প্রশিক্ষণ দেয়ার পর তাদের কর্মসংস্থান ‘নিশ্চিত’ করার জন্য এলইডিপি থেকে ‘সহযোগিতা’ করা হয়।

প্রকল্পটি ২০২১ সালের ডিসেম্বরে শেষ হওয়ার কথা ছিল, কিন্তু কিছু কাজ বাকি থাকায় সময় বাড়ানো হয়েছে। বর্তমানে প্রকল্পটি চলতি বছরের ডিসেম্বরে শেষ হবে বলে জানান হুমায়ুন কবীর।

আইসিটি প্রতিমন্ত্রী জুনাইল আহমেদ পলক বলেন, ‘এলইডিপি প্রকল্পে নারীদের ইচ্ছা ও সাফল্যের কাহিনী আমাদের ৫০ হাজার নারী উদ্যোক্তা তৈরির লক্ষ্য নিয়ে ‘উইমেন আইসিটি ফ্রন্টিয়ার ইনিশিয়েটিভ’ শীর্ষক একটি প্রকল্প গ্রহণে অনুপ্রেরণা যুগিয়েছে। খুব শীঘ্রই প্রকল্পটি প্ল্যানিং কমিশনের কাছে পাঠানো হবে।’

image

রংপুরের গৃহবধূ নূর তাজ কেয়া

আরও খবর
যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আশাব্যঞ্জক আলোচনা হয়েছে : পররাষ্ট্রমন্ত্রী
দেশ থেকে পালিয়ে ভারতে যাওয়া মানুষের সংখ্যা বাড়তে থাকে
পানি উন্নয়ন বোর্ডকে মিলিটারি কায়দায় কাজ করতে বললেন প্রধানমন্ত্রী
মহাসড়কে পণ্যবাহী গাড়ি থামানো যাবে না
রংপুরের তারাগঞ্জে পুলিশ প্রটেকশনে বিধবার জমি দখলের চেষ্টা
নিরাপত্তাকর্মী-পরিচ্ছন্নতাকর্মীর ছদ্মবেশে ডাকাত চক্র
উত্তীর্ণ ৭৯ হাজার ৩৩৭ জন, এগিয়ে মেয়েরা
সবার সেরা খুলনার মীম
৬ বছরেও তামাককর কাঠামো বাস্তবায়ন হয়নি, সহজ লভ্যতায় হুমকিতে জনস্বাস্থ্য
সুনামগঞ্জে আরও ২ স্থানে বাঁধ ভেঙে ফসলহানি, ঝুঁকিপূর্ণ বেশ কয়েকটি
হাওরের বাঁধ কি ফসল রক্ষায় কাজে আসছে
অনলাইনে জন্মসনদ

বুধবার, ০৬ এপ্রিল ২০২২ , ২৩ চৈত্র ১৪২৮ ০৪ রমাদ্বান ১৪৪৩

ফ্রিল্যান্সিংয়ে বদলে যাওয়া জীবন

শাফিউল ইমরান

image

রংপুরের গৃহবধূ নূর তাজ কেয়া

নূর তাজ কেয়া, সবার কাছে গৃহবধূ হিসেবে পরিচিত হলেও অনলাইন জগতে তার আরেক পরিচয় একজন সফল ফ্রিল্যান্সার। পড়াশোনা শেষ করেছেন রংপুরের কারমাইকেল কলেজ থেকে। চাকরির প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন। কিন্তু করোনাভাইরাসের হানায় সেই প্রস্তুতিতে ভাটা পড়ে। সেই সময় অনেক বন্ধু-বান্ধবের দেখাদেখি তিনিও অনলাইনে কিছু একটা করার আশায় প্রশিক্ষণ নেন। বাসায় বসে কাজ করা যায় বিধায় তার পরিবারও এ কাজে উৎসাহিত করে। তিনি এখন এলাকায় আলোচিত এবং স্বাবলম্বী।

কেয়া রংপুরের পীরগঞ্জ উপজেলার চৈত্রকোল ইউনিয়নের বাসিন্দা। গ্রামের স্বল্প আয়ের পরিবারে বেড়ে ওঠা তরুণদের ফ্রিল্যান্সিং পেশায় দক্ষ করে বেকার সমস্যা ঘোচানোর পথ দেখাতে তার আগ্রহের কমতি নেই। করোনাকালীন গুগল ও ইউটিউবসহ বিভিন্ন সাইট ঘেঁটে ফ্রিল্যান্সিংয়ের বিষয়ে ধারণা নেন তিনি। পরে সরকারের লার্নিং অ্যান্ড আর্নিং ডেভেলপমেন্ট প্রজেক্ট (এলইডিপি) থেকে প্রশিক্ষণ নেন।

তার কথা ‘ফ্রিল্যান্সিং করে স্বামী সন্তান নিয়ে ভালো আছি। আমি মাসে ৫০০ থেকে ৬০০ ডলার পর্যন্ত আয় করি। সরকারের এলইডিপি থেকে পাওয়া প্রশিক্ষণ আমাকে দক্ষ করে তুলেছে।’

যশোরের চুড়িপট্টির শেখ আবু ওবায়দা। ২০১৮ সালের মাঝামাঝি সময়ে তার ফ্রিল্যাসিংয়ে কাজ শুরু। সরকারের এলইডিপি থেকে প্রশিক্ষণ নিয়ে একজন সফল ফ্রিল্যান্সার হিসেবে প্রতিষ্ঠা পেয়েছেন। তিনি মূলত ‘গ্রাফিক্স ডিজাইন’ নিয়ে কাজ করেন। অনলাইনের পাশাপাশি অফলাইনেও কাজ করেন তিনি।

‘২০১৬ সালে যখন এসএসসি পরীক্ষা শেষ করি তখন থেকেই আমার চিন্তা ছিল যে আমি আইটির ওপর কিছু করবো। কিন্তু পড়াশুনার চাপ এবং পর্যাপ্ত সময়ের অভাবে তা সম্ভব হয়ে ওঠেনি। পরবর্তীতে ২০১৮ সালে এইচএসসি পরীক্ষা শেষ করে নিজে কিছু করার উদ্যোম থেকে ফ্রিল্যান্সিং পেশায় আসা’ বলেন আবু ওবায়দা।

‘ফ্রিল্যান্সার ডট কম-এর মাধ্যমে ১০ ডলার আয় দিয়ে আমার শুরু। এটা খুবই সামান্য হলেও আমার মনে প্রবল উৎসাহ সৃষ্টি করে। আমার মা একটি কথা বলতেন ‘কখনো একবারে গাছের মগডালে উঠতে যেও না আস্তে আস্তে উপরে ওঠো’। তার কথামতো আমি প্রথম ছোট ছোট কাজ দিয়ে শুরু করি।’

তিনি বলেন, ‘২০২০ সালের মাঝামাঝি যখন করোনার জন্য সবকিছু বন্ধ, তখন বাড়িতে বসে ফেইসবুকে একটা পোস্ট দেখতে পাই। সেখানে বার্তা ছিল সরকারের পক্ষ থেকে লার্নিং অ্যান্ড আর্নিং ডেভেলপমেন্ট (এলইডিপি) প্রজেক্টের মাধ্যমে ফ্রিল্যান্সিংসহ গ্রাফিক্সের ওপর ‘এক্সপার্টলেভেলের’ কাজ শিখানো হবে। সেই সঙ্গে ফ্রিলান্সারদের পরিচিতি লাভের জন্য আইডি কার্ডসহ সরকারি সার্টিফিকেটও দেয়া হবে। আর ক্লাস হবে জুম অ্যাপের মাধ্যমে।’

ওবায়দা জানান, ‘ফ্রিলান্সার ডট কম তথা অনলাইন মার্কেট থেকে আমি এখন আয় করছি। এছাড়া লোকাল মার্কেট থেকেও অন্যান্য গ্রাফিক্সের কাজ করে মোটামুটি ভালো অ্যামাউন্ট ইনকাম করেছি। এই লোকাল মার্কেটে এ কাজ করার সঙ্গে সঙ্গে ঢাকার কয়েকটি আইটি কোম্পানির অনেকগুলো প্রজেক্ট শেষ করেছি।’

তিনি ফ্রিল্যান্সিংয়ের পাশাপাশি স্থানীয়ভাবে গ্রাফিক্স ডিজাইন নিয়েও কাজ করছেন। যশোরের আইটি কোম্পানি, ফাস্ট টেক আইটির সঙ্গে এখন যুক্ত আছেন। তিনি বলেন, ‘শুধু আমি একা নই যশোরে দুইশ’র বেশি ছাত্র ফ্রিল্যান্সিং করে নিজেরা স্বাবলম্বী।’

তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (আইসিটি) বিভাগের পৃষ্ঠপোষকতায় লার্নিং অ্যান্ড আর্নিং ডেভেলপমেন্ট প্রজেক্ট (এলইডিপি) যুবক-যুবতীদের ফ্রিল্যান্সিংয়ের মাধ্যমে আত্ম-উপার্জনশীল হিসেবে গড়ে তোলার মাধ্যমে দেশের বেকারত্ব হ্রাসে ব্যাপক অবদান রাখছে বলে বলছেন কর্মকর্তারা।

তথ্যপ্রযুক্তি খাতে দক্ষ মানবসম্পদ গড়ে তুলতে ২০১৪ সালে যাত্রা শুরু করে সরকারের এই প্রকল্প।

প্রকল্প পরিচালক (পিডি) মো. হুমায়ুন কবীর বলেন, মূলত ৫৩ হাজার ফ্রিল্যান্সারকে প্রফেশনাল ফ্রিল্যান্সার হিসেবে গড়ার জন্যই প্রজেক্টটি নেয়া হয়। তাদের ৫১ হাজার জনকে ৫০ দিন ও ২ হাজার জনকে ১৫ দিনব্যাপী ট্রেনিং দেয়া হয়েছে।

এলইডিপি প্রজেক্টের প্রশিক্ষণ নেয়া ৪০ হাজার ফ্রিল্যান্সার ৪.৮ মিলিয়ন ডলার আয় করেছে বলে জানান তিনি।

তিনি বলেন, ‘প্রফেশনাল ফ্রিল্যান্সার হিসেবে যে ট্রেনিং দেয়া হয়েছে সেখানে তিনটি বিষয় আছে গ্রাফিক্স ডিজাইন, ডিজিটাল মার্কেটিং ও ওয়েব ডিজাইন।’ তিনি জানান প্রশিক্ষণ দেয়ার পর তাদের কর্মসংস্থান ‘নিশ্চিত’ করার জন্য এলইডিপি থেকে ‘সহযোগিতা’ করা হয়।

প্রকল্পটি ২০২১ সালের ডিসেম্বরে শেষ হওয়ার কথা ছিল, কিন্তু কিছু কাজ বাকি থাকায় সময় বাড়ানো হয়েছে। বর্তমানে প্রকল্পটি চলতি বছরের ডিসেম্বরে শেষ হবে বলে জানান হুমায়ুন কবীর।

আইসিটি প্রতিমন্ত্রী জুনাইল আহমেদ পলক বলেন, ‘এলইডিপি প্রকল্পে নারীদের ইচ্ছা ও সাফল্যের কাহিনী আমাদের ৫০ হাজার নারী উদ্যোক্তা তৈরির লক্ষ্য নিয়ে ‘উইমেন আইসিটি ফ্রন্টিয়ার ইনিশিয়েটিভ’ শীর্ষক একটি প্রকল্প গ্রহণে অনুপ্রেরণা যুগিয়েছে। খুব শীঘ্রই প্রকল্পটি প্ল্যানিং কমিশনের কাছে পাঠানো হবে।’