শেয়ারবাজারে লেনদেন আরও তলানিতে

আগের কার্যদিবসের মতো গতকালও পতন হয়েছে শেয়ারবাজারে। এদিন শেয়ারবাজারের সব সূচক কমেছে। সূচকের সঙ্গে অধিকাংশ সিকিউরিটিজের দর এবং টাকার পরিমাণে লেনদেনও কমেছে। প্রধান শেয়ারবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) লেনদেন কমে আরও তলানিতে নেমেছে।

ডিএসইতে গতকাল টাকার পরিমাণে লেনদেন হয়েছে ৪৯০ কোটি ৫০ লাখ টাকার শেয়ার ও ইউনিট যা আগের দিন থেকে ৮৫ কোটি ৩৩ লাখ টাকা কম। আগের দিন লেনদেন হয়েছিল ৫৭৫ কোটি ৮৩ লাখ টাকার। গতকাল ডিএসইর প্রধান সূচক ডিএসইএক্স ৩১.৮১ পয়েন্ট বা ০.৪৭ শতাংশ কমে দাঁড়িয়েছে ৬ হাজার ৬৬২.৪৮ পয়েন্টে। ডিএসইর অন্য সূচকগুলোর মধ্যে শরিয়াহ সূচক ৪.৫৫ পয়েন্ট বা ০.৩১ শতাংশ এবং ডিএসই-৩০ সূচক ৫.৫৮ পয়েন্ট বা ০.২২ শতাংশ কমে দাঁড়িয়েছে যথাক্রমে এক হাজার ৪৫৬.২২ পয়েন্টে এবং দুই হাজার ৪৫৯.০৩ পয়েন্টে।

ডিএসইতে গতকাল ৩৭৫টি প্রতিষ্ঠানের শেয়ার ও ইউনিট লেনদেন হয়েছে। এসব প্রতিষ্ঠানের মধ্যে ৪৪টির বা ১১.৭৩ শতাংশের শেয়ার ও ইউনিট দর বেড়েছে। দর কমেছে ২৯৩টির বা ৭৮.১৩ শতাংশের এবং ৩৮টি বা ১০.১৪ শতাংশ প্রতিষ্ঠানের শেয়ার ও ইউনিট দর অপরিবর্তিত রয়েছে।

অন্য শেয়ারবাজার চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জের (সিএসই) সার্বিক সূচক সিএএসপিআই এদিন ৭৯.৩৬ পয়েন্ট বা ০.৪০ শতাংশ কমে দাঁড়িয়েছে ১৯ হাজার ৫৬৭.০১ পয়েন্টে। এদিন সিএসইতে হাত বদল হওয়া ২৭৩টি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে শেয়ার দর বেড়েছে ৫৭টির, কমেছে ১৯৬টির এবং অপরিবর্তিত রয়েছে ২০টির দর। গতকাল সিএসইতে ২২ কোটি ৪৮ লাখ টাকার শেয়ার ও ইউনিট লেনদেন হয়েছে।

এদিকে টানা দুই দিনের হল্টেডের পরে গতকাল কারেকশন বা দর সংশোধন হয়েছে এসএমই মার্কেটের কোম্পানিগুলোর শেয়ার। এতে মূল্যসূচক কিছুটা কমেছে। তবে লেনদেনের পরিমাণ ছাড়িয়ে গেছে অতিতের সব রেকর্ডকে। ডিএসইতে গত সোমবার এসএমই মার্কেটের সূচক ১৯৬ পয়েন্ট বা ১৭.৩৩ শতাংশ ও গত মঙ্গলবার ২৪৪ পয়েন্ট বা ১৮.৩৪ শতাংশ বাড়ে। ওই দুইদিন প্রায় সবগুলো কোম্পানির শেয়ার হল্টেড হয়ে পড়ে। তবে বুধবার এই বাজারে কিছুটা কারেকশন হয়েছে। এদিন মূল্যসূচক কমেছে ৪৪ পয়েন্ট বা ২.৭৬ শতাংশ।

এদিকে সূচকের সঙ্গে সঙ্গে প্রতিনিয়ত লেনদেনের পরিমাণ বাড়ছে। এমনকি বাজার সংশোধনের দিনেও লেনদেন বেড়েছে। এতে করে গত মঙ্গলবারের ৩৩ কোটি ৮ লাখ টাকার লেনদেন বেড়ে গতকাল হয়েছে ৩৮ কোটি ২০ লাখ টাকার যা আগের সব রেকর্ডকে ছাড়িয়ে গেছে। গতকাল মূল্যসূচক কমলেও লেনদেন হওয়া ৯টি কোম্পানির মধ্যে ৫টির শেয়ার দর বেড়েছে। এদিন ওয়ান্ডারল্যান্ড টয়েজের ৪.৯২ শতাংশ, কৃষিবিদ ফিডের ৪.৪৬ শতাংশ, মামুন অ্যাগ্রোর ৩.৫৭ শতাংশ, নিয়ালকো অ্যালয়েজের ২.৭৭ শতাংশ ও মোস্তফা মেটালের ০.৪১ শতাংশ দর বেড়েছে।

অন্যদিকে অ্যাপেক্স ওয়েভিংয়ের ১১.৩৩ শতাংশ, বেঙ্গল বিস্কুটের ৫.০৭ শতাংশ, ওরিজা অ্যাগ্রোর ৩.০২ শতাংশ ও মাস্টার ফিড অ্যাগ্রোর ১.৯৪ শতাংশ দর কমেছে। বাকি হিমাদ্রির শেয়ারে সার্কিট ব্রেকারের সর্বোচ্চ সীমায় কেনার জন্য ক্রেতা থাকলেও বিক্রেতা না থাকায় দর অপরিবর্তিত রয়েছে।

বৃহস্পতিবার, ০৭ এপ্রিল ২০২২ , ২৪ চৈত্র ১৪২৮ ০৫ রমাদ্বান ১৪৪৩

শেয়ারবাজারে লেনদেন আরও তলানিতে

অর্থনৈতিক বার্তা পরিবেশক

আগের কার্যদিবসের মতো গতকালও পতন হয়েছে শেয়ারবাজারে। এদিন শেয়ারবাজারের সব সূচক কমেছে। সূচকের সঙ্গে অধিকাংশ সিকিউরিটিজের দর এবং টাকার পরিমাণে লেনদেনও কমেছে। প্রধান শেয়ারবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) লেনদেন কমে আরও তলানিতে নেমেছে।

ডিএসইতে গতকাল টাকার পরিমাণে লেনদেন হয়েছে ৪৯০ কোটি ৫০ লাখ টাকার শেয়ার ও ইউনিট যা আগের দিন থেকে ৮৫ কোটি ৩৩ লাখ টাকা কম। আগের দিন লেনদেন হয়েছিল ৫৭৫ কোটি ৮৩ লাখ টাকার। গতকাল ডিএসইর প্রধান সূচক ডিএসইএক্স ৩১.৮১ পয়েন্ট বা ০.৪৭ শতাংশ কমে দাঁড়িয়েছে ৬ হাজার ৬৬২.৪৮ পয়েন্টে। ডিএসইর অন্য সূচকগুলোর মধ্যে শরিয়াহ সূচক ৪.৫৫ পয়েন্ট বা ০.৩১ শতাংশ এবং ডিএসই-৩০ সূচক ৫.৫৮ পয়েন্ট বা ০.২২ শতাংশ কমে দাঁড়িয়েছে যথাক্রমে এক হাজার ৪৫৬.২২ পয়েন্টে এবং দুই হাজার ৪৫৯.০৩ পয়েন্টে।

ডিএসইতে গতকাল ৩৭৫টি প্রতিষ্ঠানের শেয়ার ও ইউনিট লেনদেন হয়েছে। এসব প্রতিষ্ঠানের মধ্যে ৪৪টির বা ১১.৭৩ শতাংশের শেয়ার ও ইউনিট দর বেড়েছে। দর কমেছে ২৯৩টির বা ৭৮.১৩ শতাংশের এবং ৩৮টি বা ১০.১৪ শতাংশ প্রতিষ্ঠানের শেয়ার ও ইউনিট দর অপরিবর্তিত রয়েছে।

অন্য শেয়ারবাজার চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জের (সিএসই) সার্বিক সূচক সিএএসপিআই এদিন ৭৯.৩৬ পয়েন্ট বা ০.৪০ শতাংশ কমে দাঁড়িয়েছে ১৯ হাজার ৫৬৭.০১ পয়েন্টে। এদিন সিএসইতে হাত বদল হওয়া ২৭৩টি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে শেয়ার দর বেড়েছে ৫৭টির, কমেছে ১৯৬টির এবং অপরিবর্তিত রয়েছে ২০টির দর। গতকাল সিএসইতে ২২ কোটি ৪৮ লাখ টাকার শেয়ার ও ইউনিট লেনদেন হয়েছে।

এদিকে টানা দুই দিনের হল্টেডের পরে গতকাল কারেকশন বা দর সংশোধন হয়েছে এসএমই মার্কেটের কোম্পানিগুলোর শেয়ার। এতে মূল্যসূচক কিছুটা কমেছে। তবে লেনদেনের পরিমাণ ছাড়িয়ে গেছে অতিতের সব রেকর্ডকে। ডিএসইতে গত সোমবার এসএমই মার্কেটের সূচক ১৯৬ পয়েন্ট বা ১৭.৩৩ শতাংশ ও গত মঙ্গলবার ২৪৪ পয়েন্ট বা ১৮.৩৪ শতাংশ বাড়ে। ওই দুইদিন প্রায় সবগুলো কোম্পানির শেয়ার হল্টেড হয়ে পড়ে। তবে বুধবার এই বাজারে কিছুটা কারেকশন হয়েছে। এদিন মূল্যসূচক কমেছে ৪৪ পয়েন্ট বা ২.৭৬ শতাংশ।

এদিকে সূচকের সঙ্গে সঙ্গে প্রতিনিয়ত লেনদেনের পরিমাণ বাড়ছে। এমনকি বাজার সংশোধনের দিনেও লেনদেন বেড়েছে। এতে করে গত মঙ্গলবারের ৩৩ কোটি ৮ লাখ টাকার লেনদেন বেড়ে গতকাল হয়েছে ৩৮ কোটি ২০ লাখ টাকার যা আগের সব রেকর্ডকে ছাড়িয়ে গেছে। গতকাল মূল্যসূচক কমলেও লেনদেন হওয়া ৯টি কোম্পানির মধ্যে ৫টির শেয়ার দর বেড়েছে। এদিন ওয়ান্ডারল্যান্ড টয়েজের ৪.৯২ শতাংশ, কৃষিবিদ ফিডের ৪.৪৬ শতাংশ, মামুন অ্যাগ্রোর ৩.৫৭ শতাংশ, নিয়ালকো অ্যালয়েজের ২.৭৭ শতাংশ ও মোস্তফা মেটালের ০.৪১ শতাংশ দর বেড়েছে।

অন্যদিকে অ্যাপেক্স ওয়েভিংয়ের ১১.৩৩ শতাংশ, বেঙ্গল বিস্কুটের ৫.০৭ শতাংশ, ওরিজা অ্যাগ্রোর ৩.০২ শতাংশ ও মাস্টার ফিড অ্যাগ্রোর ১.৯৪ শতাংশ দর কমেছে। বাকি হিমাদ্রির শেয়ারে সার্কিট ব্রেকারের সর্বোচ্চ সীমায় কেনার জন্য ক্রেতা থাকলেও বিক্রেতা না থাকায় দর অপরিবর্তিত রয়েছে।