সার্টিফিকেট তুলতে ভোগান্তি

বর্তমান তথ্যপ্রযুক্তির যুগেও আধুনিকতার ছোঁয়া লাগেনি কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের (কুবি) পরীক্ষা নিয়ন্ত্রকের দফতরে। স্নাতক কিংবা স্নাতকোত্তর সম্পন্ন করে গতানুগতিক পদ্ধতিতে সনদ ও নম্বরপত্র উত্তোলন করতে গিয়ে নানাভাবে ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন শিক্ষার্থীরা। অফিসিয়ালভাবে পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশের পর সার্টিফিকেট কিংবা নম্বরপত্র প্রাপ্তির ক্ষেত্রে টাকা জমা দেয়ার তারতম্য অনুসারে জরুরি এবং সাধারণ দুইটি সময় দেওয়া হয়। সনদ ও নম্বরপত্র উত্তোলনে আবেদন করার সাধারণ সময় ১৫ দিন এবং জরুরি হলে ৭ কার্যদিবসের মধ্যে তা প্রদান করা হয়। তাছাড়া বর্তমান সময়ে ডিজিটাল পদ্ধতিতে কাজের অগ্রগতি আগের তুলনায় একধাপ এগিয়ে থাকাটাই স্বাভাবিক হওয়ার কথা।

কিন্তু দুঃখের বিষয় হলো কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের এই প্রক্রিয়টির অবস্থা বাস্তবতার ঠিক বিপরীত। সেখানে সার্টিফিকেট উত্তোলনে নানামুখী জটিলতার অন্ত নেই। এদিকে সাধারণ শিক্ষার্থীদের সার্টিফিকেট পেতেই ১৫ দিনের নামে ৪ বা ৫ মাসের অধিক সময় ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে। শিক্ষার্থীরা পরীক্ষা নিয়ন্ত্রকের দপ্তর থেকে পর্যাপ্ত সহযোগিতা পাচ্ছেন না। পাশাপাশি সার্টিফিকেট উত্তোলনে আবেদনের পর অযৌক্তিভাবে সময়ক্ষেপণ করা হচ্ছে।

একাডেমিক কাগজপত্র উত্তোলন করতে গিয়ে শিক্ষার্থীদের রেজিস্ট্রার ভবন, আবাসিক হল ও ব্যাংকে বেশ কয়েকবার দৌড়-ঝাপ করতে হয়। যা নিয়মিত ভোগান্তি ছাড়া আর কিছুই নয়। কর্মচারীর স্বল্পতা, টেকনিক্যাল কিছু সীমাবদ্ধতার অজুহাতের অন্তরালে এড়িয়ে যাচ্ছে কর্তৃপক্ষ। আবার বিশেষ প্রয়োজনে জরুরিভিত্তিতে কাগজপত্র উঠাতে গুনতে হচ্ছে মাত্রাতিরিক্ত অর্থ।

এ বিড়ম্বনার বিষয়টি নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করছেন অনেকেই। প্রশাসনের নয়ছয়ের ফলে বিভিন্ন দিক থেকে হতাশাগ্রস্ত সাধারণ শিক্ষার্থীরা। তাই কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রসাশনের দৃষ্টি আর্কষণ করছি যেন এ প্রক্রিয়া আরও সহজ হয়।

তোফাজ্জল হোসেন

বুধবার, ২০ এপ্রিল ২০২২ , ০৭ বৈশাখ ১৪২৮ ১৮ রমাদ্বান ১৪৪৩

সার্টিফিকেট তুলতে ভোগান্তি

বর্তমান তথ্যপ্রযুক্তির যুগেও আধুনিকতার ছোঁয়া লাগেনি কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের (কুবি) পরীক্ষা নিয়ন্ত্রকের দফতরে। স্নাতক কিংবা স্নাতকোত্তর সম্পন্ন করে গতানুগতিক পদ্ধতিতে সনদ ও নম্বরপত্র উত্তোলন করতে গিয়ে নানাভাবে ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন শিক্ষার্থীরা। অফিসিয়ালভাবে পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশের পর সার্টিফিকেট কিংবা নম্বরপত্র প্রাপ্তির ক্ষেত্রে টাকা জমা দেয়ার তারতম্য অনুসারে জরুরি এবং সাধারণ দুইটি সময় দেওয়া হয়। সনদ ও নম্বরপত্র উত্তোলনে আবেদন করার সাধারণ সময় ১৫ দিন এবং জরুরি হলে ৭ কার্যদিবসের মধ্যে তা প্রদান করা হয়। তাছাড়া বর্তমান সময়ে ডিজিটাল পদ্ধতিতে কাজের অগ্রগতি আগের তুলনায় একধাপ এগিয়ে থাকাটাই স্বাভাবিক হওয়ার কথা।

কিন্তু দুঃখের বিষয় হলো কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের এই প্রক্রিয়টির অবস্থা বাস্তবতার ঠিক বিপরীত। সেখানে সার্টিফিকেট উত্তোলনে নানামুখী জটিলতার অন্ত নেই। এদিকে সাধারণ শিক্ষার্থীদের সার্টিফিকেট পেতেই ১৫ দিনের নামে ৪ বা ৫ মাসের অধিক সময় ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে। শিক্ষার্থীরা পরীক্ষা নিয়ন্ত্রকের দপ্তর থেকে পর্যাপ্ত সহযোগিতা পাচ্ছেন না। পাশাপাশি সার্টিফিকেট উত্তোলনে আবেদনের পর অযৌক্তিভাবে সময়ক্ষেপণ করা হচ্ছে।

একাডেমিক কাগজপত্র উত্তোলন করতে গিয়ে শিক্ষার্থীদের রেজিস্ট্রার ভবন, আবাসিক হল ও ব্যাংকে বেশ কয়েকবার দৌড়-ঝাপ করতে হয়। যা নিয়মিত ভোগান্তি ছাড়া আর কিছুই নয়। কর্মচারীর স্বল্পতা, টেকনিক্যাল কিছু সীমাবদ্ধতার অজুহাতের অন্তরালে এড়িয়ে যাচ্ছে কর্তৃপক্ষ। আবার বিশেষ প্রয়োজনে জরুরিভিত্তিতে কাগজপত্র উঠাতে গুনতে হচ্ছে মাত্রাতিরিক্ত অর্থ।

এ বিড়ম্বনার বিষয়টি নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করছেন অনেকেই। প্রশাসনের নয়ছয়ের ফলে বিভিন্ন দিক থেকে হতাশাগ্রস্ত সাধারণ শিক্ষার্থীরা। তাই কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রসাশনের দৃষ্টি আর্কষণ করছি যেন এ প্রক্রিয়া আরও সহজ হয়।

তোফাজ্জল হোসেন