মাদক নিয়ে সহিসংসতায় ইকুয়েডরের ৩ রাজ্যে জরুরি অবস্থা ঘোষণা

মাদকসংক্রান্ত সহিংসতার জেরে ইকুয়েডরের তিনটি রাজ্যে জরুরি অবস্থা ঘোষণা করেছেন দেশটির প্রেসিডেন্ট গুইলারমো লাসো। বিপুলসংখ্যক পুলিশ ও সেনা মোতায়েন করা হয়েছে এসব রাজ্যে।

গত শুক্রবার রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যমে সম্প্রচারিত এক বক্তৃতায় প্রেসিডেন্ট বলেন, ‘আমি (উপকূলীয়) প্রদেশ গুয়াস, মানাবি এবং এসমেরালদাসে জরুরি অবস্থা ঘোষণা করছি, যা মধ্যরাত থেকে কার্যকর হবে।

গত বছরের শেষে হঠাৎ করেই বেড়ে যাওয়া সহিংসতা মোকাবিলায় লাসো দ্বিতীয়বার জরুরি অবস্থা ঘোষণা করলেন। এ সহিংসতার জন্য তার সরকার মাদক পাচারকারী চক্রকে দায়ী করে যারা যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপে মাদক পাচারের জন্য দেশটিকে ট্রানজিট পয়েন্ট হিসেবে ব্যবহার করে আসছে।

দুই মাসের জরুরি অবস্থা চলাকালীন তিনটি প্রদেশে টহল দেয়ার জন্য প্রায় ৯ হাজার পুলিশ ও সৈন্য মোতায়েন করা হবে এবং নির্দিষ্ট কিছু এলাকায় স্থানীয় সময় রাত ১১টা থেকে সকাল ৫টা পর্যন্ত কারফিউ বলবৎ থাকবে বলে জানা গেছে।

এর আগে গত বছর অক্টোবরে লাসো জরুরি অবস্থা ঘোষণা করেন। কিন্তু এ ঘোষণার পর তিনি সমালোচনার মধ্যে পড়েন। পরবর্তীতে দেশটির সাংবিধানিক আদালত জরুরি অবস্থার সময় অর্ধেক করে দেয় এবং জানিয়ে দেয় যে সেনাবাহিনী শুধু পুলিশকে সহায়তা করবে।

রবিবার, ০১ মে ২০২২ , ১৮ বৈশাখ ১৪২৮ ২৯ রমাদ্বান ১৪৪৩

মাদক নিয়ে সহিসংসতায় ইকুয়েডরের ৩ রাজ্যে জরুরি অবস্থা ঘোষণা

মাদকসংক্রান্ত সহিংসতার জেরে ইকুয়েডরের তিনটি রাজ্যে জরুরি অবস্থা ঘোষণা করেছেন দেশটির প্রেসিডেন্ট গুইলারমো লাসো। বিপুলসংখ্যক পুলিশ ও সেনা মোতায়েন করা হয়েছে এসব রাজ্যে।

গত শুক্রবার রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যমে সম্প্রচারিত এক বক্তৃতায় প্রেসিডেন্ট বলেন, ‘আমি (উপকূলীয়) প্রদেশ গুয়াস, মানাবি এবং এসমেরালদাসে জরুরি অবস্থা ঘোষণা করছি, যা মধ্যরাত থেকে কার্যকর হবে।

গত বছরের শেষে হঠাৎ করেই বেড়ে যাওয়া সহিংসতা মোকাবিলায় লাসো দ্বিতীয়বার জরুরি অবস্থা ঘোষণা করলেন। এ সহিংসতার জন্য তার সরকার মাদক পাচারকারী চক্রকে দায়ী করে যারা যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপে মাদক পাচারের জন্য দেশটিকে ট্রানজিট পয়েন্ট হিসেবে ব্যবহার করে আসছে।

দুই মাসের জরুরি অবস্থা চলাকালীন তিনটি প্রদেশে টহল দেয়ার জন্য প্রায় ৯ হাজার পুলিশ ও সৈন্য মোতায়েন করা হবে এবং নির্দিষ্ট কিছু এলাকায় স্থানীয় সময় রাত ১১টা থেকে সকাল ৫টা পর্যন্ত কারফিউ বলবৎ থাকবে বলে জানা গেছে।

এর আগে গত বছর অক্টোবরে লাসো জরুরি অবস্থা ঘোষণা করেন। কিন্তু এ ঘোষণার পর তিনি সমালোচনার মধ্যে পড়েন। পরবর্তীতে দেশটির সাংবিধানিক আদালত জরুরি অবস্থার সময় অর্ধেক করে দেয় এবং জানিয়ে দেয় যে সেনাবাহিনী শুধু পুলিশকে সহায়তা করবে।