চট্টগ্রামে বাকপ্রতিবন্ধী তরুণী গণধর্ষণের শিকার

চট্টগ্রামে এবার আকবরশাহে বাকপ্রতিবন্ধী তরুণীকে ধর্ষণ করা হয়েছে। পাহাড়ের ঢালুর নিচ থেকে অচেতন অবস্থায় ওই বাকপ্রতিবন্ধী তরুণীকে (২০) উদ্ধার করেছে পুলিশ। পুলিশের ধারণা, ধর্ষণের পর ওই তরুণীকে ফেলে ধর্ষকেরা পালিয়েছে।

গতকাল বিকেল ৩টার দিকে পীর আউলিয়ার মাজারের পার্শ্ববর্তী পাহাড়ে এ ঘটনা ঘটে।

জানা গেছে, ভুক্তভোগী তরুণী কুমিল্লার দেবিদ্বারের বাসিন্দা। ঈদের ছুটিতে চট্টগ্রামে বেড়াতে এসেছেন। বিকেল ৩টার দিকে স্থানীয়রা তাকে অচেতন অবস্থায় পাহাড়ের ঢালুতে দেখতে পেয়ে পুলিশকে খবর দেয়। পরে পুলিশ এসে তাকে হাসপাতালে নিয়ে যায়।

আকবরশাহ থানার এসআই জুলহাস বলেন, অচেতন অবস্থায় ওই তরুণীকে উদ্ধার করে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। মেয়েটি বাকপ্রতিবন্ধী হওয়ায় ঘটনার কথা জানা যায়নি।

এর আগে গত শুক্রবার চুড়ি দেয়ার কথা বলে ১২ বছরের শিশুকে গণধর্ষণের অভিযেগে দুই প্রতিবেশীকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। গ্রেফতারকৃতরা হলো ফেনী সোনাগাজীর মৃত বদিউজ্জামানের ছেলে মো. জসিম (৫০) এবং রৌফাবাদ এলাকার মৃত আবদুল হালিমের ছেলে মো. সাকিল আহম্মদ মুন্না (২৯)। গত ১ মে চুড়ি দেয়ার কথা বলে প্রতিবেশী মো. জসিম ও মো. মুন্না পাশের রুমে ডেকে নিয়ে ১২ বছরের ওই শিশুকে গণধর্ষণ করে। ভয় পেয়ে ওই শিশু পরিবারের কাউকে এ ঘটনা জানায়নি।

৩ মে শিশুটি অসুস্থ হয়ে গেলে মাকে ঘটনার কথা জানায়। পরে ৫ মে শিশুটির ভাই বাদী হয়ে বায়েজিদ থানায় মামলা করলে পুলিশ অভিযান চালিয়ে দুই আসামিকে গ্রেপ্তার করে।

বায়েজিদ বোস্তামি থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) মো. খাইরুল ইসলাম তখন জানিয়েছেন, এ ঘটনায় শিশুটির ভাই থানায় মামলা করলে আমরা দুই আসামিকে গ্রেপ্তার করি। এদের মধ্যে একজনকে চান্দগাঁও এলাকা থেকে, অন্যজনকে হালিশহর থেকে গ্রেপ্তার করা হয়। বর্তমানে গণর্ধষণের শিকার শিশুটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছে।

রবিবার, ০৮ মে ২০২২ , ২৪ বৈশাখ ১৪২৮ ০৫ শাওয়াল ১৪৪৩

চট্টগ্রামে বাকপ্রতিবন্ধী তরুণী গণধর্ষণের শিকার

চট্টগ্রামে এবার আকবরশাহে বাকপ্রতিবন্ধী তরুণীকে ধর্ষণ করা হয়েছে। পাহাড়ের ঢালুর নিচ থেকে অচেতন অবস্থায় ওই বাকপ্রতিবন্ধী তরুণীকে (২০) উদ্ধার করেছে পুলিশ। পুলিশের ধারণা, ধর্ষণের পর ওই তরুণীকে ফেলে ধর্ষকেরা পালিয়েছে।

গতকাল বিকেল ৩টার দিকে পীর আউলিয়ার মাজারের পার্শ্ববর্তী পাহাড়ে এ ঘটনা ঘটে।

জানা গেছে, ভুক্তভোগী তরুণী কুমিল্লার দেবিদ্বারের বাসিন্দা। ঈদের ছুটিতে চট্টগ্রামে বেড়াতে এসেছেন। বিকেল ৩টার দিকে স্থানীয়রা তাকে অচেতন অবস্থায় পাহাড়ের ঢালুতে দেখতে পেয়ে পুলিশকে খবর দেয়। পরে পুলিশ এসে তাকে হাসপাতালে নিয়ে যায়।

আকবরশাহ থানার এসআই জুলহাস বলেন, অচেতন অবস্থায় ওই তরুণীকে উদ্ধার করে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। মেয়েটি বাকপ্রতিবন্ধী হওয়ায় ঘটনার কথা জানা যায়নি।

এর আগে গত শুক্রবার চুড়ি দেয়ার কথা বলে ১২ বছরের শিশুকে গণধর্ষণের অভিযেগে দুই প্রতিবেশীকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। গ্রেফতারকৃতরা হলো ফেনী সোনাগাজীর মৃত বদিউজ্জামানের ছেলে মো. জসিম (৫০) এবং রৌফাবাদ এলাকার মৃত আবদুল হালিমের ছেলে মো. সাকিল আহম্মদ মুন্না (২৯)। গত ১ মে চুড়ি দেয়ার কথা বলে প্রতিবেশী মো. জসিম ও মো. মুন্না পাশের রুমে ডেকে নিয়ে ১২ বছরের ওই শিশুকে গণধর্ষণ করে। ভয় পেয়ে ওই শিশু পরিবারের কাউকে এ ঘটনা জানায়নি।

৩ মে শিশুটি অসুস্থ হয়ে গেলে মাকে ঘটনার কথা জানায়। পরে ৫ মে শিশুটির ভাই বাদী হয়ে বায়েজিদ থানায় মামলা করলে পুলিশ অভিযান চালিয়ে দুই আসামিকে গ্রেপ্তার করে।

বায়েজিদ বোস্তামি থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) মো. খাইরুল ইসলাম তখন জানিয়েছেন, এ ঘটনায় শিশুটির ভাই থানায় মামলা করলে আমরা দুই আসামিকে গ্রেপ্তার করি। এদের মধ্যে একজনকে চান্দগাঁও এলাকা থেকে, অন্যজনকে হালিশহর থেকে গ্রেপ্তার করা হয়। বর্তমানে গণর্ধষণের শিকার শিশুটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছে।