বেশি দামে তেল বিক্রি, ব্যবসায়ীকে জরিমানা

সয়াবিন তেলের জন্য দোকানে দোকানে ঘুরেছে ক্রেতা, কিন্তু মেলেনি তেল। গত তিন দিন আগেও এমন চিত্র ছিল রাজধানীতে। কিন্তু দাম বাড়ানোর পর বাজারে উল্টো চিত্র। সব দোকানে তেল পাওয়া যাচ্ছে। তবে নতুন তেল নয়, আগের মজুদ করা বোতলজাত সয়াবিন বিক্রি হচ্ছে বেশি দামে। গতকাল রাজধানীর কারওয়ান বাজারের বিশেষ অভিযান চালিয়ে এমন প্রমাণ পায় জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর। এ সময় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইন লঙ্ঘনের দায়ে শাহ মিরন জেনারেল স্টোরকে জরিমানা করা হয়। অভিযান পরিচালনা করেন অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক মো. আবদুল জব্বার মন্ডল, ফাহমিনা আক্তার ও মো. মাগফুর রহমান।

এ সময় আগের কেনা বোতলজাত সয়াবিন তেল যেখানে মূল্য লেখা আছে ১৬০ টাকা। কিন্তু বর্তমান রেটে ১৯৮ টাকায় বিক্রি করছে। এ অপরাধে কিচেন মার্কেটের শাহ মিরন জেনারেল স্টোরকে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইন ২০০৯ এর ৪০ ধারার লঙ্ঘনজনিত অপরাধে ২ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। অন্য প্রতিষ্ঠানকে সতর্ক করতে প্রাথমিকভাবে কম জরিমানা করা হয়েছে। পরে এসব অপরাধ করলে বড় অঙ্কের জরিমানার পাশাপাশি মামলা ও প্রতিষ্ঠান সিলগালা করা হবে। গত বৃহস্পতিবার বিকেলে বাংলাদেশ ভেজিটেবল অয়েল রিফাইনার্স ও বনস্পতি ম্যানুফ্যাকচারার্স অ্যাসোসিয়েশন এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানিয়েছে, খোলা সয়াবিন তেল প্রতি লিটার ১৮০ টাকা, যা এতদিন ১৪০ টাকা ছিল। বোতলজাত সয়াবিন তেল প্রতি লিটার ১৬০ টাকা থেকে বাড়িয়ে ১৯৮ টাকা করা হয়েছে। ৫ লিটারের বোতলের দাম ৭৬০ টাকা থেকে নির্ধারণ করা হয়েছে ৯৮৫ টাকায়। নতুন এ দাম শনিবার থেকে কার্যকর হয়েছে। এ নিয়ে গত ৪ মাসে তৃতীয়বারের মতো ভোজ্যতেলের দাম বাড়ানো হলো।

তথ্য বিশ্লেষণে দেখা যায়, গত চার বছরে যেসব ভোগ্যপণ্যের দাম বেড়েছে তার মধ্যে অন্যতম সয়াবিন ও পাম অয়েল। ২০১৯ সালে দেশের বাজারে প্রতি লিটার বোতলজাত সয়াবিনের দাম ছিল ১০৪ টাকা। ২০২০ সালে সেটি বেড়ে হয় ১১৩ টাকা, ২০২১ সালে ১৩০ টাকা এবং ২০২২ সালের শুরুতে এসে হয় ১৬৮ থেকে ১৭০ টাকা। এখন ১৮৫ থেকে ১৯০ টাকা। পামওয়েলের লিটার (খোলা) ২০১৯ সালে ছিল ৫৮ টাকা, ২০২০ সালে লিটারে ৭৮ টাকা, ২০২১ সালে ১০৭ টাকা এবং ২০২২ সালের শুরুতে হয় ১৫০ টাকা। এখন ১৬৫ টাকা।

সোমবার, ০৯ মে ২০২২ , ২৬ বৈশাখ ১৪২৮ ০৬ শাওয়াল ১৪৪৩

বেশি দামে তেল বিক্রি, ব্যবসায়ীকে জরিমানা

সয়াবিন তেলের জন্য দোকানে দোকানে ঘুরেছে ক্রেতা, কিন্তু মেলেনি তেল। গত তিন দিন আগেও এমন চিত্র ছিল রাজধানীতে। কিন্তু দাম বাড়ানোর পর বাজারে উল্টো চিত্র। সব দোকানে তেল পাওয়া যাচ্ছে। তবে নতুন তেল নয়, আগের মজুদ করা বোতলজাত সয়াবিন বিক্রি হচ্ছে বেশি দামে। গতকাল রাজধানীর কারওয়ান বাজারের বিশেষ অভিযান চালিয়ে এমন প্রমাণ পায় জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর। এ সময় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইন লঙ্ঘনের দায়ে শাহ মিরন জেনারেল স্টোরকে জরিমানা করা হয়। অভিযান পরিচালনা করেন অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক মো. আবদুল জব্বার মন্ডল, ফাহমিনা আক্তার ও মো. মাগফুর রহমান।

এ সময় আগের কেনা বোতলজাত সয়াবিন তেল যেখানে মূল্য লেখা আছে ১৬০ টাকা। কিন্তু বর্তমান রেটে ১৯৮ টাকায় বিক্রি করছে। এ অপরাধে কিচেন মার্কেটের শাহ মিরন জেনারেল স্টোরকে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইন ২০০৯ এর ৪০ ধারার লঙ্ঘনজনিত অপরাধে ২ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। অন্য প্রতিষ্ঠানকে সতর্ক করতে প্রাথমিকভাবে কম জরিমানা করা হয়েছে। পরে এসব অপরাধ করলে বড় অঙ্কের জরিমানার পাশাপাশি মামলা ও প্রতিষ্ঠান সিলগালা করা হবে। গত বৃহস্পতিবার বিকেলে বাংলাদেশ ভেজিটেবল অয়েল রিফাইনার্স ও বনস্পতি ম্যানুফ্যাকচারার্স অ্যাসোসিয়েশন এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানিয়েছে, খোলা সয়াবিন তেল প্রতি লিটার ১৮০ টাকা, যা এতদিন ১৪০ টাকা ছিল। বোতলজাত সয়াবিন তেল প্রতি লিটার ১৬০ টাকা থেকে বাড়িয়ে ১৯৮ টাকা করা হয়েছে। ৫ লিটারের বোতলের দাম ৭৬০ টাকা থেকে নির্ধারণ করা হয়েছে ৯৮৫ টাকায়। নতুন এ দাম শনিবার থেকে কার্যকর হয়েছে। এ নিয়ে গত ৪ মাসে তৃতীয়বারের মতো ভোজ্যতেলের দাম বাড়ানো হলো।

তথ্য বিশ্লেষণে দেখা যায়, গত চার বছরে যেসব ভোগ্যপণ্যের দাম বেড়েছে তার মধ্যে অন্যতম সয়াবিন ও পাম অয়েল। ২০১৯ সালে দেশের বাজারে প্রতি লিটার বোতলজাত সয়াবিনের দাম ছিল ১০৪ টাকা। ২০২০ সালে সেটি বেড়ে হয় ১১৩ টাকা, ২০২১ সালে ১৩০ টাকা এবং ২০২২ সালের শুরুতে এসে হয় ১৬৮ থেকে ১৭০ টাকা। এখন ১৮৫ থেকে ১৯০ টাকা। পামওয়েলের লিটার (খোলা) ২০১৯ সালে ছিল ৫৮ টাকা, ২০২০ সালে লিটারে ৭৮ টাকা, ২০২১ সালে ১০৭ টাকা এবং ২০২২ সালের শুরুতে হয় ১৫০ টাকা। এখন ১৬৫ টাকা।