বকেয়া বেতন দাবিতে বড়পুকুরিয়া কয়লা খনির শ্রমিকদের বিক্ষোভ

বকেয়া বেতন-ভাতা প্রদান ও শ্রমিকদের কর্মস্থলে যোগদানের দাবিতে গত রোববার দিনাজপুরের বড়পুকুরিয়া কয়লা খনির শ্রমিকরা বিক্ষোভ সমাবেশ করেছে। শ্রমিকরা খনি কর্তৃপক্ষকে স্মারকলিপি প্রদান করে আল্টিমেটাম দিয়েছে। দাবি না মানলে পরিবার নিয়ে আমরন অনশন কর্মসূচি পালন করবে শ্রমিকরা।

বড়পুকুরিয়া কয়লা খনি শ্রমিক ইউনয়নের সভাপতি রবিউল ইসলাম জানান, এর আগে ভেতরে থাকা সাড়ে ৪শ কর্মচারীকেও তারা বের করে দিয়েছে। তাদের দাবি সকল শ্রমিককে স্ব স্ব কাজে যোগদান করাতে হবে এবং বকেয়া বেতন-ভাতা অবিলম্বে পরিশোধ করতে হবে। দাবি বাস্তবায়ন না হওয়া পর্যন্ত এই অবস্থান কর্র্র্র্র্র্র্র্র্র্র্র্র্র্র্র্র্র্মসূচি অনির্দিষ্টকালের জন্য অব্যাহত থাকবে। এদিকে এতদিন ভেতরে থাকা শ্রমিকদের অভিযোগ চীনা ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা তাদের প্রতি অমানবিক আচরন করেছে। ৮ ঘণ্টার পরিবর্তে ১০ ঘণ্টা পর্যন্ত কাজ করতে হয়েছে। এক ধরনের বন্দী জীবন-যাপন করতে হয়েছে তাদের। উল্লেখ্য, করোনাকালীন বাংলাদেশী কর্মরত ১১শ’ ৪৭ জন শ্রমিককে বাধ্যতামূলক ছুটি দেয়ার পর চলতি বছরের জানুয়ারিতে সাড়ে ৪শ’ জন শ্রমিককে কাজে নিয়ে অবশিষ্ট শ্রমিকদের বাইরে রাখে। চলতি মাসের ২ তারিখে ভিতরে থাকা সাড়ে ৪শ’ শ্রমিককেও খনি বের করে দেয়া হয়েছে।

মঙ্গলবার, ১০ মে ২০২২ , ২৭ বৈশাখ ১৪২৮ ০৭ শাওয়াল ১৪৪৩

বকেয়া বেতন দাবিতে বড়পুকুরিয়া কয়লা খনির শ্রমিকদের বিক্ষোভ

image

বকেয়া বেতন-ভাতা প্রদান ও শ্রমিকদের কর্মস্থলে যোগদানের দাবিতে গত রোববার দিনাজপুরের বড়পুকুরিয়া কয়লা খনির শ্রমিকরা বিক্ষোভ সমাবেশ করেছে। শ্রমিকরা খনি কর্তৃপক্ষকে স্মারকলিপি প্রদান করে আল্টিমেটাম দিয়েছে। দাবি না মানলে পরিবার নিয়ে আমরন অনশন কর্মসূচি পালন করবে শ্রমিকরা।

বড়পুকুরিয়া কয়লা খনি শ্রমিক ইউনয়নের সভাপতি রবিউল ইসলাম জানান, এর আগে ভেতরে থাকা সাড়ে ৪শ কর্মচারীকেও তারা বের করে দিয়েছে। তাদের দাবি সকল শ্রমিককে স্ব স্ব কাজে যোগদান করাতে হবে এবং বকেয়া বেতন-ভাতা অবিলম্বে পরিশোধ করতে হবে। দাবি বাস্তবায়ন না হওয়া পর্যন্ত এই অবস্থান কর্র্র্র্র্র্র্র্র্র্র্র্র্র্র্র্র্র্মসূচি অনির্দিষ্টকালের জন্য অব্যাহত থাকবে। এদিকে এতদিন ভেতরে থাকা শ্রমিকদের অভিযোগ চীনা ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা তাদের প্রতি অমানবিক আচরন করেছে। ৮ ঘণ্টার পরিবর্তে ১০ ঘণ্টা পর্যন্ত কাজ করতে হয়েছে। এক ধরনের বন্দী জীবন-যাপন করতে হয়েছে তাদের। উল্লেখ্য, করোনাকালীন বাংলাদেশী কর্মরত ১১শ’ ৪৭ জন শ্রমিককে বাধ্যতামূলক ছুটি দেয়ার পর চলতি বছরের জানুয়ারিতে সাড়ে ৪শ’ জন শ্রমিককে কাজে নিয়ে অবশিষ্ট শ্রমিকদের বাইরে রাখে। চলতি মাসের ২ তারিখে ভিতরে থাকা সাড়ে ৪শ’ শ্রমিককেও খনি বের করে দেয়া হয়েছে।