এপ্রিলেও রপ্তানির জন্য সুখবর

করোনার ধাক্কা সামলে বেশ ভালোভাবেই ঘুরে দাঁড়িয়েছে বাংলাদেশের রপ্তানি। আর তাতে একের পর এক রেকর্ড হচ্ছে। এপ্রিলেও সেই ধারা বজায় আছে।

এপ্রিলে ৪ দশমিক ৭৪ বিলিয়ন বা ৪৭৪ কোটি ডলারের পণ্য রপ্তানি হয়েছে, দেশীয় মুদ্রায় যা ৪০ হাজার ৯৭৭ কোটি টাকার সমান। রপ্তানি আয়ের এই হালনাগাদ পরিসংখ্যান প্রকাশ করেছে রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরো (ইপিবি)।

এপ্রিলে ৩৩৭ কোটি ডলারের রপ্তানির লক্ষ্যমাত্রা ছিল। অর্থাৎ লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে রপ্তানি আয় ৪০ দশমিক ৬৬ শতাংশ বেশি। আবার গত বছর এপ্রিলে যে পরিমাণ রপ্তানি হয়েছিল, এবার তার থেকে ৫১ শতাংশ বেশি।

এই অর্থবছরে সবচেয়ে বেশি রপ্তানি আয় এসেছে ডিসেম্বরে, ৪ দশমিক ৯০ বিলিয়ন বা ৪৯০ কোটি ডলার। জানুয়ারিতে আয় ৪৮৫ কোটি ডলার আর মার্চ মাসে রপ্তানি আয় হয়েছে ৪৭৬ কোটি ডলার।

গত ১০ মাসে পণ্য রপ্তানিতে প্রবৃদ্ধি হয়েছে ৩৫ শতাংশ। গত ১০ বছরের মধ্যে গত অর্থবছর সর্বোচ্চ ১৫ শতাংশ প্রবৃদ্ধি হয়েছিল।

জুলাই-এপ্রিল, এই ১০ মাসে রপ্তানি হয়েছে ৪ হাজার ৩৩৪ কোটি মার্কিন ডলারের পণ্য। দেশীয় মুদ্রায় যা প্রায় পৌনে ৪ লাখ কোটি টাকা। দেশের ইতিহাসে এই পরিমাণ পণ্য রপ্তানি আগে কখনও হয়নি।

এর আগে এক বছরে সর্বোচ্চ রপ্তানি হয়েছিল ২০১৮-১৯ অর্থবছরে, ৪ হাজার ৫৩ কোটি ডলার। করোনার কারণে পরের দুই বছরে রপ্তানি কমে যায়।

চলতি বছর রপ্তানি আয়ের লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে ৫১ বিলিয়ন বা পাঁচ হাজার ১০০ কোটি ডলার। এখনও চলতি অর্থবছরের দুই মাস বাকি। ফলে চলতি অর্থবছর শেষে দেশের ইতিহাসে সর্বোচ্চ পণ্য রপ্তানি হবে বলেই আশা করছেন সংশ্লিষ্টরা। রপ্তানিকারকেরা আশা করছেন, সবকিছু ঠিকঠাক থাকলে পণ্য রপ্তানি পাঁচ হাজার কোটি ডলারের মাইলফলকে পৌঁছে যাবে বছর শেষে।

এপ্রিলে পণ্য রপ্তানিতে বরাবরের মতো শীর্ষে আছে তৈরি পোশাক। চলতি অর্থবছরের প্রথম ১০ মাসে ৩ হাজার ৫৩৬ কোটি ডলারের পোশাক রপ্তানি হয়েছে। এই আয় গত বছরের একই সময়ের তুলনায় ৩৫ দশমিক ৯৮ শতাংশ বেশি। তৈরি পোশাকের পাশাপাশি হোম টেক্সটাইল, চামড়া ও চামড়াজাত পণ্য, কৃষি প্রক্রিয়াজাত এবং প্রকৌশল পণ্য রপ্তানিও ভালো হয়েছে।

মঙ্গলবার, ১০ মে ২০২২ , ২৭ বৈশাখ ১৪২৮ ০৭ শাওয়াল ১৪৪৩

এপ্রিলেও রপ্তানির জন্য সুখবর

করোনার ধাক্কা সামলে বেশ ভালোভাবেই ঘুরে দাঁড়িয়েছে বাংলাদেশের রপ্তানি। আর তাতে একের পর এক রেকর্ড হচ্ছে। এপ্রিলেও সেই ধারা বজায় আছে।

এপ্রিলে ৪ দশমিক ৭৪ বিলিয়ন বা ৪৭৪ কোটি ডলারের পণ্য রপ্তানি হয়েছে, দেশীয় মুদ্রায় যা ৪০ হাজার ৯৭৭ কোটি টাকার সমান। রপ্তানি আয়ের এই হালনাগাদ পরিসংখ্যান প্রকাশ করেছে রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরো (ইপিবি)।

এপ্রিলে ৩৩৭ কোটি ডলারের রপ্তানির লক্ষ্যমাত্রা ছিল। অর্থাৎ লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে রপ্তানি আয় ৪০ দশমিক ৬৬ শতাংশ বেশি। আবার গত বছর এপ্রিলে যে পরিমাণ রপ্তানি হয়েছিল, এবার তার থেকে ৫১ শতাংশ বেশি।

এই অর্থবছরে সবচেয়ে বেশি রপ্তানি আয় এসেছে ডিসেম্বরে, ৪ দশমিক ৯০ বিলিয়ন বা ৪৯০ কোটি ডলার। জানুয়ারিতে আয় ৪৮৫ কোটি ডলার আর মার্চ মাসে রপ্তানি আয় হয়েছে ৪৭৬ কোটি ডলার।

গত ১০ মাসে পণ্য রপ্তানিতে প্রবৃদ্ধি হয়েছে ৩৫ শতাংশ। গত ১০ বছরের মধ্যে গত অর্থবছর সর্বোচ্চ ১৫ শতাংশ প্রবৃদ্ধি হয়েছিল।

জুলাই-এপ্রিল, এই ১০ মাসে রপ্তানি হয়েছে ৪ হাজার ৩৩৪ কোটি মার্কিন ডলারের পণ্য। দেশীয় মুদ্রায় যা প্রায় পৌনে ৪ লাখ কোটি টাকা। দেশের ইতিহাসে এই পরিমাণ পণ্য রপ্তানি আগে কখনও হয়নি।

এর আগে এক বছরে সর্বোচ্চ রপ্তানি হয়েছিল ২০১৮-১৯ অর্থবছরে, ৪ হাজার ৫৩ কোটি ডলার। করোনার কারণে পরের দুই বছরে রপ্তানি কমে যায়।

চলতি বছর রপ্তানি আয়ের লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে ৫১ বিলিয়ন বা পাঁচ হাজার ১০০ কোটি ডলার। এখনও চলতি অর্থবছরের দুই মাস বাকি। ফলে চলতি অর্থবছর শেষে দেশের ইতিহাসে সর্বোচ্চ পণ্য রপ্তানি হবে বলেই আশা করছেন সংশ্লিষ্টরা। রপ্তানিকারকেরা আশা করছেন, সবকিছু ঠিকঠাক থাকলে পণ্য রপ্তানি পাঁচ হাজার কোটি ডলারের মাইলফলকে পৌঁছে যাবে বছর শেষে।

এপ্রিলে পণ্য রপ্তানিতে বরাবরের মতো শীর্ষে আছে তৈরি পোশাক। চলতি অর্থবছরের প্রথম ১০ মাসে ৩ হাজার ৫৩৬ কোটি ডলারের পোশাক রপ্তানি হয়েছে। এই আয় গত বছরের একই সময়ের তুলনায় ৩৫ দশমিক ৯৮ শতাংশ বেশি। তৈরি পোশাকের পাশাপাশি হোম টেক্সটাইল, চামড়া ও চামড়াজাত পণ্য, কৃষি প্রক্রিয়াজাত এবং প্রকৌশল পণ্য রপ্তানিও ভালো হয়েছে।