টিকাদানকর্মী নেই : আনসার সদস্য দিলেন করোনা টিকা

গোবিন্দগঞ্জের উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে কোভিড-১৯ এর টিকা প্রদান করলেন আনসার সদস্য। গত ৮ই মে হাসপাতাল পরিদর্শন কালে দেখা যায় কোভিড-১৯ টিকা ক্যাম্পে কোন টিকাদান কর্মী নাই তবে টিকা কার্যক্রম বন্ধ নাই টিকা দিচ্ছেন মহিলা আনসার সদস্য মর্জিনা বেগম। জানা যায়, উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা আফরিন জাহেদ জিতি যোগদানের পর থেকে নানা অনিয়মে মধ্যদিয়ে চলছে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স। উপজেলার ১৭টি ইউনিয়নে গ্রুপ (সিজি) প্রশিক্ষণ দুইদিন করার কথা থাকলেও একদিনে প্রশিক্ষন শেষ করে দুইদিনের ভাতা উত্তোলন করা হয়েছে এবং এই প্রশিক্ষণে একশত পঞ্চাশ টাকা নাস্তার ব্যবস্থা থাকলে ত্রিশ টাকার নাস্তা দেয়া হয়েছে। পুষ্টি প্রোগ্রামে সুবিধাভোগীদের নাম মাত্র উপহার দেয়া হয়েছে বলে জানা যায়। সরকারি গাড়ি উপজেলার ভেতর ব্যবহারের নির্দেশনা থাকলেও তিনি ঢাকায় নিয়ে ব্যবহার করছেন স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের গ্যারেজে গাড়ি পাওয়া যায়নি। উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে গিয়ে দেখা যায় বহির্বিভাগ বন্ধ এবং জরুরী বিভাগ ঢিলেঢালাভাবে চলছে। হাসপাতালে গিয়ে দেখা যায় হাসপাতাল ইউএইচও অনুপস্থিত । জানা যায়, ঈদের ছুটির পর তিনি এখন পর্যন্ত অফিসে যোগদান করেননি। উক্ত বিষয়গুলো জানতে আফরিন জাহেদ জিতির নিকট ফোন করলে তিনি বলেন, আমি ছুটি নিয়েছি । টিকার বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন বর্তমানে আবাসিক হেল্থ অফিসার ডা. মনিরা আরেফিন দায়িত্বে আছেন তিনি বিষয়টি দেখবেন তবে এটা হওয়ার কথা না। গাড়ির বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন গাড়ি ঠিক করার জন্য ঢাকায় আনা হয়েছে। দুই দিনের ট্রেনিং একদিন করার বিষয়ে তিনি বলেন আমি সকল প্রশিক্ষণার্থীদের একদিন ট্রেনিং করায়েছি তবে ভাতা তারা দুইদিনই পেয়েছে।

বুধবার, ১১ মে ২০২২ , ২৮ বৈশাখ ১৪২৮ ০৮ শাওয়াল ১৪৪৩

টিকাদানকর্মী নেই : আনসার সদস্য দিলেন করোনা টিকা

গোবিন্দগঞ্জের উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে কোভিড-১৯ এর টিকা প্রদান করলেন আনসার সদস্য। গত ৮ই মে হাসপাতাল পরিদর্শন কালে দেখা যায় কোভিড-১৯ টিকা ক্যাম্পে কোন টিকাদান কর্মী নাই তবে টিকা কার্যক্রম বন্ধ নাই টিকা দিচ্ছেন মহিলা আনসার সদস্য মর্জিনা বেগম। জানা যায়, উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা আফরিন জাহেদ জিতি যোগদানের পর থেকে নানা অনিয়মে মধ্যদিয়ে চলছে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স। উপজেলার ১৭টি ইউনিয়নে গ্রুপ (সিজি) প্রশিক্ষণ দুইদিন করার কথা থাকলেও একদিনে প্রশিক্ষন শেষ করে দুইদিনের ভাতা উত্তোলন করা হয়েছে এবং এই প্রশিক্ষণে একশত পঞ্চাশ টাকা নাস্তার ব্যবস্থা থাকলে ত্রিশ টাকার নাস্তা দেয়া হয়েছে। পুষ্টি প্রোগ্রামে সুবিধাভোগীদের নাম মাত্র উপহার দেয়া হয়েছে বলে জানা যায়। সরকারি গাড়ি উপজেলার ভেতর ব্যবহারের নির্দেশনা থাকলেও তিনি ঢাকায় নিয়ে ব্যবহার করছেন স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের গ্যারেজে গাড়ি পাওয়া যায়নি। উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে গিয়ে দেখা যায় বহির্বিভাগ বন্ধ এবং জরুরী বিভাগ ঢিলেঢালাভাবে চলছে। হাসপাতালে গিয়ে দেখা যায় হাসপাতাল ইউএইচও অনুপস্থিত । জানা যায়, ঈদের ছুটির পর তিনি এখন পর্যন্ত অফিসে যোগদান করেননি। উক্ত বিষয়গুলো জানতে আফরিন জাহেদ জিতির নিকট ফোন করলে তিনি বলেন, আমি ছুটি নিয়েছি । টিকার বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন বর্তমানে আবাসিক হেল্থ অফিসার ডা. মনিরা আরেফিন দায়িত্বে আছেন তিনি বিষয়টি দেখবেন তবে এটা হওয়ার কথা না। গাড়ির বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন গাড়ি ঠিক করার জন্য ঢাকায় আনা হয়েছে। দুই দিনের ট্রেনিং একদিন করার বিষয়ে তিনি বলেন আমি সকল প্রশিক্ষণার্থীদের একদিন ট্রেনিং করায়েছি তবে ভাতা তারা দুইদিনই পেয়েছে।