স্বপ্নের পদ্মা সেতু দেখতে গিয়ে বিপাকে শিশুসহ ৩৬ জন

৯৯৯-এ ফোন, অবশেষে উদ্ধার

সাত শিশুসহ ৩৬ জন ইঞ্জিনচালিত নৌকাযোগে পদ্মা সেতু দেখতে গিয়ে ঝড়ের কবলে পড়েন। তাদের বহনকারী নৌকাটি নদীতে বিকল হয়ে যায়। তারা মাঝ নদীতে প্রচ- বৃষ্টির মধ্যে কোন উপায় না পেয়ে (একজন) জাতীয় জরুরি সেবায় (৯৯৯ নম্বর) যোগাযোগ করে সাহায্য চান। এরপর তাদের উদ্ধার করা হয়।

জাতীয় জরুরি সেবা অফিস থেকে জানা গেছে, গত মঙ্গলবার শরিয়তপুরের নড়িয়া নোয়াপাড়া গ্রামের সাত বছর বয়সের সাতজন শিশুসহ মোট ৩৬ জন একটি ইঞ্জিনচালিত নৌযানযোগে (ট্রলার) নড়িয়ার জয়বাংলা বাজার এলাকা থেকে সকাল ৮টার দিকে পদ্মা সেতু দেখতে যায়।

সারাদিন বিভিন্ন স্থানে ঘোরাফিরা করে দুপুরে তারা পদ্মা সেতুর কাছে পৌঁছায়। তারা দীর্ঘক্ষণ পদ্মা সেতু ঘুরে দেখেন। হঠাৎ তাদের নৌকাটি বিকল হয়ে যায়। ওই সময় ঘূর্ণিঝড় আসানির প্রভাবে মুষলধারে বৃষ্টি হচ্ছিল। নদী ছিল উত্তাল। বিকেল সোয়া ৪টার দিকে শিশুরা কোন উপায় না পেয়ে বিকল নৌযানের একজন যাত্রী জাতীয় জরুরি সেবায় ফোন করে জরুরি উদ্ধারে সহায়তার অনুরোধ জানান। তাৎক্ষণিকভাবে বিষয়টি নৌ-পুলিশ ফাঁড়ির নিয়ন্ত্রণ কক্ষে ও মাওয়া ঘাট নৌ-পুলিশ ফাঁড়িতে জানিয়ে দ্রুত উদ্ধারে অনুরোধ করে। এরপর তৎপরতা চালিয়ে তাদের উদ্ধার করা হয়। তাদের পরিবারে স্বস্তি ফিরে আসে, বিপদে পড়া শিশুদের মুখে হাসি ফুটে। তারা উদ্ধারকারীদের কাজে খুশি হয়ে ধন্যবাদ জানান।

বৃহস্পতিবার, ১২ মে ২০২২ , ২৯ বৈশাখ ১৪২৮ ০৯ শাওয়াল ১৪৪৩

স্বপ্নের পদ্মা সেতু দেখতে গিয়ে বিপাকে শিশুসহ ৩৬ জন

৯৯৯-এ ফোন, অবশেষে উদ্ধার

সাত শিশুসহ ৩৬ জন ইঞ্জিনচালিত নৌকাযোগে পদ্মা সেতু দেখতে গিয়ে ঝড়ের কবলে পড়েন। তাদের বহনকারী নৌকাটি নদীতে বিকল হয়ে যায়। তারা মাঝ নদীতে প্রচ- বৃষ্টির মধ্যে কোন উপায় না পেয়ে (একজন) জাতীয় জরুরি সেবায় (৯৯৯ নম্বর) যোগাযোগ করে সাহায্য চান। এরপর তাদের উদ্ধার করা হয়।

জাতীয় জরুরি সেবা অফিস থেকে জানা গেছে, গত মঙ্গলবার শরিয়তপুরের নড়িয়া নোয়াপাড়া গ্রামের সাত বছর বয়সের সাতজন শিশুসহ মোট ৩৬ জন একটি ইঞ্জিনচালিত নৌযানযোগে (ট্রলার) নড়িয়ার জয়বাংলা বাজার এলাকা থেকে সকাল ৮টার দিকে পদ্মা সেতু দেখতে যায়।

সারাদিন বিভিন্ন স্থানে ঘোরাফিরা করে দুপুরে তারা পদ্মা সেতুর কাছে পৌঁছায়। তারা দীর্ঘক্ষণ পদ্মা সেতু ঘুরে দেখেন। হঠাৎ তাদের নৌকাটি বিকল হয়ে যায়। ওই সময় ঘূর্ণিঝড় আসানির প্রভাবে মুষলধারে বৃষ্টি হচ্ছিল। নদী ছিল উত্তাল। বিকেল সোয়া ৪টার দিকে শিশুরা কোন উপায় না পেয়ে বিকল নৌযানের একজন যাত্রী জাতীয় জরুরি সেবায় ফোন করে জরুরি উদ্ধারে সহায়তার অনুরোধ জানান। তাৎক্ষণিকভাবে বিষয়টি নৌ-পুলিশ ফাঁড়ির নিয়ন্ত্রণ কক্ষে ও মাওয়া ঘাট নৌ-পুলিশ ফাঁড়িতে জানিয়ে দ্রুত উদ্ধারে অনুরোধ করে। এরপর তৎপরতা চালিয়ে তাদের উদ্ধার করা হয়। তাদের পরিবারে স্বস্তি ফিরে আসে, বিপদে পড়া শিশুদের মুখে হাসি ফুটে। তারা উদ্ধারকারীদের কাজে খুশি হয়ে ধন্যবাদ জানান।