গাড়ি আমদানিকারকদের আশঙ্কা, নতুন এলসি মার্জিনে চাপে পড়বে গাড়ির বাজার

নতুন ও রিকন্ডিশন্ড গাড়ি আমদানিকারকরা বলছেন, বাংলাদেশ ব্যাংক নতুন করে মোটরকার আমদানি ঋণপত্র স্থাপনের (এলসি) ক্ষেত্রে নগদ মার্জিন বাড়িয়ে ৭৫ শতাংশ করার সিদ্ধান্তে চাপের মুখে পড়বে নতুন ও রিকন্ডিশন্ড গাড়ি বিক্রির বাজার। এলসি মার্জিন বাড়লে গাড়ি ব্যবসা আরও সংকুচিত হবে। কারণ এক্ষেত্রে আমদানিকারকদের গাড়ি কেনার ক্ষেত্রে বিনিয়োগও বাড়াতে হবে। গতকাল দুপুর সাড়ে ১২টায় প্রেসক্লাবে মানববন্ধন শেষে ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটিতে (ডিআরইউতে) আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে তারা এসব কথা বলেন।

সংবাদ সম্মেলনে ব্যবসায়িরা বলেন, ‘করোনা মহামারীর ক্ষতি পুষিয়ে ওঠার আগে বাংলাদেশ ব্যাংকের আকস্মিক এই সিদ্ধান্তের কারণে ব্যবসা পরিচালনা কঠিন হয়ে পড়বে গাড়ি ব্যবসায়ীদের।’

তারা আরও বলেন, ‘করোনা পরবর্তী সময়ে গাড়ি বিক্রি কিছুটা বেড়েছিল। কিন্তু এই বিক্রি করোনা পূর্ববর্তী সময়ের মতো না। আগে মানুষ ঈদ সামনে রেখে গাড়ি কিনতো। আগের বছরগুলোর তুলনায় এবার ঈদেও গাড়ি বিক্রি হয়েছে কম। মূলত ডলারের দাম বাড়ার কারণে গাড়ির দাম অনেক বেড়েছে। এই চ্যালেঞ্জ মোকাবিলার আগেই বাংলাদেশ ব্যাংক নতুন করে এলসি মার্জিন ২০ শতাংশ থেকে ৭৫ শতাংশে উন্নীত করায় এখন আমদানিকারকদের বাধ্য হয়ে গাড়ি আমদানি কমিয়ে দিতে হবে। মার্জিন বাড়লে আগের যারা ১০টি গাড়ি আনতে পারতো তারা এই বিনিয়োগে এখন দুটি গাড়ি আমদানি করতে পারবে। এতে গাড়ি ব্যবসা খাতের পরিসর কমে আসবে। বর্তমান ব্যবসায়ীরা ব্যবসা গুটিয়ে ফেলতে বাধ্য হবে।’

সংবাদ সম্মেলনে ব্যক্তিগত গাড়িকে বিলাসবহুল পণ্যের তালিকা থেকে বাদ দেয়ারও দাবি তোলেন ব্যবসায়ীরা। এতে উপস্থিত ছিলেন- বাংলাদেশ রিকন্ডিশন্ড ভেহিকলস ইমপোর্টার্স অ্যান্ড ডিলারস অ্যাসোসিয়েশনের (বারভিডা) সাবেক সাধারণ সম্পাদক হাবিবুর রহমান, সাবেক সহ-সভাপতি মো. রায়হান আজাদ, সাবেক যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক মোখলেছুর রহমানসহ অন্যরা।

শুক্রবার, ১৩ মে ২০২২ , ৩০ বৈশাখ ১৪২৮ ১০ শাওয়াল ১৪৪৩

গাড়ি আমদানিকারকদের আশঙ্কা, নতুন এলসি মার্জিনে চাপে পড়বে গাড়ির বাজার

নতুন ও রিকন্ডিশন্ড গাড়ি আমদানিকারকরা বলছেন, বাংলাদেশ ব্যাংক নতুন করে মোটরকার আমদানি ঋণপত্র স্থাপনের (এলসি) ক্ষেত্রে নগদ মার্জিন বাড়িয়ে ৭৫ শতাংশ করার সিদ্ধান্তে চাপের মুখে পড়বে নতুন ও রিকন্ডিশন্ড গাড়ি বিক্রির বাজার। এলসি মার্জিন বাড়লে গাড়ি ব্যবসা আরও সংকুচিত হবে। কারণ এক্ষেত্রে আমদানিকারকদের গাড়ি কেনার ক্ষেত্রে বিনিয়োগও বাড়াতে হবে। গতকাল দুপুর সাড়ে ১২টায় প্রেসক্লাবে মানববন্ধন শেষে ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটিতে (ডিআরইউতে) আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে তারা এসব কথা বলেন।

সংবাদ সম্মেলনে ব্যবসায়িরা বলেন, ‘করোনা মহামারীর ক্ষতি পুষিয়ে ওঠার আগে বাংলাদেশ ব্যাংকের আকস্মিক এই সিদ্ধান্তের কারণে ব্যবসা পরিচালনা কঠিন হয়ে পড়বে গাড়ি ব্যবসায়ীদের।’

তারা আরও বলেন, ‘করোনা পরবর্তী সময়ে গাড়ি বিক্রি কিছুটা বেড়েছিল। কিন্তু এই বিক্রি করোনা পূর্ববর্তী সময়ের মতো না। আগে মানুষ ঈদ সামনে রেখে গাড়ি কিনতো। আগের বছরগুলোর তুলনায় এবার ঈদেও গাড়ি বিক্রি হয়েছে কম। মূলত ডলারের দাম বাড়ার কারণে গাড়ির দাম অনেক বেড়েছে। এই চ্যালেঞ্জ মোকাবিলার আগেই বাংলাদেশ ব্যাংক নতুন করে এলসি মার্জিন ২০ শতাংশ থেকে ৭৫ শতাংশে উন্নীত করায় এখন আমদানিকারকদের বাধ্য হয়ে গাড়ি আমদানি কমিয়ে দিতে হবে। মার্জিন বাড়লে আগের যারা ১০টি গাড়ি আনতে পারতো তারা এই বিনিয়োগে এখন দুটি গাড়ি আমদানি করতে পারবে। এতে গাড়ি ব্যবসা খাতের পরিসর কমে আসবে। বর্তমান ব্যবসায়ীরা ব্যবসা গুটিয়ে ফেলতে বাধ্য হবে।’

সংবাদ সম্মেলনে ব্যক্তিগত গাড়িকে বিলাসবহুল পণ্যের তালিকা থেকে বাদ দেয়ারও দাবি তোলেন ব্যবসায়ীরা। এতে উপস্থিত ছিলেন- বাংলাদেশ রিকন্ডিশন্ড ভেহিকলস ইমপোর্টার্স অ্যান্ড ডিলারস অ্যাসোসিয়েশনের (বারভিডা) সাবেক সাধারণ সম্পাদক হাবিবুর রহমান, সাবেক সহ-সভাপতি মো. রায়হান আজাদ, সাবেক যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক মোখলেছুর রহমানসহ অন্যরা।