এক লাখ ৩০ হাজার টন টিএসপি, ডিএপি, ইউরিয়া সার কিনবে সরকার

কানাডা ও মরোক্ক থেকে মোট এক লাখ মেট্রিক টন টিএসপি ও ডিএপি ও সংযুক্ত আরব আমিরাত থেকে ৩০ হাজার টন ইউরিয়া সার কিনবে সরকার। আলাদা আলাদা লটে তিন দেশ থেকে সারগুলো কেনা হবে বলে জানিয়েছেন মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের অতিরিক্ত সচিব মো. জিল্লুর রহমান চৌধুরী।

গতকাল অর্থনৈতিক বিষয় সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির এবং সরকারি ক্রয় সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির সভা শেষে সংবাদ সম্মেলনে এ বিষয়ে বিস্তারিত জানানো হয়। সভায় অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল ভার্চুয়ালি সভাপতিত্ব করেন।

অতিরিক্ত সচিব জিল্লুর রহমান বলেন, ‘কৃষি মন্ত্রণালয়ের অধীন বাংলাদেশ কৃষি উন্নয়ন করপোরেশন (বিএডিসি) ডিএপি সারগুলো আমদানি করবে। কানাডিয়ান কর্মাসিয়াল করপোরেশন হতে চতুর্থ লটে ৩০ হাজার (+১০ শতাংশ) মেট্রিক টন ডিএপি সার ক্রয় করা হবে। সারগুলো আমদানিতে মোট ২৪২ কোটি ৫৩ লাখ ৫০ হাজার টাকা ব্যয় হবে। এছাড়া কৃষি মন্ত্রণালয়ের অধীন বিএডিসি কর্তৃক ওসিপি, এসএ মরক্কো থেকে ষষ্ঠ লটে ৪০ হাজার (+১০ শতাংশ) মেট্রিক টন ডিএপি সার ৪২০ কোটি ৪৪ লাখ টাকায় আমদানির অনুমোদন দেয়া হয়েছে। কৃষি মন্ত্রণালয়ের অধীন বাংলাদেশ কৃষি উন্নয়ন করপোরেশন (বিএডিসি) কর্তৃক ওসিপি, এসএ মরক্কো হতে সপ্তম লটে ৩০ হাজার (+১০ শতাংশ) মেট্রিক টন টিএসপি সার আমদানি করা হবে। মরক্কো থেকে সার আমদানিতে ২৫২ কোটি ৪০ লাখ ২০ হাজার টাকা ব্যয় হবে।’

এছাড়া তিনি আরও বলেন, ‘শিল্প মন্ত্রণালয়ের অধীন বাংলাদেশ কেমিক্যাল ইন্ডাস্ট্রিজ করপোরেশনের (বিসিআইসি) মাধ্যমে ইউরিয়া সার ক্রয় করা হবে। ফার্টিগ্লোব ডিস্ট্রিবিউশন লিমিটেড, ইউএই এর কাছ থেকে ৩০ হাজার টন (১০%+) বাল্ক গ্র্যানুলার (অপশনাল) ইউরিয়া সার ক্রয় করা হবে। সার কিনতে সর্বমোট ১৭৯ কোটি ২১ লাখ ১১ হাজার ২০০ টাকায় আমদানির অনুমোদন দিয়েছে সরকারি ক্রয় সংক্রান্ত কমিটি।’

অনুষ্ঠানে জানানো হয়, কমিটির অনুমোদনের জন্য ১৭টি প্রস্তাব উপস্থাপন করা হয়। এর মধ্যে সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগের ৪টি, কৃষি মন্ত্রণালয়ের ৩টি, স্থানীয় সরকার বিভাগের ২টি, জননিরাপত্তা বিভাগের ২টি, বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের ২টি, শিল্প মন্ত্রণালয়ের ১টি, সেতু বিভাগের ১টি, বিদ্যুৎ বিভাগের ১টি এবং গৃহায়ণ ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের ১টি প্রস্তাবনা ছিল।

সরকারি ক্রয় কমিটির অনুমোদিত ১৩টি প্রস্তাবে মোট অর্থের পরিমাণ ২ হাজার ১৯৪ কোটি ৪৬ লাখ ৪৬ হাজার ৮৩০ টাকা। মোট অর্থায়নের মধ্যে জিওবি থেকে ব্যয় হবে ৬৭৩ কোটি ১৫ লাখ ৭০ হাজার ৬৮২ টাকা এবং দেশীয় ব্যাংক ও বৈদেশিক অর্থায়ন ১ হাজার ৫২১ কোটি ৩০ লাখ ৭৬ হাজার ১৪৮ টাকা।

বৃহস্পতিবার, ১৬ জুন ২০২২ , ২ আষাড় ১৪২৮ ১৬ জিলকদ ১৪৪৩

এক লাখ ৩০ হাজার টন টিএসপি, ডিএপি, ইউরিয়া সার কিনবে সরকার

অর্থনৈতিক বার্তা পরিবেশক

কানাডা ও মরোক্ক থেকে মোট এক লাখ মেট্রিক টন টিএসপি ও ডিএপি ও সংযুক্ত আরব আমিরাত থেকে ৩০ হাজার টন ইউরিয়া সার কিনবে সরকার। আলাদা আলাদা লটে তিন দেশ থেকে সারগুলো কেনা হবে বলে জানিয়েছেন মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের অতিরিক্ত সচিব মো. জিল্লুর রহমান চৌধুরী।

গতকাল অর্থনৈতিক বিষয় সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির এবং সরকারি ক্রয় সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির সভা শেষে সংবাদ সম্মেলনে এ বিষয়ে বিস্তারিত জানানো হয়। সভায় অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল ভার্চুয়ালি সভাপতিত্ব করেন।

অতিরিক্ত সচিব জিল্লুর রহমান বলেন, ‘কৃষি মন্ত্রণালয়ের অধীন বাংলাদেশ কৃষি উন্নয়ন করপোরেশন (বিএডিসি) ডিএপি সারগুলো আমদানি করবে। কানাডিয়ান কর্মাসিয়াল করপোরেশন হতে চতুর্থ লটে ৩০ হাজার (+১০ শতাংশ) মেট্রিক টন ডিএপি সার ক্রয় করা হবে। সারগুলো আমদানিতে মোট ২৪২ কোটি ৫৩ লাখ ৫০ হাজার টাকা ব্যয় হবে। এছাড়া কৃষি মন্ত্রণালয়ের অধীন বিএডিসি কর্তৃক ওসিপি, এসএ মরক্কো থেকে ষষ্ঠ লটে ৪০ হাজার (+১০ শতাংশ) মেট্রিক টন ডিএপি সার ৪২০ কোটি ৪৪ লাখ টাকায় আমদানির অনুমোদন দেয়া হয়েছে। কৃষি মন্ত্রণালয়ের অধীন বাংলাদেশ কৃষি উন্নয়ন করপোরেশন (বিএডিসি) কর্তৃক ওসিপি, এসএ মরক্কো হতে সপ্তম লটে ৩০ হাজার (+১০ শতাংশ) মেট্রিক টন টিএসপি সার আমদানি করা হবে। মরক্কো থেকে সার আমদানিতে ২৫২ কোটি ৪০ লাখ ২০ হাজার টাকা ব্যয় হবে।’

এছাড়া তিনি আরও বলেন, ‘শিল্প মন্ত্রণালয়ের অধীন বাংলাদেশ কেমিক্যাল ইন্ডাস্ট্রিজ করপোরেশনের (বিসিআইসি) মাধ্যমে ইউরিয়া সার ক্রয় করা হবে। ফার্টিগ্লোব ডিস্ট্রিবিউশন লিমিটেড, ইউএই এর কাছ থেকে ৩০ হাজার টন (১০%+) বাল্ক গ্র্যানুলার (অপশনাল) ইউরিয়া সার ক্রয় করা হবে। সার কিনতে সর্বমোট ১৭৯ কোটি ২১ লাখ ১১ হাজার ২০০ টাকায় আমদানির অনুমোদন দিয়েছে সরকারি ক্রয় সংক্রান্ত কমিটি।’

অনুষ্ঠানে জানানো হয়, কমিটির অনুমোদনের জন্য ১৭টি প্রস্তাব উপস্থাপন করা হয়। এর মধ্যে সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগের ৪টি, কৃষি মন্ত্রণালয়ের ৩টি, স্থানীয় সরকার বিভাগের ২টি, জননিরাপত্তা বিভাগের ২টি, বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের ২টি, শিল্প মন্ত্রণালয়ের ১টি, সেতু বিভাগের ১টি, বিদ্যুৎ বিভাগের ১টি এবং গৃহায়ণ ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের ১টি প্রস্তাবনা ছিল।

সরকারি ক্রয় কমিটির অনুমোদিত ১৩টি প্রস্তাবে মোট অর্থের পরিমাণ ২ হাজার ১৯৪ কোটি ৪৬ লাখ ৪৬ হাজার ৮৩০ টাকা। মোট অর্থায়নের মধ্যে জিওবি থেকে ব্যয় হবে ৬৭৩ কোটি ১৫ লাখ ৭০ হাজার ৬৮২ টাকা এবং দেশীয় ব্যাংক ও বৈদেশিক অর্থায়ন ১ হাজার ৫২১ কোটি ৩০ লাখ ৭৬ হাজার ১৪৮ টাকা।