দুই পায়ে পচন অর্থাভাবে চিকিৎসা বন্ধ প্রতিবন্ধী তারা মিয়ার

ময়মনসিংহের ধোবাউড়া উপজেলায় টাকার অভাবে চিকিৎসা করাতে পারছেন না প্রতিবন্ধী তারা মিয়া। তার বাড়ি উপজেলার বাঘবেড় ইউনিয়নের দিঘিরপাড় গ্রামে। প্রতিবন্ধী তারা মিয়ার মেয়ে শিল্পী আক্তারের সাথে কথা বলে জানা যায় ১৫ বছর পূর্বে তার বাবার পায়ে পচন ধরে। ধীরে ধীরে দুইটি পা পচে যায়। কেটে ফেলেন পা দুইটি। বর্তমানে হুইল চেয়ারে চলাচল করেন। দুই সন্তান নিয়ে ৪ সদস্যের সম্বল ৪০ শতাংশ জমি বিক্রি করে চিকিৎসা করেন। তাতেও মুক্তি মেলেনি তারা মিয়া। এবার পচন ধরেছে হাতে। ইতোমধ্যে ডান হাতের তিনটি আঙ্গুল কেটে ফেলা হয়েছে। এখন পচন হাতের কবজি পর্যন্ত ওঠে এসেছে। হাতের পচনের ব্যাথায় নিয়ে বহু কষ্টে দিন কাটছে তার। পরিবারের উপার্জনকর্ম একমাত্র ব্যাক্তিটি অসুস্থ হয়ে যাওয়ায় পরিবারটি মানবেতর জীবনযাপন করছে। স্বামীর চিকিৎসায় সব সম্বল শেষ হয়ে যাওয়ায় অন্যের বাড়িতে কাজ করে কোন রকম সংসার চালাচ্ছে স্ত্রী আছিয়া খাতুন। তারা মিয়া বলেন হাতের ব্যাথা নিয়ে সীমাহীন কষ্টে আছি, সারাদিন ভিক্ষা ভিত্তি কিছু টাকা জোগার করে ব্যাথার ওষুধ খেয়ে কোন রকম দিনাতিপাত করছি। টাকার অভাবে চিকিৎসা করাতে পারছি না। জীবন যুদ্ধে বেচে থাকতে মানবিক সহায়তা চান তারা মিয়া।

বুধবার, ০৬ জুলাই ২০২২ , ২২ আষাড় ১৪২৮ ২৬ জিলহজ ১৪৪৩

দুই পায়ে পচন অর্থাভাবে চিকিৎসা বন্ধ প্রতিবন্ধী তারা মিয়ার

প্রতিনিধি, ধোবাউড়া (ময়মনসিংহ)

image

ময়মনসিংহের ধোবাউড়া উপজেলায় টাকার অভাবে চিকিৎসা করাতে পারছেন না প্রতিবন্ধী তারা মিয়া। তার বাড়ি উপজেলার বাঘবেড় ইউনিয়নের দিঘিরপাড় গ্রামে। প্রতিবন্ধী তারা মিয়ার মেয়ে শিল্পী আক্তারের সাথে কথা বলে জানা যায় ১৫ বছর পূর্বে তার বাবার পায়ে পচন ধরে। ধীরে ধীরে দুইটি পা পচে যায়। কেটে ফেলেন পা দুইটি। বর্তমানে হুইল চেয়ারে চলাচল করেন। দুই সন্তান নিয়ে ৪ সদস্যের সম্বল ৪০ শতাংশ জমি বিক্রি করে চিকিৎসা করেন। তাতেও মুক্তি মেলেনি তারা মিয়া। এবার পচন ধরেছে হাতে। ইতোমধ্যে ডান হাতের তিনটি আঙ্গুল কেটে ফেলা হয়েছে। এখন পচন হাতের কবজি পর্যন্ত ওঠে এসেছে। হাতের পচনের ব্যাথায় নিয়ে বহু কষ্টে দিন কাটছে তার। পরিবারের উপার্জনকর্ম একমাত্র ব্যাক্তিটি অসুস্থ হয়ে যাওয়ায় পরিবারটি মানবেতর জীবনযাপন করছে। স্বামীর চিকিৎসায় সব সম্বল শেষ হয়ে যাওয়ায় অন্যের বাড়িতে কাজ করে কোন রকম সংসার চালাচ্ছে স্ত্রী আছিয়া খাতুন। তারা মিয়া বলেন হাতের ব্যাথা নিয়ে সীমাহীন কষ্টে আছি, সারাদিন ভিক্ষা ভিত্তি কিছু টাকা জোগার করে ব্যাথার ওষুধ খেয়ে কোন রকম দিনাতিপাত করছি। টাকার অভাবে চিকিৎসা করাতে পারছি না। জীবন যুদ্ধে বেচে থাকতে মানবিক সহায়তা চান তারা মিয়া।