কোরবানির বর্জ্য : সঠিক ব্যবস্থাপনা প্রয়োজন

মুসলমানদের অন্যতম উৎসব ঈদুল আজহা। এর প্রধান কাজ ঈদের নামাজ ও পশু কোরবানি। পশু জবাইয়ের পর যে বিষয়টি সবচেয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ণ সেটি হলো পশুর বর্জ্য পরিষ্কার করা। কোরবানির পরবর্তী সময়ে দেখা যায় পশুর রক্ত, ঘাস, লতাপাতা, নাড়িভুড়ি উচ্ছিষ্ট রাস্তা ঘাটে, নালা নর্দমায়, খোলা জায়গায় পড়ে থাকে, যা পচে চারিদিকে জীবাণু ও দুর্গন্ধ ছড়ায় পরিবেশ দূষিত করে। বর্জ্যরে চাপে নালা বা নর্দমা বন্ধ হয়ে জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হয়। আমাদের একটু অসচেতনতার কারণে দেখা দিতে পারে পরিবেশগত নানা সমস্যা, যা আমাদের জীবন-যাত্রায় অস্বস্তিকর অবস্থা সৃষ্টি করতে পারে।

শহরে কিংবা গ্রামে কোরবানির বর্জ্য গর্ত করে মাটি চাপা বা ডাস্টবিনে নির্দিষ্ট স্থানে ফেলতে হবে। পশুর রক্ত পানি, ব্লিচিং পাউডার ও অন্যান্য জীবাণুমুক্তকরণ দিয়ে ভালোভাবে পরিষ্কার করা উচিত। পরিবেশ দূষণমুক্ত ও জনস্বাস্থ্য নিরাপদ রাখতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের যেমন কার্যকর ভূমিকা রাখতে হবে, তেমনি আমাদের সচেতন থাকতে হবে।

মো. সাইমুন

সৌদি আরব প্রবাসী

বৃহস্পতিবার, ০৭ জুলাই ২০২২ , ২৩ আষাড় ১৪২৮ ২৭ জিলহজ ১৪৪৩

কোরবানির বর্জ্য : সঠিক ব্যবস্থাপনা প্রয়োজন

মুসলমানদের অন্যতম উৎসব ঈদুল আজহা। এর প্রধান কাজ ঈদের নামাজ ও পশু কোরবানি। পশু জবাইয়ের পর যে বিষয়টি সবচেয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ণ সেটি হলো পশুর বর্জ্য পরিষ্কার করা। কোরবানির পরবর্তী সময়ে দেখা যায় পশুর রক্ত, ঘাস, লতাপাতা, নাড়িভুড়ি উচ্ছিষ্ট রাস্তা ঘাটে, নালা নর্দমায়, খোলা জায়গায় পড়ে থাকে, যা পচে চারিদিকে জীবাণু ও দুর্গন্ধ ছড়ায় পরিবেশ দূষিত করে। বর্জ্যরে চাপে নালা বা নর্দমা বন্ধ হয়ে জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হয়। আমাদের একটু অসচেতনতার কারণে দেখা দিতে পারে পরিবেশগত নানা সমস্যা, যা আমাদের জীবন-যাত্রায় অস্বস্তিকর অবস্থা সৃষ্টি করতে পারে।

শহরে কিংবা গ্রামে কোরবানির বর্জ্য গর্ত করে মাটি চাপা বা ডাস্টবিনে নির্দিষ্ট স্থানে ফেলতে হবে। পশুর রক্ত পানি, ব্লিচিং পাউডার ও অন্যান্য জীবাণুমুক্তকরণ দিয়ে ভালোভাবে পরিষ্কার করা উচিত। পরিবেশ দূষণমুক্ত ও জনস্বাস্থ্য নিরাপদ রাখতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের যেমন কার্যকর ভূমিকা রাখতে হবে, তেমনি আমাদের সচেতন থাকতে হবে।

মো. সাইমুন

সৌদি আরব প্রবাসী