শুক্রবার, ১৫ জুলাই ২০২২, ৩১ আষাঢ ১৪২৯ ১৬ জিলহজ ১৪৪৩

ভুয়া প্রতিষ্ঠানে লোক নিয়োগের নামে লাখ লাখ টাকা আত্মসাৎ

প্রতারক চক্রের মূল হোতাসহ গ্রেপ্তার ৩

যুক্তরাষ্ট্রের বেসরকারি গোয়েন্দা সংস্থা ফেয়ারফ্যাক্সের অর্থায়নে ‘ফেয়ারফ্যাক্স বাংলাদেশ প্রকল্প’ এবং বাংলাদেশ প্রতিবন্ধী কল্যাণ ট্রাস্টে লোক নিয়োগের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয় বিভিন্ন গণমাধ্যমে। নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি দেখে যারা আবেদন করেন তাদের ১৫০ টাকা থেকে শুরু করে ৫০০ টাকা দিতে হতো। ওই টাকা চলে যেত কথিত প্রতিষ্ঠানের ব্যাংক হিসাবে। এভাবে প্রায় ৮ পদে লোক নিয়োগের নামে লাখ লাখ টাকা হাতিয়ে নিয়েছে একটি চক্র।

প্রতারণার অভিযোগ পেয়ে তদন্ত করতে গিয়ে চক্রটিকে গ্রেপ্তার করেছে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের মিরপুর বিভাগের অতিরিক্ত উপকমিশনার সাইফুল ইসলামের নেতৃত্বাধীন টিম। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে বেরিয়ে আসে নানা কাহিনী। গ্রেপ্তারকৃতরা হলোÑ মো. আজিজুল হাসান ওরফে এমরান (৫১), বিউটি আক্তার (৩৫) ও কবির উদ্দিন পিয়াস (৩০)। গ্রেপ্তারের সময় তাদের কাছ থেকে নগদ ১৯ লাখ টাকা ও ভুয়া চাকরির নিয়োগ সংক্রান্ত বিভিন্ন কাগজপত্র উদ্ধার করা হয়।

ডিএমপির গোয়েন্দা বিভাগের প্রধান অতিরিক্ত কমিশনার হারুন অর রশিদ গতকাল সংবাদ সম্মেলনে দাবি করেছেন, বিদেশি বেসরকারি গোয়েন্দা সংস্থা এবং দেশীয় প্রতিবন্ধী সংস্থার নাম ব্যবহার করে ৬ হাজার ৪৭২টি পদে নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়। গত ১৫ জুন প্রকাশিত বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। একই তারিখে বাংলাদেশ প্রতিবন্ধী কল্যাণ ট্রাস্ট (বি.পি.কে.টি) নামে নিজস্ব ওয়েবসাইটে (িি.িনঢ়শঃঢ়.ড়ৎম) ১ হাজার ৯৪৪টি পদে নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়। বিজ্ঞপ্তিতে ট্রাস্টটির একটি ভুয়া নিবন্ধন নম্বরও ব্যবহার করা হয়। ১৫০ ও ৫০০ টাকা করে মোট ১৯ লাখ টাকা সোনালী ব্যাংকে জমার পর তা উত্তোলন করে আত্মগোপনে যায় প্রতারক চক্র।

প্রতারণার অভিযোগ পেয়ে বিষয়টি নিয়ে তদন্ত করে ডিবির মিরপুর বিভাাগ। তদন্তে বেরিয়ে আসে বাংলাদেশ প্রতিবন্ধী কল্যাণ ট্রাস্ট বা ফেয়ারফ্যাক্স বাংলাদেশ প্রকল্প নামে কোন প্রতিষ্ঠানের বাস্তবে কোন অস্থিত্ব নেই। ওয়েব পেইজে যে ঠিকানা ব্যবহার করা হয়েছে অফিসের সেই ঠিকানায় অর্থাৎ মিরপুরের কোন অফিস নেই। পরে তদন্তে বেরিয়ে আসে কাগুজে প্রতিষ্ঠানের নামে বিজ্ঞপ্তি দিয়ে বিভিন্ন মানুষের কাছ থেকে লাখ লাখ টাকা হাতিয়ে নেয়া হয়েছে।

অভিযোগের ভিত্তিতে ডিএমপির গোয়েন্দা মিরপুর বিভাগের মিরপুর জোনাল টিম বৃহস্পতিবার ঢাকার বিভিন্ন জায়গায় অভিযান চালিয়ে এই প্রতারক চক্রের তিন সদস্য মো. আজিজুল হাসান ওরফে এমরান, বিউটি আক্তার ও কবির উদ্দিন পিয়াস কে গ্রেপ্তার করে।

‘সংঘবদ্ধ প্রতারক চক্র মিরপুর এলাকায় ‘ফেয়ারফ্যাক্স বাংলাদেশ প্রকল্প’ এবং ‘বাংলাদেশ প্রতিবন্ধী কল্যাণ ট্রাষ্ট’ নামক দুটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠান খুলে পত্রিকায় ভুয়া নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি দিয়ে চাকরি দেয়ার প্রলোভন দেখায়। তারা সাধারণ জনগণের কাছ থেকে প্রতারণার মাধ্যমে বিপুল পরিমান টাকা হাতিয়ে নিয়েছে। গ্রেপ্তারদের প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায়, মার্কিন বেসরকারি গোয়েন্দা সংস্থা ফেয়ারফ্যাক্সের অর্থায়নে ‘ফেয়ারফ্যাক্স বাংলাদেশ প্রকল্প’ নাম দিয়ে বেসরকারি গোয়েদা সংস্থায় ৬ হাজার ৪৭২টি পদের বিপরীতে একটি নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়। বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়, এটি বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত।

এছাড়া, বাংলাদেশ প্রতিবন্ধী কল্যাণ ট্রাস্ট (বি.পি.কে.টি) নামের প্রতিষ্ঠানে ১ হাজার ৯৪৪টি পদের বিপরীতে তাদের নিজস্ব ওয়েবসাইটে (িি.িনঢ়শঃঢ়.ড়ৎম) নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়। যা পরবর্তীতে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমসহ বিভিন্ন চাকরির পত্রিকায় প্রকাশিত হয়। বিজ্ঞপ্তিতে ট্রাস্টটির একটি ভুয়া নিবন্ধন নম্বরও ব্যবহার করা হয়।

অতিরিক্ত কমিশনার হারুনের দাবি ‘নিয়োগ বিজ্ঞপ্তিগুলোতে প্রতিটি পদের জন্য ১৫০ থেকে ৫০০ টাকা হারে পে অর্ডারের মাধ্যমে মিরপুর বেগম রোকেয়া সরণির সোনালী ব্যাংক শাখার একটি হিসাব নম্বরে জমা করার জন্য বলা হয়। বিজ্ঞপ্তিগুলোতে অফিসের ঠিকানা দেয়া হয় মিরপুর-১০ এর ৬ নম্বর সড়কের ১৫ নম্বর বাড়ি। অথচ ওই বাড়ির মালিক একজন মার্কিন প্রবাসী। তিনি ভুয়া নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি সম্পর্কে অবগত হয়ে কাফরুল থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি করেন। ডিবি পুলিশ তদন্তে জানতে পারে, ‘ফেয়ারফ্যাক্স বাংলাদেশ প্রকল্প’ এবং ‘বাংলাদেশ প্রতিবন্ধী কল্যাণ ট্রাষ্ট’ নামে কোন প্রতিষ্ঠান ওই ঠিকানায় নেই। অতিরিক্ত কমিশনার হারুন বলেন, সরকারি ব্যাংকে এ ধরনের হিসাব খুলতে হলে বিভিন্ন কাগজপত্র জমা দিতে হয়। কিন্তু প্রতারক চক্রের কাছ থেকে ব্যাংক কোন ডকুমেন্ট রাখেনি। প্রতারণার উদ্দেশ্যেই সোনালী ব্যাংকের ওই হিসাব থেকে ১৯ লাখ টাকা উত্তোলন করা হয়। গ্রেপ্তারদের বিরুদ্ধে কাফরুল থানায় একটি মামলা হয়েছে। চক্রের বাকি সদস্যদের গ্রেপ্তারে চেষ্টা চলছে।

অভিযানের নেতৃত্ব দেয়া এডিসি সাইফুল ইসলাম বলেন, চক্রের মূল হোতা আজিজুল ইসলাম এমরান একজন চিহ্নিত প্রতারক। অন্য দুজন ছিল তার সহযোগি। এ চক্রের অতীত ইতিহাস তদন্ত করা হচ্ছে। চক্রটিকে ধরতে বেশ দীর্ঘ সময় পর্যন্ত টানা তদন্ত করতে হয়েছে। প্রতারক চক্রের হোতা আজিজুল ইসলাম প্রতারনায় সিদ্ধহস্ত। রিমান্ড হেফাজতে জিজ্ঞাসাবাদ করলে আরও তথ্য মিলবে।

শুক্রবার, ১৫ জুলাই ২০২২ , ৩১ আষাঢ ১৪২৯ ১৬ জিলহজ ১৪৪৩

ভুয়া প্রতিষ্ঠানে লোক নিয়োগের নামে লাখ লাখ টাকা আত্মসাৎ

প্রতারক চক্রের মূল হোতাসহ গ্রেপ্তার ৩

যুক্তরাষ্ট্রের বেসরকারি গোয়েন্দা সংস্থা ফেয়ারফ্যাক্সের অর্থায়নে ‘ফেয়ারফ্যাক্স বাংলাদেশ প্রকল্প’ এবং বাংলাদেশ প্রতিবন্ধী কল্যাণ ট্রাস্টে লোক নিয়োগের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয় বিভিন্ন গণমাধ্যমে। নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি দেখে যারা আবেদন করেন তাদের ১৫০ টাকা থেকে শুরু করে ৫০০ টাকা দিতে হতো। ওই টাকা চলে যেত কথিত প্রতিষ্ঠানের ব্যাংক হিসাবে। এভাবে প্রায় ৮ পদে লোক নিয়োগের নামে লাখ লাখ টাকা হাতিয়ে নিয়েছে একটি চক্র।

প্রতারণার অভিযোগ পেয়ে তদন্ত করতে গিয়ে চক্রটিকে গ্রেপ্তার করেছে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের মিরপুর বিভাগের অতিরিক্ত উপকমিশনার সাইফুল ইসলামের নেতৃত্বাধীন টিম। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে বেরিয়ে আসে নানা কাহিনী। গ্রেপ্তারকৃতরা হলোÑ মো. আজিজুল হাসান ওরফে এমরান (৫১), বিউটি আক্তার (৩৫) ও কবির উদ্দিন পিয়াস (৩০)। গ্রেপ্তারের সময় তাদের কাছ থেকে নগদ ১৯ লাখ টাকা ও ভুয়া চাকরির নিয়োগ সংক্রান্ত বিভিন্ন কাগজপত্র উদ্ধার করা হয়।

ডিএমপির গোয়েন্দা বিভাগের প্রধান অতিরিক্ত কমিশনার হারুন অর রশিদ গতকাল সংবাদ সম্মেলনে দাবি করেছেন, বিদেশি বেসরকারি গোয়েন্দা সংস্থা এবং দেশীয় প্রতিবন্ধী সংস্থার নাম ব্যবহার করে ৬ হাজার ৪৭২টি পদে নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়। গত ১৫ জুন প্রকাশিত বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। একই তারিখে বাংলাদেশ প্রতিবন্ধী কল্যাণ ট্রাস্ট (বি.পি.কে.টি) নামে নিজস্ব ওয়েবসাইটে (িি.িনঢ়শঃঢ়.ড়ৎম) ১ হাজার ৯৪৪টি পদে নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়। বিজ্ঞপ্তিতে ট্রাস্টটির একটি ভুয়া নিবন্ধন নম্বরও ব্যবহার করা হয়। ১৫০ ও ৫০০ টাকা করে মোট ১৯ লাখ টাকা সোনালী ব্যাংকে জমার পর তা উত্তোলন করে আত্মগোপনে যায় প্রতারক চক্র।

প্রতারণার অভিযোগ পেয়ে বিষয়টি নিয়ে তদন্ত করে ডিবির মিরপুর বিভাাগ। তদন্তে বেরিয়ে আসে বাংলাদেশ প্রতিবন্ধী কল্যাণ ট্রাস্ট বা ফেয়ারফ্যাক্স বাংলাদেশ প্রকল্প নামে কোন প্রতিষ্ঠানের বাস্তবে কোন অস্থিত্ব নেই। ওয়েব পেইজে যে ঠিকানা ব্যবহার করা হয়েছে অফিসের সেই ঠিকানায় অর্থাৎ মিরপুরের কোন অফিস নেই। পরে তদন্তে বেরিয়ে আসে কাগুজে প্রতিষ্ঠানের নামে বিজ্ঞপ্তি দিয়ে বিভিন্ন মানুষের কাছ থেকে লাখ লাখ টাকা হাতিয়ে নেয়া হয়েছে।

অভিযোগের ভিত্তিতে ডিএমপির গোয়েন্দা মিরপুর বিভাগের মিরপুর জোনাল টিম বৃহস্পতিবার ঢাকার বিভিন্ন জায়গায় অভিযান চালিয়ে এই প্রতারক চক্রের তিন সদস্য মো. আজিজুল হাসান ওরফে এমরান, বিউটি আক্তার ও কবির উদ্দিন পিয়াস কে গ্রেপ্তার করে।

‘সংঘবদ্ধ প্রতারক চক্র মিরপুর এলাকায় ‘ফেয়ারফ্যাক্স বাংলাদেশ প্রকল্প’ এবং ‘বাংলাদেশ প্রতিবন্ধী কল্যাণ ট্রাষ্ট’ নামক দুটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠান খুলে পত্রিকায় ভুয়া নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি দিয়ে চাকরি দেয়ার প্রলোভন দেখায়। তারা সাধারণ জনগণের কাছ থেকে প্রতারণার মাধ্যমে বিপুল পরিমান টাকা হাতিয়ে নিয়েছে। গ্রেপ্তারদের প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায়, মার্কিন বেসরকারি গোয়েন্দা সংস্থা ফেয়ারফ্যাক্সের অর্থায়নে ‘ফেয়ারফ্যাক্স বাংলাদেশ প্রকল্প’ নাম দিয়ে বেসরকারি গোয়েদা সংস্থায় ৬ হাজার ৪৭২টি পদের বিপরীতে একটি নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়। বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়, এটি বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত।

এছাড়া, বাংলাদেশ প্রতিবন্ধী কল্যাণ ট্রাস্ট (বি.পি.কে.টি) নামের প্রতিষ্ঠানে ১ হাজার ৯৪৪টি পদের বিপরীতে তাদের নিজস্ব ওয়েবসাইটে (িি.িনঢ়শঃঢ়.ড়ৎম) নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়। যা পরবর্তীতে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমসহ বিভিন্ন চাকরির পত্রিকায় প্রকাশিত হয়। বিজ্ঞপ্তিতে ট্রাস্টটির একটি ভুয়া নিবন্ধন নম্বরও ব্যবহার করা হয়।

অতিরিক্ত কমিশনার হারুনের দাবি ‘নিয়োগ বিজ্ঞপ্তিগুলোতে প্রতিটি পদের জন্য ১৫০ থেকে ৫০০ টাকা হারে পে অর্ডারের মাধ্যমে মিরপুর বেগম রোকেয়া সরণির সোনালী ব্যাংক শাখার একটি হিসাব নম্বরে জমা করার জন্য বলা হয়। বিজ্ঞপ্তিগুলোতে অফিসের ঠিকানা দেয়া হয় মিরপুর-১০ এর ৬ নম্বর সড়কের ১৫ নম্বর বাড়ি। অথচ ওই বাড়ির মালিক একজন মার্কিন প্রবাসী। তিনি ভুয়া নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি সম্পর্কে অবগত হয়ে কাফরুল থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি করেন। ডিবি পুলিশ তদন্তে জানতে পারে, ‘ফেয়ারফ্যাক্স বাংলাদেশ প্রকল্প’ এবং ‘বাংলাদেশ প্রতিবন্ধী কল্যাণ ট্রাষ্ট’ নামে কোন প্রতিষ্ঠান ওই ঠিকানায় নেই। অতিরিক্ত কমিশনার হারুন বলেন, সরকারি ব্যাংকে এ ধরনের হিসাব খুলতে হলে বিভিন্ন কাগজপত্র জমা দিতে হয়। কিন্তু প্রতারক চক্রের কাছ থেকে ব্যাংক কোন ডকুমেন্ট রাখেনি। প্রতারণার উদ্দেশ্যেই সোনালী ব্যাংকের ওই হিসাব থেকে ১৯ লাখ টাকা উত্তোলন করা হয়। গ্রেপ্তারদের বিরুদ্ধে কাফরুল থানায় একটি মামলা হয়েছে। চক্রের বাকি সদস্যদের গ্রেপ্তারে চেষ্টা চলছে।

অভিযানের নেতৃত্ব দেয়া এডিসি সাইফুল ইসলাম বলেন, চক্রের মূল হোতা আজিজুল ইসলাম এমরান একজন চিহ্নিত প্রতারক। অন্য দুজন ছিল তার সহযোগি। এ চক্রের অতীত ইতিহাস তদন্ত করা হচ্ছে। চক্রটিকে ধরতে বেশ দীর্ঘ সময় পর্যন্ত টানা তদন্ত করতে হয়েছে। প্রতারক চক্রের হোতা আজিজুল ইসলাম প্রতারনায় সিদ্ধহস্ত। রিমান্ড হেফাজতে জিজ্ঞাসাবাদ করলে আরও তথ্য মিলবে।