লাইব্রেরির প্রয়োজন ফুরিয়ে যায়নি

লাইব্রেরি হলো জ্ঞানের ধন-ভাণ্ডার। যেখানে প্রতিদিন জ্ঞানপিপাসু মানুষের সমাগম ঘটে। এটা এমনই একটি স্থান যেখানে জ্ঞান অন্বেষণকারীরা উপযুক্ত পরিবেশে নিজেদের রুচি অভ্যাস এবং পছন্দমতো বই পড়ার পূর্ণ স্বাধীনতা পায়। বিশ্ব যখন জ্ঞান অস্ত্রকে মুখ্য হিসেবে দেখছে, তখনই প্রতিষ্ঠিত হয়েছে আমাদের গ্রামের এক ক্ষুদ্র জ্ঞান ভাণ্ডার ‘মহৎপুর লাইব্রেরি’। এটি সাতক্ষীরা জেলার কালিগঞ্জ উপজেলার মহৎপুর গ্রামে অবস্থিত। এখানে রয়েছে ৭৫০-এর অধিক বই, রয়েছে পড়াশোনা করার মনোরম পরিবেশ। এর বাইরে রয়েছে দৈনিক পত্রিকা পাঠের সুযোগ। ২০ জনের অধিক মানুষ একসঙ্গে বসে বই পড়তে পারে।

লাইব্রেরি এমন একটি স্থান যেখানে প্রবেশ করলেও একজন মানুষ অনেক কিছু আত্মস্থ করতে পারে। লাইব্রেরি মানুষকে স্বাধীনচেতা করে তোলে। এটা মানুষকে আহ্বান করে- জ্ঞানের সন্ধানে এসো, আর ফিরে যাও দেশ সাজাতে। এটি মানুষকে উন্মুক্ত একটা জীবন উপহার দেয়। লাইব্রেরির গুরুত্ব বলে বা লিখে শেষ করা যাবে না। তাই আমাদের গ্রামের মতে দেশের প্রতিটি গ্রামে লাইব্রেরি প্রতিষ্ঠা করা উচিত।

তাজুল ইসলাম তাসিন

মহৎপুর, কালিগঞ্জ, সাতক্ষীরা

মঙ্গলবার, ১৯ জুলাই ২০২২ , ০৪ শ্রাবণ ১৪২৯ ২০ জিলহজ ১৪৪৩

লাইব্রেরির প্রয়োজন ফুরিয়ে যায়নি

লাইব্রেরি হলো জ্ঞানের ধন-ভাণ্ডার। যেখানে প্রতিদিন জ্ঞানপিপাসু মানুষের সমাগম ঘটে। এটা এমনই একটি স্থান যেখানে জ্ঞান অন্বেষণকারীরা উপযুক্ত পরিবেশে নিজেদের রুচি অভ্যাস এবং পছন্দমতো বই পড়ার পূর্ণ স্বাধীনতা পায়। বিশ্ব যখন জ্ঞান অস্ত্রকে মুখ্য হিসেবে দেখছে, তখনই প্রতিষ্ঠিত হয়েছে আমাদের গ্রামের এক ক্ষুদ্র জ্ঞান ভাণ্ডার ‘মহৎপুর লাইব্রেরি’। এটি সাতক্ষীরা জেলার কালিগঞ্জ উপজেলার মহৎপুর গ্রামে অবস্থিত। এখানে রয়েছে ৭৫০-এর অধিক বই, রয়েছে পড়াশোনা করার মনোরম পরিবেশ। এর বাইরে রয়েছে দৈনিক পত্রিকা পাঠের সুযোগ। ২০ জনের অধিক মানুষ একসঙ্গে বসে বই পড়তে পারে।

লাইব্রেরি এমন একটি স্থান যেখানে প্রবেশ করলেও একজন মানুষ অনেক কিছু আত্মস্থ করতে পারে। লাইব্রেরি মানুষকে স্বাধীনচেতা করে তোলে। এটা মানুষকে আহ্বান করে- জ্ঞানের সন্ধানে এসো, আর ফিরে যাও দেশ সাজাতে। এটি মানুষকে উন্মুক্ত একটা জীবন উপহার দেয়। লাইব্রেরির গুরুত্ব বলে বা লিখে শেষ করা যাবে না। তাই আমাদের গ্রামের মতে দেশের প্রতিটি গ্রামে লাইব্রেরি প্রতিষ্ঠা করা উচিত।

তাজুল ইসলাম তাসিন

মহৎপুর, কালিগঞ্জ, সাতক্ষীরা