হাসপাতাল হোক দালালমুক্ত

চিকিৎসা দেয়া করুণা কিংবা সহানুভূতির বহিঃপ্রকাশ নয় বরং এটি নাগরিকের অধিকার। ধনী-গরিব নির্বিশেষে প্রত্যেক মানুষের চিকিৎসা লাভের অধিকার রয়েছে। মানুষ প্রতিনিয়ত নানাবিধ রোগ-শোকে ভুগছে। বর্তমান সময়ে ভেজাল ও রাসায়নিকযুক্ত খাবারের জয়জয়কার। ফলে মানবদেহে নানাবিধ রোগ বাসা বাঁধে। যতক্ষণ পর্যন্ত সহনশীল মাত্রায় থাকে ততক্ষণ ডাক্তার বা হাসপাতালের দ্বারস্থ হয় না কেউ। যখন আর বিকল্প না থাকে তখন বাধ্য হয়েই যেতে হয় হাসপাতালে।

শিশু থেকে বৃদ্ধ সবাই কোন না কোন রোগে আক্রান্ত। তাদের সঠিক চিকিৎসা এবং সেবা প্রদান করাই হাসপাতালের অন্যতম দায়িত্ব। মহানগরী থেকে ছোট শহরের অলিতে গলিতে পর্যন্ত গড়ে উঠেছে ব্যাঙের ছাতার মত শত শত হাসপাতাল। তবুও কোথাও ফাঁকা নেই, সর্বত্র মানুষের উপচে পড়া ভিড়।

এই ভিড় ভেদ করেও অনেকেই পায় না সুচিকিৎসা। হতাশার গ্লানি নিয়ে ফিরে যেতে হয়। কারণ, প্রত্যেক হাসপাতালে গড়ে উঠেছে অসংখ্য দালাল চক্র। তারা সাহায্য করার নাম করে প্রতারণা জাল ফেলে। তাদের প্রধান টার্গেট অজপাড়া গাঁ থেকে আসা মানুষ এবং সমাজের অশিক্ষিত মানুষ। হাসপাতালের মতো জায়গায় মানবতার হাত বাড়িয়ে না দিয়ে তারা নিজেদের স্বার্থ সিদ্ধির করে। অবৈধভাবে অর্থ উপার্জন করে। তাই এসব দালালদের বিরুদ্ধে এখনই সোচ্চার হতে হবে। তাদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করে আইনের আওতায় আনতে হবে। হাসপাতালকে দালালমুক্ত করতে হবে।

জুবায়েদ মোস্তফা

মঙ্গলবার, ১৯ জুলাই ২০২২ , ০৪ শ্রাবণ ১৪২৯ ২০ জিলহজ ১৪৪৩

হাসপাতাল হোক দালালমুক্ত

চিকিৎসা দেয়া করুণা কিংবা সহানুভূতির বহিঃপ্রকাশ নয় বরং এটি নাগরিকের অধিকার। ধনী-গরিব নির্বিশেষে প্রত্যেক মানুষের চিকিৎসা লাভের অধিকার রয়েছে। মানুষ প্রতিনিয়ত নানাবিধ রোগ-শোকে ভুগছে। বর্তমান সময়ে ভেজাল ও রাসায়নিকযুক্ত খাবারের জয়জয়কার। ফলে মানবদেহে নানাবিধ রোগ বাসা বাঁধে। যতক্ষণ পর্যন্ত সহনশীল মাত্রায় থাকে ততক্ষণ ডাক্তার বা হাসপাতালের দ্বারস্থ হয় না কেউ। যখন আর বিকল্প না থাকে তখন বাধ্য হয়েই যেতে হয় হাসপাতালে।

শিশু থেকে বৃদ্ধ সবাই কোন না কোন রোগে আক্রান্ত। তাদের সঠিক চিকিৎসা এবং সেবা প্রদান করাই হাসপাতালের অন্যতম দায়িত্ব। মহানগরী থেকে ছোট শহরের অলিতে গলিতে পর্যন্ত গড়ে উঠেছে ব্যাঙের ছাতার মত শত শত হাসপাতাল। তবুও কোথাও ফাঁকা নেই, সর্বত্র মানুষের উপচে পড়া ভিড়।

এই ভিড় ভেদ করেও অনেকেই পায় না সুচিকিৎসা। হতাশার গ্লানি নিয়ে ফিরে যেতে হয়। কারণ, প্রত্যেক হাসপাতালে গড়ে উঠেছে অসংখ্য দালাল চক্র। তারা সাহায্য করার নাম করে প্রতারণা জাল ফেলে। তাদের প্রধান টার্গেট অজপাড়া গাঁ থেকে আসা মানুষ এবং সমাজের অশিক্ষিত মানুষ। হাসপাতালের মতো জায়গায় মানবতার হাত বাড়িয়ে না দিয়ে তারা নিজেদের স্বার্থ সিদ্ধির করে। অবৈধভাবে অর্থ উপার্জন করে। তাই এসব দালালদের বিরুদ্ধে এখনই সোচ্চার হতে হবে। তাদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করে আইনের আওতায় আনতে হবে। হাসপাতালকে দালালমুক্ত করতে হবে।

জুবায়েদ মোস্তফা