রাইসির সঙ্গে বৈঠক করতে ইরানে পুতিন-এরদোয়ান

ইরানের রাজধানী তেহরানে পৌঁছেছেন রুশ প্রেসিডেন্ট ভøাদিমির পুতিন এবং তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়্যেপ এরদোয়ান। এই সফরে তারা ইরানের প্রেসিডেন্ট ইব্রাহিম রাইসির সঙ্গে বৈঠক করবেন।

সিরিয়া ইস্যু নিয়ে আলোচনা করতেই এই তিন নেতার মধ্যে বৈঠক অনুষ্ঠিত হবে। তবে একই সঙ্গে যুদ্ধের কারণে ইউক্রেনের শস্য সংকট নিয়েও আলোচনা করবেন তারা। আস্তানা প্ল্যাটফর্মের অধীনে ২০১৭ সাল থেকেই এই তিন দেশ বৈঠক করছে। সিরিয়া যুদ্ধের সমাপ্তি ঘটানোর লক্ষ্যেই এসব বৈঠক হয়ে আসছে। যদিও এখনও পর্যন্ত এ ক্ষেত্রে তেমন কোনো সমাধান মেলেনি। আল জাজিরার এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

এর আগে ক্রেমলিনের পক্ষ থেকে পুতিনের ইরান সফরের বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়। সে সময়ই জানানো হয় যে, গতকাল মঙ্গলবার তিনি তেহরান সফর করবেন। এই সফরে ইরান এবং তুরস্কের কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠক করার কথা রয়েছে তার।

ইউক্রেন যুদ্ধ শুরুর পর সাবেক শুধু সোভিয়েতভুক্ত দেশগুলোতে নিজের সফর সীমিত করেছেন রুশ প্রেসিডেন্ট। ওই যুদ্ধ শুরুর পর গত জুনে প্রথম আন্তর্জাতিক সফরে তাজিকিস্তান ও তুর্কমেনিস্তান যান পুতিন। সাবেক সোভিয়েতভুক্ত এই দেশ দুটিতে বর্তমানে কর্তৃত্ববাদী এবং রুশ মিত্ররা ক্ষমতায় রয়েছেন।

এই সফর পুতিনকে ইরানের সঙ্গে সম্পর্ক আরও গভীর করার সুযোগ তৈরি করে দেবে। মস্কোর আন্তর্জাতিক যে অল্প কয়েকটি মিত্র এবং পশ্চিমা নিষেধাজ্ঞার কবলে থাকা দেশ রয়েছে তাদের অন্যতম ইরান।

গত সপ্তাহে মার্কিন কর্মকর্তারা অভিযোগ করে বলেছিলেন, ইউক্রেন যুদ্ধের জন্য রাশিয়াকে শত শত ড্রোন সরবরাহের পরিকল্পনা করছে তেহরান। যুক্তরাষ্ট্রের এমন অভিযোগের পর তেহরান সফর করছেন পুতিন।

বুধবার, ২০ জুলাই ২০২২ , ০৫ শ্রাবণ ১৪২৯ ২১ জিলহজ ১৪৪৩

রাইসির সঙ্গে বৈঠক করতে ইরানে পুতিন-এরদোয়ান

ইরানের রাজধানী তেহরানে পৌঁছেছেন রুশ প্রেসিডেন্ট ভøাদিমির পুতিন এবং তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়্যেপ এরদোয়ান। এই সফরে তারা ইরানের প্রেসিডেন্ট ইব্রাহিম রাইসির সঙ্গে বৈঠক করবেন।

সিরিয়া ইস্যু নিয়ে আলোচনা করতেই এই তিন নেতার মধ্যে বৈঠক অনুষ্ঠিত হবে। তবে একই সঙ্গে যুদ্ধের কারণে ইউক্রেনের শস্য সংকট নিয়েও আলোচনা করবেন তারা। আস্তানা প্ল্যাটফর্মের অধীনে ২০১৭ সাল থেকেই এই তিন দেশ বৈঠক করছে। সিরিয়া যুদ্ধের সমাপ্তি ঘটানোর লক্ষ্যেই এসব বৈঠক হয়ে আসছে। যদিও এখনও পর্যন্ত এ ক্ষেত্রে তেমন কোনো সমাধান মেলেনি। আল জাজিরার এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

এর আগে ক্রেমলিনের পক্ষ থেকে পুতিনের ইরান সফরের বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়। সে সময়ই জানানো হয় যে, গতকাল মঙ্গলবার তিনি তেহরান সফর করবেন। এই সফরে ইরান এবং তুরস্কের কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠক করার কথা রয়েছে তার।

ইউক্রেন যুদ্ধ শুরুর পর সাবেক শুধু সোভিয়েতভুক্ত দেশগুলোতে নিজের সফর সীমিত করেছেন রুশ প্রেসিডেন্ট। ওই যুদ্ধ শুরুর পর গত জুনে প্রথম আন্তর্জাতিক সফরে তাজিকিস্তান ও তুর্কমেনিস্তান যান পুতিন। সাবেক সোভিয়েতভুক্ত এই দেশ দুটিতে বর্তমানে কর্তৃত্ববাদী এবং রুশ মিত্ররা ক্ষমতায় রয়েছেন।

এই সফর পুতিনকে ইরানের সঙ্গে সম্পর্ক আরও গভীর করার সুযোগ তৈরি করে দেবে। মস্কোর আন্তর্জাতিক যে অল্প কয়েকটি মিত্র এবং পশ্চিমা নিষেধাজ্ঞার কবলে থাকা দেশ রয়েছে তাদের অন্যতম ইরান।

গত সপ্তাহে মার্কিন কর্মকর্তারা অভিযোগ করে বলেছিলেন, ইউক্রেন যুদ্ধের জন্য রাশিয়াকে শত শত ড্রোন সরবরাহের পরিকল্পনা করছে তেহরান। যুক্তরাষ্ট্রের এমন অভিযোগের পর তেহরান সফর করছেন পুতিন।