কিশোরগঞ্জে ওয়াকওয়ে দখল করে মার্কেট

কিশোরগঞ্জ শহর যেন এখন বেওয়ারিশ, অভিভাবকহীন। যেখানে যারা যেভাবে পারছে পৌরসভার বা সরকারী জায়গা দখল করে নিচ্ছে। উচ্ছেদের কোন তৎপরতা পরিলক্ষিত হচ্ছে না। কোথাও নরসুন্দা নদীর তীরের ওয়াকওয়েসহ তীরবর্তী খালি জায়গা দখল করে হকার্স মার্কেটের আদলে গড়ে তুলছে জমজমাট মার্কেট। কোথাও নদী তীরের জায়গা দখল করে গড়ে তুলেছে শাকসবজি আর ফলবাগা, কোথাও গড়ে তুলছে স্থাপনা। আবার কোথাও শহরের গুরুত্বপূর্ণ ব্যস্ত জায়গায় নদীর ওপর নির্মিত সেতুও দখল হয়ে গেছে।

নরসুন্দার ওপর নির্মিত পুরানথানা-বড়বাজার সংযোগ সেতুর উত্তরের মাথা থেকে একটি ওয়াকওয়ে চলে গেছে পূর্বদিকে। এটি এখন আর ওয়াকওয়ে নেই, মানুষেরও যাতায়াতের সুযোগ নেই। এখন হয়ে গেছে পুরোদস্তুর হকার্স মার্কেট। কারা বসালো এই মার্কেট, কারা এখান থেকে সুবিধা নিচ্ছে, জনমনে এসব নিয়ে রয়েছে বিস্তর প্রশ্ন। অনেকদিন আগে ভ্রাম্যমাণ আদালত গিয়ে মার্কেটটি ভেঙে দিয়ে স্থাপনাগুলো নদীর পাড়ে স্তূপ করে আগুন দিয়ে ধ্বংস করে দিয়েছিলেন। কয়েকদিন যেতে না যেতেই আবার জমে গেল মার্কেট। এখন যেন আগেকার যে কোন সময়ের চেয়ে আরও পাকাপোক্তভাবে জেঁকে বসেছে।

এছাড়া নরসুন্দার ওপর নির্মিত সেতুগুলোর মধ্যে সবচেয়ে বেশি যানবাহন পারাপার হয় গৌরাঙ্গবাজার সেতুর ওপর দিয়ে। এই সেতুর দুই পাশের হাঁটার জায়গা অনেক দিন ধরেই হকারদের দখলে। রীতিমত ছাউনি বানিয়ে দোকান সাজিয়ে বসেছে। মানুষের হাঁটার কোনই উপায় নেই। সেতুর যানবাহন চলাচলের জায়গার ওপর দিয়ে শত শত মানুষকে হাটতে হচ্ছে। সেতুর ওপর দিয়ে যানবাহন যাবে নাকি মানুষ হাটবে, উভয়ের জন্যই মারাত্মক সমস্যা তৈরি হচ্ছে। সেতুর ওপর এসব দোকানও এক সময় ওঠানোর উদ্যোগ দেখা যেত। কিন্তু এখন যেন এগুলি স্থায়ী হয়ে গেছে, ওঠানোর কোন উদ্যোগ দেখা যায় না। প্রায়শই এসব ছোট পুঁজির ব্যবসায়ীদের একটি স্থায়ী ব্যবস্থা করার দাবি ওঠে। এ ব্যাপারেও কোন উদ্যোগ পরিলক্ষিত হচ্ছে না।

সোমবার, ০১ আগস্ট ২০২২ , ১৭ শ্রাবণ ১৪২৯ ২ মহররম ১৪৪৪

কিশোরগঞ্জে ওয়াকওয়ে দখল করে মার্কেট

জেলা বার্তা পরিবেশক, কিশোরগঞ্জ

image

কিশোরগঞ্জ শহর যেন এখন বেওয়ারিশ, অভিভাবকহীন। যেখানে যারা যেভাবে পারছে পৌরসভার বা সরকারী জায়গা দখল করে নিচ্ছে। উচ্ছেদের কোন তৎপরতা পরিলক্ষিত হচ্ছে না। কোথাও নরসুন্দা নদীর তীরের ওয়াকওয়েসহ তীরবর্তী খালি জায়গা দখল করে হকার্স মার্কেটের আদলে গড়ে তুলছে জমজমাট মার্কেট। কোথাও নদী তীরের জায়গা দখল করে গড়ে তুলেছে শাকসবজি আর ফলবাগা, কোথাও গড়ে তুলছে স্থাপনা। আবার কোথাও শহরের গুরুত্বপূর্ণ ব্যস্ত জায়গায় নদীর ওপর নির্মিত সেতুও দখল হয়ে গেছে।

নরসুন্দার ওপর নির্মিত পুরানথানা-বড়বাজার সংযোগ সেতুর উত্তরের মাথা থেকে একটি ওয়াকওয়ে চলে গেছে পূর্বদিকে। এটি এখন আর ওয়াকওয়ে নেই, মানুষেরও যাতায়াতের সুযোগ নেই। এখন হয়ে গেছে পুরোদস্তুর হকার্স মার্কেট। কারা বসালো এই মার্কেট, কারা এখান থেকে সুবিধা নিচ্ছে, জনমনে এসব নিয়ে রয়েছে বিস্তর প্রশ্ন। অনেকদিন আগে ভ্রাম্যমাণ আদালত গিয়ে মার্কেটটি ভেঙে দিয়ে স্থাপনাগুলো নদীর পাড়ে স্তূপ করে আগুন দিয়ে ধ্বংস করে দিয়েছিলেন। কয়েকদিন যেতে না যেতেই আবার জমে গেল মার্কেট। এখন যেন আগেকার যে কোন সময়ের চেয়ে আরও পাকাপোক্তভাবে জেঁকে বসেছে।

এছাড়া নরসুন্দার ওপর নির্মিত সেতুগুলোর মধ্যে সবচেয়ে বেশি যানবাহন পারাপার হয় গৌরাঙ্গবাজার সেতুর ওপর দিয়ে। এই সেতুর দুই পাশের হাঁটার জায়গা অনেক দিন ধরেই হকারদের দখলে। রীতিমত ছাউনি বানিয়ে দোকান সাজিয়ে বসেছে। মানুষের হাঁটার কোনই উপায় নেই। সেতুর যানবাহন চলাচলের জায়গার ওপর দিয়ে শত শত মানুষকে হাটতে হচ্ছে। সেতুর ওপর দিয়ে যানবাহন যাবে নাকি মানুষ হাটবে, উভয়ের জন্যই মারাত্মক সমস্যা তৈরি হচ্ছে। সেতুর ওপর এসব দোকানও এক সময় ওঠানোর উদ্যোগ দেখা যেত। কিন্তু এখন যেন এগুলি স্থায়ী হয়ে গেছে, ওঠানোর কোন উদ্যোগ দেখা যায় না। প্রায়শই এসব ছোট পুঁজির ব্যবসায়ীদের একটি স্থায়ী ব্যবস্থা করার দাবি ওঠে। এ ব্যাপারেও কোন উদ্যোগ পরিলক্ষিত হচ্ছে না।