নিত্যপণ্যের কারখানায় লোডশেডিং নয়

বিদ্যুৎ ও জ্বালানি সাশ্রয়ে নেয়া লোডশেডিং সিদ্ধান্তে অস্থির হয়ে উঠতে পারে নিত্যপণ্যের বাজার। কমে যেতে পারে সব ধরনের অত্যাবশ্যকীয় পণ্যের উৎপাদন। এতে তৈরি হতে পারে বড় ধরনের সরবরাহ সংকট। তাই সময় থাকতেই এ ধরনের সংকট ও শঙ্কা এড়াতে চায় বাজার নিয়ন্ত্রণকারী বাণিজ্য মন্ত্রণালয়। দেশে অত্যাবশ্যকীয় পণ্যের উৎপাদন ও সরবরাহ চেইন স্থিতিশীল রাখতে ভোজ্যতেলসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য উৎপাদনকারী সব প্রতিষ্ঠানকে লোডশেডিংয়ের আওতার বাইরে রাখতে বিদ্যুৎ বিভাগের কাছে সুপারিশ করেছে এ মন্ত্রণালয়। উপসচিব খন্দকার নুরুল হক স্বাক্ষরিত ওই সুপারিশ-সংবলিত একটি চিঠি গত সপ্তাহে পাঠানো হয়েছে বিদ্যুৎ সচিব মো. হাবিবুর রহমানের কাছে।

চিঠিতে বলা হয়, ‘বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব তপন কান্তি ঘোষের সভাপতিত্বে গত ১৯ জুলাই দ্রব্যমূল্য ও বাজার পরিস্থিতি পর্যালোচনা সংক্রান্ত টাস্কফোর্স কমিটির তৃতীয় সভা অনুষ্ঠিত হয়। ওই সভায় গৃহীত সিদ্ধান্ত অনুযায়ী আশু সংকট মোকাবিলার লক্ষ্যে এবং ভোক্তার মধ্যে স্বস্তি ফেরাতে ভোজ্যতেলসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য উৎপাদনকারী গ্রাহকদের প্রতিষ্ঠানে লোডশেডিং না করে নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহ অব্যাহত রাখার জন্য নির্দেশক্রমে অনুরোধ করা হলো।’

সম্প্রতি সরকার বিদ্যুৎ ও জ্বালানি সাশ্রয়ের লক্ষ্যে বিভিন্ন ব্যয় সংকোচনমূলক পদক্ষেপ নিয়েছে। এর ধারাবাহিকতায় ঢাকাসহ সারা দেশে প্রতিদিন ১ ঘণ্টা করে শোডশেডিং করার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়।

খাতসংশ্লিষ্ট শিল্পপ্রতিষ্ঠানের নীতিনির্ধারক সূত্রে জানা গেছে, এ লোডশেডিংয়ের সিদ্ধান্তের পর উদ্বেগ জানিয়ে করণীয় ঠিক করতে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ে চিঠি দিয়ে অনুরোধ জানায় ‘বাংলাদেশ ভেজিটেবল অয়েল রিফাইনার্স অ্যান্ড বনস্পতি ম্যানুফ্যাকচারার্স অ্যাসোসিয়েশন’ ভুক্ত প্রতিষ্ঠানগুলো।

তাদের পক্ষ থেকে বলা হয়, সদস্যভুক্ত প্রতিষ্ঠানগুলো সারা দেশে চাহিদা অনুযায়ী ভোজ্যতেল (সয়াবিন/পাম অয়েল ও সানফ্লাওয়ার) চিনি, লবণ, আটা ময়দাসহ অন্য অত্যাবশ্যকীয় পণ্য উৎপাদন ও বাজারজাত করে থাকে।

সারা দেশে এসব পণ্যের ব্যাপক চাহিদা রয়েছে। এর বিপরীতে ভোক্তার চাহিদা পূরণের লক্ষ্যে অ্যাসোসিয়েশনভুক্ত প্রতিষ্ঠানগুলো অত্যাবশ্যকীয় পণ্য উৎপাদন কার্যক্রমে সার্বক্ষণিক নিয়োজিত থাকে। এখন এসব নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য উৎপাদনে নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহে বিঘœ সৃষ্টি হলে উৎপাদন হ্রাস পাবে।

মঙ্গলবার, ০২ আগস্ট ২০২২ , ১৮ শ্রাবণ ১৪২৯ ৩ মহররম ১৪৪৪

নিত্যপণ্যের কারখানায় লোডশেডিং নয়

অর্থনৈতিক বার্তা পরিবেশক

বিদ্যুৎ ও জ্বালানি সাশ্রয়ে নেয়া লোডশেডিং সিদ্ধান্তে অস্থির হয়ে উঠতে পারে নিত্যপণ্যের বাজার। কমে যেতে পারে সব ধরনের অত্যাবশ্যকীয় পণ্যের উৎপাদন। এতে তৈরি হতে পারে বড় ধরনের সরবরাহ সংকট। তাই সময় থাকতেই এ ধরনের সংকট ও শঙ্কা এড়াতে চায় বাজার নিয়ন্ত্রণকারী বাণিজ্য মন্ত্রণালয়। দেশে অত্যাবশ্যকীয় পণ্যের উৎপাদন ও সরবরাহ চেইন স্থিতিশীল রাখতে ভোজ্যতেলসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য উৎপাদনকারী সব প্রতিষ্ঠানকে লোডশেডিংয়ের আওতার বাইরে রাখতে বিদ্যুৎ বিভাগের কাছে সুপারিশ করেছে এ মন্ত্রণালয়। উপসচিব খন্দকার নুরুল হক স্বাক্ষরিত ওই সুপারিশ-সংবলিত একটি চিঠি গত সপ্তাহে পাঠানো হয়েছে বিদ্যুৎ সচিব মো. হাবিবুর রহমানের কাছে।

চিঠিতে বলা হয়, ‘বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব তপন কান্তি ঘোষের সভাপতিত্বে গত ১৯ জুলাই দ্রব্যমূল্য ও বাজার পরিস্থিতি পর্যালোচনা সংক্রান্ত টাস্কফোর্স কমিটির তৃতীয় সভা অনুষ্ঠিত হয়। ওই সভায় গৃহীত সিদ্ধান্ত অনুযায়ী আশু সংকট মোকাবিলার লক্ষ্যে এবং ভোক্তার মধ্যে স্বস্তি ফেরাতে ভোজ্যতেলসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য উৎপাদনকারী গ্রাহকদের প্রতিষ্ঠানে লোডশেডিং না করে নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহ অব্যাহত রাখার জন্য নির্দেশক্রমে অনুরোধ করা হলো।’

সম্প্রতি সরকার বিদ্যুৎ ও জ্বালানি সাশ্রয়ের লক্ষ্যে বিভিন্ন ব্যয় সংকোচনমূলক পদক্ষেপ নিয়েছে। এর ধারাবাহিকতায় ঢাকাসহ সারা দেশে প্রতিদিন ১ ঘণ্টা করে শোডশেডিং করার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়।

খাতসংশ্লিষ্ট শিল্পপ্রতিষ্ঠানের নীতিনির্ধারক সূত্রে জানা গেছে, এ লোডশেডিংয়ের সিদ্ধান্তের পর উদ্বেগ জানিয়ে করণীয় ঠিক করতে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ে চিঠি দিয়ে অনুরোধ জানায় ‘বাংলাদেশ ভেজিটেবল অয়েল রিফাইনার্স অ্যান্ড বনস্পতি ম্যানুফ্যাকচারার্স অ্যাসোসিয়েশন’ ভুক্ত প্রতিষ্ঠানগুলো।

তাদের পক্ষ থেকে বলা হয়, সদস্যভুক্ত প্রতিষ্ঠানগুলো সারা দেশে চাহিদা অনুযায়ী ভোজ্যতেল (সয়াবিন/পাম অয়েল ও সানফ্লাওয়ার) চিনি, লবণ, আটা ময়দাসহ অন্য অত্যাবশ্যকীয় পণ্য উৎপাদন ও বাজারজাত করে থাকে।

সারা দেশে এসব পণ্যের ব্যাপক চাহিদা রয়েছে। এর বিপরীতে ভোক্তার চাহিদা পূরণের লক্ষ্যে অ্যাসোসিয়েশনভুক্ত প্রতিষ্ঠানগুলো অত্যাবশ্যকীয় পণ্য উৎপাদন কার্যক্রমে সার্বক্ষণিক নিয়োজিত থাকে। এখন এসব নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য উৎপাদনে নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহে বিঘœ সৃষ্টি হলে উৎপাদন হ্রাস পাবে।